POST & REELS

POST & REELS learning English vocabulary, wordmeaning, grammer, math tricks,Reels of nature, graden,

Silver economy
22/02/2026

Silver economy

28/09/2024

✳অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪✳️

👉মোট জনসংখ্যা-১৭ কোটি ১০ লক্ষ।
👉জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার-১.৩৩%।
👉জনসংখ্যার ঘনত্ব-১১৭১ জন(প্রতি বর্গ.কি.মি.)
👉প্রত্যাশিত(গড়) আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর।এর মধ্যে (পুরুষ ৭০.৮ এবং মহিলা ৭৩.৮)।
👉সাক্ষরতার হার-(পুরুষ ৮০.১ মহিলা ৭৫.৮ শতাংশ।👉পুরুষ ও মহিলার অনুপাত-৯৬.৩।
👉স্থুল জন্মহার -১৯.৪ জন।
👉স্থুল মৃত্যুহার-৬.১ জন।
👉প্রতিহাজারে শিশু মৃত্যুর হার (১ বছরের নীচে জীবিত জনে) ২৭ জন।
✅জিডিপিতে অবদান:
👉জিডিপি ‘র প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮২%।
👉দারিদ্রের হার-১৮.৭ %,চরম দারিদ্র্যের হার-৫.৬%। 👉জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান সেবা খাতে ৫১%।
👉জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি-শিল্প খাতে (৬.৬৬%)
👉মাথাপিছু আয়-২৭৮৪ মার্কিন ডলার,পার ক্যাপিটাল জিডিপি-২৬৭৫ ডলার।
👉মুদ্রাস্ফীতি- ৯.৭৪%
👉বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে- ভারত ( সংখ্যা), টাকার অংকে( চীন) থেকে।
👉বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পায় যুক্তরাষ্ট,২য় সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।👉
সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ আসে -যুক্তরাষ্ট থেকে।
👉দেশ হিসেবে বেশি বৈদেশিক সাহায্য দেয় -জাপান।
👉সংস্থা হিসেবে বেশি বৈদেশিক সাহায্য প্রদান করে-IDA
👉বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি শিল্পজাত পণ্য রপ্তানি করে হয়-নীটওয়্যার(যুক্তরাষ্ট্রে)।
👉বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ওষুধ রপ্তানি করে-মিয়ানমার।
👉বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৪.০৯১ বিলিয়ন ডলার।
👉রপ্তানি আয় ৪০,৮৭৫ মিলিয়ন ডলার।
👉আমদানি ব্যয় ৪৫,৬২০ মিলিয়ন ডলার।

27/09/2024

🔘 জিআই পণ্য আপডেটঃ
জিআই পণ্য ছিল ৪৩টি। এখন ৪৪ টি হবে।
▫️১ম জিআই পণ্য - জামদানি শাড়ী।
▫️৪১তম জিআই পণ্য - ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি।
▫️৪২তম জিআই পণ্য - গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনা।
▫️৪৩তম জিআই পণ্য - সুন্দরবনের মধু।
▫️৪৪ তম জিআই পন্য - মধুপুরের আনারস।

27/09/2024

::ADB Prediction::

বাংলাদেশে কমবে প্রবৃদ্ধি ও বাড়বে মূল্যস্ফীতি।

👉 প্রবৃদ্ধি হবে- ৫.১% (এপ্রিলের পূর্বাভাস ছিল- ৬.৬%)
👉 মূল্যস্ফীতি হবে- ১০% ( এপ্রিলের পূর্বাভাস ছিল- ৭%)
👉 গত এক যুগে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ছিল- ১১.৬৬% (জুলাই; ২০২৪)

প্রবৃদ্ধি:
২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল- ৫.৭৮%
২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল- ৫.৮২%
২০২৪-২৫ অর্থবছরে লক্ষ্য- ৬.৭৫%
সংগৃহীত

27/09/2024

প্রায় চৌদ্দশ বছর আগে ব্রহ্মগুপ্ত এবং ভাস্করাচার্য নামে দুইজন লোক গণিতশাস্ত্রে অভাবনীয় কাজ করে গেছেন। ভারতবর্ষের এই দুই গণিতবিদ সে সময়ে বসে যেসব সমীকরণ লিখে গেছেন—সেগুলো বোঝার মতো মানুষ দুনিয়াতে খুব বেশি ছিলো না। তারা জন্মেছিলেন, তাদের সময়ের অনেক অনেক আগে। ভাগ‍্যিস তাদের কর্মগুলো হারিয়ে যায়নি, তা না হলে পৃথিবী বঞ্চিত হতো। সভ‍্যতা বঞ্চিত হতো। আধুনিক গণিতশাস্ত্রে, ভারতীয় গণিতবিদের অবদান অপরিসীম।

চৌদ্দশ বছর আগে শূণ‍্যের প্রচলন করেছেন ভারতীয় গণিতবিদরা। তারা ত্রিকোনমিত্রির উদ্ভাবন করেছেন। ভাস্করাচার্য লিখেছেন কাব‍্যছন্দে গণিতের বই। তার এক বইয়ের নাম “মহাভাস্করাচার্য”। সে বইয়ে তিনি ম‍্যাথামেটিকেল এস্ট্রোনমি নিয়ে সমীকরণ দিয়েছেন। এস্ট্রোনমি নিয়ে ভারতীয় গণিতবিদরা ভাবতেন। চন্দ্র, সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব নিয়ে ভাবতেন। দিন-রাতের চক্র নিয়ে ভাবতেন। সেই ভাবনার সাথে গণিত জুড়ে দিয়ে তারা সিদ্ধান্তে পৌঁছতেন।

ব্রহ্মগুপ্ত শূণ‍্য নিয়ে অংক করতে লাগলেন। শুণ‍্য দিয়ে যোগ বিয়োগ গুণ সবই করলেন। কিন্তু আটকে গেলেন যখন শূণ‍্য দিয়ে ভাগ করতে গেলেন। কোন সংখ‍্যাকে শূণ‍্য দিয়ে ভাগ করলে কি হয়? — ব্রহ্মগুপ্ত সেই উত্তর তখন দিতে পারেন নি। কয়েকশো বছর পর, দ্বাদশ শতকের আরেক গণিতবিদ ভাস্কর সেই সমাধান দিলেন। কোন সংখ‍্যাকে শূণ‍্য দিয়ে ভাগ করলে যে অসীম হয়, সেটা এই ভারতীয় গাণিতিকরাই প্রমাণ করলেন। ব্রহ্মগুপ্তের এক বইয়ের নাম “ব্রহ্মষ্ফূতসিদ্ধান্ত”। কী অসাধারণ নাম! ব্রহ্মগুপ্ত এবং ভাস্করাচার্য যদি ইউরোপিয়ান রেঁনেসার সময় ইউরোপের কোন দেশে জন্মাতেন—তাহলে সারা দুনিয়ার টেক্সট বইতে তাদের ছবি সহ পড়ানো হতো।

ভারতবর্ষ হলো গণিতের উর্বরভূমি। এই বিষয়টা সর্বপ্রথম উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন আরবের পণ্ডিতরা। তারা ভারতীয় গণিতবিদদের বই অনুবাদ করতে লাগলেন। বাগদাদে ছিলো সে সময়ের “হাউজ অব উইজডম”। অষ্টম শতকের খলিফা আল-মনসুরের নির্দেশে ব্রহ্মগুপ্তের বই অনুবাদ করলেন সে সময়ের সেরা অনুবাদক মুহম্মদ ফাজারি। ব্রহ্মগুপ্ত এবং ভাস্করাচার্যের বই অনুবাদ করা হলো আরবিতে। আল-খোয়ারেজমির বইতে ভারতীয় গণিতবিদদের ছাপ স্পষ্ট!

চন্দ্র-সূর্যের চক্র মুসলিম সভ‍্যতায় আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দিলো। কারণ সূর্যচক্রের উপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আর চন্দ্রচক্রের উপর ভিত্তি করে প্রতি বছর রোজা ও ঈদ হয়। সুতরাং ইসলামিক স্কলারদের অনেকেই এস্ট্রনমি নিয়ে আগ্রহী হলেন। নিঁখুত সূর্য ও চন্দ্র চক্রের জ্ঞান তাদের কাছে অমূল‍্যবান। আর সে জন‍্য তারা নির্ভর করলেন ভারতীয় স্কলারদের ত্রিকোনমিত্রির উপর।

আজকের দিনে আমরা যে সংখ‍্যা ব‍্যবহার করি, সেটাকে বলা হয় ইন্দো-এরাবিক নুমেরাল সিস্টেম বা ইন্দো-এরাবিক নাম্বার। কারণ ইংরেজিতে নাম্বার সিস্টেমটাই এসেছে ভারতীয়দের থেকে আরবদের হাত ধরে।

জ্ঞান-বিজ্ঞানের দুনিয়ার সৌন্দর্যটা এখানেই। এখানে ধার করতে হয়। এই ধার করতে গিয়ে কেউ হিন্দু, মুসলিম, ইহুদি, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ চিন্তা করে না। সমগ্র দুনিয়াটা এগিয়েছে একে অন‍্যের কাছে ধার করেই। আমরা হয়তো অঞ্চলভিত্তিক, ধর্ম ভিত্তিক ইতিহাস রচনা করে বা হাইলাইট করে একটা জনগোষ্ঠিকে উদ্বুদ্ধ করতে চাই কিন্তু সত‍্য হলো, এখানে সুপ্রিমেসির কিছু নেই। ধার-দেনা অপরিহার্য।
Collected ------

16/09/2024

☞ পাট গবেষণা বোর্ড→ মানিকগঞ্জ
☞ নদী গবেষণা কেন্দ্র→ ফরিদপুর
☞ রাবার গবেষণা বোর্ড→ কক্সবাজার
☞ তাঁত গবেষণা বোর্ড→ নরসিংদী
☞ চা গবেষণা কেন্দ্র→ শ্রীমঙ্গল, সিলেট
☞ ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র→ ঈশ্বরদী, পাবনা
☞ ডাল গবেষণা কেন্দ্র→ ঈশ্বরদী, পাবনা
☞ গম গবেষণা কেন্দ্র→ দিনাজপুর
☞ আম গবেষণা কেন্দ্র→ চাঁপাইনবাবগঞ্জ
☞ মসলা গবেষণা কেন্দ্র→ বগুড়া
☞ রেশম গবেষণা কেন্দ্র→ রাজশাহী
☞ বন গবেষণা কেন্দ্র→ চট্টগ্রাম
☞ পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র→ খাগড়াছড়ি
☞ ইলিশ মাছ ও নদীর মাছ গবেষণা কেন্দ্র→ চাঁদপুর
☞ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট→ জয়দেবপুর, গাজীপুর
☞ তুলা গবেষণা ইনস্টিটিউট→ যশোর
☞ আলু গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রংপুর
☞ কলা গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রামপাল, বাগেরহাট
☞ চামড়া গবেষণা ইনস্টিটিউট→ হাজারীবাগ, ঢাকা
☞ তামাক গবেষণা ইনস্টিটিউট→ রংপুর
☞ গরু গবেষণা ইনস্টিটিউট→ সাভার
☞ মহিষ গবেষণা ইনস্টিটিউট→ বাগেরহাট
☞ ছাগল গবেষণা ইনস্টিটিউট→ সিলেট
☞ হাঁস-মুরগী গবেষণা ইনস্টিটিউট→ নারায়ণগঞ্জ
☞ হরিণ গবেষণা ইনস্টিটিউট→ শরণখোলা, বাগেরহাট
☞ কুমির (মিঠা পানি) গবেষণা ইনস্টিটিউট→ ভালুকা, ময়মনসিংহ
☞ কুমির (লোনা পানি) গবেষণা ইনস্টিটিউট→ দুলহাজারা, কক্সবাজার
☞ মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র→ বাকৃবি, ময়মনসিংহ
☞ পুষ্টি গবেষণা ইনস্টিটিউট→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

11/09/2024

দ্য রিচেস্ট ম্যান ইন ব্যাবিলন

বই থেকে শেখা

জর্জ এস ক্লাসন রচিত ‘দ্য রিচেস্ট ম্যান ইন ব্যাবিলন’ একটি ক্লাসিক ব্যক্তিগত আর্থিক বই। ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই বই প্রাচীন ব্যাবিলনের দৃষ্টান্তের মাধ্যমে গল্প আকারে তুলে ধরা হয়েছে। বইটি পড়ে ১০টি শিক্ষা পাওয়া যায়, যা অনুসরণ করে মানুষ জীবনে সম্পদ নির্মাণ এবং আর্থিক সাফল্য পেতে পারে। বইটি পড়ে শিক্ষাগুলো লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।

বইটির অন্যতম মৌলিক নীতি হলো নিজের জন্য সঞ্চয় করা। পাঠকদের অন্য কিছুতে ব্যয় করার আগে তাদের আয়ের কমপক্ষে ১০ শতাংশ নিজের জন্য সঞ্চয় করার পরামর্শ দিয়েছেন ক্লাসন। এতে সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে ওঠে। যার ফলে ব্যক্তিরা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পদ সঞ্চয় করতে পারেন।

আয় অনুযায়ী ব্যয় করুন

ক্লাসন নিজের আয় অনুযায়ী জীবনযাপন এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন। আয় অনুযায়ী খরচের তালিকা তৈরি করতে হবে। প্রয়োজন এবং চাহিদার মধ্যে পার্থক্য করে সে অনুযায়ী খরচ করতে হবে। যেন প্রতি মাসে সঞ্চয় এবং বিনিয়োগের জন্য টাকা অবশিষ্ট থাকে।

টাকা যেন আপনার জন্য কাজ করে

বইটি শিক্ষা দেয় যে অতিরিক্ত আয় অর্জনের জন্য টাকা জমিয়ে না রেখে বিজ্ঞতার সঙ্গে বিনিয়োগ করা উচিত। পাঠকদের বিনিয়োগের সুযোগ খোঁজার জন্য উৎসাহিত করেছেন। ফলে বিনিয়োগকারীর সম্পদ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। এর মানে হলো, টাকা বসে না থেকে আপনার জন্য কাজ করবে।

জ্ঞান এবং পরামর্শের সন্ধান করুন

ক্লাসন আর্থিক শিক্ষা এবং জ্ঞানী ব্যক্তিদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়ার মূল্যকে তুলে ধরেছেন। যারা সফলভাবে তাদের টাকা পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা করেছেন তাদের কাছ থেকে টাকা ব্যবস্থাপনার কৌশল শিখতে পারলে আরও ভালো আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সহায়ক হবে।

পরিকল্পিত বাজেট তৈরি করুন

প্রতি মাসে বাজেট তৈরি করা বইয়ের একটি অন্যতম শিক্ষা। ক্লাসন পাঠকদের তাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আয় এবং ব্যয়ের ওপর নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। যাতে তারা ভবিষ্যতে প্রয়োজনের জন্য পরিকল্পনা করতে পারেন। কার্যকরভাবে সম্পদ সঞ্চয় করতে পারেন। একটি পরিকল্পিত বাজেট অতিরিক্ত খরচ কমানো ও সঞ্চয়ের জন্য সহায়ক হয়।

নিজের মধ্যে বিনিয়োগ করুন

ক্লাসন আত্ম-উন্নতি এবং শিক্ষার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। নিজের দক্ষতা এবং জ্ঞানে বিনিয়োগ করলে আরও ভালো কাজের সুযোগ এবং আয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেতে পারে। আর্থিক সাফল্য অর্জনের জন্য ক্রমাগত শেখা অপরিহার্য।

ঋণ এড়িয়ে চলুন

ঋণ একটা মানুষকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়। বইটি ঋণের বিপদ, বিশেষ করে উচ্চ সুদের ঋণের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। ক্লাসন পাঠকদের অপ্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য ঋণ নেওয়া এড়াতে এবং বিদ্যমান যেকোনো ঋণ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরিশোধ করার পরামর্শ দিয়েছেন। সম্পদ গড়ে তোলার জন্য ঋণমুক্ত জীবনযাপন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অধ্যবসায় ও ধৈর্য

সৎভাবে সম্পদ বৃদ্ধি করা রাতারাতি সম্ভব নয়। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। যার জন্য প্রচুর অধ্যবসায় ও ধৈর্যের প্রয়োজন। ক্লাসন শিক্ষা দেন যে এর মধ্যে বিপত্তিও ঘটতে পারে। তবুও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে এ সাফল্যের জন্য কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে আর্থিক লক্ষ্যের প্রতি থাকতে হবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

একাধিক আয়ের পথ তৈরি করুন

ক্লাসন পাঠকদের তাদের মূল পেশার পাশাপাশি ব্যবসা, বিনিয়োগ বা প্যাসিভ আয় করতে উৎসাহিত করেছেন। আয়ের বিভিন্ন রকম উৎস থাকলে একটা উৎসে কোনো সমস্যা হলে বাকি উৎস থেকে আয় আসতে থাকবে। ফলে একেবারে বিপদগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা খুবই কম। তা ছাড়া এতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও সহজ হয়।

সম্পদ ভাগ করুন

পরিশেষে, ক্লাসন দান করা এবং নিজের সম্পদ ভাগ করে নেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। দাতব্য অবদানের মাধ্যমে হোক বা অন্যকে সাহায্য করার মাধ্যমে হোক, তিনি সম্পদ ভাগাভাগি করতে উৎসাহিত করেছেন। এতে করে সবার মধ্যে মানবিকতাবোধ তৈরি হয় এবং দাতা ও প্রাপক উভয়কেই সমৃদ্ধ করে।
-দৈনিক আজকের পত্রিকা
©এম এম মুজাহিদ উদ্দীন
লেখক: ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি,
মুজাহিদ'স ভাইভা সাজেশন,
ব্যাংকার'স ভাইভা বোর্ড।

11/09/2024

পাহাড়ি কন্যা →বান্দরবান
★প্রকৃতির কন্যা → সিলেট
★প্রকৃতির রানী →খাগড়াছড়ি
★হাওর কন্যা → সুনামগঞ্জ
★পদ্মা কন্যা → রাজবাড়ী
★সাগর কন্যা → পটুয়াখালী
★হিমালয় কন্যা → পঞ্চগড়

06/09/2024

🔰আরব লীগ প্রতিষ্ঠা পায়__ [ 36 BCS ]

১৯৪৯ / ১৯৫০ / ১৯৪৫ ✔ / ১৯৪০

ব্যাখ্যা: আরব লীগ হলো মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার আরব মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট। ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির সদরদপ্তর মিশরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত। এটির সদস্য সংখ্যা ২২টি। তবে সিরিয়া'র সদস্যপদ বর্তমানে স্থগিত রয়েছে।

বর্তমান মহাসচিব মিশরের আহমেদ আবুল ঘেইত।

26/08/2024

দেশ রূপান্তর
ভালো বক্তা কীভাবে হবেন
রাজা আহমেদ
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৪, ০১:৪৯

ভালো বক্তা কীভাবে হবেন
পড়ালেখার পাশাপাশি নিজেকে অন্যান্য জায়গাও মেলে ধরতে হবে। যাতে করে ক্যারিয়ার গঠনের সময় এ অভিজ্ঞতাগুলো কাজে লাগে। নিজেকে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে পাবলিক স্পিকিং, যা জীবনের অসংখ্য ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাবলিক স্পিকিং বা সরাসরি দর্শক- শ্রোতাদের সামনে দাঁড়িয়ে চমৎকারভাবে কথা বলতে পারার বিষয়ে বহুদিন ধরে যে জনশ্রুতি চলে আসছে তা হলো এ ধরনের দক্ষতাসম্পন্ন মানুষদের মধ্যে সহজাতভাবেই এই গুণটি রয়েছে। কিন্তু ভুল ধারণা। সত্যিটা হচ্ছে, যথেষ্ট পরিশ্রম করে নিজেদের এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন তারা। পাবলিক স্পিকিংও দক্ষতা মানুষকে অর্জন করতে হয়। এ বিষয়ে উন্নতি করতে চাইলে নিয়ম মেনে চর্চা ও অনুশীলন করতে হবে এবং সফলতা অর্জনের মতো মনমানসিকতা থাকতে হবে।

সুন্দর বাচনভঙ্গি থাকা

বিশ্বের সব শ্রেষ্ঠ পাবলিক স্পিকারের মধ্যে একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো অন্যদের প্রভাবিত করতে পারার ক্ষমতা। জন এফ কেনেডি, মারটিন লুথার কিং, স্টিভ জবস প্রমুখ সবার মধ্যেই এই বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। এর রহস্য কী? রহস্য হলো তাদের, বাচনভঙ্গি, শরীরী ভাষা, শব্দচয়ন, স্বরের ওঠানামা। তারা এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করতেন যা মানুষের মধ্যে গেঁথে যায়, আকর্ষণীয় করে তোলে। পাশাপাশি তারা বাক্যের কিছু কিছু জায়গায় স্পেস দিতেন, স্বর ওঠানামা করার মাধ্যমে বৈচিত্র্য নিয়ে আসতেন।

দর্শকের কথা মাথায় রেখে বক্তৃতা

বক্তৃতার দর্শক বিভিন্ন বয়স, পেশা, মতাদর্শের অনুসারী হয়ে থাকেন। অধিকাংশ সময়ে সবাই যে ভুলটি করে, তা হলো সব বয়স, পেশার মানুষের জন্য একই ধরসের স্পিচ দেয়। শিশু ও মধ্যবয়স্ক ব্যক্তির বয়সের পার্থক্য এদের মানসিকতাতেও পার্থক্য তৈরি করে। একজন গবেষক ও ব্যবসায়ীর মধ্যে কর্মক্ষেত্রের ভিন্নতা থাকার ফলে একই বক্তৃতা তাদের মধ্যে একই রকম উপলব্ধি তৈরি করতে পারে না। এ কারণে, একেকটি গ্রুপকে একেকভাবে বোঝানো প্রয়োজন। দর্শকের কথা মাথায় রেখে বক্তব্য প্রদান করা উচিত। এ কারণে দর্শক কোন ধরনের, কী ধরনের বিষয় তিনি বুঝাবেন কীভাবে ভালো বুঝালে তিনি বুঝবেন; কোন ধরনের কথা তার কাছে প্রাসঙ্গিক এসব কিছু মাথায় রেখে বক্তৃতা প্রস্তুত করা এবং বুঝানোর উপায় নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

গল্প বলা

বক্তৃতায় একটি গল্পের উপস্থিতি বক্তৃতাটিকেই বদলে দেয়। গল্প বক্তৃতার যেকোনো সময়েই বলা যায়, তবে শুরুতে বললে ভালো। গল্প বলার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত জীবনের গল্প বা বক্তৃতার বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বাস্তবভিত্তিক গল্প বলা উচিত। বলার ক্ষেত্রে সাবলীল ভাষা ব্যবহার করা প্রয়োজন। কেননা এর মাধ্যমে সহজে দর্শকের অনুভূতি স্পর্শ করা সম্ভব এবং দর্শকের পক্ষেও গল্পের সঙ্গে বক্তৃতার বিষয়বস্তুর সম্পর্ক স্থাপন করা সহজ হয়। পাবলিক স্পিকিংয়ে সফলতার একটি ‘গোপন’ উপায় হলো গল্প বলা।

পাবলিক স্পিকিংয়ের ভয় কাটানো

পাবলিক স্পিকিংয়ের ভয়কে বলে গ্লোসোফোবিয়া, যা অনেক মানুষেরই রয়েছে। এটা কাটানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে আপনি নিজের সঙ্গে নিজে কথা বলুন অনেক বেশি। বেশি বেশি বন্ধু বানান। তাদের সঙ্গে কথা বলুন। আয়নার সামনে অনুশীলন করুন। যত বেশি অনুশীলন করবেন ভয় তত কমবে।

বেশি করে অনুশীলন

অনুশীলন আপনার জনসাধারণের সামনে কথার দক্ষতাকে বাড়িয়ে দেবে। উপস্থাপনার সঙ্গে আপনার সম্পর্ক অনেক বেশি দৃঢ় করবে। এতে করে আপনার বক্তব্য সাবলীলভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন।

শেষ কথা, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া

মানুষের উন্নতির পথে অন্যতম প্রধান বিষয় হলো ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া। যারা ভাবে তারা সবকিছু জানে, তারা সাধারণত গড়পড়তা বা দুর্বল উপস্থাপক এবং পাবলিক স্পিকার হয়। হার্ভার্ড ইনস্ট্রাক্টর ও লেখক কারমাইন গ্যালো বলেন, ‘এতে আমি অবাক হই না, কারণ বিখ্যাত টেড বক্তাদের সঙ্গে দেখা করে আমি মুগ্ধ হয়েছি যে তারা আমাকে প্রশ্ন করেছেন বা বলেছেন যে আমার বই পড়েছেন। এরা ক্রমোন্নতির পেছেন ছোটেন, তা থেকেই বোঝা যায় যে কেন তারা পাবলিক স্পিকিংয়ে সেরা। যদি আপনার মধ্যে উন্নতির চিন্তা থাকে, তাহলে ব্যর্থতা কোনো অযোগ্যতার লক্ষণ নয় এটা বরং কিছু শেখার সুযোগ। মূল হচ্ছে, ঘটনাটাকে নিজের উন্নতির পথেই একটা পদক্ষেপ হিসেবে দেখা।
© Desh Rupantor 2024

23/08/2024

#ভারত ভেঙে হয়েছে ১৫ টা দেশ ভারত, ইতিহাস জেনে নিন: - ভারতকে আগে অখন্ড ভারত বলা হত। কারণ গোটা বিশ্বে ভারত ছিল অনেক বড়। ১৫ টি দেশ ভারত থেকেই জন্মগ্রহণ করেছিল। এটা কিভাবে হল? এই 15 টি দেশ কি? এটা জেনে রাখুন:----
#ইরান: ভারত থেকে আর্যরা যখন ইরানের বালুচিস্তানের এসেছিল। এই ইরান এর প্রাচীন নাম ছিল আরিয়ান (আর্য সমাজ) । এর পরে আরবের দূস্যরা এখানে আক্রমণ করেছিল। এরপরে এর নামকরণ করা হয় ইরান।
1378 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
#কম্বোডিয়া: প্রথম শতাব্দীতে কম্বোডি নামে এক ভারতীয় ব্রাহ্মণ এ দেশে হিন্দু রাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এ কারণেই এর নামকরণ করা হয়েছিল কম্বোডিয়া। পরে এটি একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়।
এই কম্ভোডিয়া বিশ্বে সব থেকে বড় মন্দির অবস্থিত যা বিষ্ণু(অঙ্কুরভাট) মন্দির নামে পরিচিত ।
#ভিয়েতনাম: এই দেশটির নাম আগে ছিল চম্পা। এটি ভারতের একটি অংশ ছিল। 1825 সালে হিন্দুজা চম্পায় শেষ হয়েছিল। এটি একটি পৃথক দেশে পরিণত হয়েছিল।
#মালয়েশিয়া: ভারতীয়রা এখানে বোধধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিল। এই দেশটি ভারতীয় সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত ছিল। 1948 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
#ইন্দোনেশিয়া: এটি ছিল ভারতের সমৃদ্ধশালী দেশ। হিন্দুরা এখানে খুব কমই রয়ে গেল। তারপরে এটি পৃথক মুসলিম দেশে পরিণত হয়। তবে আজও রাম মন্দির রয়েছে। যেখানে মুসলমানরা ইবাদত করে।
#ফিলিপাইন: মুসলমানরা এখানে আক্রমণ করেছিল এবং তাদের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। তখন এটি একটি পৃথক দেশে পরিণত হয়েছিল, তবে আজও এখানে হিন্দু রীতিনীতি গৃহীত হয়।
#আফগানিস্তান: এটি ভারতের একটি অংশ ছিল। এখানে হিন্দু রাজা আম্বির শাসন ছিল। যিনি আলেকজান্ডারের সাথে চুক্তি করেছিলেন তিনি তাকে এই রাজত্ব দিয়েছিলেন। মহাভারতের শাকুনি এবং গান্ধারী এখানকার কান্ডারির অন্তর্গত। 1761 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে আকবর ।
#নেপাল: এটি ভারতের একটি অংশ ছিল। এটি একটি গোর্খা দ্বারা সংহত হয়েছিল। মহাত্মা বুদ্ধ এই রাজবংশের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। 1904 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
#ভুটান: এটি পূর্বে ভারতের ভদ্রদেশ থেকে জানা ছিল। আমাদের গ্রন্থে এই দেশটির উল্লেখ রয়েছে। 1906 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
#তিব্বত: আমাদের গ্রন্থে এটির নামকরণ করা হয়েছে ত্রিশীবাদীর নামে। । 1914 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
#শ্রীলঙ্কা: এর নাম ছিল তাম্রপাণি। প্রথমে পর্তুগিজ, তারপরে ব্রিটিশরা এখানে দখল নিয়েছিল। ১৯৩৫ সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
#মায়ানমার: এর প্রথম নাম ছিল বার্মা। এই স্থানের প্রথম রাজা ছিলেন বারাণসীর রাজপুত্র। ব্রিটিশরা ১৮৫২ সালে এই অধিকার নিয়েছিল। 1937 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
#পাকিস্তান: স্বাধীনতার পরে এখানে অনেক হিন্দু মন্দির ভেঙে ফেলা হয়েছিল। লাখ লাখ হিন্দুদের গনহারে হত্যা করা হয়েছে । 1947 সালে নিজেরাই ধর্মীয় দেশ বানিয়ে নেয় ।
#বাংলাদেশ: ১৫ ই আগস্টের আগে এই দেশটিও ভারতের একটি অংশ ছিল। এরপরে এটি পূর্ব পাকিস্তানের অংশে পরিণত হয়। একাত্তরে ভারতীয় সেনাবাহিনী এটিকে পাকিস্তান থেকে আলাদা করে দেয়। পাকিস্তানের ও বাংলাদেশের মুসলমান মিলে বাংলাদেশের হিন্দুদের গনহারে হত্যা ও ধর্ষণ করে। 1971 সালে মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
#থাইল্যান্ড: এর প্রাচীন ভারতীয় নাম ছিল শ্যাম দেশ। আগে এখানে হিন্দু রাজস্ব ছিল।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when POST & REELS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category