জান্নাত

জান্নাত আমাদের এখানে আপনি পাবেন সম্পুর্ন হাল?

বারমাসী সাজনের চারা ১৫০/=বারমাসী সাজনের চারা ১০০ পিচ এর বেশি নিলে ১০০/=বারমাসী সাজনের ডাল ৯০/=বারমাসী সাজনের মুল ১০০/=সা...
19/09/2021

বারমাসী সাজনের চারা ১৫০/=
বারমাসী সাজনের চারা ১০০ পিচ এর বেশি নিলে ১০০/=
বারমাসী সাজনের ডাল ৯০/=
বারমাসী সাজনের মুল ১০০/=
সাজনের পাউডার ৫০০/= প্রতি কৌটা।
যেকোন জায়গায় পন্য ভেলিভারি দেওয়া হয় কুরিয়ার সার্ভিসের চার্জ প্রযোজ্য।
জাত: পিকেএম২, ওডিসি ৩

করলা নিয়মিত খাবার তালিকায় রাখুন ।বেশি বেশি দেশি ফল খেলে রোগ ব্যাধির ঝুঁকি কমে।
05/09/2020

করলা নিয়মিত খাবার তালিকায় রাখুন ।
বেশি বেশি দেশি ফল খেলে রোগ ব্যাধির ঝুঁকি কমে।

লাউ কেন খাবেন
05/09/2020

লাউ কেন খাবেন

মাসে চারদিন অন্তত সাজনার পাতা খান, সুস্থ থাকুন।
05/09/2020

মাসে চারদিন অন্তত সাজনার পাতা খান, সুস্থ থাকুন।

নিজস্ব মিলে ভাঙ্গানো খাঁটি সরিষার তেল সুলভ মূল্যে পাচ্ছেন আমাদের কাছে ।প্রতি ১ কেজি ২৬০/=মিরপুর ডিওএইচএসের মধ্যে ফ্রি ডে...
06/06/2020

নিজস্ব মিলে ভাঙ্গানো খাঁটি সরিষার তেল সুলভ মূল্যে পাচ্ছেন আমাদের কাছে ।
প্রতি ১ কেজি ২৬০/=

মিরপুর ডিওএইচএসের মধ্যে ফ্রি ডেলিভারি ।

আসুন জেনে নেই সরিষার তেল সম্পর্কে কিছু চমকপ্রদ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উপকারিতা। যা জানলে নিশ্চিত আপনি সরিষার তেলের ব্যবহার বাড়বেন এবং আমাদের সুস্থ থাকতে সহায়তা করবে সরিষার তেল।

সরিষার তেল আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই যেন মিশে আছে। একসময় গ্রামবাংলার একমাত্র ভোজ্যতেল ছিল সরিষার তেল। এর ওষুধি গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই তেল। সরিষার তেল যেমন প্রয়োজনীয় তেমন উপকারীও। ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ থেকে সরিষার ব্যবহার হয়ে আসছে। সরিষার তেল উদ্দীপক হিসেবে পরিচিত। অন্ত্রে পাচকরস উৎপাদনে সাহায্য করায় হজমপ্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এ ছাড়া একই প্রক্রিয়ায় ক্ষুধা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সর্বজনীনভাবে সরিষার তেলের ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে। তবে এই তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে যাঁরা অবগত আছেন, তাঁরা নিয়মিতই ব্যবহার করে চলেছেন সরিষার তেল।

সরিষাবীজ থেকে তৈরি হয় সরিষার তেল। এটি গাঢ় হলুদ বর্ণের এবং বাদামের মতো সামান্য কটু স্বাদ ও শক্তিশালী সুবাসযুক্ত তেল। ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলা হয়। বিভিন্ন ভোজ্য তেলের ওপর করা একটি তুলনামূলক সমীক্ষায় দেখা যায়, সরিষার তেল ৭০ শতাংশ হৃৎপিণ্ড–সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায়। সরিষার তেল ব্যবহারে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পায়, যা হৃদ্​রোগের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়।

এ ছাড়া সরিষা তেল ঠান্ডা ও কাশি উপশমে সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে। যখন বুকে প্রয়োগ বা তার দৃঢ় সুবাস নিশ্বাসের মাধ্যমে নেওয়া হয়, এটা শ্বাসযন্ত্রের নালির থেকে কফ অপসারণেও সাহায্য করে। শুধু খাওয়ার জন্যই নয়, সরিষার তেল চুল ও ত্বকের যত্নেও কাজে লাগে।

সরিষার তেলের উপকারিতা
ত্বকের তামাটে ভাব দূর করে

সরিষার তেল ত্বকের তামাটে ভাব ও দাগ দূর করে এবং ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল করতে পারে। এ জন্য বেসন, দই, সরিষার তেল ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণটি আপনার ত্বকে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করতে পারেন।

প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন

সরিষার তেল খুব ঘন হয় এবং এতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই থাকে। এই তেল ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে এবং অন্যান্য দূষিত পদার্থ থেকে ত্বককে সুরক্ষা করে। তাই এটি ত্বকের ক্যানসারও প্রতিরোধ করতে পারে। ভিটামিন ই বলিরেখা ও বয়সের ছাপ দূর করতেও সাহায্য করে। তাই সানস্ক্রিন লোশনের মতোই ব্যবহার করতে পারেন এই সরিষার তেল। তবে এই তেল যেহেতু ঘন, তাই ত্বকে লাগানোর পর ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে, যেন অতিরিক্ত তেল লেগে না থাকে। অন্যথায় অতিরিক্ত ধুলাবালু জমা হয়ে ত্বকের ভালোর চেয়ে খারাপই হতে পারে বেশি।

চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক

সরিষার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। সরিষার তেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-এতে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে। এ ছাড়া প্রতি রাতে চুলে সরিষার তেল মালিশ করে লাগালে চুল কালো হয়।

উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে

সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া খাওয়ার পাশাপাশি বাহ্যিকভাবে শরীরে মালিশ করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন এবং ঘর্মগ্রন্থি উদ্দীপিত হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা কমে।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে, যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই এটি ক্যানসারজনিত টিউমারের গঠন প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কোলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল ক্যানসার থেকে সুরক্ষাও প্রদান করে।

চুল পাকা রোধ করতে

সরিষা তেলের পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন, মিনারেল চুলের অকালপক্বতা রোধ করে থাকে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই তেল মালিশ করুন চুল এবং মাথার তালুতে যা আপনার চুল পাকা রোধ করবে।

ঠোঁটফাটা রোধ করে

ঠোঁট ফাটা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকের এই সমস্যা এত বেশি হয়ে থাকে যে লিপবাম কাজ করে না। অল্প একটু সরিষার তেল নিয়ে ঠোঁটে লাগান। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ঠোঁটফাটা রোধ করে ঠোঁট নরম কোমল করে তোলে। শুষ্ক ঠোঁটের যত্নে সরিষার তেল ভালো কাজ করে। লিপবাম বা চ্যাপস্টিক—এগুলোর পরিবর্তে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।

কার্ডিওভাসকুলার উপকারিতা

সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ বলে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। এর ফলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে।

সতর্কতা

সরিষা তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে জেনে নিতে হবে যে আপনার সরিষার তেল খাঁটি কি না? নকল বা ভেজাল সরিষার তেল ব্যবহারের ফলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমাদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় সরিষার তেল কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু যেকোনো সরিষার তেল কি আমাদের জন্য উপকার বয়ে আনবে? মোটেও তা নয়। দোকানের খোলা সরিষার তেলে ভেজাল মিশ্রিত থাকে, যা ব্যবহার করলে নানা রকম অসুখ–বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই খাঁটি সরিষার কেনার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে।

লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ, বিআরবি হাসপাতাল, ঢাকা
তথ্য: প্রথম আলো পত্রিকা হতে সংগৃহিত।

21/01/2019

শীতের অন্যতম সবজি লাউ, পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ।

20/01/2019

Under Construction !

এখন গরমকাল অাজ বরষার শুরু। বাঙালির ফলের মৌসুম। মৌসুমি ফলগুলোর মধ্যে সফেদা বেশ পরিচিত একটা ফল। সফেদা গরমকালের ফল, এতে রয়ে...
16/06/2017

এখন গরমকাল অাজ বরষার শুরু। বাঙালির ফলের মৌসুম। মৌসুমি ফলগুলোর মধ্যে সফেদা বেশ পরিচিত একটা ফল। সফেদা গরমকালের ফল, এতে রয়েছে নানা রকম গুণ। এ ফল অসংখ্য ঔষধি গুণসম্পন্ন। সফেদা বহুবর্ষজীবি ও চিরসবুজ বৃক্ষ। সফেদা কোথাও কোথাও সবেদা নামেও পরিচিত। এর ইংরেজি নাম Sapodilla এবং বৈজ্ঞানিক নাম Manikara zapota। Alano-Sapodilla স্বাস্থ্যরক্ষায়ঃ * সম্পূর্ণ ফ্যাটমুক্ত একটি দেশি ফল সফেদা। বেশি খেলেও ক্যালরি বাড়ার সম্ভাবনা থাকে না। এটি ফাইবার যুক্ত ফল বলে, হজমে সহায়তা করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। * সফেদায় যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি রয়েছে। ভিটামিন-এ চোখ, ত্বক ও হাড়ের জন্য ভালো। ত্বকের মিউকাস মেমব্রেন গড়ে তুলতে ভিটামিন-এ সহায়তা করে। ভিটামিন-সি ইমিউনিটি গড়ে তোলে, ত্বক, চুল ও দাঁত ভালো রাখে। অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। নিয়মিত সফেদা খেলে ওরাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে, দাঁত ভালো রাখে। * সফেদায় আছে ফাইবার, পলিফেনলিক যৌগ ও ভিটামিন সি যা আমদের দেহকে নীরোগ রাখতে সহায়তা করে। তাছাড়াও পাকা সফেদায় আছে পটাশিয়াম, কপার, আয়রন, ফোলেট, নিয়াসিন ও পান্টোনিক অ্যাসিড, যা মেটাবলিক ফাংশন ভালো রাখে। * এতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ফসফরাস হাড়ের গঠন মজবুত করে। সফেদা কনজেশন এবং কাশি উপশম করতে সাহায্য করে। * সফেদা নিয়মিত খেলে স্থুলতা জনিত সমস্যার সমাধান হয়। সফেদায় প্রচুর পরিমাণে গ্লুকোজ রয়েছে যা আমাদের শক্তি প্রদান করে। * সফেদা গাছের পাতা ছেঁচে সদ্য ক্ষত হওয়া স্থানে দিলে দ্রুত রক্তপাত বন্ধ হয়। এটি ডায়রিয়া বিরোধী উপাদান হিসেবে কাজ করে ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। * সফেদা ফলের স্নায়ু শান্ত এবং মানসিক চাপ উপশম করার ক্ষমতা রয়েছে। নিয়মিত খাওয়ার ফলে অনিদ্রা , উদ্বেগ এবং বিষণ্নতা রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। * এটি ফুসফুসের কার্যকলাপ ভালো রাখে, কিডনি রোগ সারাতে সাহায্য করে, কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। * নিয়মিত সফেদা খেলে ওরাল ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ হওয়ায় ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। * ঘন ঘন ঠাণ্ডা লাগা দূর করে। ত্বকচর্চায়ঃ * সফেদা ফলে অনেক ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ আছে, যা আমাদের একটি সুস্থ এবং উজ্জ্বল ত্বক পেতে অনেক সাহায্য করে। * সেল ডেমেজ প্রতিরোধ করে, ত্বকে বয়সের ছাপ দূর করে। * সফেদা চামড়ায় ছত্রাকের আক্রমণ রোধে বিশেষ উপযোগী। ত্বকে ভাইরাস জনিত গোটা উঠা রোগেরও সমাধান সফেদা ফল। * সফেদা ফলের বীজের ঔষুধি গুণাগুণ অনেক বেশি। চামড়ার যে কোন ধরণের ইনফেকশন দূর করতে সফেদা বীজের তেল বেশ কার্যকর। সফেদা ফল ত্বকের অয়েন্টমেন্ট হিসেবে কাজ করে। জেনে রাখা ভালো যে, ১০০ গ্রাম সফেদায় আছে ৮৩ ক্যালরি, ৩.৯ গ্রাম মিনারেল, ৫.৬ গ্রাম ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট এবং ১৪.৭ গ্রাম ভিটামিন। সফেদা ফলের সাথে সাথে এর গাছের ছাল ও পাতা সমান উপকারী। সংগৃহিত

একটা ঐতিহাসিক প্রায় বিলুপ্ত খাবার
25/01/2017

একটা ঐতিহাসিক প্রায় বিলুপ্ত খাবার

সামনে আবারও বছর ঘুরে চলে আসছে ....অমৃত ফলের সময় । পর্যাপ্ত পরিমাণ মৌসুমী ফল খান সুস্থ থাকুন । নিজেদের এবং আগামী প্রজন্মে...
21/01/2017

সামনে আবারও বছর ঘুরে চলে আসছে ....অমৃত ফলের সময় । পর্যাপ্ত পরিমাণ মৌসুমী ফল খান সুস্থ থাকুন । নিজেদের এবং আগামী প্রজন্মের জন্য আসুন বেশি করে ফলের গাছ লাগাই ।

Address

Baipail

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 21:00 - 12:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801511102111

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জান্নাত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share