05/04/2025
অনুসরণ করার মত ঈগলের ৭ নীতি:⤵️
✅নীতি- ১:
ঈগল অনেক উঁচুতে উড়ে এবং কখনোই চড়ুই কিংবা অন্যান্য ছোট পাখিদের সাথে মেশে না, উড়েও না।
ঈগল যেই উচ্চতায় উড়ে বেড়ায়, সেই উচ্চতায় অন্য কোন পাখি পৌঁছাতেও পারে না। এজন্যেই ঈগল একা ওড়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কারোর সাথে দল বেঁধে নয়।
💥💥প্রাপ্য শিক্ষা:
মানুষ হিসাবে জীবনে চলার পথে এমন মানুষগুলোর সাথে চলতে-ফিরতে-মিশতে হয় যারা সমান স্বপ্ন দেখে, যাদের সাথে দৃষ্টিভঙ্গি মিলে, যাদের সাথে থাকলে ব্যক্তিগত উন্নয়ন সম্ভবপর হয়।
জীবনে বন্ধুদের প্রভাব অনেক বেশি। তাই বন্ধু নির্বাচন করতে হয় বুঝে শুনে। সমমনা মানুষদের সাথে বন্ধুত্ব করা শ্রেয়।
✅নীতি- ২:
ঈগল এর রয়েছে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিশক্তি যার মাধ্যমে সে আকাশে থাকা অবস্থাতেই ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দেখতে পায়, তাও একদম স্পষ্ট! ঈগল যখন তার শিকার খোঁজে, সে তার সব ফোকাস সেটার ওপর নিয়ে যায় এবং বেরিয়ে পড়ে শিকারের জন্য। যত বাধাই আসুক না কেন, সেটিকে না পাওয়া পর্যন্ত ঈগল কোনক্রমেই তার চোখ সরায় না।
💥💥প্রাপ্য শিক্ষা:
আশে পাশের সবকিছুর প্রতিই খেয়াল রাখা ভালো৷ তবে পিছু নিতে হয় শুধু একটি লক্ষ্যের। সেই লক্ষ্য হতে কোন ভাবেই ফোকাস হারানো চাই না!
✅নীতি- ৩:
পাখির রাজা ঈগল সর্বদা জীবন্ত প্রাণীকে খাবার হিসেবে খেয়ে থাকে। কখনোই কোন মৃত জিনিস তারা ভক্ষণ করে না।
💥💥প্রাপ্য শিক্ষা:
সব সময় নতুন সংবাদ ও তথ্যের খোঁজ রাখতে হয়। পুরাতনকে ঝেড়ে ফেলা এবং অন্য মানুষের কথা শুনে নিজের স্বপ্নের পিছু নেওয়া ছেড়ে দিতে হয়না কখনোই।
✅নীতি- ৪:
ঝড় আসলে ঈগল পাখি তা এড়িয়ে না গিয়ে বরং ঝড়ের বেগকেই কাজে লাগিয়ে উঁচুতে উড়ে যায়।
💥💥প্রাপ্য শিক্ষা:
চ্যালেঞ্জকে চ্যালেঞ্জ নয়, সুযোগ হিসাবে দেখতে হয়। একে মোকাবিলা না করলে নতুন কিছু কখনোই শেখা হয়না, যেই অবস্থানে থাকা হয় তা হতে কখনোই উত্তরণ করতে পারা যায়না।
✅নীতি- ৫:
একটা মেয়ে ও ছেলে ঈগল যদি কখনো বন্ধু হতে চায়, মেয়ে ঈগলটি প্রথমেই ছেলে ঈগলটির কমিটমেন্টের পরীক্ষা নিয়ে নেয়। কীভাবে?
সাক্ষাৎ হওয়ার পর মেয়ে ঈগলটি মাটিতে নেমে এসে গাছের একটি ডাল তুলে নেয়। তার পিছে পিছে ছেলে ঈগলটিও উড়ে যায়। মেয়ে ঈগলটি সেই ডাল নিয়ে উপরের দিকে উড়ে যায় এবং একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় যাওয়ার পর গাছের সেই ডালটি নিচে ফেলে দেয়। তার পিছু নেওয়া সেই ছেলে ঈগলটি তা দেখে ডালটি ধরার জন্য দ্রুত নিচে