ইলেকট্রিক সপ//electric shop

ইলেকট্রিক সপ//electric shop এখানে,ঘর বাড়ির জাবতীয় বৈদ্যুতিক সং?

11/05/2014
রেসলিং কি আসল না নকল ? জেনে নিন অজানা রহস্ : টেলিভিশনকিংবা ইন্টারনেটে রেসলিং দেখেননি এমন খুব কম লোকই আছে!অনেকের কাছেই এট...
11/05/2014

রেসলিং কি আসল না নকল ? জেনে নিন অজানা রহস্

: টেলিভিশন
কিংবা ইন্টারনেটে রেসলিং দেখেননি এমন খুব কম লোকই আছে!
অনেকের কাছেই এটি জনপ্রিয় প্রোগ্রাম। কিন্তু ম্যাজিকের মতই সারা বিশ্বে রেসলিং এর রহস্য সবার অজানা।
গত কয়েক দশক ধরে চলা জনপ্রিয় এই রেসলিং কে নিয়ে মানুষের
মধ্যে রয়েছে নানা রকম জল্পনা কল্পনা। রেসলিং এ এত আঘাতের
পরেও মানুষ কিভাবে বেঁচে থাকে এটা নিয়েও সবার
মনে রয়েছে নানা সন্দেহ। আর যারা এই রেসলিং এর সাথে জড়িত
তারা কখনই এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে কিছু বলেন না। রেসলিং সম্বন্ধে জেনে নিন অজানা কিছু তথ্য। রেসলিং কি আসলেই নকল?
হ্যা, রেসলিং একটি অসাধারণ মঞ্চ নাটক ছাড়া আর কিছুই না।
তবে সাধারণ মঞ্চ নাটকের সাথে এর পার্থক্য হল মঞ্চে রেসলারদের
ভুল গুলো সহজেই চোখে পরে আর রেসলিং সারা বিশ্বের মানুষ
নানা প্রান্ত থেকে উপভোগ করে। যেখানে বড় বড় তারকা রেসলাররা লড়াইয়ে জিতে বেশি আয়
করে সেখানে কেন একজন রেসলার হেরে যায়? এটার কারণও খুব স্বাভাবিক। মঞ্চ নাটকের মত এটারও
একটা স্ক্রিপ্ট থাকে যাতে বিভিন্ন অভিনেতারা বিভিন্ন
চরিত্রে কাজ করে থাকে। যদি একজন রেসলার নিজে জিততে চায়
তাহলে সে শীঘ্রই তার চাকরি হারাবে। রেসলাররা কি সত্যিই আহত হয়?
এটাও লেখকদের স্ক্রিপ্টে থাকা নকল মারামারির আহত হওয়ার এক
দৃশ্য ছাড়া আর কিছুই না। মঞ্চটি রেসলারদের জন্য
পুরোপুরি সহায়কভাবেই তৈরি করা থাকে। সেই সাথে রেসলারদের জন্য
মঞ্চে নানা রকম আহত হওয়ার আর্ট তৈরি করে রাখা হয় যা সত্যিই
একটু বিপদজনক। কোন রেসলার যদি সেই আর্ট অনুযায়ী কাজ না করে একটুও ভুল করে তবে সে মারাত্মক ভাবে আহত হতে পারে।
তবে কখনই কোন রেসলার তার প্রতিপক্ষকে ইচ্ছে করে আঘাত
করে না ঠিক যেমনটি আমরা চলচ্চিত্রে দেখে থাকি। তবে অনেক সময়
অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারনে প্রতিপক্ষ আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এমন একজন
রেসলারও পাওয়া যাবে না যে এই মঞ্চে আঘাতপ্রাপ্ত হয়নি।
অনেকে বড় ধরনের আঘাত পেয়ে তারা ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন। রেসলিং এর সময় যে রক্ত দেখা যায় তা কি আসল?
বেশিরভাগ সময়ই সেগুলো সত্তিকারের রক্ত থাকে। রেসলারদের
শরীরে বিভিন্ন জায়গায় এক ধরনের ব্লেড ব্যবহার করা হয়।
তবে অনেক সময় অসতর্কতার কারনে শরীরের অন্য অংশ থেকেও
রক্ত ঝরে। এছাড়া রেসলিং এর সময় ব্লাড ক্যাপসুল ব্যবহার
করা হয়। তবে কখনই রং অথবা সস ব্যবহার করা হয় না। রেসলাররা কি অবৈধ ড্রাগ গ্রহণ করে?
সব রেসলাররা অবৈধ ড্রাগ বা স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ ব্যবহার
করে না। অন্যান্য খেলায় পারদর্শী খেলোয়াড়দের মত রেসলাররাও
স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জিম করে ও হরমোন বৃদ্ধির জন্য
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার খায়। তবে অনেক রেসলার
গোপনে ড্রাগ নিয়ে থাকলেও অবাক হওয়ার কিছুই নেই। রেসলিং মঞ্চে রেসলারদের বান্ধবীরা কি সত্যিই তাদের বান্ধবী?
না, রেসলিং মঞ্চে শুধু মাত্র ফ্যামিলি ড্রামা করার জন্যই
রেসলারদের কাছে এ ধরনের সঙ্গিনী পাঠানো হয়। তারাও নানা রকম
ভঙ্গির মাধ্যমে রেসলিং কে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার
চেষ্টা করে থাকে। রেসলিং এ রেফারিরা এত অসহায় থাকে কেন?
অন্যান্য খেলার মত রেসলিং এর রেফারিরা এতটা গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করে না এছাড়া তাদের আচরণেও অত্যন্ত অসহায় ভাব
প্রকাশ পায়। রেফারিদের এ ধরনের আচরণও নাটকেরই একটা অংশ।
রেফারিদের কানে সবসময় একটা হেডফোন লাগানো থাকে।
তারা পরিচালকের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী রেসলিং পরিচালনা করেন।

মেকআপ ছাড়া সানি লিওনলস অ্যাঞ্জেলসে স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবরেরসঙ্গে ছুটি কাটিয়ে মুম্বাইয়ে আসার পথে এই ছবি টুইটারে পোস্টকরে...
11/05/2014

মেকআপ ছাড়া সানি লিওন

লস অ্যাঞ্জেলসে স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবরের
সঙ্গে ছুটি কাটিয়ে মুম্বাইয়ে আসার পথে এই ছবি টুইটারে পোস্ট
করেন সানি।

[[[প্রতিদিন একটি বৃক্ষ ]]]রিকশা চালিয়ে দিনযাপন করেন ফরিদপুর শহরতলিরভাজনডাঙ্গা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব সামাদ শেখ। অভাবের সংসারে...
11/05/2014

[[[প্রতিদিন একটি বৃক্ষ ]]]

রিকশা চালিয়ে দিনযাপন করেন ফরিদপুর শহরতলির
ভাজনডাঙ্গা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব সামাদ শেখ। অভাবের সংসারে নুন
আনতে পান্তা ফুরায়। তবু তার গাছ লাগানোর ইচ্ছা ফুরায় না।
রিকশা চালিয়ে রোজ যা রোজগার করেন সেখান থেকে প্রথমেই
গাছের চারা কেনেন। যেখানেই গাছ লাগানোর উপযোগী একটু
ফাঁকা জায়গা পান সেখানেই চারাটি রোপণ করে দেন। ২৫ বছর ধরে এভাবেই প্রতিদিন একটি গাছ লাগিয়ে আসছেন সামাদ শেখ।
গাছপাগল সামাদ শেখকে নিয়ে প্রচ্ছদ লিখেছেন হাসকালে ঘুম থেকে উঠেই নিজের রিকশাটি নিয়ে রুটি-রুজির কাজে নামেন
ফরিদপুর শহরতলির ভাজনডাঙ্গা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব সামাদ শেখ। এক-দেড়শ' টাকা পকেটে আসার পর নাশতা সেরেই তার প্রথম কাজ গাছের চারা কেনা। একটি গাছও না লাগিয়ে রাতে বাড়ি ফিরেছেন_ এমন ঘটনা গত ২৫ বছরে ঘটেনি তার জীবনে। প্রতিদিনের আয়ের একটি বড় অংশ তিনি ব্যয় করেন চারা কেনা, রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে। সেই সামাদ শেখের ঘরে অভাব- অনটন দু'যুগের নিত্যসঙ্গী। এলাকায় 'পাগলা সামাদ' নামে পরিচিত এই ব্যতিক্রমী মানুষটিকে সবাই ভালো জেনে প্রশংসা করলেও স্ত্রী, দুই ছেলে আর পুত্রবধূর সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। বড় ছেলে কুতুবউদ্দিন রঙমিস্ত্রির কাজ করে। ছোট ছেলে চপল ডিসি অফিসে আর্দালির কাজ করে চুক্তিভিত্তিতে। সামাদের স্ত্রী ঝর্ণা বেগম তার গাছপাগল স্বামীকে নিয়ে গর্বও যেমন করেন, পাশাপাশি সংসারের দৈন্যদশা নিয়ে রয়েছে গভীর হতাশা আর ক্ষোভ।
খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে রিকশা চালাতে বের হন সামাদ। মোবাইল নেই, তাই তাকে সহজে পাওয়া যায় না। এক জায়গায় বেশিক্ষণ স্থির থাকার লোক নন তিনি। মাথার মধ্যে সব সময় একটা বিষয়ই ঘোরে_ রাস্তার পাশে, খাস জমিতে, কবরস্থানে, শ্মশানে, নদীর পাড়ে বা পুকুরের ধারে কোথাও যদি গাছ লাগানোর একটুখানি জায়গা পাওয়া যায়। জায়গা পছন্দ হলেই তিনি ছুটে যান নার্সারিতে।
ফলের চারার মধ্যে তার বেশি পছন্দ কাঁঠাল গাছ। আম, জাম, জামরুল,আমলকী, নারকেল চারাও লাগান সামাদ। গত ২৫ বছরে শুধু ফরিদপুর সদর নয়, পার্শ্ববর্তী চরভদ্রাসন, সদরপুর, মধুখালী, এমনকি রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ ঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য বৃক্ষরোপণ করেছেন তিনি। আমৃত্যু এভাবে গাছ লাগিয়ে যেতে চান সামাদ। গাছের প্রতি তার তীব্র ভালোবাসা। ছায়া আর অক্সিজেন দিয়ে সমৃদ্ধ করে চলেছেন গোটা অঞ্চলকে।
শুধু ফলদ আর বনজ গাছই নয়, মাঝে মধ্যে ঔষধি গাছের চারাও রোপণ করেন সামাদ। গদাধরডাঙ্গি, সাদীপুর, ভাজনডাঙ্গা, হাজীগঞ্জের মানুষের প্রিয়মুখ সামাদের এই ক্লান্তিহীন প্রচেষ্টায় ফরিদপুর চরভদ্রাসন সড়কের পাশে এখন ছায়াহীন কোনো ফাঁকা জায়গা খুঁজে পাওয়া যায় না। বন বিভাগের গাছের সঙ্গে একাকার হয়ে দাঁড়িয়ে তার রোপিত বৃক্ষগুলো মনে করিয়ে দেয়_ সব পাগলামি খারাপ নয়।
তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগমের বয়স ৫০-এর কোঠায়। এক সময় মাটি কেটে রোজগার করে দুই ছেলেকে বড় করেছেন। এখন পরিশ্রম করার মতো শক্তি নেই। ছেলেরা যৎসামান্য আয় করে মাকে দু'বেলা খাবার দেয়। তবে ঝর্ণার অভিযোগ, স্বামীর কোনো খেয়াল নেই তার দিকে। মাথার শুকনো চুল বের করে দেখিয়ে বললেন, 'একটু ত্যাল কিনতে কইছি তিন-চার দিন আগে। সে আইজও পাঁচটা কাঁঠালের চারা কিনছে, কিন্তু ত্যাল আনে নাই।' অভিযোগ স্বীকার করে সামাদ বলেন, 'আমি বাড়ির ছাগলের জন্য দুই কেজি কুঁড়া আর আমাগো খাবারের জন্য দুই কেজি চাইল কিনি প্রতিদিন। বাকি টাকায় গাছের চারা কিনতে হয়। এই রোইদের মধ্যে রিকশা চালানো ভারি কষ্টের কাম। রাস্তায় লোকজন নাই। তাই কামাই-রুজি কম। ত্যাল-সাবান কিনার টাকা পামু কই ?'
অভাবী হলেও ধারদেনা করার অভ্যাস নেই সদাহাস্য সামাদের। টাকা না থাকলে কিছু বাকিতে কেনার পরই রিকশা চালিয়ে টাকা আয় করে জানালা বা দোকানের ঝাপের ফাঁক দিয়ে রেখে যান। নার্সারি থেকে চারা কিনেও একইভাবে গেটের ভেতর টাকা ফেলে রেখে যান। এসব টাকা দেখে সবাই বোঝে এটা সামাদের কাজ। সামাদ শেখ সবচেয়ে বেশি কষ্ট পান তার লাগানো গাছ কেউ তুলে ফেললে বা কেটে বিক্রি করলে। তার লাগানো গাছের ফল স্থানীয়রা যখন খায় বা আগ্রহ করে তার বাড়িতে পাঠায় তখন নিজেকে সার্থক মনে হয় সামাদের।
ভাজনডাঙ্গা হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-সহকারী উদ্যান কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানালেন, ১০ টাকা থেকে ৪০ টাকা দামের বিভিন্ন গাছের চারা প্রতিদিনই কিনে নিয়ে যান সামাদ। কোনো বাকি নেই তার। স্থানীয় বাসিন্দারা তার লাগানো গাছের যত্ন নেয়। বৃষ্টি নামলে মাথা ঠিক থাকে না সামাদের। তখন গাছ লাগানোর ঝোঁক আরও বেড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক হোসেন জানান, প্রতিদিন গাছ লাগিয়ে আনন্দ পান সামাদ শেখ। একজন রিকশাচালক হলেও তার এই কাজ সমাজের অনেক সচেতন মানুষের কাজের চেয়েও মূল্যবান। সামাদ সমাজের একজন অনুকরণীয় ব্যক্তি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পরিবেশবিদ প্রফেসর আলতাফ হোসেনের অভিমত, একজন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ একটি ভালো কাজ করছেন, তাকে আমরা বলছি পাগল। আমার কাছে মনে হয়, সামাদের চেয়ে সুস্থ মানুষ সমাজে কম রয়েছে বলেই তাকে আমাদের পাগল মনে হয়।

নগ্নতা বাংলাদেশি ছবিতে, নগ্নদৃশ্যে আচলসম্প্রতি ট্রেইলার বের হয়েছে 'কিস্তিমাত' নামের একটি ছবির। আর এ্ই ছবিতেই একটি নগ্নদৃ...
11/05/2014

নগ্নতা বাংলাদেশি ছবিতে, নগ্নদৃশ্যে আচল

সম্প্রতি ট্রেইলার বের হয়েছে 'কিস্তিমাত' নামের একটি ছবির। আর এ্ই ছবিতেই একটি নগ্নদৃশ্যে অভিনয় করেছেন নায়িকা আঁচল। দৃশ্যটি দেখে সবাই আতকে উঠেছেন। বাংলাদেশি ছবিতে নগ্ন দৃশ্য।

সমালোচকরা বলছেন, বলিউডের নগ্নতা বাংলাদেশেও ঢুকে পড়েছে। বাংলাদেশের নায়িকারাও নগ্নতার দিকে ঝুকে পড়ছেন। তবে দৃশ্যটি সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

'কিস্তিমাত' ছবির শুটিং ইউনিটসূত্রে জানা যায় প্রিয়ঙ্কা শুটিং হাউসের একটি কক্ষে পরিচালক আচলের নগ্নদৃশ্যটি ধারণ করেন।

উল্লেখ্য, আশিকুর রহমান পরিচালিত কিস্তিমাত ‌ছবিতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ ও আচল। ছবিটি প্রযোজনা করেছে অভিকথাচিত্র।

তসলিমা নাসরীন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত, নিউ ইয়র্কেরহাসপাতালে চিকিৎসা চলছেঅসুস্থ হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসকদেরশরণাপন্ন হয়ে...
11/05/2014

তসলিমা নাসরীন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত, নিউ ইয়র্কের
হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে

অসুস্থ হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসকদের
শরণাপন্ন হয়েছেন বাংলাদেশের বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরীন। ক্যান্সারের আশঙ্কা করছেন বলে নিজেই এক টুইটে জানিয়েছেন
তিনি। শনিবার নিউ ইয়র্কে ঘনিষ্ঠজনদের কাছেও একই কথা বলেন
তিনি। টুইটে তসলিমা জানান, কয়েক দিন ধরে একটু একটু কাঁশি হওয়ায় গত
৬ মে নিউ ইয়র্কের একটি হাসপাতালে যান তিনি। সেখানে তার ফুসফুস
পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা স্তন পরীক্ষা করেন। তার স্তনে টিউমার ধরা পড়েছে, যা প্রায় এক ইঞ্চি পর্যন্ত বিস্তৃত
হয়েছে। এরপরই লেখিকার ‘বায়োপসি’ করা হয়। সোমবার
‘বায়োপসি’র রিপোর্ট দেয়ার কথা। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে তার চিকিৎসা শুরু
হবে জানিয়ে তসলিমা বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় আছেন
তিনি। ক্যান্সারে মায়ের মৃত্যু এবং বর্তমানে এক ভাই নিউ
ইয়র্কে ক্যান্সারের চিকিৎসা নেয়ায় নিজের ক্ষেত্রেও একই সমস্যার
আশঙ্কা তার। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৮৬ সালে এমবিবিএস পাস
করেন তসলিমা নাসরীন। চিকিৎসা সেবার
পাশাপাশি লেখালেখি করতেন। লজ্জা উপন্যাস প্রকাশের পর
মৌলবাদীদের হুমকি ও ব্যাপক হৈ চৈয়ের মধ্যে ১৯৯৪
সালে দেশত্যাগে বাধ্য হন তিনি। এরপর বিভিন্ন দেশে আশ্রয়
নেয়া এই লেখিকা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। সপ্তাহখানেক আগে নয়াদিল্লি থেকে নিউ ইয়র্কে আসেন তিনি।

৩৬ বিয়ের পর সাবুর অনুশোচনা  সাবু মিয়া বলেন, "কোনো বিয়েরই কাবিন ছিল না। শুধুমোল্লা মৌলভীকে দিয়ে দুজন কবুল করেই সংসার।"
10/05/2014

৩৬ বিয়ের পর সাবুর অনুশোচনা সাবু মিয়া বলেন, "কোনো বিয়েরই কাবিন ছিল না। শুধু
মোল্লা মৌলভীকে দিয়ে দুজন কবুল করেই সংসার।"

10/05/2014

সাংবাদিকের কলার চেপে ধরলেন জয়া!

বলিউড অভিনেত্রী জয়া বচ্চন মেজাজ হারিয়ে সাংবাদিকের জামার কলার চেপে ধরেছেন। স্বামী অমিতাভ বচ্চনের স্বাস্থ্যের কথা জানতে চাওয়ায় তিনি এমন আচরণ করেন।

গত ৮ মে মুম্বাইয়ের জুহুতে জয়ার এক আত্মীয়ের ফ্যাশন হাউস উদ্বোধনকালে এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে তাকে এক টিভি সাংবাদিক আচমকা প্রশ্ন করেন, অমিতাভ বচ্চনের শরীরের অবস্থা এখন কেমন? তিনি কি সুস্থ আছেন?

‘বিগ বি’র স্বাস্থ্য নিয়ে আচমকা প্রশ্ন করায় সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন জয়া। এর পরই জয়াকে জিটিভির এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, অমিতাভের নাকি ক্যান্সার হতে পারে? স্বামীকে নিয়ে এ কথা শুনে রেগে গিয়ে ওই সাংবাদিকের জামার কলার চেপে ধরেন তিনি।

এরপর রেগে অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে বেরিয়ে যান ৬৬ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর, সংক্রমণের কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই শরীর ভালো যাচ্ছে না সুপারস্টার অমিতাভ বচ্চনের। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওই সংক্রমণ থেকে অমিতাভের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে পারে। হতে পারে ক্যানসারও।

এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। বলিউড নির্মাতা সুভাষ ঘাইয়ের স্ত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক জয়ার পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে নাম ধরে ডাকায় তিনি খেপে গিয়ে বলেছিলেন, ‘কেন ওকে ঐশ্বরিয়া নামে ডাকছেন? সে কি আপনার সহপাঠী ছিল?’

পরিস্থিতি প্রতিকূল দেখে শাশুড়িকে নিয়ে অনুষ্ঠান থেকে বাড়িতে চলে যান ঐশ্বরিয়া। তার স্বামী অভিষেকও স্ত্রীর নাম ধরে ডাকায় এক সাংবাদিকের ওপর খেপে গিয়েছিলেন।

তবে স্বামীর অসুস্থততা নিয়ে এধরনের ভিত্তিহীন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করায় চটেছেন বচ্চন পরিবারের শুভাকাঙ্খী ও ভক্তরা। তারা সাংবাদিকদের প্রশ্ন করার সময় আরো বিনয়ী হওয়ার আহবান জানান।

ঐশ্বরিয়া ও ক্যাটকে নকল করছেন সানি লিওন!সিনেমা চলুক না চলুক সানি লিওন আলোচনায় থাকবেন এটাই যেন স্বাভাবিক। আর এবার তা বড় ...
10/05/2014

ঐশ্বরিয়া ও ক্যাটকে নকল করছেন সানি লিওন!

সিনেমা চলুক না চলুক সানি লিওন আলোচনায় থাকবেন এটাই যেন স্বাভাবিক। আর এবার তা বড় পর্দা থেকে ছোট পর্দায়। খবরে ছিল আগেই, স্প্লিটভিলার নতুন সিজনে উপস্থাপিকার দায়িত্ব নিতে চলেছেন সানি লিওন।

নতুন খবর হলো, এই অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করতে এসে বলিউডের দুই সুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও ক্যাটরিনা কাইফকে নাকি নকল করতে চলেছেন সানি লিয়ন। বলিউডে পা রাখার পর থেকে শত চেষ্টার পরও সানির গা থেকে খুলতে দেয়নি পর্নস্টার ট্যাগ। তাই নিজেকে বলিউড ডিভার জায়গায় নিয়ে যেতেই নাকি সানির এই নতুন প্রচেষ্টা।

জানা গেছে, ঐশ্বরিয়া ও ক্যাটরিনার মতো করেই নিজের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট রাখছেন সানি লিয়ন। এমনকি এই দুই অভিনেত্রীর জনপ্রিয় ছবির মতো করেই সাজবেন সানি লিয়ন। স্প্লিটভিলা শো'তে বলিউডি ছোঁয়া দিতেই সানির এই অভিনব প্রচেষ্টা। আর সঙ্গে সানির যৌনতার ছোয়া তো থাকছেই। ওয়েবসাইট।

10/05/2014

মানুষ খেকো সেই রহস্যময় গর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি উপকূলীয় এলাকা ঘুরতে গিয়ে হঠাৎ করেই সবার চোখের সামনে অদৃশ্য হয়ে যায় ছয় বছর বয়সী নাথান। সে যেখান থেকে অদৃশ্য হয়েছিল সেই জায়গার কাছাকাছি গিয়ে দেখা যায়, সেখানে হঠাৎই তৈরি হয়েছে একটা গর্ত। আর সেই গর্তেই পড়েই একদম তলিয়ে যায় নাথান। তবে দ্রুত উদ্ধারকারী দল এসে বহু কষ্টে উদ্ধার করে ছোট্ট নাথানকে।

পরে দেখা যায়, নাথান যে গর্তে পড়ে গিয়েছিল সেটা প্রায় ১১মিটার গভীর। কিন্তু অদ্ভুতভাবে গর্তটা কিছুদিনের মধ্যে ফের অদৃশ্য হয়ে যায়। এই ঘটনা সারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হইচই ফেলে দেয়।

বিজ্ঞানীদের মতে, এই গর্তগুলো আসলে এক ধরনের চোরাবালি। বিজ্ঞানীরা আরো বলেন, মানুষের তৈরি বালিয়াড়িতে হঠাৎ হঠাৎ এই ধরনের গর্ত তৈরি হতে পারে যেগুলো কোনো বস্তুকে নিজের গহ্বরে টেনে নিতে সক্ষম। সূত্রঃ জি নিউজ।

10/05/2014

'দৃশ্যগুলো দর্শকদের মেরুদণ্ডে কাঁপুনি ধরিয়ে দেবে'

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভারতীয় পরিচালক মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রতের সিনেমা ‘চিলড্রেন অফ ওয়ার’-এ উঠে এসেছে কীভাবে নিপীড়ণের অন্যতম অস্ত্র হিসেবে ধর্ষণকে ব্যবহার করেছে পাকিস্তানি সেনারা। আর সিনেমায় বীরাঙ্গনার চরিত্র রূপদানকারী রাইমা সেন এবং তিলোত্তমা সোম বলছেন, ধর্ষণের দৃশ্যগুলো চিত্রায়নের পর মানসিকভাবে রীতিমতো বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন দুজনই।

ভারতীয় দৈনিক টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে এ ব্যাপারে রাইমা বলেন, “এটা ছিল আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন দৃশ্যগুলোর একটি। আমি টের পাচ্ছিলাম অন্যরকম এক ভীতি আমার শরীরে জেগে উঠছে।”আরেক অভিনেত্রী তিলোত্তমা বলেন, “ধর্ষণের দৃশ্যে অভিনয়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করাটা সহজ নয় মোটেই। একই সঙ্গে ভারতীয় নারী হিসেবে ধর্ষণের ভয় বোঝাটাও কঠিন নয়। কারণ, প্রতিদিনই আমরা এই ভয়ের মধ্য দিয়ে কাটাই।”

পরিচালক মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রতের মতও একই। “দৃশ্যগুলো দর্শকদের মেরুদণ্ডে কাঁপুনি ধরিয়ে দেবে। আমরা বিষয়টিকে এতটাই ভয়ঙ্করভাবে তুলে ধরছি যে, ধর্ষণের মতো অপরাধ করা তো দূরে থাকুক, ধর্ষকদের ক্ষমা করে দেওয়ার চিন্তাও যেন কারও মাথায় না আসে।”

সিনেমার আরও অভিনয় করেছেন ভিক্টর ব্যানার্জি, পাভান মালহোত্রা, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, ঋদ্ধি সেন এবং রুচা। প্রয়াত অভিনেতা ফারুখ শেখকেও দেখা যাবে গুরুত্বপূর্ণ এক ভূমিকায়।

‘দ্য বাস্টার্ড চাইল্ড’ নামে নির্মিত ছবিটি ‘দ্য চিলড্রেন অফ ওয়ার’ নামে মুক্তি পাচ্ছে বাংলা এবং হিন্দি-- দুই ভাষাতেই। বাংলাদেশ এবং ভারতের বিভিন্ন অংশে ১৬ মে সিনেমা মুক্তি পাবে। বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে ‘যুদ্ধশিশু’ নামে।

10/05/2014

তালেবান ক্যাম্পে এলিয়েনদের হামলা! (ভিডিও)

'নিখোঁজ মালয়েশিয়ান এমএইচ৩৭০ বিমানটি এলিয়েনের (ভিনগ্রহের বাসিন্দা) কব্জায়'- এমন ধারণাটি এবার বোধহয় আরেকটু পাকা-পোক্ত হলো। সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালেবান ডেরায় এলিয়েন হামলা সেই ধারণাকেই পরিস্কার করেছে। এ নিয়ে ইতোমধ্যে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে অনুসন্ধানকারীরা। চিন্তিত হয়ে পড়েছে নাসার মতো মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলোও।

এতদিন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের বিভিন্ন তালেবান ডেরায় আকাশ থেকে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলার কথা শোনা যেত। সম্প্রতি ইউটিউবে আপলোড করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, আফগানিস্তানের আকাশে হঠাৎ উদয় হওয়া ত্রিকোণ আকৃতির একটি ইউএফও (অজানা উড়ন্ত বস্তু) একটি তালেবান ক্যাম্প লক্ষ্য করে প্রচণ্ড শব্দে গুলিবর্ষণ করছে। এরপরেই ওই ক্যাম্প থেকে বড় আকৃতির ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।

এক মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে আফগানিস্তানে পূর্বাঞ্চলীয় শহর আসাদাবাদে এই ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

কিন্তু ভিডিওডি সত্যি কিনা তা নিয়ে অবশ্য অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলছেন ভিডিওতে দৃশ্যমান বাদামি রঙের ত্রিকোণ যানটি আসলে মার্কিন বাহিনীর কোনো নতুন ড্রোন। তবে এ ব্যাপারে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভিডিওটি সম্পর্কে জানা যায়, এটি ধারণ করা হয়েছিল চলতি বছরের মার্চ মাসে। সেসময় ওই অঞ্চলে ন্যাটোর টহলরত একটি গাড়ি থেকে একজন মেরিন সেনা আকাশে অদ্ভূত একটি যান দেখে এই ভিডিওটি ধারণ করে। যানটি কোনো এক লক্ষ্যবস্তুতে আলোক রশ্মির মতো গুলি চালায়। তার কয়েক সেকেন্ড পরেই সেখানে বিস্ফোরণের শব্দ ও ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। পরে ন্যাটো সেনারা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, সেটি আসলে তালেবানদের একটি ক্যাম্প ছিল।

ভিডিওটি আপলোড করার কিছুক্ষণের মধ্যেই ইউটিউবে তা দারুণ আলোচনা সৃষ্টি করে। দেখা গেছে কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিডিওটি প্রায় ৩৭ হাজার বার দেখা হয়।

তালেবান ক্যাম্পে ইউএফও হামলার ভিডিও দেখতে নিচে ক্লিক করুণ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইলেকট্রিক সপ//electric shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share