Dream World Consultant & Engineering

Dream World Consultant & Engineering "Your dream is our inspiration"
�আপনার স্বপ্ন আমাদের অনু?

Jalil manzil
01/06/2026

Jalil manzil

20/01/2025

রডের ল্যাপিং ও ওজন নির্ণয় করার সহজ হিসাবঃ
==============================

সাধারণত বাজারে যেসব রড পাওয়া যার সেগুলোর একটি নির্দিষ্ট Length থাকে। যখন এর বেশী Length এর দরকার হয় তখন রডের ল্যাপিং দেয়া হয়। এই ল্যাপিং এর Length এর পরিমান কিছু সূত্র মেনে হয়;


কলাম : 40D; D = রডের ডায়া
শিয়ার ওয়াল : 40D
লিফট কোর ওয়াল : 40D


বীম : 60D
স্ল্যাব : 60D

কলামে ল্যাপিং এর পরিমানঃ
==================
16 মিমি = 40x16 = 640 মিমি 2'-2"
20 মিমি = 40x20 = 800 মিমি 2'-8"
22 মিমি = 40x22 = 880 মিমি 3'-0"
25 মিমি = 40x25 = 1000 মিমি 3'-4"
32 মিমি = 40x32 = 1280 মিমি 4'-3"

বীমের ল্যাপিং এর পরিমানঃ
=================
16 মিমি = 60x16 = 960 মিমি 3'-2"
২০ মিমি = 60x20 = 1200 মিমি 4'-0"
২২ মিমি = 60x22 = 1330 মিমি 4'-5"
২৫ মিমি = 60x25 = 1500 মিমি 5'-0"

স্ল্যাবের ল্যাপিং এর পরিমানঃ
=================
10 মিমি = 60x10 = 600 মিমি 2'-0"
12 মিমি = 60x12 = 720 মিমি 2'-5"
তবে বাস্তবে কাজ করার সময় কম বেশী হতে পারে।

রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতিঃ
=====================
10 mm = 0.62 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.89 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.58 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.48 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.98 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.85 kg/m = 8 suta

উপরে যে Convert System দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ। আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখতে পারেন।

8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet - 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg

এছাড়া এই সুত্রটির মাধ্যমেও রডের ওজন বের করতে পারেন।

#ফুটে
প্রতি ফুটে ওজন নির্নয়ের জন্য ( রডের ডায়া^2 /532)

#মিটারে
প্রতি মিটারে ওজন বের করতে হলে ( mm^2/162.2 )

শেয়ার দিয়ে নিজের প্রোফাইলে রাখুন।
ইঞ্জিনিয়ার
জাহিদ জোবায়েদ

"Site Supervision"Beam reinforcement checking....
10/06/2024

"Site Supervision"
Beam reinforcement checking....

 #ছাদ_ঢালাইয়ের_হিসাব।১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাবমনেকরি ছাদের দৈর্ঘ...
24/03/2024

#ছাদ_ঢালাইয়ের_হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)

25/07/2023

আপনি বাড়ি করবেন, নির্মান মালামালের হিসাব আপনি নিজেই বের করুন সহজে।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)
সবাইকে ধন্যবাদ।
এই রকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন। আশা করি আপনার উপকারে আসবে।

সৌদির মাটিতে নতুন কাজ এর সম্ভাবনা।ইনশাআল্লাহ আল্লাহর রহমতে ভালো কিছু করতে পারবো।
19/06/2023

সৌদির মাটিতে নতুন কাজ এর সম্ভাবনা।
ইনশাআল্লাহ আল্লাহর রহমতে ভালো কিছু করতে পারবো।

27/05/2023

➤ একটা বিল্ডিং এর সকল আইটেম মিলে ১০০% কিভাবে ভাগ করা হয়।
☞ উত্তরঃ
1. Structure = 35%
2. Brick work = 6%
3. Wood work = 5%
4. Metal work = 2%
5. Plambing and Sanitary = 6%
6. Electrical work = 7%
7. Plaster work = 4%
8. General Floor Tiles work = 6%
9. Toilet & Kit wall Tiles work = 3%
10. Aluminium work = 4%
11. EME(Lift,Generator,Substation)=10%
12. Paint work = 3%
13. Others civil work = 6%
14. Utility connection & Bill = 3%
Total = 100%
✪ STRUCTURE ~ 35%
- Footing & Column Padestal = 20%
- Grade Beam, UGWR top Slab = 5%
- GF Column, Stair etc = 4%
- 1st Floor Slab = 9%
- Typical Floor Column (5x3%) = 15%
- 2nd floor slab to roof slab (5x8) = 40%
- Roof top = 7%
TOTAL = 100% (৩৫% যেভাবে আসবে।)
#সিভিল_ইঞ্জিনিয়ারিং
✪ BRICK WORK ~ 6%
- GF Brick work = 6%
- 1st floor Brick work = 18%
- 2nd floor Brick work = 18%
- 3rd floor Brick work = 18%
- 4th floor Brick work = 18%
- 5th floor Brick work = 18%
-Roof Top Brick work = 4%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)
✪ WOOD WORK ~ 5%
- Door frame = 40%
- Main Door Shutter = 15%
- Partex Door Shutter = 35%
- Cat Door & Accessories = 10%
TOTAL = 100% (৫% যেভাবে হবে)
✪ METAL WORK ~ 2%
- Window grill = 55%
- Verandah Railling = 20%
- Stair Railling = 10%
- Main gate, Gen-Sub, safety grill = 15%
TOTAL = 100% (২% যেভাবে হবে।)
✪ PLAMBING & SANITARY WORK~ 6%
- uPVC vertical line thru duct = 25%
- GI line work = 30%
- Fixture & Fittings = 40%
- Ground Floor = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)
✪ ELECTRICAL~ 7%
- Conduiting inside slab = 10%
- Conduiting on wall i/c MK box=15%
- Cabling work = 55%
- Switch-Socket = 20%
TOTAL = 100% (৭% যেভাবে হবে।)
✪ PLASTER ~ 4%
- Ceiling plaster = 20%
- Internal wall plaster = 50%
- Outside plaster/facing bricks = 30%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)
✪ GENERAL FLOOR TILES ~ 6%
- General floor & Verandah = 75%
- Stair, typical lobby & lift wall = 20%
- GF lift lobby, wall, reception = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)
✪ TOILET & KIT WALL TILES ~ 3%
- Bath wall = 60%
- Kitchen wall = 20%
- Bath floor = 9%
- Bath counter top = 4%
- Kitchen floor = 3%
- Kitchen counter top =4%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)
✪ ALUMINIUM WORK ~ 4%
- Outer framing-window sliding= 40%
- Glass shutter-window sliding = 30%
- Verandah sliding = 20%
- Toilet high window = 5%
- Comnon area = 5%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)
✪ EME ~ 10%
- Lift = 50%
- Generator = 25%
- Substation = 20%
- PABX, Fire extinguisher etc = 5%
TOTAL = 100% (১০% যেভাবে হবে।)
✪ PAINT WORK ~ 3%
- Upto putty = 40%
- Internal wall&ceiling 1st coat= 20%
- Internal wall&ceiling 2nd coat= 15%
- Outside paint/ceramic Tites = 25%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
✪ OTHERS CIVIL WORK ~ 6%
- Boundary wall = 30%
- Line terracing/Roof top paver= 15%
- LOGO, Gardening & others = 4%
- GF BBC = 14%
- GF pavement & footpath dev = 10%
- Lintel, F/slab, drop wall, counter slab = 20%
- Cable tray = 1%
- Sanitary duct cover, ceiling etc= 4%
- Reception desk, letter box = 2%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)
✪ UTILITY CONNECTION & BILL ~ 3%
- DESA/DESCO = 35%
- TITAS = 20
- WASA = 15%
- Utility bills = 30%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

Eng-Zahid zobayed

29/04/2023

জায়গা সম্পর্কে কিছু কথা যা আমরা অনকে জানি না।

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ তাছাড়া দলিলে লিখিত অনেক শব্দ আছে, যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনও কিছু শব্দ আছে যা খুব কম ব্যবহার হয়। যারা পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ বোঝেন না,তাদের জন্য আমার এই লেখাটিঃ-

১. মৌজা = গ্রাম।

২. জে.এল নং = মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।

৩. ফর্দ = দলিলের পাতা।

৪. খং = খতিয়ান।

৫. সাবেক = আগের/পূর্বের বুজায়

৬. হাল = বর্তমান।

৭. বং = বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম
লিখে।

৮. নিং = নিরক্ষর।

৯. গং = আরো অংশীদার আছে।

১০. সাং = সাকিন/গ্রাম।

১১. তঞ্চকতা = প্রতারণা।

১২. সনাক্তকারী = যিনি বিক্রেতাকে চিনে।

১৩. এজমালী = যৌথ।

১৪. মুসাবিদা = দলিল লেখক।

১৫. পর্চা = বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে
নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।

১৬. বাস্তু = বসত ভিটা।

১৭. বাটোয়ারা = বন্টন।

১৮. বায়া = বিক্রেতা।

১৯. মং = মবলগ/মোট

২০. মবলক = মোট।

২১. এওয়াজ = সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে
সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ
বলে।

২২. হিস্যা = অংশ।

২৩. একুনে = যোগফল।

২৪. জরিপ = পরিমাণ।

২৫. এজমালী = কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক
শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা
এজমালী জোত বলে।

২৬. চৌহদ্দি = সীমানা।

২৭. সিট = নকশার অংশ বা মৌজার অংশের
নকশাকে সিট বলে।

২৮. দাখিলা = খাজনার রশিদ।

২৯. নক্সা = ম্যাপ।

৩০. নল = জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।

৩১. নাল = চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।

৩২. পিং = পিতা।

৩৩. জং = স্বামী।

৩৪. দাগ নং = জমির নম্বর।

৩৫. এতদ্বার্থে = এতকিছুর পর।

৩৬. স্বজ্ঞানে = নিজের বুঝ মতে।

৩৭. সমূদয় = সব কিছু।

৩৮. ইয়াদিকৃত = পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে
শুরু করিলাম।

৩৯. পত্র মিদং = পত্রের মাধ্যমে।



৪০. বিং = বিস্তারিত।

৪১. দং = দখলকার।

৪২. পত্তন = সাময়িক বন্দোবস্ত।

৪৩. বদল সূত্র = এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।

৪৪. মৌকুফ = মাপ।

৪৫. দিশারী রেখা = দিকনির্দেশনা।

৪৬. হেবা বিল এওয়াজ = কোন জিনিসের পরিবর্তে
ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।

৪৭. বাটা দাগ = কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে
থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং
নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।

৪৮. অধুনা = বর্তমান।

৪৯. রোক = নগদ।

৫০. ভায়া = বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।

৫১. দান সূত্র = কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে
দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া
গন্য হয়।

৫২. দাখিল খারিজ = কোনো জোতের ভূমি ও জমা
হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে
প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে
তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।

৫৩. তফসিল = তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে
লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।

৫৪. খারিজ = যখন কোনো সরকার বা জমিদার
কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে
পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন
তাহাকে খারিজ বলে।
#ভূমিপরামর্শক পেইজে লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন
৫৫. খতিয়ান = প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক
ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয়
তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি
নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম,
খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম,
তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক
দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা,
ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি)
দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ,
হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।

৫৬. জরিপ = সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই
সার্ভে করা হইয়া থাকে।

৫৭. এওয়াজ সূত্র = সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা
জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা
জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত
বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।

৫৮. অছিয়তনামা = যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে
তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর-
অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে
কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে
অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত
প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি
লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।

৫৯. তফসিল = বিক্রিত জমির তালিকা।

৬০. নামজারী = অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম
খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।

৬১. অধীনস্থ স্বত্ত্ব = উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী
স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে
অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।

৬২. আলামত = ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর,
মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি
বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।

৬৩. আমলনামা = কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে
কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া
ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে
আমনামা বলে।

৬৪. আসলি = মূল ভূমি।

৬৫. আধি = উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক,
অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ
বলে।

৬৬. ইজারা = ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের
জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা
নেওয়া।

৬৭. ইয়াদদন্ত = স্মারকলিপি।

৬৮. ইন্তেহার = ঘোষণাপত্র।

৬৯. এস্টেট = ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত
মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে
জমিদারী বা এস্টেট বলে।

৭০. ওয়াকফ = ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে
উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।

৭১. কিত্তা = চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে
এক একটি কিত্তা বা পট বলে।

৭২. কিস্তোয়ার জরিপ = গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো
কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার

৭৩. কিস্তি = নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার
অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।

৭৪. কায়েম স্বত্ত্ব = চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া
ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।

৭৫. কবুলিয়ত = মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি
করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত
বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর
রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।

৭৬. কটকোবালা = সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে
জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয়
তাহাকে কটকোবালা বল।

৭৭. কান্দা = উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও
কান্দা বলে।

৭৮. কিসমত = মৌজার অংশকে কিসমত বলে।

৭৯. কোলা ভূমি = বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে
কোলা ভূমি বলে।

৮০. কোল = নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান
স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে
তাহাকে কোল বলে।

৮১. খানাপুরী = প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব
রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম
বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।

৮২. খামার = ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার,
খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।

৮৩. খাইখন্দক = ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের
অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।

৮৪. খিরাজ = কর, খাজনা।

৮৫. খানে খোদা = মসজিদ।

৮৬. খসড়া = জমির মোটামুটি বর্ণনা।

৮৭. গর বন্দোবস্তি = যে জমির কোনো বন্দোবস্ত
দেওয়া হয় নাই।

৮৮. গরলায়েক পতিত = খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়,
জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত
বলে।

৮৯. গির্বি = বন্ধক।

৯০. চক = থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক
বলে।

৯১. জমা বন্দী = খাজনার তালিকা।

৯২. চাকরাণ = জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ
করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি
দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।

৯৩. চাঁদা = জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা
বলে।

৯৪. চটান = বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে
চটান বলে।

৯৫. চালা = উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)

৯৬. চর = পলিমাটি গঠিত ভূমি।

৯৭. জবর-দখল = জোরপূর্বক দখল।

৯৮. জমা = এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে
খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।

৯৯. জোত = এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।

১০০. জজিরা = নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয়
তাহাকে জজিরা বলে।

১০১. জায়সুদী = হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং
কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট
বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়,
যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে
ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল
করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।

১০২. জালি = এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে
জন্মে।

১০৩. টেক = নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি
উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।

১০৪. টাভার্স = ঘের জরিপ।

১০৫. ঠিকা রায়ত = নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে
দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে
রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।

১০৬. ঢোল সহরত = কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা
দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া
জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।

১০৭. তামিল = আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন
করা।

১০৮. তামাদি = খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময়
অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।

১০৯. তুদাবন্দী = সীমানা নির্দেশ।

১১০. তহশিল = খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট
এলাকাকে তহশিল বলে।

১১১. তলবানা = সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত
ফিস।

১১২. তলববাকী = বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।

১১৩. তালুক = নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।

১১৪. তরমিম = শুদ্ধকরণ।

১১৫. তরতিব = শৃংখলা।

১১৬. তৌজি = ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয়
ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে
তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক
নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার
জোতকেও তৌজি বলা হয়।

১১৭. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১১৮. দর পত্তনী = পত্তনীর অধীন।

১১৯. দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা = দখলদার হিসেবে যে
প্রজার স্বত্ত্ব আছে।

১২০. দশসালা বন্দোবস্ত = দশ বৎসরের মেয়াদে
বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।

১২১. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১২২. দাগ নম্বর = মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে
সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর
বলে।

১২৩. দরবস্ত = সমুদয়।

১২৪. নথি = রেকর্ড।

১২৫. দেবোত্তর = দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।

১২৬. দেবিচর = যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের
পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।

১২৭. দিঘলি = নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী
একপ্রকার প্রজা।

১২৮. নক্সা ভাওড়ন = পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের
সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায়
না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে
ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক
লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে
যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন
জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার
নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।

১২৯. নামজারী = ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক
নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে
প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী
বলে।

১৩০. নাম খারিজ বা জমা খারিজ = ১৬ আনা
জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত
ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬
আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ
করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম
খারিজ বা জাম খারিজ বলে।

29/04/2023

প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো :-
❍ ১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ;
❍ ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ)
❍ 1 মাইল = 1.61 কি.মি ;
❍ 1 কি.মি. = 0..62
❍ 1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ;
❍ 1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি
➲ ৬ফুট = ১ ফ্যাদম
➲ ১ বর্গহাত = ১গন্ডা
➲ ২০গন্ডা = ১ছটাক
➲ ১৬ছটাক = ১কাঠা
➲ ২০কাঠা = ১বিঘা
➲ ১৪৪বর্গইঞ্চি = ১বর্গফুট
➲ ৯ বর্গফুট = ১ বর্গগজ
➲ ৪৮৪০বর্গগজ = ১একর
➲ ১০০শতক = ১একর
➲ ৬৪০একর = ১বর্গমাইল
➲ ২৪৭ একর = ১বর্গকিমি
➲ ১০০০০বর্গমি = ১০০এয়র
➲ ১মিটার = ৩৯.৩৭ইঞ্চি
➲ ১২ইঞ্চি = ১ফুট
➲ ৩ফুট = ১গজ
➲ ৭.৯২ ইঞ্চি = ১ লিংক
➲ ২৫ লিংক = ১ রড
➲ ৪ রড = ১মাইল
➲ ১০ চেইন = ১ফার্লং
➲ ৮ ফার্লং = ১মাইল
➲ ৯ বর্গফুট = ১বর্গগজ
➲ ১৬০০বর্গগজ = ১বিঘা
➲ ৮০বর্গগজ = ৭২০বর্গফুট = ১কাঠা
➲ ১মিলিয়ন=১০লক্ষ
➲ ১কোটি=১০মিলিয়ন
➲ ১বিলিয়ন=১০০কোটি
➲ ১ট্রিলিয়ন=১লক্ষ কোটি
➲ ১৭৬০গজ=১মাইল
➲ ১ইঞ্চি=২.৫৪সে.মি.
➲ ১ মাইল=১.৬১ কি.মি.
➲ ০.৬২মাইল = ১ কি.মি.
➲ ১৬ আউন্স = ১পাউন্ড
➲ ২৮ পাউন্ড = ১কোয়ার্টার
➲ ৪কোয়ার্টার = ১ হন্দর
➲ ২০হন্দর = ১বৃটিশ টন
➲ ১০০কিলোগ্রাম = ১কুইন্টাল
➲ ১০০০কিলোগ্রাম = ১মেট্রিক টন
➲ ১পাউন্ড = ০.৪৫৩৬কেজি
➲ ১কেজি = ২.২পাউন্ট=১.০৭সের
➲ ১সের = ০.৯৩কিলোগ্রাম
➲ ৫বর্গগজ = ১ছটাক
➲ ৪০ কেজি =১ মন
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
❍ ১ পক্ষ = ১৫ দিন;
❍ ১ মাস = ২ পক্ষ
❍ ১ মাস = ৪ সপ্তাহ;
❍ ১ মাস = ৩০ দিন
❍ ১ ঋতু = ২ মাস = ৪ পক্ষ = ৮ সপ্তাহ = ৬০ দিন
❍ ১ বছর = ১২ মাস = ২৪ পক্ষ = ৩৬৫ দিন = ৫২ সপ্তাহ
❍ ১ অধিবর্ষ = ৩৬৬ দিন
❍ ১ যুগ = ১২ বছর ;
❍ ১ অর্ধযুগ = ৬ বছর;
❍ ১ অর্ধ-শতাব্দী = ৫০ বছর ;
❍ ১ শতাব্দী = ১০০ বছর
❍ ১ কুড়ি = ২০টি
❍ ১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা
❍ ১ ভরি = ১৬ আনা ;
❍ ১ আনা = ৬ রতি
❍ ১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত
❍ ১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
❍ ১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
❍ ১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি
❍ ১ লিটার = ১০০০ সিসি
❍ ১ মণ = ৪০ সের
❍ 1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ;
❍ 1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম
❍ 1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ;
❍ 1 পাউন্ড = 16 আউন্স
❍ 1 গজ= 3 ফুট ;
❍ 1 একর = 100 শতক
❍ 1 বর্গ কি.মি.= 247 একর
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
১ মিলিয়ন(Million) = ১০০০ হাজার= ১০ লক্ষ = ১,০০০,০০০ = ১+৬ শূন্য
১ বিলিয়ন(Billion) = ১০০০ মিলিয়ন = ১০০ কোটি= ১,০০০,০০০,০০০ = ১+৯ শূন্য
১ ট্রিলিয়ন(Trillion) = ১০০০ বিলিয়ন = ১ লক্ষ কোটি
↔ভালো লাগলে কমেন্টে ধন্যবাদ বা Thanks লিখুন ...এবং পেইজে লাইক দিয়ে পেইজের সাথে থাকার অনুরোধ রইল .....

Address

Cumilla
3552

Opening Hours

Monday 10:00 - 21:00
Tuesday 10:00 - 21:00
Wednesday 10:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 21:00
Friday 15:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 21:00
Sunday 10:00 - 21:00

Telephone

+8801690001040

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dream World Consultant & Engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share