Md Mohiuddin Hassan Riza

Md Mohiuddin Hassan Riza nothing to say

20/06/2017
20/06/2017
রাতে আম্মুর হাতে রান্না করা খাবার খুব মজা করেখেয়ে রাত ১০টাই ঘুমিয়ে গেলাম।সকাল গেলোঘুম থেকে উঠলাম না।আরামে ঘুমাবো বলে, আম...
11/06/2017

রাতে আম্মুর হাতে রান্না করা খাবার খুব মজা করে
খেয়ে রাত ১০টাই ঘুমিয়ে গেলাম।
সকাল গেলো
ঘুম থেকে উঠলাম না।
আরামে ঘুমাবো বলে, আম্মু ডাকলো না।
দুপুর হয়ে গেলো ঘুম থেকে উঠলাম না।
এবার আম্মু অনেক ডাকলো আমি উঠলাম না।
আম্মু চলে গেলো।
একটু পর আবার আসলো,
আবার আসলো।
এবার অনেক ডাকার পরেও না
উঠায়, আম্মু অনেক বকলো আমি তাও উঠলাম না।
এইবার আম্মু একটা থাপ্পড় দিলো, তাও উঠলাম
না। এবার আম্মু হাত ধরে টান দিলো
কিন্তু আমার
হাত পুরো শরীর নিয়ে নড়ে উঠলো।
শরীর আমার
পাথরের ন্যায় শক্ত হয়ে গেছে।
আম্মু কিছু না বলে চুপ করে রুম থেকে বেরিয়ে
আব্বুকে ডেকে নিয়ে আসলো।
কিন্তু আব্বুও
অনেক ডাকার পরও আমি উঠলাম না। এইবার আব্বু
চোখের জল ফেলে বলছে, উঠে আয় তোকে আর
কোন দিন কিছু বলবো না।
যেমন করে থাকতে চাস
থাক,
তাও উঠে আয় তোকে আজকেই বাইক কিনে দিবো।
আমি অবাক হয়ে দেখছি আব্বু
এতো করুণা করে কোনোদিন
আমাকে বলেনা অথচ আজ বলছে।
আমি উঠে আসতে
চাচ্ছি কিন্তু কিছুতেই উঠতে পারছিনা। এদিকে
আব্বু নানান রকম লোভ দেখিয়ে বলছে উঠে
আসতে।
একটু পর আমার বাড়িতে অনেক মানুষ
চলে আসলো।
ওদিকে আম্মু কাঁদছে কেউ আম্মুকে
সান্ত্বনা দিচ্ছে কেউবা আব্বুকে কেউ ভাই বোনকে
নানান কথা বলে বুঝাচ্ছে ।
একটু পরেই কয়েকজন
এসে আমাকে খুব যত্ন করে বিছানা থেকে নামিয়ে লোহার শক্ত খাটিয়াই শুইয়ে দিলো। আমি কাঁদছি
আর বলছি আমার পিঠে খুব ব্যাথা লাগছে নামাও এখান থেকে।
কেউ আমার কথা শুনল না।
একটু পর ঐ মানুষ গুলো গরম পানি নিয়ে এসে আমার শরীরে কিছুটা পানি ডেলে দিলো।
ইস আমার শরীর পুড়ে
গেলো বলে চিৎকার করছি কেউ কথা শুনছে না আমার।
আমাকে পরম যত্নে গরম পানি দিয়ে খুব
সুন্দর করে ডলে ডলে ধুইছে।
আমি কাঁদছি আর বলছি আমাকে
আর গরম পানি দিয়ো না, শরীর পুড়ে যাচ্ছে।
আমায় আর ডলা দিয়ো না,
খুব ব্যথা লাগছে কেউ শুনল না।
অনেক সময় নিয়ে গোসল
করিয়ে আমার শরীর ভালো করে মুছে নিয়ে আসলো
আমার বসার জায়গাতে।
আমি খুব খুশি হলাম ভাবলাম
আমাকে এইবার এখানে বসাবে।
কিন্তু ওরা আমাকে
না বসিয়ে কাঠের শক্ত একটা খাটে শুইয়ে দিলো।
একটা চাদরও নিচে দিলনা।
একটু পরে আব্বু, ভাই আরো
কয়জন মিলে আমাকে একটা সাদা কাপড় পড়ালো।
আব্বু অনেক আদর করে আমার মুখে হাত বুলাচ্ছে আর কাঁদছে।
এতো আদর কোনোদিন করেনি আব্বু
আমাকে।
অনেকে বলছে আমাকে খুব সুন্দর
দেখাচ্ছে,
তার পরেও আম্মু আব্বু খুব কাঁদছে। কিছুতেই কান্না
থামাচ্ছে না।
আমি এতো করে বলছি কেঁদো না।
আম্মু কিন্তু কিছুতেই শুনছে না আমার কথা।
একটু পর কয়েক জন এসে আমার পা আর মাথাটা বেঁধে
দিলো কত বললাম একটু খুলে দাও বাঁধন, কেউ শুনল না।
আব্বুকে সরিয়ে দিয়ে আমাকে নিয়ে যেতে লাগলো।
আম্মু কিছুতেই নিতে দিচ্ছে না আমাকে।
ভাই বোন সব চুপ হয়ে কাঁদছে আর কিছু বলছে না।
কত করে বলছি ডিস্টার্ব করিস না আমাকে,
একজনও শুনলো না, কেদেই চলেছে।
একটু বেশি ঘুমালে আব্বু বকা দিতো কিন্তু
এখন আব্বু চুপ করে দাড়িয়ে চোখের পানি মুছতেছে,
একটা বকাও দিলো না আমাকে।
আম্মুকে জোর করে সরিয়ে দিয়ে
কয়েক জন আমাকে নিয়ে অনেক মানুষের সামনে শুইয়ে দিলো একটা ছায়ায়।
তার পরেই জানাজা
পড়লো আমার।
জানাজা শেষেই নিয়ে গেলো
আমায়।
একটু দূরেই একটা মাটির গর্ত করে রাখছে।
আব্বু আর ভাই,
২ জন মিলে মাটির গর্তে নেমে
আমাকে কোলে তুলে নিয়ে
ঐ ছোট মাটির গর্তে
শুইয়ে দিলো। মাটি চাপা দিয়ে দিল......
জীবনের ইতি ঘটে গেল.........
যেতে হবে খালি হাতে। কোটি টাকার মালিক কিংবা, ২ টাকার মালিককে?

হে আল্লাহ! আমরা যেন ঈমান আমল নিয়ে যেতে পারি তুমি আমদেরকে তৌফিক দাও,,,, #আমিন..

ভারতের এক গল্পের কাহীনি।------------------------------------------------------------------একদিন এক অজগর সাপ কে এক মহিলা ...
04/04/2017

ভারতের এক গল্পের কাহীনি।
------------------------------------------------------------------
একদিন এক অজগর সাপ কে এক মহিলা খুব ভালো লাকতে লাগতে ঐ অজগর সাপটি সব সময় ওর সাথে লেগেই থাকতো।

হঠাৎ একদিন ঐ অজগর সাপটি সব খাওয়া দাওয়া বন্দ করে দিলো,ঐ মেয়েটি বার বার চেষ্টা করলো সাপটিকে খাওয়ানোর জন্য কিছুতে খাওয়াতে পারলোনা।মেয়েটি ঐ সাপের অবস্থা দেখে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলো,ডাক্তার মেয়েটি কে জিগাচ্ছা করলো অজগর সাপটি কি সব সময় আপনার সাথে লেগে থাকতো?মেয়েটি বললো হ্যা, আপনার সাথে খাওয়া দাওয়া করতো?মেয়েটি বললো হ্যা।

ডাক্তার মেয়েটি কে উওর দিলো ঐ অজগর সাপটির যথেষ্ট পরিমান খিদার পিপাসা আছে এবং যথেষ্ট পরিমান সাপটির পেটে খালি জায়গা করে রাখছে যাতে আপনাকে পুরো খাওয়ার জন্য কোন অসুবিধে না হয়।

বিদ্রঃ-আপনার চার পাশে হয়তো এমনি অনেকে আছে, যাদের আপনি আপন মানুষ ভাবেন,যাদের দেখে মনে হয় আপনাকে তারা অসম্ভব ভালোবাসে------কিন্তু আপনার ক্ষতি তাদের প্রধান উদ্যােশ।

29/09/2015

কোনো মেয়েকে সত্যিকার অর্থে খুব
ভালো লেগে যাওয়ার পর তাকে
ভালোবাসি বলার আগে ঠান্ডা মাথায়
চিন্তা করে দেখো তাকে শেষ পর্যন্ত
ধরে রাখতে পারবে কি না,।
প্রচন্ড বিপদে মেয়েটা যদি তোমার
দিকে হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে সেই
হাত শক্ত করে ধরে রাখতে পারবে কি
না? যদি পারো The great.।
আর যদি না পারো তাহলে ভুলে যাও ।
যদি সেটা না করো তাহলে সমাজ
আরেকজন ব্যর্থ প্রেমিক
পেতে যাচ্ছে !
একটা মেয়ে আরো একবার পুরো ছেলে
জাতির উপর বিশ্বাস হারাতে
যাচ্ছে..,! আর তুমি পেতে যাচ্ছো
অসংখ্য কষ্টকর বিনিদ্র রাত আর স্বরচিত
কিছু কবিতা!
ভালোবাসা মানে শুধু দুজন মিলে ফুচকা
খাওয়া না, একসাথে রিক্সায় ঘুরা না,
একসাথে মুভি দেখা না, দুজনে লুকিয়ে
লুকিয়ে দেখা করা না। এইগুলো শুধুমাত্র
দুজনের কাছে আসা, একজন আরেকজনের
প্রতি অনুভূতি প্রকাশ করা আর দুজনে
মিলে ভালো সময় কাটানো মাত্র ।
কিন্তুু এর বাইরেও ভালোবাসার একটা
অর্থ আছে । সেটা হলো দায়িত্ববোধ ।
একটা মেয়েকে ভালোবাসি কথাটা
বলার অর্থ মেয়েটার প্রতি তোমার যে
ভালোবাসা তার দায়িত্বও তুমি নিতে
যাচ্ছো । তার সুখের দায়িত্ব,আনন্দের
দায়িত্ব, কষ্টের দায়িত্ব, একাকীত্বের
দায়িত্ব ।
মেয়েটাকে প্রচন্ড ভালোবাসো তুমি ।
তার জন্য
কয়েক সকাল না খেয়ে নুপূর কিনে পায়ে
পরিয়ে দিচ্ছো, কয়েক বিকেল রিক্সায়
না উঠে হেটে যাচ্ছো টিউশনী করতে ।
পায়ে হেটে বেঁচে যাওয়া টাকা দিয়ে
গোলাপ কিনে দিচ্ছো । টিউশনীর
টাকায়
রাতভর তার কথায় ডুবে যাচ্ছো । খুব
ভালো ।
কিন্তুু এসবেরও শেষ আছে । এসবের শেষে
আরেকটা শুরুর জন্য, মেয়েটা একেবারেই
তোমার
কাছে চলে আসতে চাইবে ।
তখন তার হাতটা শক্ত করে তোমাকেই
ধরতে হবে । কিন্তু যদি না পারো
তাহলে মেয়েটা এক আকাশ অভিমান
নিয়ে, তোমাকে ভালোবাসতে বাসতে,
আরেক জনের ঘরে চলে যাবে । তার দেহ
পড়ে থাকবে অন্যের বিছানায়, মন পড়ে
থাকবে তোমার কাছে । তোমাকে
প্রতারক ভাববে । মেয়েটা তোমাকে খুব
ঘৃণা করতে চাইবে কিন্তু পারবে না ।
মেয়েরা যাকে সত্যিকার অর্থে
ভালোবাসে, তাকে কোনোভাবেই ঘৃণা
করতে পারে না! আর তুমি বসে বসে
কাঁদবে । তোমার সকালে না খেয়ে
কিনে দেয়া নুপুর, দুজনে কাটানো একলা
দুপুর সব মিথ্যে হয়ে যাবে । কিচ্ছু করার
থাকবে না!
দরকার হলে একা একা থাকো । অনেক
সুখে থাকবে। কিন্তু একজনকে
ভালোবাসবে অথচ তাকে ধরে রাখতে
পারবে না, সবচেয়ে বড়ো স্যাক্রিফাইস
করতে পারবে না । তারপর তার সাথে
কাটানো স্মৃতি নিয়ে তীব্র কষ্টে জীবন
কাটাবে, সেটার কোনো মানে হয়না ।
জানি এতো চিন্তা করে ভালোবাসা হয়
না । হঠাত করেই হয়ে যায় । কিন্তু
তারপরেও একটু চিন্তা করে নেয়া ভালো
। যদি চিন্তা করতে ইচ্ছা না হয় তাহলে
শেষদিনটায় মেয়েটাকে ফিরিয়ে দিও
না ।
সবচেয়ে বড়ো স্যাক্রিফাইস করতে হলে
করো, কারণ মেয়েটাও সবচেয়ে বড়ো
স্যাক্রিফাইস করে তোমার কাছে
এসেছে । তার হাত শক্ত করে ধরো ।
কোনো অবস্থাতেই সেই হাত ছাড়া
যাবে না । শত ঝড়েও না, একফোটা
চোখের জলেও না!

না পড়লে মিস ! পড়লে পাবো গিফটএক ছেলে তার বাবাকে বলছে:সামনের মাসে আমার পরীক্ষার ফলাফল দিবে।আমি A+ পেলে আমাকে একটা মটর বাই...
06/09/2015

না পড়লে মিস ! পড়লে পাবো গিফটএক ছেলে তার বাবাকে বলছে:সামনের মাসে আমার পরীক্ষার ফলাফল দিবে।আমি A+ পেলে আমাকে একটা মটর বাইক কিনে দিতে হবে।পরীক্ষার ফলাফল যে দিন বের হয় তখন ছেলে খুব খুশী হয়েবাবার কাছে এসে বলছে বাবা আমি A+ পেয়েছি ।এইবার কিন্তু আমাকে বাইক একটা কিনে দিতেই হবে ।বাবার চোখে গোপনে কান্না আসলো,ভাবতে লাগলেনকিভাবে ছেলেকে খুশি করা যায়।এরপরবাবা বললেন: আমি তোমার উপহারতোমার পড়ার টেবিলের উপর রেখে এসেছি ।ছেলে গিয়ে দেখল একটা বাক্স:ছেলে ভাবতে লাগল এটাতে চাবি আছে ।কিন্তু খুলে দেখে এর ভেতরে একটা কোরআন শরীফ ।ছেলে রাগ করে বাবার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিল ।এবং কয়েকদিন পরেই বিদেশে চলেগেল পড়ালেখা করার জন্য ।বিদেশ যাওয়ার পর বাবার সাথেকোন যোগাযোগ করে নাই ছেলেটা ।কয়েক বছর পর একদিন কল আসল ছেলেটির কাছে ।জানতে পারল বাবা খুব অসুস্থ ,বাবা তার জন্য কান্নাকাটিকরে সবসময়।কিন্তু ছেলেটি বাবাকে দেখতে যায়নিকয়েকদিন পর ছেলেটির কাছে আরেকটি কল আসে ।জানতে পারল তার বাবা মারা গেছেন ।বাবা'র মারা যাবার পর ছেলেটি দেশে আসেকারণ ঘরবাড়ি সব তার নামেকরে দিয়ে গেছেন তার বাবাএবং এই-সবকিছু তাকেই দেখাশোনা করতে হবে ।তারপর একদিন ছেলেটির তারবাবা কথা মনে পড়ল এবং বাবারঘরে গিয়ে কাঁদতে লাগল ।হটাৎ দেখল তার বাবারপড়ার টেবিলের উপরে রাখা সেই বাক্স ,যে বাক্স তার বাবা তাকে দিয়েছিলেন উপহার হিসেবে।ছেলে উজু করে এসে কোরআন শরীফটা খুলেপড়তে লাগলো। হঠাৎ করেই কোরান শরীফেরভেতর থেকে একটা চাবি পড়ল ।প্রথম দিনের চাবি ।এবং একটা চিঠি পেল । যেখানে লিখা ছিল:বাবা আমি অনেক খুশী যে তুমি A + পেয়েছ ।আমি চাইব তুমি আল্লাহ'র পরীক্ষাতেও এই ভাবে A+ পাও ।আর এই চাবিটা হচ্ছে তোমার নতুন মটর-বাইকের চাবি ,আমাদের গ্যারেজে রাখা আছে তোমার নতুন বাইক ।ছেলেটির চোখে জল চলে আসলো ।ভাবতে লাগলোআমার বাবা আমার জন্য তখনি বাইক কিনে চাবিটাকোর-আন শরীফে রেখে দিয়েছিলো।ছেলেটি গ্যারেজে গেল এবং দেখতে পেলতার সবচেয়ে পছন্দের বাইক সেখানে রাখা ।দেখে কান্না আর ধরে রাখতে পারলোনা।আসলে পৃথিবীর কোন বাবা তার সন্তানের অকল্যানচায়না।বাবা-মাকেকখনো কষ্ট দেবেননা।বাবা-মাআমাদেরসবচেয়ে আপনজন।আশা করি সবাই বুজতে পারছেন।ভালো লাগলেলাইক,কমেন্টস আর শেয়ার করে সবাইকে পড়ার সুযোগ দিন।

সেলফি এবং ডি এস এল আর এর জুগেকেমন চলছে তাদের দিনকাল--?বাংলাদেশে একটা সময় বিভিন্ন ফটোস্টুডিওতে গিয়ে ছবি তোলার চল ছিলমোট...
13/08/2015

সেলফি এবং ডি এস এল আর এর জুগে
কেমন চলছে তাদের দিনকাল--?
বাংলাদেশে একটা সময় বিভিন্ন ফটো
স্টুডিওতে গিয়ে ছবি তোলার চল ছিল
মোটামুটি সব মহলেই। পরিবার, বন্ধু কিংবা
সহপাঠীদের সাথে তোলা সেসব ছবির
ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকতো নানা ধরনের
প্রাকৃতিক দৃশ্য। স্টুডিওর দেয়ালে আঁকা
সেসব দৃশ্যে শোভা পেত ফুল লতা পাতা।
কিন্তু আজকের দিনে বহু খুঁজেও শহরাঞ্চলে
এমন স্টুডিও পাওয়া বেশ কঠিন। প্রচলিত
স্টুডিওগুলোর সাজসজ্জা ও কাজেও এসেছে
বড় পরিবর্তন। অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত
ব্যয়বহুল হলেও, দিন কে দিন পরিচিত হয়ে
উঠছে মডেলিং ফটোগ্রাফি কিংবা ফ্যাশন
ফটোগ্রাফি নির্ভর স্টুডিওগুলো।
সেইসাথে ফিল্ম, নেগেটিভ, ডার্করুম
ফটোগ্রাফির একসময়কার প্রচলিত অনুষঙ্গও
এখন আর প্রয়োজন হয়না। তাহলে কি
হারিয়ে যাচ্ছে প্রচলিত ফটো স্টুডিওগুলো?
সেলফি, স্মার্ট ফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা
এই যুগে কেমন চলছে তাদের দিনকাল?
লস্কর মিলন।

14/11/2014

বল্টু এবং মন্টু পরিক্ষা দিচ্ছিল।
মন্টু:- দোস্ত একটা স্কেল দে তো,
বল্টু:- লম্বা নাকি বেটে
মন্টু:- বেটে,
বন্টু:- সাদা নাকি কালো?
মন্টু:- সাদা,
বল্টু:- বাঁকা নাকি সোজা?
মন্টু:- সোজা।
বল্টু:- পরিষ্কার নাকি মায়লাটা??
মন্টু:- (রেগে গিয়ে) আরে সময় শেষ
হয়ে যাচ্ছে, পরিষ্কারটা দে।
বল্টু:- সুন্দরটা নাকি বিস্রিটা??
মন্টু:- (খুব রেগে) আরে সুন্দরটা দে।
বল্টু:-স্টিলের নাকি প্লাস্টিকের??
মন্টু:- আরে গাধা স্টিলেরটা দে।
বল্টু:- সরি, স্টিলেরটা আমা কাছে নাই।
মন্টু:- তাহলে প্লাস্টিকেরটা দে
বল্টু:- ঐটা আনি নাই-----------------

14/11/2014

আল্লাহ যাকে রক্ষা করেন তার
ক্ষতি কেউ করতে পারে না।
১) আগুন ইব্রাহীম (আঃ)
পোড়াতে পারে নি।
২) তীক্ষ্ণ ছুরি পারেনি ইসমাঈল (আঃ)
কে হত্যা করতে।
৩) বিশাল নদী পারেনি মুসা (সঃ)
কে ডুবাতে।
৪) ভংকর মাছ পারেনি ইউনুস (আঃ)
কে গিলতে।
যারা এক আল্লাহর উপর
ভরসা করে তাদের জন্য এক আল্লাহই
যথেষ্ট।

Address

চালিতাতলী, আতুরার ডিপু, মুরাদপুর চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।
Chittagong

Telephone

+8801646676996

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Mohiuddin Hassan Riza posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category