01/08/2024
সবাই এটা হিসাব করে, ইঞ্জিনিয়ার স্যারদের ভিজিটে আনলে টাকার খাম দিতে হয়!!
কিন্তু এটা ভাবে না, কন্সট্রাকশন কাজে প্রতিটা সিদ্ধান্ত/নির্দেশনা দিতে কতো রিস্ক ফেক্টর থেকে থিংকিং করতে হয়।
আপনি যদি মনে করেন, যে বাড়ি করছেন তাতে সুধু আপনি থাকবেন। তাহলে ২০/৩০ বছর টিকলেই হলো!! এতে যে কোন লাম সাম ভাবো কাজ করেন কোন সমস্যা নেই টিকে যাবে।
কিন্তু যদি ভাবে একটা বাসার সার্ভিসেবল ৭০/৮০ বছর অর্থাৎ আপনি সহ ৩ প্রজন্ম অনায়াসে ব্যবহার করবেন!! তাহলে আপনাকে ভিত্তি থেকে শুরু করে রংয়ের কাজ পর্যন্ত প্রতিটি স্টেপে সঠিক নিয়োম মেনেই বাসা করতে হবে।
বাড়ি নির্মাণের ১০/১৫ বছর পর থেকে যদি বাসার রিপেয়ারিংয়ের কাজ করতে হয়, তবে আপনি বাসার কর্তা হিসেবে সন্তানদের কাছে অথর্ব আর নিজের কাছে বেকুব। কারন টাকা ঠিকই খরচ হইছে কিন্তু সেটা সন্তোষজনক বা শক্তিশালী বাড়ি হয়নি৷
আপনি মিস্ত্রীর পরামর্শে সামান্য কিছু টকা বাঁচিয়ে নিজেকে যতোটা চালাক ভাবছেন, আসলে ততোটাই বেকুব মানুষ আপনি।
আচ্ছা একবারো মনে হয়নি আপনার? এইযে প্রকৌশলীরা ৮/১০ বছর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ালেখা করে, দেশী-বিদেশী যুগ ম্রেষ্ট সফল প্রকৌশল প্রফেসরদের প্রায় ১৫০+/- টি বই পড়তে হয়, পরিক্ষা দিয়ে ডিগ্রী নিতে হয়!!! এগুলো কোন কজে আসবে না!!
সর্বোপরি লাউড & ক্লিয়ার মেসেজ দেই শুনুন------
একটা বাসা দ্বাড়িয়ে আছে থাকতে পারছেন এটাই শেষ কথা নয়!! লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করছেন সেটাকে সুন্দর, শক্তিশালী, নিরাপদ ও দীর্ঘকাল ব্যবহার উপযোগী করতে প্রকৌশলীদের গাইডলাইন মেনে করুন। দিন শেষে আপনি জিতবেন ইনশাআল্লাহ।
.