24/10/2025
Uttarakhand Yatra 2025
** 2/10/25 এ প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ভোর 3 টায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাত্রি 8 টা নাগাদ পৌঁছলাম চনদৌলি প্রায় 750 km।
** পরদিন সকালে বারানসির রিং রোড হয়ে লখনৌ পেরিয়ে পৌঁছে গেলাম বরেলি।
** তৃতীয় দিন সকাল প্রায় 10 টা নাগাদ পৌঁছলাম haridwar। ওখানে Har ki pouri ঘাটে স্নান ও রাতে গঙ্গা আরতি দেখে পর দিন ভোরে বেরিয়ে পড়লাম Sonprayag এর উদ্দেশ্য। মাঝে Rishikesh এর Barbosa beach, Devprayag এ স্নান ও আরও সুন্দর কিছু প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে দেখতে সন্ধ্যায় Sonprayag পৌঁছে গেলাম।
** পঞ্চম দিন ভোরে উঠে স্নান সেরে রেজিস্ট্রেশন করে বেরিয়ে পড়লাম Gourikund এর উদ্দেশ্যে।ওখানে পৌঁছে গরম কুণ্ডের জল গায়ে ছিটিয়ে ও গৌরী মাতার দর্শন করে চলতে শুরু করলাম বাবা Kedarnath এর উদ্দেশ্য। পথে প্রচুর বৃষ্টি পেলাম। প্যান্ট জুতো সব ই ভেজা রাস্তায় ঘোড়ার প্রচণ্ড দাপাদাপি। বৃষ্টির জন্য প্রায় 2 থেকে 3 ঘন্টা আটকা পড়েছিলাম। তাই আধভেজা অবস্থা তে সন্ধ্যায় ঘোড়াপড়াওতে Tent ভাড়া নিয়ে রাত কাটালাম।
** ষষ্ঠ দিন সকালে বেরিয়ে পড়লাম মন্দির এর উদ্দেশ্য। তখন ও বৃষ্টি পড়েই চলেছে।ওখানে পৌঁছে সবার প্রথমে halipad এর পাশেই dormetory তে bed নিলাম। তার পর ওখানে ব্যাগপত্র রেখে বেরিয়ে পড়লাম মন্দির এর উদ্দেশ্যে। মন্দির পৌঁছাতে প্রায় 11 টা বেজে গেছিলো তাই বাবার স্পর্শ দর্শন সম্ভব ছিলোনা।তাই সিদ্ধান্ত নিলাম চার দিক ঘুরে প্রথমে ভৈরব বাবার দর্শন করে আসবো। তখনই শুরু হলো প্রবল তুষারপাত। মুহূর্তে চারদিক সাদা বরফে ঢেকে গ্যালো। আমরা চললাম ভৈরব বাবার মন্দিরে। ওখান থেকে ফিরে বিকেলে বাবা Kedarnath এর দর্শন করলাম।
** সপ্তম দিন ভোর 4:30 এ লাইন দিলাম বাবার স্পর্শ দর্শনের জন্য। দারুণ দারুণ দর্শন হলো। সবশেষে বিকেলে Gourikund এ নেমে এলাম। এবার Clock Room থেকে লাগেজ নিয়ে বাইক এ চাপিয়ে বেরিয়ে পড়লাম Triyuginarayan এর উদ্দেশ্যে।
** অষ্টম দিন সকালে উঠে স্নান সেরে বেরিয়ে পড়লাম Triyuginarayan মন্দিরের উদ্দেশ্যে।এই সেই মন্দির যেখানে বাবা ভোলেনাথ ও মাতা পার্বতীর বিবাহ হয়েছিলো। দর্শন করে বেরিয়ে পড়লাম Tungnath এর উদ্দেশ্যে। পথে আমাদের Mini Swizerland Chopta এর অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে পৌঁছে গেলাম Tungnath।
** নবম দিন ভোরে বেরিয়ে পড়লাম Tungnath মন্দির এর উদ্দেশ্যে। পথের সৌন্দর্য মনোমুগ্ধকর সাথে সূর্য উদয়ের সোনালি মুহূর্ত দেখতে দেখতে মন্দিরে পৌঁছে গেলাম। দর্শন সেরে হাঁটা দিলাম চন্দ্রশিলার উদ্দেশ্যে। সত্যি অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা এই চন্দ্রশিলা। Black Ice জমে রাস্তা পিচ্ছিল। তারওপর প্রচণ্ড খাড়া। কিন্তু ওপরে উঠলে যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয় তা হয়তো স্বর্গের তুলনায় কম নয়। ওখানে কিছুটা সময় কাটিয়ে নিচে নেমে পুনরায় বাইকে বেরিয়ে পড়লাম বাবা Kalpeswar এর উদ্দেশ্যে। ওই দিন Urgam Valley যাওয়ার মোড়ের আগেই একটি হোটেলে রাত্রি যাপন করলাম।
** দশম দিন সকালে বেরিয়ে পড়লাম Urgam Valley র উদ্দেশ্যে। তার নাম যেমন Urgam তার রাস্তা ও তেমনি দুর্গম। যারা off road এ বাইক চালাতে ভালোবাসেন তাদের জন্য এ রাস্তা টি পারফেক্ট। দারুণ শান্ত ও সুন্দর এই Urgam Valley এখানেই আছেন পঞ্চ কেদারের পঞ্চম কেদার বাবা কল্পেশ্বর। দর্শন সেরে হোটেলে ফিরে ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে পড়লাম Badrinath এর উদ্দেশ্যে। বিকেলে Badrinath পৌঁছে হোটেলে ব্যাগ রেখে বেরিয়ে পড়লাম দর্শন করতে।
** একাদশ তম দিনে চললাম মানা গ্রাম দেখতে। ওখান থেকে ফিরে সোজা কনকচৌরী।
** দ্বাদশ তম দিনে ভোরবেলা হাঁটা শুরু করলাম কার্তিক স্বামী মন্দির এর জন্য। আবহাওয়া ভালো থাকার জন্য ওখান থেকে সমস্ত পর্বতের চূড়াগুলো পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল। দর্শন সেরে নিচে নেমে চললাম Bhim Tal এর উদ্দেশ্যে।
** ত্রয়োদশ তম দিনে Bhim Tal থেকে বেরিয়ে পড়লাম অযোধ্যা রাম মন্দির এর উদ্দেশ্যে। বিকেলে অযোধ্যা পৌঁছে রাম মন্দির দর্শন করলাম।
** চতুর্দশ তম দিনে সরযু নদী ও তার ঘাট,মহাদেবের মন্দির, রাজা দশরথের মহল, কনক ভবন দেখে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। রাতে থাকলাম Aurangabad এ।
** পঞ্চদশ তম দিন Aurangabad থেকে সন্ধ্যায় বাড়ি পৌঁছলাম।