10/07/2021
একজন আদর্শ গৃহিণীর দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে রান্না ঘরে। তাই তাদের রান্না ঘরে কাটানো সময় টা কে একটু আরামদায়ক করতে কিছু চমৎকার কিচেন ডেকোর টিপস উপস্থাপন করছি । আধুনিক ও সচেতন গৃহিণীরা এখন বেডরুম, ড্রয়িং এবং ডাইনিং রুমের মত কিচেনটাকেও মনের মতন করে সাজিয়ে রাখতে চান। কিছু কৌশল অবলম্বন করলে আপনার কিচেন ডেকোর হয়ে উঠবে স্টাইলিশ আর আরামদায়ক। এমন কিছু উপায় আছে যা ব্যবহার করে কিচেন যেমন সেজে উঠবে, তেমনি কিচেন হবে অনেক সাপোর্টিভ? কিচেনের সব স্পেসকে কাজে লাগিয়ে কিচেন ডেকোর করা সম্ভব। বর্তমানে কিচেনকে মডার্ন এবং পরিষ্কার রাখার জন্য নানারকম উপায় রয়েছে।
১. অর্গানাইজার রাখুন
অর্গানাইজারগুলো বেশ কাজের! এগুলো কিচেন ডেকোর এর পাশাপাশি কিচেনের বাকি আনুষঙ্গিক রাখতেও অনেক সহায়তা করে। বেডরুম কেবিনেট থেকে শুরু করে কিচেনের কেবিনেট সবকিছুই আমাদের জন্য উপকারী। কিন্তু ছোট কিচেনগুলোতে অনেক সময় কেবিনেট থাকেও না। সেক্ষেত্রে এই অর্গানাইজারগুলো বেশ উপকারী। আপনি চাইলে একদম প্লেইন রঙগুলো বেছে না নিয়ে, রঙিন অর্গানাইজারগুলো বেছে নিলেন। আপনার কিচেন অনেকটাই ফুটে উঠবে। এছাড়াও, আকর্ষণীয় রঙিন কাচের জার, কিউব, কোস্টার্স, টুথপিক হোল্ডার, আর্টিফিশিয়াল ফ্রুটস, ভেজিটেবলস, নানা রঙের বাস্কেটস এবং ন্যাপকিন ইত্যাদি দিয়েও কিচেন সাজিয়ে নিতে পারেন।
২. লাইটিং রাখুন
কিচেন ডেকোর করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে কিচেনে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলোর ব্যবস্থা থাকে। প্রাকৃতিক আলোর যাতায়াত তেমন না থাকলে, কিচেনে লাইটের ব্যবস্থা রাখুন। কিচেনে প্রাকৃতিক এবং কৃত্তিম আলো দুটোরই সমপরিমাণ ব্যবস্থা থাকা উচিত। একটা স্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করাটা বেশ জরুরী। কৃত্তিম আলোর ব্যাপারে অনেক কিছুই করবার রয়েছে। হ্যালোজেন বা ফ্লরোসেন্ট লাইটিংও করাতে পারেন। অন্যরকম কোন লুক দিতে চাইলে, পেনডেন্ট লাইটিং ও দিতে পারেন। কিচেনের সিলিং এ বেশ কিছু ঝুলানো বাতি ব্যবহার করতে পারেন।
৩. ডেকোরেশন রাখুন
কিচেন ডেকোর করতে গেলে রঙিন প্লেট এবং ক্রোকারি রাখুন। চীনামাটির তৈজসপত্রগুলো বেশ সুন্দর এবং রঙিন হয়ে থাকে, এগুলো কিচেনে রাখুন। সুগন্ধি মোম রাখুন কিচেনের এক কর্নারে। কিচেনের দেয়ালকে সাজাতে পেইন্টিং বা পোস্টার ফ্রেম টাঙাতে পারেন, যার ফলে কিচেন কিছুটা অন্যরকম দেখাবে। ছোট ছোট গাছ রাখুন, জানালা কিংবা বারান্দায়। নানারকম শোপিস রাখুন।
৪. পরিষ্কার রাখুন
পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রান্নাঘর শুধু মাত্র সৌনদর্য বাড়ায় না, একটি পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রান্নাঘর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং পরিবারের সদস্যদের রোগাক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁচায়। রান্নাঘর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা তেমন কষ্টের কাজ নয়। শুধুমাত্র একটু মনযোগী হলেই হয় এবং যিনি রান্নাঘর ব্যবহার করবেন তিনি আপনি যেভাবে চান সেভাবে এটার মান বজায় বজায় রাখলেই হয়।