INIS Matrimony - Islamic nikah integration System

INIS Matrimony - Islamic nikah integration System Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from INIS Matrimony - Islamic nikah integration System, Dhaka.

সুস্থ সমাজ গঠনে হালাল বন্ধন 💏

দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামদের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত জীবনসঙ্গী নির্বাচনের নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম।
দ্বীনিয়াত ফাউন্ডেশনের একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান

🎙️বিশেষ বিজ্ঞপ্তি: সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হচ্ছে

02/10/2026

পার্ট টাইম জবে যুক্ত হতে পারেন আপনিও
বেতন ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা

26/09/2026

ডিভোর্সের পর ছোট বোনটা দশ মাসের বাচ্চা নিয়ে আমাদের বাসায় এসে উঠলো। ভাবলাম বোনের বাচ্চাকে নিয়ে আমার স্ত্রী লুনার সময়টা এবার হয়তো ভালোই কাটবে। বোনটাও আমার এ বাড়িতে একটু শান্তিতে থাকতে পারবে। আমাদের বিয়ের সাত বছরেও কোনো বাচ্চাকাচ্চা হলো না। বাবা বললেন আমি বৃদ্ধ হয়েছি তো কি হয়েছে? তোদের চার ভাইবোনকে খাইয়ে পরিয়ে এতো বড় করতে পারলে শেষ বয়সে আমার ছোট মেয়ের দায়িত্বও নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

মাস তিনেক পর থেকেই আমার স্ত্রী লুনার সাথে বিথীর ঝামেলা হতে লাগলো। এ নিয়ে মা প্রায়ই আমার কাছে বিচার দিতেন। আমি লুনাকে বুঝানোর চেষ্টা করতাম যে আজ বিথীর অবস্থা যদি তোমার হতো তাহলে কি করতে?

একদিন অফিস থেকে এসে দেখি বিথী বারান্দায় বসে কাঁদছে। আমার স্ত্রী লুনা বললো, খালি তো বলো আমি খারাপ। তাইলে আজ দুপুরে মা কেন বিথীকে বকলো "বিয়ে দিয়েছি স্বামীর ঘর করার জন্য। নিজের খাসলতের কারণে স্বামীর ভাত খেতে না পেরে ভাই-ভাবীর ঘাড়ে এসে উঠেছিস। তুই মরতে পারিসনা?"

একটা মেয়ে তার এই চরম দুঃসময়ে নিজের মাকেই সবচেয়ে কাছে চায়, পাশে চায়। কিন্তু আমার বোনের বেলায় হলো সম্পূর্ণ উল্টা। মা কেনো জানি দিনকে দিন ওকে আর সহ্যই করতে পারছিলো না। রোজই কিছু না কিছু নিয়ে ঝামেলা হতো। আমার স্ত্রী লুনা মনেমনে তাতে বেশ খুশিই হতো। আমি হলাম মাঝখানে দিশাহারা। ছোট বোনের এমন বিপদে মাকে সামলাবো নাকি নিজের স্ত্রীকে সামলাবো!? কিন্তু মার আচরণে আমি দিনকে দিন অবাক হচ্ছি। নিজের মেয়ের এমন বিপদে মার এই আচরণ একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

বিথী রোজ রাতে বারান্দায় বসেবসে কাঁদে। আমার চার ভাইবোনের মধ্যে এই অসহায় বোনটা ছিল পরিবারের সবার চোখের মণি।তার প্রতি পরিবারের সবার আদরযত্ন ছিল অন্যরকম। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস আজ সেই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত লাঞ্চিত।

আব্বার বয়স হয়েছে। বেশির ভাগ সময় অসুস্থ থাকেন। শুধু মুখটাই যা শক্ত আছে। আমার অন্য দুই ভাই বোন নিজের মতো করে আলাদা থাকে। আব্বা মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। এখন অবসরে আছেন। পেনশনের টাকা আর আমার চাকরির যৎসামান্য বেতনে কোনরকম দিন চলে যায়। মধ্যবিত্ত পরিবারের একটাই সমস্যা। তা হলো টাকা। তার উপর এখন নতুন যোগ হয়েছে ছোট বোনটা। প্রতি মাসে তার এবং তার বাচ্চার পেছনে বাড়তি অনেকগুলা টাকা খরচা হয়। মাঝেমাঝে আমি বেদিশা হয়ে যাই খরচ সামলাতে সামলাতে। তবুও যতই অভাবে থাকি নিজের মায়ের পেটের বোনকে ফেলে তো আর দেয়া যায়না। এব্যাপারটা মাও বুঝতে চায়না আমার স্ত্রীও বুঝতে চায়না।

ইদানিং বিথী আমার সামনে আসতে চায়না। সবসময় নিজেকে লুকিয়ে রাখে। আমি বুঝতে পারি ওর মধ্যে হয়তো অপরাধ বোধ কাজ করে। বর্তমান উর্ধগতির বাজারে টানাপোড়েনের সংসারে হুট করে দুজন মানুষের বাড়তি খরচ নেহাতই কম না।

মাস শেষে আজ বেতন পেলাম। বিথীকে ডেকে জিগ্যেস করলাম "কিরে কই থাকিস সারাদিন? সবসময় এমন মন মরা হয়ে থাকিস কেন? মা আর লুনা ছাদে গেছে শুকনো কাপড় আনতে। আমি বাজারে যাব কিছু লাগবে তোদের? লাগলে বল মা আর তোর ভাবি জানতে পারবেনা। "

বোনটার মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছে না। চেহারার কি হাল হয়েছে। চিন্তায় রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে চোখ দুটো কঠোরের ভেতর ঢুকে গেছে। চাঁদমাখা মুখটার কি শ্রী হয়েছে! দুধে আলতা গায়ের রঙ ছিল বোনটার। অথচ ডিভোর্সের এই কয়েক মাসে যেন পাতিলের তলায় রুপ নিয়েছে।

ও ঝরঝরে কেঁদে উঠলো। বললো ভাইয়া মেয়েটার জ্বর দুদিন থেকে। বুকের দুধ ছাড়া বাড়তি কোনো খাবার মুখে দিতে পারিনা ভয়ে। মা ফ্রিজ লক করে রাখে। ভাবিও নিষেধ করেছে ওনাকে না বলে যেন কোনো কিছু না ধরি। তার কান্না ভরা কন্ঠে কথাগুলো শুনে আমার চোখ ভিজে এলো। তাকে শান্তনা দিয়ে বললাম, চিন্তা করিস না বোন। মানুষের খারাপ সময় আজীবন থাকেনা। রাত যত গভীর হয় ভোর তত নিকটে আসে। আমি বাজার থেকে তোর মেয়ের জন্য কিছু খাবারদাবার নিয়ে আসবো। তুই তোর খাটের নিচে লুকিয়ে রাখিস কেমন।

বাবার ভুলের খেসারত আজ বোনটাকে দিতে হচ্ছে। কত করে নিষেধ করেছি কোনো বিদেশি ছেলের কাছে বিথীকে বিয়ে দিও না। মার অতি চালাকি আর লোভের কারণে বাবা আমাদের ভাইবোনের কথা অগ্রাহ্য করে ছেলের কোনো খোঁজ খবর না নিয়েই তড়িঘড়ি করে বিয়ে দিয়ে দিল। বিয়ের কিছুদিন পর জানতে পারি ছেলের কোনো লেখাপড়া নেই তারউপর নেশা করে। সৌদি থেকে দেশে এসে কয়দিন রমরমা চললেও এখন ধারকর্জ করে নেশা করে। বিথী কিছু বললে গায়ে হাত তোলে। বিথীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। টাকার বিনিময়ে বাজে বন্ধুদের বাড়িতে এনে বিথীকে বলে তাদের মনোরঞ্জন করে খুশি করতে। বিথী রাজি না হওয়াতে তাকে মারপিট করে ডিভোর্স দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

গত মাসে একটা বড় কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম। আজ এইচ আর থেকে ফোন করে কনফার্ম করলো। আগামী মাসে জয়েনিং। সেলারি বর্তমানের দিগুণ। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে প্রায় দিগুণ সেলারির জবটা বিথী আর বিথীর মেয়ের জন্যই হয়েছে। নাহয় গত বার বছরে আমি মনে হয় বারটা ইন্টারভিউ ফেস করেছি। অনেক ভালো ভালো ইন্টারভিউ দিয়েও টেন পার্সেন্ট বাড়তি সেলারিতে কোথায়ও ঢুকতে পারলাম না। অথচ এখন কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়াই হঠাৎ ইন্টারভিউ ফেস করে চাকরি হয়ে গেল, তাও আবার দিগুণ সেলারিতে! অবিশ্বাস্য ব্যাপার। অসহায় বোন ভাগ্নীর রিজিক হয়তো আল্লাহ আমার মাধ্যমেই পাঠাচ্ছেন। যাক, বাসায় গিয়ে বিথীকে বলবো আর যেন চিন্তা না করে। আগামী মাস থেকে হাতখরচ বাবত ওকে কিছু টাকা দেব যেন ওদের মা মেয়ের প্রয়োজন মিটাতে পারে। সে সাথে একটা সেলাই মেশিন কিনে দিব। বিয়ের আগে যুব উন্নয়ন থেকে ওর সেলাইয়ের উপর প্রশিক্ষণ নেওয়া ছিল। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেই যেন অনলাইনে একটা ছোটখাটো বিজনেস দাড় করাতে পারে। আমার বিশ্বাস বিথী বেশ খুশি হবে আমার পরিকল্পনা শুনে এবং একজন সফল উদ্দোক্তাও হতে পারবে নিজের শ্রম আর বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে।

এসব ভাবতে ভাবতে বাসের হেল্পার যখন আজমপুর আজমপুর বলে ডাকতে লাগলো তখন ভাবনায় আমার ছেদ পড়লো। বাস থেকে নেমে বনফুল থেকে দুই কেজি মিষ্টি নিলাম। ছোট বেলায় বিথীর মিষ্টি খুব ফেবারিট ছিল। তাছাড়া নতুন জবের সুসংবাদটা খালি মুখে দেওয়া বেমানান হবে। সারাদিনের ক্লান্তি আর ঘর্মাক্ত শরীর নিয়ে যখন বাসার সামনে আসি দেখি চেনা অচেনা অনেক মানুষের ভিড়। প্রতিবেশী কয়েকজনকে বলতে শুনলাম, এইতো মেয়ের ভাই এসেছে। বাসার সামনে লোকে লোকারণ্য। ভিড় ঢেলে ড্রয়িং রুমে প্রবেশ করতেই সবার কান্নাকাটির শব্দ কানে আসলো। বিথীর রুমের খোলা দরজায় চোখ পড়তেই দেখি বোন আমার ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে ঝুলে আছে। আমাকে দেখে বাবা হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠলেন খোকা তুই এসেছিস? এদিকে আমার যে সব শেষ হয়ে গেল রে বাবা। আমার সোনার ময়না পাখি উড়াল দিয়ে চলে গেল অচিন দেশে। দুপুরে বিথী মাছের পেটির পিসে কাঁটা কম সেজন্য পেটি খুটে ভাত খাইয়েছিল মেয়েকে। এ নিয়ে তোর মা আর বৌমা বিথীকে কথা শুনিয়েছে। তাতেই পাখি আমার অভিমান করে আত্নহত্যা করে ফেললো।

আমি যেন একমুহূর্তে পাথর মূর্তি হয়ে গেলাম। মাকে দেখলাম মেঝেতে বসে খাটে মাথা ঠেকিয়ে বিলাপ করে কাঁদতে। আমার স্ত্রী লুনা, বিথীর মেয়েকে কোলে নিয়ে কাঁদছে। আমার বাকি দুই ভাইবোন খবর পেয়ে বিকালেই চলে এসেছে। আমার ফোনের চার্জ শেষ হয়ে অফ হয়ে গিয়েছিল তাই কেউ কিছু জানাতে পারেনি। লোকজন বলাবলি করছে, থানায় খবর দেওয়া হয়েছে।

আমি তাকিয়ে দেখি বোন আমার ছাতক পাখির মতো আমার দিকেই যেন চোখ মেলে চেয়ে আছে। হাতের চুড়িতে ভাঁজ করা একটা চিরকুট পাওয়া গেল। তাতে ছোট বড় কষ্টের অক্ষরে লেখা- "ভাইয়া তুই এসেছিস? বিশ্বাস কর ভাইয়া এতো সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে এতো তাড়াতাড়ি মোটেও যেতে ইচ্ছা করছিল না আমার। কিন্তু কি করবো? উপায় যে আমার আর ছিল না। পৃথিবীটা আমার জন্য জাহান্নাম হয়ে গেছে। আমার মেয়েটাকে তুই দেখে রাখিস ভাইয়া। পারলে আমাকে ক্ষমা করিস। আমি তোদের বোঝা ছিলাম। তাই বোঝাটাকে নামিয়ে মাটিচাপা দিয়ে দিস চিরদিনের জন্য। মা আর ভাবিকে বলিস ভালো থাকতে শান্তিতে থাকতে। আমি আর জালাতন করবো না কোনদিন।
সবাইকে নিয়ে খুব বেশি ভালো থাকিস 😭😭

✍️এক ভাইয়ের লেখা।

একজন দ্বীনদার পাত্র আবশ্যক।পোষ্টটি শেয়ার করে উপযুক্ত ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দিন।দিনাজপুরের একজন জেনারেল শিক্ষিত, দ্বীনদা...
20/09/2026

একজন দ্বীনদার পাত্র আবশ্যক।
পোষ্টটি শেয়ার করে উপযুক্ত ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দিন।

দিনাজপুরের একজন জেনারেল শিক্ষিত, দ্বীনদার, অবিবাহিত এক বোনের জন্য উপযুক্ত দ্বীনদার একজন পাত্র আবশ্যক।

📋 বায়োডাটা নং: INIS-1246
📍 ঠিকানা: ফুলবাড়িয়া, দিনাজপুর
🎓 পেশা: নার্সিং স্টুডেন্ট, বার্থডেম মেডিকেল কলেজ
🎂 জন্মসন: ০৪ নভেম্বর, ১৯৯৮
📏 উচ্চতা: ৫' ৩"
⚖️ ওজন: ৫৫ কেজি
🩸 রক্তের গ্রুপ: B+
💍 বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত

🔗 পাত্রীর আরো বিস্তারিত তথ্য কমেন্ট বক্সে দেওয়া লিংকে পাওয়া যাবে।

#বিবাহ_প্রস্তাব #দ্বীনদার_পাত্র #দ্বীনদার_পাত্রী #বিবাহ #ইসলামিক_বিবাহ #মুসলিম_বিবাহ #বিবাহ_সহজ_করুন #দিনাজপুর #ফুলবাড়িয়া

18/09/2026

কোন জেলায় বিবাহ ব্যবস্থা সবচেয়ে কঠিন??
ক-চট্টগ্রাম খ-বরিশাল গ-ঢাকা ঘ-সিলেট ঙ-অন্য_জেলা

আমরা মামুনুর রশিদ কাসেমীর অনেক সমালোচনা করি।কিন্তু তার কাজের নিয়ত ও লক্ষ্য সম্পর্কে কখনো জানার চেষ্টা করেছি? করিনি।আমরা...
11/09/2026

আমরা মামুনুর রশিদ কাসেমীর অনেক সমালোচনা করি।
কিন্তু তার কাজের নিয়ত ও লক্ষ্য সম্পর্কে কখনো জানার চেষ্টা করেছি?
করিনি।

আমরা যতটুকু জানি বা আমাদের কাছে পৌঁছে,তা হলো ,তিনি একাধিক বিবাহ নিয়ে কাজ করছেন।
আর আমরা সমালোচনা করি এই বলে, একাধিক বিবাহ করা কি ফরজ?
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একাধিক বিবাহ কি চলে?

কিন্তু মামুনুর রশিদ কাসেমী কি শুধুই একাধিক বিবাহ নিয়ে কাজ করেন?
একদম না। তিনি যে কাজগুলো করেন তার একটি মাত্র অংশ একাধিক বিবাহ।
অর্থাৎ যাদের স্ত্রী আছে, এরপরও বিবাহ করতে ইচ্ছুক তাদের তিনি উদ্বুদ্ধ করেন। এটা তাঁর কাজের একটা মাত্র অংশ।

কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করি-

(১)
আমাদের সমাজে এমন অনেক নারী আছে,যাদের অল্প বয়সে স্বামী মারা যায়। যদি স্বামী মারা যাওয়ার আগে তাদের ছেলে সন্তান হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে 95 শতাংশ এই মহিলারা সামাজিক রীতি-নীতির কারণে পরবর্তীতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে না।
অথচ, তাদের শারীরিক ও যৌবিক চাহিদা অক্ষুন্ন থাকে।
আমি ব্যক্তিগতভাবে এ ধরণের মহিলাদের পরবর্তীতে বিবাহ দেওয়ার পক্ষে। যদি কোথাও এমন প্রেক্ষাপট তৈরি হয় এবং আমার পরামর্শ চায়, আমি সরাসরি বিবাহের পরামর্শ দিয়ে থাকি।
তবে এই ধরণের মহিলাদের বিবাহ দেয়ার জন্য আমার কোন ভীষণ মিশন নেই।
এই কাজটি করছেন মুফতি মামুনুর রশিদ কাসেমী।

(২)
সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ বছর পর্যন্তও মহিলাদের স্বাভাবিক যৌ/ন চাহিদা থাকে।
২৫ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত কোন মেয়ের ছেলে সন্তান থাকার পরে স্বামী মারা গেলে, আমাদের সমাজে তাদের বিবাহ দেওয়ার জন্য কোন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয় না।
কিন্তু তাদের যৌবিক চাহিদা অক্ষুন্ন থাকে।এটা সমাজের সবাই জানে। আর জানে জন্যই তাদের ভোগ করার জন্য নীরবে প্রস্তাব দিয়ে যায়।
তাদের বিবাহ করবে না, বিবাহও দিবে না। কিন্তু তাদের ফুসলিয়ে ভোগ করার ব্যবস্থা করবে।

(৩)
মুফতি মামুনুর রশিদ কাসেমী একটা কথা বলেছেন, একটা সাক্ষাৎকারে। কথাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বাস্তবসম্মত।
তিনি বলেছেন-
বাঙালি পুরুষ এক স্ত্রীতে আটকায়, এক নারীতে না।
অর্থাৎ শুরুতেই এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছি। আমরা সমালোচনা করি একাধিক বিবাহ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চলে না এটা বলে যে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দ্বিতীয় বিবাহ করা অসম্ভব।
আর এই অজুহাতেই 99 শতাংশ মানুষ দ্বিতীয় বিবাহ করার সাহস পায় না। অর্থাৎ এক স্ত্রীতেই আটকে থাকে। তবে এক নারীতে না।
তার মানে হলো-
বিবাহ বহির্ভূত একাধিক নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়।

(৪)
মুফতি মামুনুর রশিদ কাসেমী সেই সাক্ষাৎকারে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা উল্লেখ করেছেন।
৬০- ৬৫ বছরের বৃদ্ধদের বিবাহ নিয়ে কাজ করেন।
অর্থাৎ এই বয়সে যাদের স্ত্রী মারা গেছে, তাদের বিবাহর বন্দোবস্ত করেন।
কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু শরীয়ত সমর্থিত দিক।

তিনি উল্লেখ করেছেন-
একটা পুরুষ মানুষের এই বয়সে স্ত্রীর এজন্য প্রয়োজন যে, তাকে এই বয়সে দেখাশোনা করবে।
তার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
যেমন, চুল কাটা, বগলের লোম কাটা, নাভির নিচের পশম কাটাসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো একমাত্র স্ত্রী দ্বারাই করা সম্ভব।

আমাদের সমাজে স্ত্রী না থাকলে এই কাজগুলো যারা করেন।
তারা হলো- হাসপাতাল থেকে নার্সরা এসে এই কাজগুলো করে দিয়ে যায়।
অনেক ক্ষেত্রে, নিজের মেয়ে, নিজের ছেলের স্ত্রী এগুলো কাজ করে থাকে।
এতে করে হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হওয়া সংখ্যা থাকে 90%।

কারণ, যদি মেয়ে তার বাবার শরীরের কোথাও স্পর্শ করে, আর এতে করে মেয়ে অথবা তার পিতা যে কারো মধ্যে যদি সামান্যতম উত্তে*জনা কাজ করে সাথে সাথে হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হয়ে যাবে এবং তার মেয়ের মা স্বামীর জন্য(তার পিতার জন্য) সারা জীবনের জন্য হারাম হয়ে যাবে।

এই কাজটা যদি নিজের ছেলের স্ত্রী, অর্থাৎ বৌমাকে দিয়ে করায়। সেক্ষেত্রে দুইজনের যে কারো মধ্যে শরীরে স্পর্শ করার কারণে উত্তে/জনা কাজ করলে, ছেলের স্ত্রী ছেলের সারা জীবনের জন্য হারাম হয়ে যাবে।

এখানে উল্লেখ্য:-
আমাদের সমাজের অনেক বাবা এবং তার প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে, মা ও তার প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে একসাথে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারে চলাচল করে এবং একজনের শরীর আরেকজনের সাথে স্পর্শ করে।
এ সময় যদি বাবা মেয়ে অথবা ছেলে ও মার যে কারো মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে সামান্যতম উত্তেজনা চলে আসে তাহলে, বাবার ক্ষেত্রে নিজের স্ত্রী চির জীবনের জন্য এবং মায়ের ক্ষেত্রে মা বাবার চিরজীবনের জন্য হারাম হয়ে যাবে।
শরীয়তের পরিভাষা এটাকে হুরমতে মুসাহারাত বলে।

এজন্য দশ বছর বয়সে ছেলে মেয়ের বিছানা আলাদা করে দেওয়া পিতা-মাতার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

সংগৃহীত
(চলবে...)

যশোরের স্ত্রীহারা কলেজ শিক্ষক পাত্রের জন্য পাত্রী প্রয়োজন বায়োডাটা নং: INIS-1114যশোরের একজন সম্মানিত কলেজ শিক্ষক ও স্ত...
29/08/2026

যশোরের স্ত্রীহারা কলেজ শিক্ষক পাত্রের জন্য পাত্রী প্রয়োজন
বায়োডাটা নং: INIS-1114

যশোরের একজন সম্মানিত কলেজ শিক্ষক ও স্ত্রীহারা পাত্রের জন্য একজন উপযুক্ত পাত্রী প্রয়োজন।

📌 বিস্তারিত জানতে কমেন্ট বক্সে দেওয়া লিংকে দেখুন।

🤝 অন্যের জন্য বিবাহের ব্যবস্থা করাও একটি নেক কাজ ও ইবাদতের অংশ। তাই আসুন, আমরা শুধু নিজের বিবাহের চিন্তা না করে অন্যের বিবাহ সহজ করার জন্যও আন্তরিকভাবে চেষ্টা করি।

🌸 আপনার পরিচিত কোনো উপযুক্ত পাত্র/পাত্রী থাকলে যোগাযোগ করিয়ে দিন।
🌸 একটি পরিবারকে বৈধ ও সুন্দর বন্ধনে আবদ্ধ হতে সহযোগিতা করুন।
🌸 সামাজিকভাবে বিবাহ সহজ করতে—সবাই সবার জন্য চেষ্টা করি।

আপনার একটি পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়তো একটি পরিবারের সুখের কারণ হয়ে যেতে পারে। ❤️

আসুন, বিবাহকে কঠিন নয়—সহজ করি।

সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় সামাজিকভাবে বিবাহ সহজ করার উদ্যোগবর্তমান সমাজে উপযুক্ত পাত্র-পাত্রীর সন্ধান, নির্ভরযোগ্য তথ্যে...
28/08/2026

সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় সামাজিকভাবে বিবাহ সহজ করার উদ্যোগ

বর্তমান সমাজে উপযুক্ত পাত্র-পাত্রীর সন্ধান, নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাব এবং পারস্পরিক যোগাযোগের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক যোগ্য ছেলে-মেয়ের বিবাহ বিলম্বিত হয়। অথচ সমাজের প্রত্যেক সচেতন ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে অনেক পরিবারের জন্য বিবাহের পথ সহজ হতে পারে।

INIS Matrimony এমন একটি সহযোগিতামূলক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য হলো সমাজের বিভিন্ন পরিবার, ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পারস্পরিকভাবে সম্পৃক্ত করে উপযুক্ত পাত্র-পাত্রীর সন্ধান ও নিকাহের প্রক্রিয়াকে সহজতর করা।

এই উদ্যোগে প্রত্যেকে শুধু নিজের জন্য নয়; বরং আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতদের মধ্যেও উপযুক্ত পাত্র-পাত্রীর সন্ধানে সহযোগিতা করতে পারবেন।

আমাদের সম্মিলিত ভূমিকা

🔹 পাত্র-পাত্রীর বায়োডাটা শেয়ার করা
উপযুক্ত পাত্র-পাত্রীর বায়োডাটা সংগ্রহ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

🔹 পরিচিতদের কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়া
কোনো বায়োডাটা নিজের জন্য উপযুক্ত না হলেও পরিচিত বা আত্মীয়দের মধ্যে কারও জন্য উপযুক্ত মনে হলে তার কাছে পৌঁছে দেওয়া।

🔹 পরিবারের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করা
উপযুক্ত মনে হলে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর মধ্যে সম্মানজনক ও নিরাপদ যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করা।

🔹 সমাজের সম্মিলিত শক্তিকে কাজে লাগানো
একজনের পরিচিতি যতটুকু, সবার সম্মিলিত পরিচিতি তার চেয়ে বহুগুণ বেশি। তাই প্রত্যেকে নিজের পরিচিত পরিসরে সহযোগিতা করলে উপযুক্ত পাত্র-পাত্রীর সন্ধান অনেক সহজ হয়ে উঠতে পারে।

🔹 বিবাহকে সহজ করার সামাজিক সংস্কৃতি তৈরি করা
অপ্রয়োজনীয় জটিলতা, অতিরিক্ত প্রত্যাশা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতা কমিয়ে সহজ ও স্বাভাবিকভাবে নিকাহের পরিবেশ তৈরিতে সবাই ভূমিকা রাখবেন।

আমাদের অঙ্গীকার

INIS Matrimony কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি সম্মিলিত সামাজিক সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রত্যেক সহযোগী হতে পারেন অন্য একটি পরিবারের জন্য নিকাহের পথ সহজ করার মাধ্যম।

আমাদের প্রত্যেকের একটি ছোট উদ্যোগ—একটি বায়োডাটা সঠিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়া, একজন উপযুক্ত পরিবারের কথা অন্য পরিবারকে জানানো কিংবা একটি সম্ভাব্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা—কারও জীবনে একটি সুন্দর পরিবারের সূচনা করতে পারে।

তাই আসুন, আমরা শুধু নিজের জন্য নয়, সমাজের প্রতিটি উপযুক্ত ছেলে-মেয়ের নিকাহ সহজ করার উদ্দেশ্যে একে অপরের পাশে দাঁড়াই।

INIS Matrimony

Islamic Nikah Integration System

সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায়, সামাজিকভাবে সহজ হোক বিবাহ ব্যবস্থাপনা।

আলহামদুলিল্লাহ! 🌸ঢাকার ডেমরায় আরও একটি নবদম্পতির নতুন জীবনের যাত্রা শুরু হলো।পাত্র: মাওলানা মুফতিপাত্রী: আলেমাআলহামদুলি...
26/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ! 🌸

ঢাকার ডেমরায় আরও একটি নবদম্পতির নতুন জীবনের যাত্রা শুরু হলো।

পাত্র: মাওলানা মুফতি
পাত্রী: আলেমা

আলহামদুলিল্লাহ, দ্বীনি মূল্যবোধ ও সুন্দর বোঝাপড়ার মাধ্যমে তাদের জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

আমরা নবদম্পতির জন্য একটি সুখী, শান্তিময় ও বরকতময় দাম্পত্য জীবন কামনা করছি।

بَارَكَ اللَّهُ لَكُمَا وَبَارَكَ عَلَيْكُمَا وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ

আল্লাহ তাআলা তাদের দাম্পত্য জীবনকে ভালোবাসা, রহমত ও বরকতে পরিপূর্ণ করুন। আমিন। 🤲

📅 ২৫ আগস্ট ২০২৬

#বিবাহ #নবদম্পতি #ডেমরা #ঢাকা #বরকতময়দাম্পত্য

জীবনসঙ্গী হিসেবে আপনি যাকে খুঁজছেন , আপনাকেও সে খুঁজছে। আমাদের কমিউনিটিতে এমন অসংখ্য বায়োডাটা জমা রয়েছে যা আপনার পছন্দ...
20/08/2026

জীবনসঙ্গী হিসেবে আপনি যাকে খুঁজছেন , আপনাকেও সে খুঁজছে।

আমাদের কমিউনিটিতে এমন অসংখ্য বায়োডাটা জমা রয়েছে যা আপনার পছন্দমত হতে পারে। *নিচের লিংক থেকে আপনার প্রত্যাশিত ব্যক্তিকে খুঁজে পেতে পারেন*
https://www.inismatrimony.com/biodatas

পবিত্র কুরআনে বিবাহ সম্পর্কিত দুটি নির্দেশনায় এসেছে,
একটি হলো তোমরা বিবাহ করো
দ্বিতীয়টি হল তোমরা অন্যের জন্য বিবাহের ব্যবস্থা কর
সুতরাং নিজে বিবাহ করা ও অন্যের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা করা দুটোই বড় এবাদত
অতএব সামাজিকভাবে বিবাহ সহজ করণে নিজেও এগিয়ে আসুন অন্য কেউ উৎসাহিত করুন।

*বার্তাটি শেয়ার করে সবার কাছে বিবাহ সেবার এই সহজ ব্যবস্থাপনা পৌঁছে দিন*

দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত আদর্শ বিবাহ ব্যবস্থাপনা
*INIS Matrimony* Islamic Nikah Integration System

বিয়ে নাকি পণ্য কেনাবেচা? সমাজের ভয়ংকর দুই মাপকাঠি:আমাদের সমাজে বিয়ে শব্দটি আজ এক পবিত্র সম্পর্কের চেয়ে যেন এক বাণিজ্...
15/08/2026

বিয়ে নাকি পণ্য কেনাবেচা?
সমাজের ভয়ংকর দুই মাপকাঠি:

আমাদের সমাজে বিয়ে শব্দটি আজ এক পবিত্র সম্পর্কের চেয়ে যেন এক বাণিজ্যিক বাজারে পরিণত হয়েছে। জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে এখনো যে সংকীর্ণতা ও অন্ধত্ব কাজ করে:
"পাত্রের যোগ্যতা নির্ভর করে ইনকামের উপর! আর পাত্রীর যোগ্যতা নির্ভর করে সাদা চামড়ার উপর!"।

এক মুহূর্তের জন্য থমকে ভেবে দেখা দরকার—এই দুটি মানসিকতাই আজ সমাজের জন্য কতটা ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে।

১. পাত্রের আর্থিক মূল্যায়ন: মানুষ না এটিএম বুথ?
আজকের দিনে অনেক ক্ষেত্রেই পাত্রের মানদণ্ড নির্ধারিত হয় তার ব্যাংক ব্যালেন্স, গাড়ি-বাড়ি কিংবা মাসিক বেতনের ওপর। পাত্রের চরিত্র কেমন, সে নৈতিকভাবে কতটা সৎ, পরিবার বা মানুষের প্রতি তার দায়িত্ববোধ কেমন—এসব প্রশ্ন আজকাল খুব কম মানুষেরই মাথা ব্যথার কারণ হয়। পাত্রের ইনকাম যত বেশি, সমাজে তার গ্রহণযোগ্যতা তত বেশি। অথচ ইসলাম কিংবা সুস্থ সমাজব্যবস্থা কখনো টাকার থলিতে মানুষের প্রকৃত মূল্যায়ন শেখায়নি। এই মানসিকতার ফলে একদিকে যেমন বেকার বা মধ্যবিত্ত মেধাবী যুবকদের অবমূল্যায়ন করা হয়, অন্যদিকে তেমনি জীবনকে শুধু অর্থের দাঁড়িপাল্লায় মাপা হয়।

২. পাত্রীর রূপ ও বর্ণবাদ: বাহ্যিক চাকচিক্যের মোহ।
অন্যদিকে নারীদের ক্ষেত্রে এখনও সমাজের কুসংস্কারাচ্ছন্ন চোখ আটকে থাকে তার গায়ের রঙ বা বাহ্যিক রূপের ওপর। মেয়েটির সুশিক্ষা, তার নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা পারিবারিক শিষ্টাচারকে সম্পূর্ণ পাশ কাটিয়ে কেবল সে দেখতে কতটা ফর্সা—তা দিয়ে তার যোগ্যতা মাপা হয়। এই বর্ণবাদী ও সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি নারীর ব্যক্তিত্ব ও আত্মমর্যাদাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করে। ফর্সা ত্বক বা বাহ্যিক সৌন্দর্যই যদি সব হতো, তবে ভেতরের সুন্দর মন বা গুণাবলীর কোনো দাম থাকত না।

টাকা আর বাহ্যিক রূপের ওপর ভিত্তি করে গড়া সম্পর্কগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে আজ প্রশ্ন তোলার সময় এসেছে। জীবনসঙ্গী মানে কোনো পণ্য নয় যে তার গায়ে দামের বা রূপের ট্যাগ লাগানো থাকবে। বিয়ে একটি পবিত্র বন্ধন, যার মূল ভিত্তি হওয়া উচিত তাকওয়া, চরিত্র, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও মানসিক মিল। এই অন্ধ ও বিকৃত সমাজব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের চিন্তাভাবনা বদলানোর সময় এখনই।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when INIS Matrimony - Islamic nikah integration System posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share