EMAM Engineering & consultancy

EMAM Engineering & consultancy STRENGTH IN STRUCTURE, BEAUTY IN DESIGN

23/08/2026

সবাই বলে গাঁথুনীর জয়েন্টে ১০–১২ মিমি মসলা (cement-sand mortar) ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু কেন?

❓এর থেকে বেশি দিলে কি সমস্যা?
❓এর থেকে কম দিলে কি সমস্যা?

চলুন আজকে এই বিষয়ে হালকা আলোকপাত করি।
----------------------------------------------------------
সঠিক জয়েন্ট (১০–১২ মিমি) ব্যবহারের কারণ:

✅সমতল ও সোজা গাঁথুনি: কাজের ফিনিশিং উন্নত হয় এবং পরবর্তীতে প্লাস্টার/ফিনিশিং ভালো হয়।
✅পর্যাপ্ত বন্ধন: ইটের সাথে শক্তভাবে আটকে স্ট্রাকচারের সমন্বয় তৈরি করে।
✅লোড ডিস্ট্রিবিউশন: মসলা চাপ সমানভাবে ছড়িয়ে দেয়, ফলে দেয়ালের শক্তি বৃদ্ধি পায়।
✅শিয়ার ও কম্প্রেশন: সঠিক পুরুত্ব দেয়ালের শিয়ার ও কম্প্রেশন সহনশীলতা নিশ্চিত করে।
✅টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী: সঠিক জয়েন্টে পানি প্রবেশের সুযোগ কম থাকে, ফলে স্থায়িত্ব বাড়ে।
----------------------------------------------------------
📌এর বেশি (১২ মিমির বেশি) হলে অসুবিধা:
----------------------------------------------------------
⚠️শক্তি কমে যায়: বেশি মোটা জয়েন্ট শুকানোর সময় সংকোচন হয়ে ক্র্যাক হয়, ফলে বন্ধন দুর্বল হয়।
⚠️সেটেলমেন্টের ঝুঁকি: বেশি মসলা বসে যায়, ফলে দেয়ালে অসমানতা ও দুর্বলতা দেখা দেয়।
⚠️পানির ঝুঁকি বৃদ্ধি: মোটা জয়েন্টে পানি ধরে রাখার প্রবণতা বেশি, ফলে ড্যাম্প ও স্যাঁতসেঁতে সমস্যা হয়।
⚠️উপকরণের অপচয়: অপ্রয়োজনীয় মসলা ব্যবহারে খরচ বাড়ায় এবং কাজের গুণগতমান কমায়।
⚠️দেয়ালের লোড বহন ক্ষমতা কমে যায়: বেশি মোটা জয়েন্টে লোড সঠিকভাবে বহন করতে পারে না।
----------------------------------------------------------
📌 এর কম (১০ মিমির কম) হলে অসুবিধা:
----------------------------------------------------------
⚠️পর্যাপ্ত বন্ধন হয় না: ইটের সাথে ভালোভাবে আটকে না, ফলে জয়েন্ট দুর্বল হয়।
⚠️অসম্পূর্ণ ফিলিং: মসলা পুরো জয়েন্ট ফিল না হলে ফাঁকা থেকে যায়, যা দেয়ালের শক্তি কমায়।
⚠️ক্র্যাক ও ডিফেক্ট: পাতলা জয়েন্টে খালি স্পেসগুলো সমানভাবে না পেয়ে ফাটল ধরতে পারে।
⚠️পানির প্রবেশ সহজ হয়: ফাঁকা জয়েন্ট দিয়ে পানি ঢুকে ভেতরের ইট ও মসলা ক্ষতিগ্রস্ত করে।
⚠️কাজের মান খারাপ: দেয়াল সোজা ও সমতল হয় না, পরবর্তীতে প্লাস্টার/ফিনিশিং সমস্যা হয়।
----------------------------------------------------------
💡 সারাংশ:
গাঁথুনীর জয়েন্টে ১০–১২ মিমি মসলা ব্যবহার করা ইট ও মর্টারের মধ্যে সর্বোচ্চ বন্ধন, শক্তি, স্থায়িত্ব এবং লোড বিতরণের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। এর বেশি বা কম হলে দেয়ালের স্ট্রাকচারাল ইন্টিগ্রিটি ও স্থায়িত্ব উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সহজ ভাবে বললে মসলা কখনো ইটের মত চাপশক্তি বহন করতে পারেনা, মসলার পুরুত্ব যত বেশি হবে গাঁথুনী তত দুর্বল।

নির্মাণ কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে বালি, নির্মাণ কাজের জন্যে বলতে গেলে বালি ছাড়া কোন কাজ করাই সম্ভব নয়। ঢালা...
18/08/2026

নির্মাণ কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে বালি, নির্মাণ কাজের জন্যে বলতে গেলে বালি ছাড়া কোন কাজ করাই সম্ভব নয়। ঢালাই, ইটের গাঁথুনি, প্লাস্টার ইত্যাদি কাজে বহুলভাবে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এটি মূলত সিলিকা থেকে পাওয়া যায়। সাধারণত সমুদ্র বা নদীর উপকূলে, সমুদ্রের তলায়, নদীয় তলায় বালি পাওয়া যায়।

এই বালিকে আমরা তিনভাগে ভাগ করতে পারি। এগুলো হচ্ছে: পিট বালি, নদীর বালি, সমুদ্রের বালি। পিট বালি সাধারণত ভরাট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। সমুদ্রের বালিতে ক্ষতিকর লবণ থাকায় ব্যবহারের অযোগ্য। তাই নির্মাণকাজে মূলত নদীর বালি ব্যবহার করা উচিৎ ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই বালির মাঠ পরীক্ষা করতে হবে।

১। নির্মাণ কাজে বালি ব্যবহার করার আগে কোন প্রকার ময়লা, কাদামাটি যেন না থাকে তা বালির মাঠ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। নির্মাণ কাজের পূর্বে বালি ভালভাবে ধুয়ে নিতে হবে যেন বালির সাথে সংযুক্ত কাদা, ময়লা, আগাছা, ডালপালা, নুড়ি বের হয়ে যায়।

২। খুব সহজে কিছু ক্ষেত্রে পরীক্ষা দ্বারা গুণাগুণ চিহ্নিত করা যেতে পারে। যেমন:

ক) এক হাতের তালুতে বালি নিয়ে অন্য হাত দিয়ে ঘষলে যদি হাতের তালুতে ময়লা লেগে যায়, তবে বুঝতে হবে বালি ভালো নয়।

খ) সামান্য বালি মুখে নিয়ে লবণাক্ততা পরীক্ষা করা যেতে পারে।

৩। একটি কাচের গ্লাসে ১/৪ ভাগ বালি দ্বারা এবং ৩/৪ ভাগ পানি দ্বারা পূর্ণ করে ঝাঁকানোর পর স্থির করলে যদি বালির স্তর একেবারে নিচে থাকে, তবে বুঝতে হবে বালি ভালো। রঙহীন হলেও ভালো বালি বলে চিহ্নিত হবে।

৪। ৩% কস্টিক সোডা সল্যুশনের সাথে অল্প কিছু বালি যোগ করে একটি বোতলে কিছুক্ষণ ঝাঁকিয়ে ২৪ ঘন্টা ঐ অবস্থায় রেখে দিতে হবে। যদি বোতলে রক্ষিত দ্রব্যের রং পরিবর্তন হয়ে বাদামী হয়, তবে বুঝতে হবে বালিতে রাসায়নিক পদার্থ বিদ্যমান।

৫। আমরা সাইটে বালি ট্রাকে করে নিয়ে আসি। অনেক সময় অল্প শিক্ষিত মানুষ এই বালি গ্রহণ করে থাকে। সেই ব্যক্তিকে বোঝাতে হবে যে এক ট্রাক শুকনো বালির চেয়ে এক ট্রাক ভেজা বালির ওজন অনেক বেশি। তাই রাতের বেলা বালি সাইটে আসলে অবশ্যই তা শুকনো/ভেজা তা দেখে নিতে হবে। কারণ সম্পূর্ণ শুকনো বালিতে পানি মেশালে বালির আয়তন বৃদ্ধি পায়। এই বৃদ্ধির ফলে আমরা পরিমাণে কম বালি পাব।

৬। সাইটে পানি দিয়ে পরিশোধনের পর আগে শুকাতে হবে। ভিজা বালি নির্মাণ কাজে ব্যবহার করলে তা স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়।

৭। ল্যাবরেটরিতে বালির দানার গ্রেডিং নিরূপণ করা হয়। এই পরীক্ষার ফলাফলকে Fineness Modulus (FM) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। নির্মাণ কাজের জন্য উপযুক্ত চিকন বালির এফ এম ১.২ থেকে ১.৫ হতহবে।

30/07/2026

দেওয়ালে প্লাস্টার করার জন্য যেসকল বিষয় বিবেচনা করা জরুরী:

​প্লাস্টার কেবল দেয়াল বা ছাদের সৌন্দর্য বাড়ায় না, বরং কাঠামোর স্থায়ীত্ব ও স্থায়িত্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক উপায়ে প্লাস্টার না করলে পরবর্তীতে নোনা লাগা, ক্র্যাক বা ফাটল ধরা এবং প্লাস্টার খসে পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
প্লাস্টার কাজ শুরু করার আগে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা জরুরী:

১. পৃষ্ঠ প্রস্তুতকরণ (Surface Preparation)
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: ইট বা কংক্রিটের সারফেস থেকে ধুলাবালি, তেল, ঝুল, আলগা অংশ বা ময়লা ভালো করে মেজে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

হ্যাচিং বা চিপিং (Chipping): কংক্রিটের মসৃণ সারফেসে (যেমন: বিম, কলাম, ছাদ) প্লাস্টার সহজে জমাট বাঁধতে পারে না। তাই প্লাস্টারের আগে কম্বিং বা চিপিং (ছোট ছোট খাঁজ কাটা) করে সারফেসটি খসখসে করে নিতে হবে।

কিউরিং/ভিজানো: প্লাস্টার শুরু করার অন্তত কয়েক ঘণ্টা আগে দেয়াল বা সারফেস ভালোভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে, যাতে শুকনো ইট বা কংক্রিট প্লাস্টারের কেমিক্যাল বিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পানি শুষে না নেয়।

২. মসলার মিশ্রণ ও অনুপাত (Mortar Ratio)

সঠিক অনুপাত:

ভেতরের দেয়াল: সাধারণত ১:৪ থেকে ১:৬ (১ ভাগ সিমেন্ট : ৪-৬ ভাগ বালি)।

বাইরের দেয়াল: সাধারণত ১:৪ (আবহাওয়ার ধকল সহ্যের জন্য)।

ছাদ (Ceiling): ১:৩ বা ১:৪ অনুপাতে পাতলা প্লাস্টার (সাধারণত ৬ মিমি) করা হয়।

বালির মান: পলি বা কাদা মুক্ত পরিষ্কার বালি ব্যবহার করতে হবে। বালির এফএম (Fineness Modulus) প্লাস্টারের জন্য উপযুক্ত হওয়া প্রয়োজন এবং চালনি দিয়ে চেলে নেওয়া উচিত।

মিশ্রণের সময়: একবারে ততটুকু মসলাই মাখানো উচিত যা ৩০ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে ব্যবহার করে শেষ করা যায়। বেশি সময় পার হয়ে গেলে সিমেন্টের কার্যকারিতা কমে যায়।

৩. চিকেন মেস বা তারের নেট ব্যবহার (Chicken Mesh)

ইট ও কলাম/বিমের সংযোগস্থলে (Joints) বা যেখানে ইট ও কংক্রিট একসাথে মিলেছে, সেখানে প্লাস্টারে ফাটল ধরার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।

এই জয়েন্টগুলোতে অন্তত ৬ ইঞ্চি চওড়া চিকেন মেস (Wire Mesh/Fiber Mesh) পেরেক দিয়ে আটকে তার ওপর প্লাস্টার করা উচিত।

৪. প্লাম্ব বা ওলন এবং সমতা নিশ্চিতকরণ (Plumb & Level)

কাজ শুরু করার আগে ওলন (Plumb bob) এবং স্পিরিট লেভেল দিয়ে দেয়ালের সমতা মেপে নিতে হবে।

দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট বুলস' (Bull points/Dot level) বানিয়ে নিলে পুরো দেয়ালের প্লাস্টারের পুরুত্ব বা থিকনেস একসমান রাখা সহজ হয়।

৫. প্লাস্টারের পুরুত্ব (Thickness)

ভেতরের দেয়াল: ১০ মিমি থেকে ১২ মিমি।

বাইরের দেয়াল:১৫ মিমি থেকে ২০ মিমি (প্রয়োজনে দুই কোটে করা যেতে পারে)।

ছাদ: ৬ মিমি-এর বেশি হওয়া উচিত নয়, কারণ বেশি ভারী হলে ছাদ থেকে প্লাস্টার খসে পড়তে পারে।

৬. পরিবেশ ও আবহাওয়া

কড়া রোদ বা বৃষ্টি: সরাসরি প্রখর রোদে বা ভারী বৃষ্টির মধ্যে প্লাস্টার করা এড়িয়ে চলা ভালো। অতিরিক্ত তাপে প্লাস্টারের পানি দ্রুত শুকিয়ে গিয়ে ফাটল তৈরি করতে পারে।

৭. পরবর্তী পরিচর্যা বা কিউরিং (Curing)

প্লাস্টার শেষ করার ২৪ ঘণ্টা পর থেকে নিয়ম মেনে
কমপক্ষে ৭ থেকে ১০ দিন নিয়মিত পানি দিয়ে কিউরিং করতে হবে। প্লাস্টারের চূড়ান্ত শক্তি অর্জনের জন্য কিউরিং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

পরামর্শ: ইলেক্ট্রিক্যাল কনড্যুইট পাইপ বসানো বা স্যানিটারি লাইনের কাটিংয়ের কাজ থাকলে তা অবশ্যই প্লাস্টার শুরু করার আগেই শেষ করে নেওয়া উচিত।

বিল্ডিং নির্মাণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপসমূহ:একটি মানসম্মত ভবন নির্মাণে প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ...
22/07/2026

বিল্ডিং নির্মাণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপসমূহ:

একটি মানসম্মত ভবন নির্মাণে প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ধারাবাহিকভাবে সম্পূর্ণ নির্মাণ প্রক্রিয়া তুলে ধরা হলো।

১ম ধাপ: প্রাথমিক কাজ

@ সীমানা নির্ধারণ
@ লে-আউট ও RAJUK Setback যাচাই

২য় ধাপ: পাইলিং কাজ

• পাইল পয়েন্ট সেটিং
• বোরিং
• রডের খাঁচা তৈরি
• ব্লক বসানো
• ওয়েল্ডিং
• খাঁচা স্থাপন
• কংক্রিট ঢালাই

৩য় ধাপ: ফাউন্ডেশন

@ মাটি কাটা
@ ড্রেসিং, লেভেলিং ও কম্পেকশন
@ সোলিং ও PCC
@ পাইল ক্যাপ/ফুটিং
@ শর্ট কলাম/ম্যাট
@ আন্ডারগ্রাউন্ড পানির ট্যাংক

৪র্থ ধাপ: গ্রেড বিম

• মাটি ও বালি ভরাট
• কম্পেকশন
• গ্রেড বিম ঢালাই
• কিউরিং

৫ম ধাপ: সুপার স্ট্রাকচার

কলাম ও লিফট ওয়াল

✔️ রড বাইন্ডিং
✔️ শাটারিং
✔️ অ্যালাইনমেন্ট চেক
✔️ কংক্রিট ঢালাই
✔️ কিউরিং

বিম ও ছাদ

✔️ শাটারিং
✔️ রড বাইন্ডিং
✔️ লেভেলিং
✔️ আউটলাইন চেক
✔️ ইলেকট্রিক পাইপ চেক
✔️ কংক্রিট ঢালাই
✔️ পানি ধরে কিউরিং

(একই পদ্ধতিতে প্রতিটি ফ্লোর সম্পন্ন করা হয়।)

৬ষ্ঠ ধাপ: ছাদ ও ওভারহেড স্ট্রাকচার

@ চিলেকোঠা
@ লিফট মেশিন রুম
@ ওভারহেড পানির ট্যাংক
@ জলছাদ (Waterproofing)

৭ম ধাপ: ইটের গাঁথুনি

• লে-আউট
• ইট ভিজানো
• সঠিক অনুপাতে মর্টার
• কিউরিং

৮ম ধাপ: লিন্টেল ও ফলস স্ল্যাব

• শাটারিং
• রড
• ঢালাই
• কিউরিং

৯ম ধাপ: MEP কাজ

@ ইলেকট্রিক পাইপিং ও বক্স ফিটিং
@ স্যানিটারি পাইপিং
@ ডিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট কেবল

১০ম ধাপ: প্লাস্টার

• সারফেস প্রস্তুত
• চিপিং
• প্লাস্টার
• কিউরিং

১১তম ধাপ: টাইলস

* ওয়াল টাইলস
* ফ্লোর টাইলস
* বাথরুমে সঠিক স্লোপ
* পয়েন্টিং

১২তম ধাপ: ফিনিশিং

• মার্বেল/গ্রানাইট
• বেসিন ও সিঙ্ক
• দরজা-জানালা
• গ্রিল ও রেলিং
• থাই গ্লাস
• পলিশিং

১৩তম ধাপ: পেইন্টিং

• সিলার
• পুটি
• স্যান্ডিং
• প্রথম কোট
• দ্বিতীয় কোট
• ফাইনাল কোট

১৪তম ধাপ: ইলেকট্রিক্যাল ফিনিশিং

⚡ ক্যাবল টানা
⚡ সুইচ-সকেট
⚡ MCB/DB
⚡ মিটার সংযোগ

১৫তম ধাপ: বহিরাংশ

* বাউন্ডারি ওয়াল
* মেইন গেট
* ল্যান্ডস্কেপিং
* কোম্পানির সাইনেজ

১৬তম ধাপ: ইউটিলিটি সংযোগ

🚰 WASA Connection
⚡ বিদ্যুৎ সংযোগ
🛗 লিফট
🔋 সাবস্টেশন
⚙️ জেনারেটর

১৭তম ধাপ: হ্যান্ডওভার

*সম্পূর্ণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
* চূড়ান্ত পরিদর্শন
* আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্ল্যাট হস্তান্তর

02/07/2026

Building Crack হওয়ার কারণ – ফাটল কেন হয়?
বাড়ির দেয়াল বা বিমে ফাটল দেখা দিলে অনেকেই বিষয়টিকে ছোট করে দেখেন। কিন্তু সব ফাটল একই ধরনের নয়। কিছু ফাটল শুধু প্লাস্টারের, আবার কিছু ফাটল ভবনের কাঠামোগত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। তাই কারণ জানা এবং সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
----------------------------------------------------------------------------------
Building Crack হওয়ার প্রধান কারণঃ-
▪️দুর্বল Foundation (ভিত্তির সমস্যা) মাটির ধারণক্ষমতা কম হলে বা Soil Test ছাড়া Foundation তৈরি করলে ভবনে অসম বসে যাওয়ার (Differential Settlement) কারণে ফাটল দেখা দিতে পারে।

▪️নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী খারাপ মানের ইট, সিমেন্ট, বালু বা রড ব্যবহার করলে ভবনের শক্তি কমে যায় এবং সময়ের সাথে ফাটল সৃষ্টি হয়।

▪️ভুল Structural Design যোগ্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের ডিজাইন ছাড়া নির্মাণ করলে Load Distribution ঠিকমতো না হওয়ায় Beam, Column বা Wall-এ ফাটল দেখা দিতে পারে।

▪️অপর্যাপ্ত Curing কংক্রিট বা প্লাস্টার যথেষ্ট দিন পানি দিয়ে কিউরিং না করলে Shrinkage Crack তৈরি হতে পারে।

▪️অতিরিক্ত Load ডিজাইনের চেয়ে বেশি লোড নেওয়া বা পরে অতিরিক্ত তলা যুক্ত করলে কাঠামোর ওপর চাপ বেড়ে ফাটল হতে পারে।

▪️তাপমাত্রার পরিবর্তন গরম-ঠান্ডার কারণে কংক্রিটের প্রসারণ ও সংকোচনের ফলে ছোট ছোট ফাটল তৈরি হতে পারে।

▪️পানির ক্ষতি (Water Seepage) ছাদ বা দেয়ালে দীর্ঘদিন পানি প্রবেশ করলে রডে মরিচা ধরে এবং কংক্রিট দুর্বল হয়ে ফাটল সৃষ্টি হয়।

কী করবেন?
▪️ফাটল দেখলেই কারণ নির্ণয় করুন।
▪️বড় বা গভীর ফাটল হলে দ্রুত একজন অভিজ্ঞ Civil Engineer-এর পরামর্শ নিন।
▪️নিয়মিত ভবন পরিদর্শন করলে বড় ধরনের ক্ষতি ও ব্যয় এড়ানো সম্ভব।

ভাবুনতো!!!
25/06/2026

ভাবুনতো!!!

05/05/2026

প্রচন্ড গরমে বিল্ডিং বাড়িতে AC ছাড়াই ঠান্ডা পরিবেশে রাখতে, একটি পরামর্শ যা অত্যন্ত সহজ উপায়ে করতে পারবেন।

AC যাদের আছে তাদেরও কিন্তু এসিতে লোড অনেক কম পড়বে এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে।

কলিচুন + জিঙ্ক অক্সাইড + হোয়াইট সিমেন্ট + ফেবিকল।

পাথুরে চুন পরিমাণমত সারারাত ভিজিয়ে রেখে দিবেন। সিলভারের বালতিতে বা দোকান থেকে তেলের একটা খালি টিন কিনে এনে, সেটাতেই পারলে ভিজিয়ে রাখবেন।

পরের দিন ভোরবেলা সূর্য ওঠার আগেই সব একসাথে মিশিয়ে গাঢ় তরল আকারে করে নিলেন। তারপর একটি মগ দিয়ে ছাদে ফেলে ঝাঁটা/ব্রাশ দিয়ে বিছিয়ে দিতে হবে।

11'*13' একটা রুমের জন্য 5 কেজি পাথুরে চুন + 1.5 কেজি হোয়াইট সিমেন্ট + 1.5 কেজি তরল ফেবিকল (প্যাকেটে যেটা পাওয়া যায়) + 1 কেজি জিঙ্ক অক্সাইড। এতেই যথেষ্ট মোটা আস্তরণ হয়ে যাবে।

ব্রাশ বা প্রলেপ পদ্ধতি:: ২ কোট প্রলেপ করবেন। অবস্যই ট্রান্সভার্স ডিরেকশানে ব্রাশ কোট করতে হবে।

বি: দ্র: পুরো কার্যক্রম টা রৌদ্র উঠার আগেই শেষ করবেন।

তবে এটার লং জিবিটি ২ থেকে ৩ বছর। বর্ষার টানা বৃষ্টি পেলে কিন্তু আস্তরণটা আস্তে আস্তে ধুয়ে যাবে। পরের বছর আবার একই নিয়োমে গরমের শুরুতে দিয়ে নিতে হবে।

** একটা রুমের জন্য মাত্র ৭০০-১০০০ টাকার মত খরচ হবে।
** ছাদের কোনো রকম ক্ষতি হবে না বরং ছাদের টেকসই বেড়ে যাবে।

গুজরা গ্রামের বাসিন্দা মোর্শেদ ভাইয়ের অসাধারণ একতলা গ্রামের বাড়ি।
06/03/2026

গুজরা গ্রামের বাসিন্দা মোর্শেদ ভাইয়ের অসাধারণ একতলা গ্রামের বাড়ি।

Address

1831/1832, চট্টগ্রাম
Chittagong
4377

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EMAM Engineering & consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share