E-4 Consultant & Builders

E-4 Consultant & Builders We Try To Build Your Dream....
For living or discover your career...

কম খরচে কিভাবে বাড়ি নির্মাণ করবেন - ১******************************************আমি বড় কোন ইঞ্জিনিয়ার নই, ছোটখাটো একজন সি...
16/05/2023

কম খরচে কিভাবে বাড়ি নির্মাণ করবেন - ১
******************************************

আমি বড় কোন ইঞ্জিনিয়ার নই, ছোটখাটো একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। ১৯ বছরের মতো সময় দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকেই কিছু বিষয় শেয়ার করতে চাই, যা সার্বিক মানুষের উপকার না হলেও নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য কাজে আসতে পারে।

একটি বাড়ি একজন মানুষের সারাজীবনের স্বপ্ন। এক জীবনে একাধিক বাড়ি নির্মাণ আমাদের মতো ছাপোষা মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয় বিধায় কিছুটা হিসাব নিকাশের মধ্য দিয়ে চললে খরচ কমানো সম্ভব। আপামর সাধারণের সুবিধার্থে আমি ইঞ্জিনিয়ারিং এর জটিল কিছু শব্দ পরিত্যাগ করে সাবলীলভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

বাড়ি বলতেই আমাদের চোখের সামনে বিশাল অট্টালিকা ভেসে ওঠে, এটাই সবাই চিন্তা করি এবং স্বপ্নও দেখি। কিন্তু আমাদের সামর্থ্য সম্পর্কে বুঝতে হবে আগে। আমি ১ মন ওজনের কিছু তুলতে পারি, সেখানে ২ মণের চাপ কেন নিতে যাবো বলুন?

২ তলা বাড়ির জন্য ২ তলার ফাউন্ডেশনই তো করা উচিৎ, তাই নয় কি? ২ তলা বাড়ির জন্য ৪ তলা ফাউন্ডেশন কেন করবেন? মাটির তলেই তো অনেক টাকা ফেলে রেখে দিবেন। আপনার সামর্থ্য আছে ২ তলা বাড়ি করার, সেটুকুতেই সন্তুষ্ট থাকেন। অযথা নিজে ঋণের বোঝা কেন টানবেন? ঘরের বউকে বলবেন “যা বাপের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আয় বাড়ির জন্য” (মশকরা করলাম)। ২ তলা বাড়ির জন্য ২ তলা ফাউন্ডেশন করলেই কিন্তু অনেক খরচ কমে যাবে।

আপনাকে জানতে হবে আপনার কত টাকা আছে বাড়িটির কাজ শেষ করার জন্য, এটাই সবচেয়ে জরুরী বিষয় একটা বাড়ি করার পরিকল্পনা শুরু করার জন্য। ধরুন, আপনার পরিবারে আপনারা স্বামী স্ত্রী এবং ২ ছেলে মেয়ে নিয়ে বসবাস করবেন। সেইক্ষেত্রে আপনাদের রুম দরকার হবে ৩টি, একটি অতিথিদের রুম। বাড়ি করার আগে, ডিজাইন করার আগে ঘরের সদস্যদের নিয়ে বসুন। তাদেরও একটা মতামত অবশ্যই আছে।

ইঞ্জিনিয়ার, আর্কেকিটেক্টকে দিয়েই বাড়ির ডিজাইন করান। এই ব্যাটারা কিন্তু লেখাপড়া করেছে এই কাজের জন্য। একজন মিস্ত্রি অভিজ্ঞ মানুষ, তা শুধুমাত্র তার নিজের কাজের ক্ষেত্রে। শত শত বাড়ি করার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে। কিন্তু একজন ইঞ্জিনিয়ার জানে একটা বাড়ির কলাম পিলার ফাউন্ডেশন কতটুকু চাপ নিতে পারে। একজন আর্কিটেক্ট জানে কিভাবে অল্প জায়গায় একটা বাড়ির সবকিছু রাখা সম্ভব এবং ঘরের প্রতিটি কোণে কিভাবে আলো বাতাসের ব্যবস্থা করা যায়।

ধরুন, RFL কোম্পানি একটা চেয়ার তৈরি করবে। কতটুকু মোটা বা চিকন পা বানাবে তা কিন্তু এই চেয়ারের ইঞ্জিনিয়ার জানে। এটা তাকে ১+১ = ২ যোগ করার মতো করে শিখে আসতে হয়েছে। আপনি নিজে যতই অভিজ্ঞ হোন না কেন আপনি ইঞ্জিনিয়ার বা আর্কিটেক্ট নন। নেট থেকে একটা ফ্লোর প্লান নামিয়ে কিংবা থ্রিডি ডিজাইন দেখে বাড়ি করার পরিকল্পনা বাদ দিন। যে ছবি নেটে দেয়া হয়েছে তা আপনার বাড়ির জন্য দেয়া হয়নি। সেটা হতে পারে হবিগঞ্জের করিম সাহেবের বাড়ির ডিজাইন। হবিজঞ্জের পরিবেশগত অবস্থা আপনার রংপুরের সাথে কেন মিলবে? নেটের ছবির ডানে বামে কিরকম বাড়ি আছে তা তো আপনি জানেন না। আর্কিটেক্ট সেই হিসাব করেই ডিজাইন করে থাকেন।

আপনার নিজের বাড়িতে জমিদারি স্টাইলে মিস্ত্রি হেলপারদের হুকুম করা বাদ দিন। পারলে নিজে হেলপারের সাথে কাজ করুন। প্রতিদিন একজন হেলপারের সাথে কাজ করলে বাড়ির কাজ শেষ হলে ১৫ হাজার টাকা কি বাঁচাতে পারবেন না? (গ্রাম ও মফঃস্বলের দিকেই এটা সম্ভব)।

ভালো ইট, বালি, সিমেন্ট, খোয়া, সিমেন্ট চিনতে শিখুন।

আপনাকে ইঞ্জিনিয়ার বা মিস্ত্রি হিসাব দিল যে, এই কাজে ৫০০ ফুট বালি বা খোয়া লাগবে। আপনি দোকানে গিয়ে বললেন, ৫০০ ফুট বালি পাঠিয়ে দিন। তিনি ৫০০ ফুট বালির টাকা আপনার কাছ থেকে হিসাব করে রেখে দিলেন। আপনি কি আপনার বাসায় ৫০০ ফুট বালি পাচ্ছেন? প্রতি ভ্যান বা গাড়িতে বালি কম থাকবেই। কিন্তু আপনি তাকে ৫০০ ফুট বালির টাকা দিয়েছেন।

ভ্যান বা গাড়ি মাপতে শিখুন। ভ্যানের লম্বা x চওড়া x উচ্চতা গুণ করে ফেলুন। ধরুন, ভ্যানটির বালি রাখার জায়গা ৩ ফুট লম্বা, ২ ফুট চওড়া এবং বালির ভিতর কাঠি ভরে দিয়ে মেপে দেখলেন এর উচ্চতা ১.৫ ফুট বা দেড় ফুট। তাহলে বালি আছে কতটুকু? দোকানদারের সাথে চুক্তি করুন যে আমি বালি মেপে ফুট হিসাবে টাকা দেবো। সবাই যে আপনার শর্তে রাজি হবে তা নয়, তবে কাউকে না কাউকে তো অবশ্যই পাবেন।

বালি কিনে নিয়ে এসে বাসার সামনে ফেলে রাখলেন। কুকুরে ঠ্যাং উচিয়ে হিসু করবে, কুকুর বিড়াল মোরগ মুরগি মারামারি করবে, বাতাসে উড়ে যাবে, পাশের বাড়ির কারো মেঝে নষ্ট হয়েছে, সে রাতের আঁধারে এক বালতি বালি নিয়ে যাবে। মেপে বালি আনার পরে তাহলে কতটুকু বালি পাচ্ছেন? এক ফুট বালির দাম ৩৫ টাকা হলে পুরো বাড়ির কাজ শেষ হলে এমন কত ৩৫ টাকা লস দিচ্ছেন? ৪/৫ হাজার?

বালি কিনে আনার পর তার উপর ইট বা পলিথিন এই টাইপের কিছু দিয়ে ঢেকে রাখুন।

খুচরা খোয়া না কিনে পিকেট কিনে খোয়া করুন। ১/২ নম্বর ইটের খোয়ার উপর কিছু কালো রঙের পোড়া ইটের খোয়া মেশালেই কিন্তু তা পিকেট ইটের খোয়া হয়না। কিন্তু আপনি এসবের দাম কিন্তু ১ নম্বরের পরিশোধ করছেন।
রড মাটি বা মেঝের উপর রাখবেন না। অন্তত কয়েকটা ইটের উপর রাখুন।
ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে মিস্ত্রির সাথে ডিজাইন নিয়ে বসুন। লিখিত নিন যে, আপনার বা ইঞ্জিনিয়ারের আদেশ ছাড়া তিনি একটি ইটও গাঁথুনি দিবেনা। যদি গাঁথে তাহলে ক্ষতিপূরণ দিবে।

সামর্থ্য কম? ইটের দেয়ালে প্লাস্টার করা বাদ দিন। ইটের গায়ে পয়েন্টিং করুন। নেট তো সবাই চালাই। ফেসবুক ইউটিউবের পিছনে না ঘুরে ইটের পয়েন্টিং লিখে গুগলে সার্চ দিলেই তো অনেক কিছু পাবেন। ২/৩ বছর পরপর রঙ করার খরচ বাঁচবে। পয়েন্টিং এর গাঁথুনিতে মসলা দিতে হয় সমান করে। ইট বসিয়ে দুই পাশে ৮ মিলি রড ব্যবহার করুন, মসলা এক বিন্দুও নষ্ট হবেনা। প্লাস্টারের দেয়ালের মতো এবড়োথেবড়ো করে নয়। ফলে সিমেন্ট বালিও বাঁচে। মিস্ত্রি খরচ সামান্য বেশি হলেও কাজ শেষে দেখবেন ২০%-২৫% টাকা বেঁচে গিয়েছে। দেখতেও তো ভালো লাগে।

পয়েন্টিং এর ক্ষেত্রে সাধারণ ভাটা, অটো ব্রিকস বা সিরামিকের যে ইট ব্যবহার করুন না কেন ইটের গায়ে সিমেন্ট বালি কিংবা মসলার পানি জমতে দিবেন না। পরিস্কার পানিতে ফোম ভিজিয়ে মুছে দিন। এটা নিজে করবেন। হেলপার দিয়ে এই কাজ হয়না। বাড়ির কাজ শেষ হলে পয়েন্টিংকৃত দেয়ালে ভার্নিশ এর একটা কোট বা যেকোনো তেল দিতে পারেন। অবশ্য এটা দিবেন ৫/৬ মাস পর। বছরে একবার দিলেই হবে, না দিয়েও ভালো লাগে। পয়েন্টিং এর মসলায় সিমেন্ট সামান্য একটু বেশি দিবেন। (আমাদের পেইজে ভিডিও পাবেন)

টিনের চালের জন্য টিনের নিচে মাচান (আড়া) করতে ছবি খেয়াল করুন। এটাই মজবুত বেশি। এতে করে অনেক বাঁশ, কাঠ বাঁচবে।

টয়লেটের মধ্যে সাবান দানিটাও কিন্তু একটা ইট ঘুরিয়ে দিয়েও করা যায়। এতে কি ১৫০ টাকা বাঁচেনা?

ফ্লোরে ফেরো সিমেন্ট দিয়ে টাইলস বানানো যায়। ইন্টারনেট ঘাটুন। এতেও ফ্লোরের খরচ কম হয়। টয়লেটে দোকানের ফেলে দেয়া ভাঙ্গা টাইলস ব্যবহার করতে পারেন।

১টা ইটের দাম যদি ১০ টাকা হয়, তাহলে এভাবে ১০ টাকা করে বেহুদা খরচ বাঁচাতে থাকুন। কাজ শেষে ১০/২০/৩০ হাজার এমনিতেই বাঁচাতে পারবেন।
ঘরের মধ্যে পর্যাপ্ত আলো বাতাস আসতে দিন। ১০ বছর আগের গরম আর ২০২৩ সালের গরম কিন্তু এক নয়। ২০৩৫ সালের গরম কেমন হবে ধারণা করুন?

কিউরিং, অর্থ পানি দিয়ে ভিজানো। সিমেন্টের কাজ যেখানেই আছে সেখানেই কিউরিং করতে হবে। নামীদামী ইঞ্জিনিয়ার, বিখ্যাত মিস্ত্রি, নামীদামী সব ব্র্যান্ডের মালামাল ব্যবহার করুন না কেন ঢালাই বা প্লাস্টার কাজের স্থায়িত্ব নির্ভর করবে আপনি কতটা সঠিকভাবে কিউরিং করছেন। প্লাস্টিকের মগে বা বদনায় করে সামান্য না ভিজিয়ে গোসল করান।

আমার কাজের কিছু ছবি শেয়ার করলাম। বাড়ি নির্মাণে তদারকি বড় একটা ফ্যাক্টর। ঠিকাদারকে দিয়ে বাড়ি করালেও আপনাকে আপনার বাড়ির কোয়ালিটি দেখতে হবে।

আসলে বাড়ি নির্মাণ মানেই টেকনিক্যাল ব্যাপার স্যাপার। এভাবে কতটা বোঝানো যায় বুঝতে পারছিনা। ২ বছরে এই ধরণের প্রায় ৩০টি বাড়ি তৈরি করেছিলাম, সেই আলোকেই শেয়ার করেছি।।

ভাই, আমার এতোটুকু জায়গা আছে। আমি একটা বাড়ি করতে চাই দোতলা ফাউন্ডেশনের, কত খরচ হতে পারে? প্লিজ এই ধরণের প্রশ্ন করা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিন।

৪ হাজার টাকার মোবাইলেও ক্যামেরা থাকে, দেড় লক্ষ টাকার মোবাইলেও ক্যামেরা থাকে। স্থান, পরিবেশ, পাত্র কাল, জমির ধরণ, আপনার চাহিদা, আপনার বাজেট ইত্যাদির উপর খরচ নির্ভর করে। এটা ফেসবুকের একটা কমেন্টসের উত্তরে হয়না।

আমি ভিন্ন কিছু করতে ভালবাসি। ১০ জন মহিলা একই রঙের শাড়ি পরে যখন কোথাও যাবে, তখন সেখান থেকে আলাদা করে কাউকে দেখার সুযোগ নেই। কিন্তু এই ১০ জনের ভিতর যদি কেউ একজন ভিন্ন কিছু পরিধান করে থাকে, তখনই সবার নজরে আসবে।

আমাকেও প্রচুর শিখতে হয়েছে। রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গেলেও এদিক সেদিক তাকিয়েছি নতুন কিছু আবিষ্কারের আশায়। সাথের ২/১ জন কলিগ এবং মাথার উপর ছাদ হয়ে থাকা ২/১ জন শিক্ষকের জন্যই এগুলো করতে পেরেছি। এগুলো দেখতে যখন আফ্রিকা, আমেরিকা, ইংল্যান্ড থেকে বিভিন্ন এনজি'র লোক এসেছেন, তাদেরকে যখন দেখাতে পেরেছিলাম, বাহবা পেয়েছিলাম, তখন নিজের জন্য নয় "আমরাও পারি" বলে খুব গর্ব হতো। মনের সন্তুষ্টির জন্যই এই কাজগুলি। এটা প্রতিনিয়ত শিখতে হয়।

আমরা একটা বাড়ির খরচ অন্তত ৩/৪ লক্ষ টাকা কমিয়ে দিতে পারি, তা অবশ্যই ১০০% কোয়ালিটি ঠিক রেখে। একটা বাড়ির নির্মাণ খরচ কমিয়ে বাড়ি করতে চাইলে আমরা আছি, আপনি চাইলে আমাদেরকে ম্যাসেজ করতে পারেন। বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তেই বাড়ির ডিজাইন করে দেয়া এবং কিভাবে খরচ কমিয়ে বাড়ি নির্মাণ করা যাবে তার পরামর্শও দিতে পারবো।

[ছবিঃ আমাদের কিছু কাজ]
Copy.

E-4 Consultant & Builders

25/03/2023
চলমান মসজিদ প্রকল্প ।
25/02/2022

চলমান মসজিদ প্রকল্প ।

একটু চালাক না হইলে টিকে থাকা মুশকিলএকটা বাড়ী বানাবো।ইঞ্জিনিয়ারের এর কাছে গেলে অনেক খরচ। ইন্টারনেট থেকে জমির মাপে একটা ফ...
01/05/2021

একটু চালাক না হইলে টিকে থাকা মুশকিল

একটা বাড়ী বানাবো।ইঞ্জিনিয়ারের এর কাছে গেলে অনেক খরচ। ইন্টারনেট থেকে জমির মাপে একটা ফ্লোর প্ল্যান মিল খুঁজে নিলেই হলো। টাকা বাঁচিয়ে নিলাম। কোন ঝামেলা নাই।বাকি কাজ তো ইঞ্জিনিয়ারদের উস্তাদ রাজমিস্ত্রী ই করবে।

আরে আমাদের এলাকার অমুক মিস্ত্রী কত বিল্ডিং করে ফেললো। ইঞ্জিনিয়ার কিছু বুঝে নাকি, ইঞ্জিনিয়ার দের শিখাইলো কত, তাকে দিসি আমার বাড়ির কাজ।খরচ কেমনে কমানো লাগে এগুলোর উস্তাদ সে।

এইবার ইঞ্জিনিয়ার পড়ানো মিস্ত্রী তার তেলেস্মাতি শুরু করলেন।

১) পুকুর টা ভরাট করছি ৫-৬ মাস তো হইসে ভাই, কাজ শুরু করা যাবে না?
আরে ভাই যাবে না আবার। আলবৎ যাবে।এরকম কত করছি শহরে। খাল ভরাট করে পরের দিন শুরু হইছে। একটু রড আর সিমেন্ট বেশি দিলেই হয়।

২) ভাই বিম তো রুম এর ভিতরে খারাপ লাগবে, কন্সিল বিম করি।এটা ব্যাপার না দেওয়া যায়।

৩) আরে ভাই কলাম এত গুলা কি জন্যে? কলাম কমায় দেই। অমুকে ১২ টা পিলার দিয়েই ৪ তলা করছে। জায়গা তোমার একটুই বেশি।

৪) জায়গাটা একটু আঁকাবাকা কোন সমস্যা। বাকাঁ হইলে কি হইবো কুনি মোচড়া দিয়া নিমো। না হয় সোজা করার লাইগ্যা কিছু জায়গা ছাইরা দিমো।

এমনও শুনেছি। যে টাকা আপনাকে দিবো সেই টাকায় ৩/৪ হাজার ইট কিনতে পারবো। এগুলো বেশি লাগলে তো আমার বিল্ডিংয়েই লাগবো।

অবশেষে অনেক কম খরচে বাড়ি তৈরি করেই ফেললাম। কই আমার তো ইঞ্জিনিয়ার লাগলো না।

নাটকের শুরুঃ

১০ বছর পর থেকে শুরু হইলো আসল ঘটনা।

১) দেয়াল এর প্লাস্টার খুলে পড়ছে, কোনো অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার ভাই কি আছেন ভালো সমাধান দিবেন?

২)কলাম ফেটে রড বেরিয়ে পড়ছে।
কোনো ইঞ্জিনিয়ার ভাই কি পরামর্শ দিবেন কি ভাবে এটা ঠিক করা যাবে?

৩)ছাদ চুয়ে পানি পড়ছে।
কোনো মহান ইঞ্জিনিয়ার ভাই কি এর সমাধান দিবেন?

৪) ছাদ ফেটে গেসে ।
কোনো মহামহিম ইঞ্জিনিয়ার ভাই কি একটু সাহায্য করবেন?

৫) আর বাড়ির ভেতরে আলোবাতাস তো পর্যাপ্ত নাই তাই ইলেকট্রিক বিল বেশি। রান্না ঘরে চুলা জ্বালিয়ে রান্না করলে গরম বেশি।

হেহহে বুঝলেন একটু চালক না হইলে কিন্তু টেকা খুব মুশকিল?

কাউকে ছোট বা আঘাত করার জন্য নয়। চালাক হওয়ার আগে একটু ভেবে নিবেন। আপনার ৪০-৫০ লাখ খরচ করে ঘরবাড়ি করছেন তা কতটুকু বসবাসযোগ্য। আপনার জায়গার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কিনা। সবকিছু সঠিক নিয়মে হচ্ছে কিনা।

রডের বদলে বাঁশ দিয়ে বানালেও বিল্ডিং শুধু মাত্র সিমেন্টের বন্ডিংয়ের কারনে ৫/৬ বছরে কিছু হবে না। ঠিকে থাকবে। দিনশেষে কখন বিপদ আসবে সেটি বুঝবেন। ইঞ্জিনিয়ার হওয়া বা বানানো এত সহজ জিনিস নয়।। যেসব নোংরা অনুশীলন হচ্ছে না। বর্তমান নগরায়ন ও ডিজিটাল যুগে। এগুলোর খেসারত ৮/১০ বছরে পরে বুঝতে পারবেন।।

ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে কাজ করালেও তো অনেক সময় ক্ষতি হয় তাহলে মিস্তিরি করলে সমস্যা কোথায়। সঠিক জায়গায়, সঠিক তথ্য না জেনে গেলেই সমস্যা।

একটি বিল্ডিং কতগুলো ফাংশন আছে জানেন৷ প্রতিটি ফংশনে একটু একটু ভুল করেই আপনার বিরাট ক্ষতি হবে। আপনার বাড়ীর ফিনিশিং কাজ করে হিসাব শেষ করলেই মিস্তিরির কাজ কারবার শেষ। বাকি যন্ত্রণা আপনার উপরে।

এজন্য আপনার সঠিকভাবে বাড়ীর নিরাপত্তা ও আর্থিক ক্ষতির হাতে থেকে বাঁচার জন্য দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিন। আপনার কাজ রাজমিস্ত্রী ই করবে। কিন্তু এর সঠিকভাবে করার ফর্মূলা গুলো ইঞ্জিনিয়ার ই দিতে পারবে রাজমিস্ত্রী নয়। একটি নয় ৫০ টি বিল্ডিং করলেও রাজমিস্ত্রী নতুন করে একটি বিল্ডিং ডিজাইন বা তৈরী করতে করতে পারবে না। এটি ঐকিক নিয়ম আর দরকষাকষির অংক নয়। চাইলেই দৈর্ঘ্য প্রস্থ আর কলামের সাইজ, রডের পরিমাণ বাড়িয়ে দিলেই তৈরী হয়ে মানসম্মত বাড়ী।

সুবুদ্ধির উদয় হোক সকলের, নিরাপদ হোক সকলের বাসস্থান। সেই প্রত্যাশা করি।

(Collected)

পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা। চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য প্রযোজ্য সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি।
13/04/2021

পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা।

চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য প্রযোজ্য সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি।

08/03/2021

E-4 Consultant and Builders offers comprehensive services in some essentials of functional areas. For comfortable reach in your dream we have The wide range of experienced professionals allow us to form multidisciplinary teams that work with creativity and flexibility to meet the unique needs of each project. seeking improved quality in accelerated and integrated project solutions as well as delivery procedures. We are using advanced technology and tools to improve communication, collaboration and workflow and to safeguard the very interest of the Clients. Services :
----Architecture
----Engineering
----Interior Design
----Project Management
----Construction
E-4 Consultant and Builders always try to build your dream.

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when E-4 Consultant & Builders posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share