04/09/2026
আয়াত: وَلَا تَقۡتُلُوا النَّفۡسَ الَّتِیۡ حَرَّمَ اللّٰہُ اِلَّا بِالۡحَقِّ ؕ وَمَنۡ قُتِلَ مَظۡلُوۡمًا فَقَدۡ جَعَلۡنَا لِوَلِیِّہٖ سُلۡطٰنًا فَلَا یُسۡرِفۡ فِّی الۡقَتۡلِ ؕ اِنَّہٗ کَانَ مَنۡصُوۡرًا
অনুবাদ: আল্লাহ যেই প্রাণকে মর্যাদা দান করেছেন তাকে হত্যা করো না, তবে (শরীয়ত অনুযায়ী) তোমরা তার অধিকার লাভ করলে ভিন্ন কথা। যাকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়,আমি তার ওলিকে (কিসাস গ্রহণের) অধিকার দিয়েছি। সুতরাং সে যেন হত্যাকার্যে সীমালংঘন না করে। নিশ্চয়ই সে এর উপযুক্ত যে, তার সাহায্য করা হবে।
তাফসীর: কাউকে হত্যা করার অধিকার লাভ হয় মাত্র কয়েকটি অবস্থায়। তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থার কথা পরবর্তী বাক্যে উল্লেখ করা হয়েছে। তা হল, কাউকে যদি অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়, তবে তার ওলি অর্থাৎ ওয়ারিশগণ আদালতী অনুষ্ঠানাদির পর হত্যাকারীকে হত্যা করা বা করানোর অধিকার সংরক্ষণ করে। পরিভাষায় একে ‘কিসাস’ বলা হয়।
নিহতের ওয়ারিশগণ কিসাসস্বরূপ ঘাতককে হত্যা করার অধিকার সংরক্ষণ করে বটে, কিন্তু সে ক্ষেত্রেও সীমালংঘন জায়েয নয়। অর্থাৎ, হত্যার সাথে তার হাত-পা কেটে দেওয়া বা বাড়তি কষ্ট দেওয়ার জন্য অধিকতর কঠিন পন্থায় হত্যা করার অনুমতি নেই। এরূপ করলে কুরআন মাজীদের দৃষ্টিতে তা সীমালংঘনরূপে গণ্য হবে।
তাফসীর (মুফতী তাকী উসমানী)
রেফারেন্স: সূরা বনী-ইসরাঈল, আয়াত নং: ৩৩