World Survey Organization

World Survey Organization World Survey Organization (WSO) conducts research and surveys on population, land, crops, fisheries, oil, and gas to support national and global development.

A Bangladesh-based nonprofit focused on leveraging domestic resources for a sustainable future.

সংবাদ বিবৃতি: দেশের ৯৮ ভাগ মানুষ মুসলমান, ২ ভাগ অন্য ধর্মাবলম্বী - বিশ্ব জরিপ সংস্থাবাংলাদেশের ৯৮ ভাগ মানুষ মুসলমান এবং ...
20/12/2024

সংবাদ বিবৃতি:

দেশের ৯৮ ভাগ মানুষ মুসলমান, ২ ভাগ অন্য ধর্মাবলম্বী - বিশ্ব জরিপ সংস্থা

বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ মানুষ মুসলমান এবং হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান-উপজাতি-নাস্তিক-ইহুদী সব মিলে ২ ভাগ বলে জানিয়েছে বিশ্ব জরিপ সংস্থা।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ব জরিপ সংস্থার প্রাথমিক হিসাবে বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৪০ কোটির বেশি। এরমধ্যে হিন্দু জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ৬০ লাখ। ইহুদীর সংখ্যা ১৭২ জন। দেশের ৬৪ জেলার প্রথমিক পরিসংখ্যান যাচাই-বাছাই শেষে এমন তথ্য গণমাধ্যমে পাঠিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্ব জরিপ সংস্থার মুখপাত্র সাইয়্যিদ মুহম্মদ আকতার-ই-কামাল আজ ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪ (শুক্রবার) এক সংবাদ বিবৃতিতে বাংলাদেশের দ্বীন ও ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার নতুন এই হিসাব প্রকাশ করেন।

বিশ্ব জরিপ সংস্থার মুখপাত্র সাইয়্যিদ মুহম্মদ আকতার-ই-কামাল বলেন, নব্বই দশকের পূর্ব পর্যন্ত কেউ কেউ জনসংখ্যাকে সমস্যা হিসেবে চিত্রায়িত করলেও বিশ্ব এখন জনসংখ্যাকে সম্পদ ও সম্ভাবনা হিসেবে দেখছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিভিন্ন দেশে জনসংখ্যার হার নিম্নগতি থাকলেও বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের সংখ্যা বাড়ছে। বাংলাদেশে এই বৃদ্ধির হার আরো বেশি। কারণ বাংলাদেশে জ্যামিতিক হারে জনসংখ্যা বাড়ছে। দেশের জন্য এটি খুবই ইতিবাচক। দেশে একসময় মুসলমান ও অন্য ধর্মালম্বীদের অনুপাত ৯০ঃ১০ থাকলেও সেটা বেড়ে এখন ৯৮ঃ২ এ চলে এসেছে। আগামী দশ বছরের মধ্যে এই সংখ্যা ৯৯ঃ১ এ পৌঁছাবে। এছাড়াও সার্বিকভাবে সমগ্র বিশ্বে মুসলমানদের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর ২০২৪ বিশ্ব জরিপ সংস্থা এক সংবাদ বিবৃতিতে জানিয়েছিল যে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৪০ কোটি ছাড়িয়েছে।

বিবৃতিদাতা-

সাইয়্যিদ মুহম্মদ আকতার ই-কামাল
মুখপাত্র, বিশ্ব জরিপ সংস্থা, ঢাকা।
২০ ডিসেম্বর, ২০২৪ (শুক্রবার)।

04/11/2024

নিম্ন জন্মহার চীনে: গত বছর জন্মহার ছিল ১-এর চেয়েও কম

ডেস্ক: গত কয়েক বছর ধরে লাগাতার নিম্ন জন্মহার ও তার জেরে শিশুদের সংখ্যা কমতে থাকায় একের পর এক কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে চীনে। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া সর্বশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে এ তথ্য।

বুলেটিনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে চীনজুড়ে যেখানে ২ লাখ ৮৯ হাজার ২০০টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল ছিল, পরের বছর ২০২৩ সালে তা হ্রাস পেয়ে নেমে এসেছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৪০০টিতে। অর্থাৎ মাত্র এক বছরে দেশটিতে ১৪ হাজার ৮০০টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে- শতকরা হিসেবে এক বছরে চীনে ১.২ শতাংশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। আর এই সময়সীমায় চীনে কিন্ডারগার্টেনগামী শিশু শিক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ৩.৭ শতাংশ।

গত কয়েক বছর ধরেই চীনে জন্মহার হ্রাস পাচ্ছে। তবে সময় যত গড়াচ্ছে, সংকট দূর হওয়ার পরিবর্তে আরও বেশি ঘনীভূত হচ্ছে। ২০২৩ সালে চীনে জন্ম নিয়েছে মাত্র ৯০ লাখ শিশু। ১৯৪৯ সালের পর এই প্রথম এক বছরে এত কম সংখ্যক শিশুর জন্ম দেখেছে দেশটি।

দেশটির জনসংখ্যা গবেষকদের মতে, এই মুহূর্তে চীনের জন্মহার হওয়া উচিত ২.১; কিন্তু গত বছর জন্মহার ছিল ১-এর চেয়েও কম।

চীনের আরেকটি জরিপে প্রকাশ হয়, দেশটিতে শিশু মৃত্যু হার ৮ শতাংশের বেশি।

এদিকে জন্মহার কমে যাওয়ায় একদিকে যেমন শিশুদের সংখ্যা কমছে, তেমনি অন্যদিকে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বয়স্কদের সংখ্যা। যেসব কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে গেছে, সেসবের মধ্যে অনেকগুলোকে ইতোমধ্যে বৃদ্ধ নিবাসে রূপান্তর করা হয়েছে।

চীনের জনসংখ্যাবিদ হে ইয়াফু দেশটির দৈনিক সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে এ প্রসঙ্গে বলেছে, একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনো ইতিবাচক ব্যাপার নয়। আমার মতে, শিশুদের কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ভর্তির বয়সসীমা কমিয়ে ৩ বছর করে দেওয়া উচিত।

চীনে জন্মহার কমে যাওয়ার একটি বড় কারণ প্রাপ্তবয়স্ক একা থাকার প্রবণতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে ধীরগতি এবং বাড়তে থাকা বেকারত্ব।

04/11/2024

বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৪০ কোটিরও বেশি (২০২৪ ঈসায়ী)

বিগত ২৭ বছরে জনসংখ্যার একই হিসাব দেয়া হচ্ছে। এর পেছনে কাজ করছে বিভিন্ন এনজিও। গত ১৬ অক্টোবর (২০২৪) আমরা (বিশ্ব জরিপ সংস্থার পক্ষ থেকে) গণমাধ্যমে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যার নতুন এই চিত্র তুলে ধরি। সেখানে আমরা জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি চিত্র তুলে ধরেছি মাত্র। যেমন-
১৯৯৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১৭ কোটি। এরপর থেকে বিগত ২৭ বছরে সরকারি অধিদপ্তর থেকে জনসংখ্যার একই হিসাব দেয়া হচ্ছে। তারপর প্রত্যেক সরকারই বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রকৃত সংখ্যা লুকিয়ে রাখতে চেয়েছে। এর পেছনে সরকারের পাশাপাশি কাজ করেছে বিভিন্ন এনজিও। দেশের জনসংখ্যা কমাতে বিদেশী দাতা সংস্থা কর্তৃক দেয়া তহবিলের সঠিক ব্যবহার হয়েছে এটা প্রমাণ করাই ছিল জনসংখ্যা কম দেখানোর আসল উদ্দেশ্য। জনসংখ্যা কমানো যায়নি বা জনসংখ্যা বেশি দেখালে বিদেশী তহবিল আসা বন্ধ হয়ে যাবে-এমন আশঙ্কা থেকেই জনসংখ্যার প্রকৃত সংখ্যা লুকানো হয়েছে বলে আমরা আশঙ্কা প্রকাশ করি।
স্বাধীনতার পর থেকে জনসংখ্যা কত গুণ বেড়েছে তার একটা হিসাব আমরা এখানে তুলে ধরছি-
“পাকিস্তান আমলে মোট জনসংখ্যা ছিল ৯ কোটি। তখনকার হিসাবে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৫ কোটি।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর শেখ সাহেব বললেন বাংলাদেশের জনসংখ্যা সাড়ে সাত কোটি। উল্লেখ্য যে, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি ১৯৭৪ অনুযায়ী- বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৪ লাখ।
এরপর জিয়াউর রহমান (১৯৭৭ সাল) ক্ষমতায় আসার পর বললেন (অর্থাৎ তৎকালিন সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী)- বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৯ কোটি। এরপর এরশাদ (১৯৮২ সাল) ক্ষমতায় বসার পর বললেন – বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১১ কোটি। এরপর ১৯৯১ তে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঘোষণা দিলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি।
তারপর ১৯৯৬ তে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় এসে বললেন, ‘বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি’।
এখন স্বাভাবিকভাবে এই প্রশ্ন আসে যে- সেই ১৭ কোটি থেকে দেশের জনসংখ্যা কি আর বাড়েনি?
আমরা যদি ১৯৬৯ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন ২৭ বছরের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দেখি, তাহলে সেটা দেখতে পাই সোয়া তিন গুণেরও (৩.২৬ গুণ) বেশি। তাহলে ১৯৯৬ থেকে ২০২৪ সালের এই ২৮ বছরেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ৩ থেকে ৪ গুণ বাড়ার কথা। কারণ পূর্বের চেয়ে গড় আয়ু বেড়েছে। বর্তমানে ৪০ কোটি জনসংখ্যা ধরলে সেটা আড়াই গুণেরও কম (২.৩৫ গুণ) ধরা হয়।
কাজেই বাস্তবতা হচ্ছে- বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ৪০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। আর সোয়া তিন গুণ হিসাব করলে জনসংখ্যা হয় প্রায় ৫৫ কোটি। বিবৃতিতে আদমশুমারী সম্পর্কে সরকারী তথ্য প্রকৃতপক্ষে সম্পূর্ণ ভুল ও প্রতারণামূলক বলেও উল্লেখ করা হয়।

23/10/2024

Welcome to the World Survey Organization! 🌍

We are thrilled to have you join our community! At the World Survey Organization (WSO), our mission is to conduct comprehensive research and surveys that provide valuable insights into critical areas such as population growth, agricultural production, natural resources, fisheries, and energy resources like oil and gas.

As a Bangladesh-based non-profit organization, we are dedicated to leveraging our research to support national and global development efforts. We believe that informed decisions are crucial for sustainable growth, and we are committed to delivering accurate data that empowers policymakers, researchers, and communities.

✨ What to Expect:

Regular updates on our latest research findings
Engaging in discussions on global and domestic statistics
Insights into how our work contributes to sustainable development
Opportunities to participate in surveys and share your perspectives
We invite you to explore our page, engage with our content, and join us in our mission to enrich our understanding of the world around us. Together, we can make a difference!

Feel free to share your thoughts and connect with us. Welcome aboard!

📢 Stay connected with us!


Address

Rajarbag
Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when World Survey Organization posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category