Land Survey Zoon

Land Survey Zoon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Land Survey Zoon, Surveyor, rupgong/narayongong-, Dhaka.

আধুনিক প্রযুক্তি ও নিখুঁত পরিমাপের বিশ্বস্ত নাম ইসমাইল ল্যান্ড সার্ভে । জমি পরিমাপ, দলিল, নকশা এবং ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় আইনি পরামর্শ প্রদান করে থাকি। ডিজিটাল সার্ভে এবং সঠিক মালিকানা প্রমানের জন্য আজই যোগাযোগ করুন।
মোবাইল নং:01721687877 WhatsApp

02/09/2026

১০০ বছরের পুরাতন দলিল হারিয়ে গেছে? হতাশ হবেন না—এভাবেই খুঁজে দেখুন।
অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেন, "১০০ বছরের পুরাতন দলিল কি এখনো খুঁজে পাওয়া সম্ভব?"
আমার উত্তর—হ্যাঁ, সম্ভব। তবে সঠিক জায়গায় এবং সঠিক পদ্ধতিতে খুঁজতে হবে। শুধু একটি অফিসে গিয়ে না পেলেই ধরে নেবেন না যে দলিলটি আর নেই।
আমি নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করার জন্য পরামর্শ দিবো
১নং: উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভার
যদি জমিটি পরবর্তীতে কেনাবেচা, নামজারি বা অন্য কোনোভাবে রেকর্ডভুক্ত হয়ে থাকে, তাহলে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভারে সেই জমির সূত্র পাওয়া যেতে পারে। অনেক সময় এখান থেকেই পরবর্তী দলিলের তথ্য বা মালিকানার ধারাবাহিকতা জানা যায়।
২️ নং: দলিল লেখকের ডায়েরি বা কম্পিউটার
যদি জানা থাকে কোন দলিল লেখক (Deed Writer) দলিলটি লিখেছিলেন, তাহলে তাঁর সংরক্ষিত ডায়েরি বা কম্পিউটার রেকর্ডে দলিল নম্বর, নিবন্ধনের তারিখ কিংবা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এই তথ্য পরবর্তী অনুসন্ধানকে অনেক সহজ করে দেয়।
৩️ নং: সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার অফিস
যে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছিল, সেখানে দলিল তল্লাশির আবেদন করুন। প্রয়োজনীয় তথ্য থাকলে অনেক পুরাতন দলিলও রেকর্ড থেকে শনাক্ত করা সম্ভব।
৪️ নং: জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের রেকর্ড রুম
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে না পেলে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে অনুসন্ধান করুন। সেখানে সাধারণত নিচের রেকর্ডগুলো পরীক্ষা করা হয়—
✅ সূচি বই-১ (Index Book-1)
দাতা (বিক্রেতা) ও গ্রহীতার (ক্রেতা) নাম দিয়ে দলিল অনুসন্ধান করা হয়।
✅ সূচি বই-২ (Index Book-2)
মৌজার নাম ও দাগ নম্বরের ভিত্তিতে দলিল খোঁজা হয়।
✅ দাতার টিপসই বই
প্রয়োজনে দলিলদাতার টিপসই (আঙুলের ছাপ) মিলিয়ে দলিল শনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়।
এত কিছুর পরও যদি দলিল না পাওয়া যায়?
তাহলে বিষয়টি মৌখিকভাবে না রেখে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রার অফিস থেকে লিখিত প্রত্যয়ন (Written Certificate/Report) সংগ্রহ করুন যে, রেকর্ড অনুসন্ধান করেও দলিলটি পাওয়া যায়নি এবং কী কারণে পাওয়া যায়নি।
এই লিখিত প্রত্যয়ন ভবিষ্যতে আদালত, রেকর্ড সংশোধন, নামজারি বা অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগতে পারে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা
অনেকেই একটি অফিসে খুঁজে না পেয়ে ধরে নেন দলিলটি আর নেই। কিন্তু বাস্তবে বিভিন্ন দপ্তরে সংরক্ষিত রেকর্ড মিলিয়ে অনুসন্ধান করলে বহু বছরের পুরাতন দলিলও উদ্ধার করা সম্ভব। তাই ধৈর্য ধরে প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করুন এবং প্রয়োজনে লিখিত প্রত্যয়ন # # সংগ্রহ করুন। ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ - Ministry of Land, Bangladesh #অনেক সময় একটি পুরাতন দলিলই জমির মালিকানা প্রমাণের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে থাকে

25/08/2026

এই ৫ টি ভূল করলেই হারাতে পারেন নিজের জমি! জমি কেনার আগে ৫টি জরুরি সতর্কতা।
কষ্টের উপার্জিত টাকায় জমি কিনছেন কিন্তু একটি সামান্য ভুলের কারণে পুরো টাকাটাই জলে যেতে পারে! এমনকি হতে পারেন জাল দলিলের শিকার।
পয়েন্ট
১ : নকশা ও সরজমিন জমির মাপ ঠিক আছে তো?
প্রথমত মৌজা ম্যাপের সাথে বাস্তবে জমির সীমানা মিলিয়ে দেখা অতি জরুরি। বিক্রেতা আপনাকে কাগজে যতটুকু বলছেন, সরজমিনে গুনিয়া স্কেল বা ফিতা দিয়ে মেপে দেখুন তা ঠিক আছে কি না।"
পয়েন্ট
২: নামজারি ও সর্বশেষ খতিয়ান চেক করা
"শুধু বিক্রেতার কাছে সিএস বা আরএস খতিয়ান থাকলে চলবে না। বিক্রেতার নামে অনলাইন ই-নামজারি বা সর্বশেষ বিএস/বিডিএস খতিয়ান হালনাগাদ আছে কি না তা নামজারি পোর্টাল থেকে যাচাই করে নিন।
পয়েন্ট
৩: জমির মালিকানা ও ওয়ারিশ সনদ যাচাই
জমিটি যদি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হয়, তবে স্থানীয় চেয়ারম্যান বা কাউন্সেলর অফিস থেকে সঠিক ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করুন এবং সব ওয়ারিশদের হিস্যা বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আছে কি না তা নিশ্চিত করুন।"
পয়েন্ট
৪: ব্যাংক বন্ধক বা খাস জমি কিনা?
"অনেক সময় জমি ব্যাংকে রেহন রাখা থাকে বা খাস জমি জালিয়াতি করে বিক্রি করার চেষ্টা করা হয়। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে খোঁজ নিয়ে মূল দলিলের সত্যতা নিশ্চিত করুন।"
জমি সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতা এড়াতে কেনার আগেই একজন অভিজ্ঞ সার্ভেয়ার বা আমিনের সাহায্য নিন। জমি মেপে দেখতে বা ভূমির নিখুঁত নকশা ও আইনি জটিলতা সমাধানে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।"
ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক দিন, কমেন্টে আপনার প্রশ্নটি জানান এবং পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন। ভূমি সংক্রান্ত আরও আপডেট পেতে Land Survey Zoon page Flowing
#জমিক্রয়বিক্রয় #জমিজমারহয়রানি #জমি #জালদলিল #ভদমিজালিয়াতি

20/08/2026

জমি জমার ঝামেলা থেকে বাঁচার সহজ উপায়
নিজের কষ্টের টাকায় কেনা জমি, নাকি পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি? জমি যাই হোক না কেন, নামজারি খতিয়ান কিংবা রেকর্ডীয় খতিয়ান সংক্রান্ত একটু ভুলের কারণে বছরের পর বছর আদালতের চত্বরে ঘুরতে হতে পারে। অথচ একটু সচেতন হলেই কিন্তু জমি জমার এসব ঝামেলা থেকে নিজেকে ১০০% নিরাপদ রাখা সম্ভব!
বর্তমানে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থার কারণে ভূমি সেবা অনেকটাই হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। জমি কেনার আগে বা পরে ৩টি বিষয় সবসময় মাথায় রাখবেন:
১. দলিল যাচাই: শুধু মূল দলিল নয় বিক্রেতার সত্যিকারের মালিকানা ও নামজারি (Mutation) করা আছে কিনা নিশ্চিত হন।

২. অনলাইন খতিয়ান ও খাজনা: এখন ঘরে বসেই eporchia.gov.bd থেকে খতিয়ান চেক করা যায় এবং ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইনে দেওয়া যায়।

৩. দ্রুত নামজারি: জমি কেনার পরপরই নিজের নামে নামজারি করিয়ে নিন, নাহলে পরবর্তীতে আইনি জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি থাকে।

আপনার জমির কাগজপত্র কি সব ঠিকঠাক আছে তো? কোনো বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকলে আজই যাচাই করে নিন। জমি জমা সংক্রান্ত এমন আরও দরকারী টিপস পেতে ভিডিওটি লাইক দিন এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে সাথে থাকুন!
নিরাপদ থাকুক আপনার সম্পাদ

#জমিজমা #জমিরমলিকানা #মালিকানা ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ - Ministry of Land, Bangladesh

19/08/2026

ঢাকা তেজগাঁও সাতরাস্তা জরিপ অফিসের অফিসিয়াল লে-আউট #ঢাকারেকর্ডঅফিস #তেজগাওভূমিঅফিস

13/08/2026

জমি ক্রয়ের সময় ডকুমেন্টস নিয়ে যে সকল সমস্যা তৈরী হয়ে থাকে

স্বপ্নের জমি কিনতে গিয়ে জালিয়াতি বা আইনি জটিলতায় পড়তে না চাইলে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে

জমি কেনার আগে দলিলের কোন সমস্যাগুলো সবচেয়ে বেশি দেখা দেয়, চলুন জেনে নিই।
প্রথম সমস্যাটি হলো মালিকানার ধারাবাহিকতা না থাকা। বিক্রেতা দাবি করলেই কিন্তু তিনি আসল মালিক হন না। সিএস, এসএ, আরএস এবং বিএস—সবগুলো খতিয়ানে মালিকানার ধরাবাহিকতা ঠিক আছে কি না যাচাই না করলে পরবর্তীতে বড় ধরনের আইনি ঝামেলা তৈরি হয়।

দ্বিতীয়ত, নামজারি না থাকা। অনেকে মূল দলিল দেখালেও নিজেদের নামে নামজারি বা নতুন খতিয়ান তৈরি করেন না। খারিজ ছাড়া শুধু দলিলের ওপর ভিত্তি করে জমি কিনলে রেজিস্ট্রি পেলেও খতিয়ানে আপনার নাম উঠবে না, যার সুযোগ নিয়ে আগের মালিক প্রতারণা করতে পারেন।

তৃতীয়ত: জাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নি এবং অর্পিত বা খাস জমি। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আসল কি না এবং যার নামে জমি তিনি জীবিত আছেন কি না তাহা যাচাই করা জরুরি। এছাড়া জমিটি খাস, অর্পিত সম্পত্তি বা ব্যাংকে বন্ধক রাখা আছে কি না, তা ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে ভালো করে না যাচাই করলে বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।

তাই তাড়াহুড়ো না করে যেকোনো জমি ক্রয়ের আগে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী বা ভূমি বিশেষজ্ঞ সার্ভেয়ারের সাহায্য নিয়ে দলিলের শতভাগ সত্যতা নিশ্চিত করুন। নিরাপদ রাখুন আপনার বিনিয়োগ #ভুমি #জমিক্রয় #ভূমিসেবা @বাংলাদে ভূমি সংক্রান্ত

23/07/2026

জমির পুরাতন দলিল তল্লাশি
ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতা এড়াতে বা নিজের জমির সঠিক মালিকানা নিশ্চিত করতে পুরাতন দলিল তল্লাশি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেকেই জানেন না কীভাবে সঠিক উপায়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বা রেকর্ড রুম থেকে বছরের পর বছর পুরোনো দলিল খুঁজে বের করতে হয়। আজকের ভিডিওতে আমরা মাত্র ২ মিনিটে জানবো এর সহজ উপায়!

১ নম্বার প্রয়োজনীয় তথ্য:
দলিল তল্লাশি দেওয়ার আগে আপনার কিছু মৌলিক তথ্য জানা দরকার। যদি আপনার কাছে দলিলের নম্বর এবং সাল জানা থাকে, তবে তল্লাশি করা খুব সহজ। কিন্তু যদি এগুলো না থাকে? তবে অন্তত দলিলের দাতার নাম, গ্রহীতার নাম, জমির মৌজা এবং আনুমানিক কত সাল থেকে কত সালের মধ্যে রেজিস্ট্রি হয়েছিল—এই তথ্যগুলো গুছিয়ে নিন।

২ নম্বার- তল্লাশির প্রক্রিয়া:
তথ্যগুলো নিয়ে আপনার এলাকার উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। সেখানে নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে ১ নম্বর রেজিস্টার বই বা ইনডেক্স সার্চ করতে হয়। আর যদি দলিলটি খুব পুরোনো হয়—যেমন ৫০ বা ১০০ বছরের আগের—তবে আপনাকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ড রুমে (Record Room) তল্লাশি চালাতে হবে।

৩ নাম্বার সার্টিফাইড কপি
তল্লাশি করে আপনার কাঙ্ক্ষিত দলিলটির বালাম ও পৃষ্ঠা নম্বর পাওয়া গেলে নির্দিষ্ট সরকারি ফি জমা দিয়ে দলিলের জাবেদা বা সার্টিফাইড কপি (Certified Copy) তোলার জন্য আবেদন করতে পারবেন। মনে রাখবেন, সঠিক বালাম ও পৃষ্ঠা নম্বর ছাড়া সার্টিফাইড কপি পাওয়া সম্ভব নয়। তাই তল্লাশির কাজটা একটু ধৈর্য ধরে করা জরুরি।

অসুস্থতার কারনে এই ভিডিও টি AI দিয়ে করা হলো বিষয়টি সকলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন ধন্যবাদ

#দলিল #দলিলতল্লাশি #তল্লাশি #জমির #পুরাতনদলিল

16/07/2026

ওয়ার্কিং খতিয়ান কী সাধারণ মানুষ কি এই খতিয়ান তুলতে পারে
ভূমি জরিপ বা সেটেলমেন্ট কার্যক্রম চলাকালীন মাঠপর্যায়ে খসড়া বা প্রাথমিক রেকর্ড হিসেবে যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়, তা-ই ওয়ার্কিং খতিয়ান (Working Khatian)। এটি চূড়ান্ত খতিয়ান নয়। জরিপ চলাকালে আমিন বা মাঠকর্মীরা সরেজমিনে জমি পরিমাপ করে, মালিকানা ও দখলের তথ্য যাচাই করে এই খতিয়ানে লিপিবদ্ধ করেন। পরবর্তীতে এই ওয়ার্কিং খতিয়ানের ভুলত্রুটি সংশোধন, আপত্তি (Dispute) এবং আপিল শুনানির ধাপগুলো পার হয়ে তবেই চূড়ান্ত খতিয়ান বা 'গেজেট' প্রকাশিত হয়।

সাধারণ মানুষ কি এটি তুলতে পারে?

হ্যাঁ, সাধারণ মানুষ বা ভূমির মালিকরা এটি তুলতে পারেন। তবে এটি চূড়ান্ত খতিয়ানের মতো সার্টিফাইড কপি বা ডিসি অফিস থেকে স্থায়ীভাবে তোলা যায় না। জরিপ চলাকালীন সময়ে মাঠপর্যায়ে (তসদিক বা আপত্তি শুনানির ধাপে) নির্দিষ্ট ফি দিয়ে বা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় এই খসড়া খতিয়ানের নকল বা অনুলিপি সংগ্রহ করা যায়, যাতে নিজের জমির তথ্য ঠিক আছে কি না তা যাচাই করা যায়। কিন্তু চুড়ান্ত প্রকাশ হওয়ার পর এটা জনসাধারণকে আর প্রদান করা হয়না। জরিপ চলাকালীন পাবেন পরে পাবেননা
ওয়ার্কিং খতিয়ান কী? | ভূমি জরিপে ওয়ার্কিং খতিয়ানের কাজ ও তোলার নিয়ম
Working Khatian কী? সাধারণ মানুষ কি এই খতিয়ান তুলতে পারে?
জমি জরিপের ওয়ার্কিং খতিয়ান নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানুন কাজের নিয়ম

ভূমি জরিপ বা সেটেলমেন্টের কাজ চলাকালীন ওয়ার্কিং খতিয়ান' একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। আজকের ভিডিওতে আমরা জানবো ওয়ার্কিং খতিয়ান আসলে কী জরিপের সময় এটি কেন তৈরি করা হয় এবং একজন সাধারণ ভূমির মালিক হিসেবে আপনি এটি তুলতে পারবেন কি না। জমির সঠিক মালিকানা ধরে রাখতে এবং জরিপের ভুল এড়াতে এই খতিয়ান সম্পর্কে জানা জরুরি। বিস্তারিত জানতে পুরো ভিডিওটি দেখুন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: আমি অসুস্থতার কারণে এই ভিডিওটি AI দিয়ে তৈরি করেছি।

#ওয়ার্কিংখতিয়ান #ভূমিজরিপ #জমিরখতিয়ান

18/06/2026

রূপগঞ্জ এবং কালীগঞ্জ উপজেলার একটি বড় অংশ জুড়ে গড়ে উঠেছে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প। এটি দেশের সবচেয়ে বড় পরিকল্পিত নগরী। পূর্বাচলের একটা অংশ পড়েছে রূপগঞ্জে এবং আরেকটি অংশ পড়েছে কালীগঞ্জে। এই প্রকল্পটির প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি সরাসরি ঢাকা-কেন্দ্রিক হওয়ায় ঢাকা জেলার আওতায় নেওয়ার প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত চলছে।
রূপগঞ্জ ও কালীগঞ্জকে ঢাকা জেলার আওতাভুক্ত করার ক্ষেত্রে কোনো প্রশাসনিক চুড়ান্ত আদেশ জারি
করা হয়নি। তবে মেগা সিটি ঢাকা বা মেগাপলিস গঠনের পরিকল্পনায় এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দিক বিবেচনা করে এই দুটি উপজেলাকে ঢাকার অংশ হিসেবেই গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত চলছে। ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক পুর্ন্যবিন্যাস না হওয়া পর্যন্ত এগুলো যথাক্রমে নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার অধীনেই থাকবে। যদি চুড়ান্ত ভাবে ঢাকা জেলার অধিনে অন্তর্ভুক্ত করা হয় সে ক্ষেত্রে আপনাদের মাতামত কি কমেন্টে জানাবেন। ঢাকা জেলার অধিনে হলে এলাকাবাসীর ভালো এবং খারাপ দিক কি হতে পারে সে সকল বিষয় জানতে চাইলে কমেন্টে লিখুন

#রুপগঞ্জউপজেলা #নারায়ণগঞ্জজেলা #ঢাকাজেলা #গাজীপুরজেলা #জেলাপরিবর্তন #ঢাকাজেলাসংশোধন #গাজীপুরজেলাসংশোধন #কালিগঞ্জউপজেলা

16/06/2026

মৌখিক বন্ঠনের আইনগত জটিলতা আপনারা ভাই বোনের মধ্যে যদি সম্পত্তি মৌখিক বন্ঠন করেন সেক্ষেত্রে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হবে সে সকল বিষয় এই ভিডিও মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে #জমিবন্ঠন #মৌখিকবন্ঠন #জমিজমা #বন্ঠনামা #ভূমিআইন #ভূমি #জমিবন্ঠন

22/05/2026

Conversation with Gemini
ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানে বাধ্যতা মূলক

বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, ভূমির মালিকানা ধরে রাখা এবং আইনি জটিলতা এড়ানোর জন্য ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) প্রদান করা বাধ্যতামূলক। ২০২৩ সালের ভূমি উন্নয়ন কর আইন এবং ডিজিটাল স্মার্ট ভূমি সেবার আওতায় এই নিয়মগুলোকে আরও সুনির্দিষ্ট ও কড়াকড়ি করা হয়েছে।

ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের প্রধান বাধ্যতামূলক দিক এবং এর গুরুত্ব
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ভূমির মালিক যদি টানা ৩ বছর ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান না করেন, তবে তাকে বকেয়া করের ওপর বার্ষিক ৬.২৫% হারে (বা প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী) জরিমানা গুণতে হবে। কর ফাঁকি দেওয়া বা দীর্ঘদিন বকেয়া রাখা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানে বাধ্যতা মূলক #ভূমি #ভূমিকর #ভূমিরখাজনা #খাজনা ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ - Ministry of Land, Bangladesh

Address

Rupgong/narayongong-
Dhaka

Telephone

+8801721687877

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Land Survey Zoon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Land Survey Zoon:

Shortcuts

Share

Category