Two Peaks Limited

Two Peaks Limited We are highly connected business-minded people. We Facilitate various Businesses within Armed Forces.

লাস পালমাস।আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে জেগে উঠা গ্রান্ড ক্যানারী আইল্যান্ডের একটি দ্বীপ। রাত ১০টার পর মনে হচ্ছিলো পুরো শহরট...
19/01/2026

লাস পালমাস।

আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে জেগে উঠা গ্রান্ড ক্যানারী আইল্যান্ডের একটি দ্বীপ। রাত ১০টার পর মনে হচ্ছিলো পুরো শহরটা হুড়মুড় করে জেগে উঠেছে। রাস্তায় এতো মানুষ দেখে মনে হচ্ছিলো আজ এ শহরে কোন উৎসব হবে হয়তবা। অথচ না, এটাই নাকি এই দ্বীপের প্রতি রাতের চিত্র। সারা পৃথিবী থেকে হাজার হাজার পর্যটক ছুটে আসে এই দ্বীপে শুধু রাতভর আনন্দ করার জন্য।
ডেভিড আমাকে প্রথমে ওর এপার্ট্মেন্টে নিয়ে এলো। আজ বিকেলেই ওর সাথে আমার পরিচয় সাগর পাড়ে। কি করবো কোথায় যাবো এসব ভেবে একা একাই সাগর পাড়ে বসে অস্থির ঢেউএর আনন্দ উপভোগ করছিলাম। হঠাৎ লক্ষ্য করলাম পাশের বেঞ্চেও একজন আমার মতো উদাস মনে সাগরের দিকে চেয়ে বসে আছে। লাইটার আছে কিনা প্রশ্ন করে ওর বেঞ্চে বসলাম। পরিচয় হলো। এ দ্বীপেরই বাসিন্দা ও। কয়েক মাস হলো কিউবা হতে প্রবাস জীবন শেষ করে এখানে এসে থিতু হয়েছে। বাবা মা কোথায় আছে, বেঁচে আছে কিনা জানে না। ভাই বোনরা বিভিন্ন দেশে থাকে। বউ বাচ্চা নেই। নিজের এপার্ট্মেন্টে সে একাই থাকে। আরো ৪টা এপার্ট্মেন্ট আছে তার এই দ্বীপে, যেগুলোর ভাড়া দিয়ে তার মাস চলে যায় দিব্যি। সন্ধ্যা হলে রাস্তায় এতো লোক কেন জিজ্ঞেস করাতে ওই আমাকে বলল, “এ শহরটা এমনই”। এখানে সবাই রাতভর আনন্দ স্ফূর্তি করে বারে, রেস্ট্রুরেন্টে, আলোকিত সাগর পাড়ে, রাস্তার মোড়ে, মাঠের কোনে সবখানে।
ঘর সংসার নেই কেন জানতে চাইলে সে উলটা আমাকেই একটা অদ্ভুত প্রশ্ন করলো। দশ বছর বিদেশে থেকে অর্থ সম্পদ যা জমিয়েছে, তা কেন একটা মহিলাকে দিয়ে তাকে স্ফুর্তি করার জন্য ? ক’দিন পর হবে ছেলেমেয়ে, তখন বাদবাকী সম্পদও লুটে পুটে খাবে তারা! হাহ ! সারা জীবন কি আমি এদের জন্যই কস্ট করে এই সম্পদ অর্জন করলাম ?
কি ভয়ঙ্কর কথা! আমি ওর কথা শুনে ভীষণ ধাক্কা খেলাম। কোন পরিস্থিতিতে মানুষ জীবনকে এভাবে দেখতে পারে আমি ভেবে পেলাম না। ডেভিড আমাকে বেল্কুনিতে নিয়ে গেলো। পাশের বিল্ডিংএর প্রবেশদ্বারে পুলিশ আর এম্বুল্যেন্সের দিকে দেখিয়ে বলল, ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা এক বুড়ো, ৮/১০ দিন আগে থেকে মরে নিজ ঘরে পড়েছিলো, পঁচে দুর্গন্ধ বেড়নোর পর আজ ক্লিনিং কর্মীরা এসেছে তার মরদেহ নিতে। লোকটার বউ ওকে ছেড়ে গেছে সে অনেক বছর। ছেলেমেয়ে আছে বলে শুনেছি, কিন্তু দেখিনি কখনো। বন্ধু বান্ধবীরা ফোনে না পেয়ে পুলিশকে খবর দিয়েছে। অথচ এই লোকটি তার যৌবন এবং জীবনের সব সম্পদ ব্যয় করেছিলো তার বউ আর ছেলেমেয়েদের জন্য । নয় কি?
আমি ঘটনা আর ডেভিডের কথা শুনে স্তম্ভিত হয়ে গেলাম!
দেশে আমার বাসায় রেখে আসা আমার মায়াময়ী বৃদ্ধ মা, ফুটফুটে পরীর মত মেয়ে আর সুন্দরী লক্ষী বউএর কথা মনে পড়ল। আমার হৃদয়, স্বপ্ন আর কল্পনা জুড়ে থেকে ওরাই তো আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে এই বিদেশ বিভূঁইয়ে। অথচ ডেভিডের মাথায় এসবের কোন বালাই নেই। ও যেন অন্য কোন গ্রহের প্রানী। ডেভিডের কথায় আমি এই প্রথম পশ্চিমা সভ্যতার কদর্য রুপটা দেখলাম। ডেভিডের জন্য মায়া হলো ।
এ প্রসঙ্গে কথা না বাড়িয়ে বললাম, ‘চলো শহরে যাবে না ?’ ও মাথা নেড়ে বলল, ‘হ্যা যাবই তো। এই শহরের রেস্ট্রুরেন্ট আর বারগুলো চলেই তোমাদের জন্য, চালায়ও তোমাদের মত বাইরের লোকেরা, ওখানে যে বারবনিতারা আনন্দ দিতে আসে তারাও তোমাদের মত বাইরেরই, যে ড্রিংক্স আর খাবার পরিবেশন করা হয় তাও বাইরের! আমরা যারা দ্বীপবাসী এভাবে ঘরে পড়ে মরে থাকি, আমাদের কোথাও যেতে ভালো লাগেনা। আমি ভীষণ আহত হলাম। ডেভিডের কথাগুলো আমাকে ভীষণভাবে আলোড়িত করলো! কি অদ্ভুত’ এই দুনিয়া ! বাইরে থেকে এতক্ষন মনে হচ্ছিলো এ এক উৎসব মুখর শহর, অথচ ভিতরে ভিতরে সেকি ভয়ানক মৃত নগরী এটা!
বিদেশ থেকে ফিরে এসেছি অনেক বছর হলো।গতকাল এক বয়োঃজ্যৈষ্ঠ অফিসারের সাথে গল্প করছিলাম। আমার মত তিনিও অবসর নিয়েছেন অনেক বছর হলো। ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ার বানিয়ে আমেরিকা পাঠিয়েছেন। ছেলে ওদেশেরই এক মেয়েকে পছন্দ করেছে। ওখানেই এখন বাড়ী কিনার জন্য টাকা চাঁচ্ছে, আর দেশে ফিরবে না। মেয়েকে ডাক্তার বানিয়ে বিয়ে দিয়েছেন আরেক প্রবাসী ডাক্তার ছেলের সাথে। মেয়েও হয়তবা দেশে ফিরবে না। সরকার থেকে পাওয়া প্লটে ৮তলা একটা বিল্ডিং তৈরী করেছিলেন অনেক যত্ন করে, বর্তমানে তারই একটা ফ্ল্যাটের একটা রুমে থাকেন তারা। তার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক ফ্ল্যাট দুরেই একই ধরনের ঘটনা ঘটে গেলো কদিন আগে। ওই ফ্ল্যাটে অবসর প্রাপ্ত এক কর্মকর্তা একাই ছিলেন। বউ কানাডায় মেয়ের সাথে থাকে। দুই ছেলে বিদেশ থাকে। অফিসারটা মরে পড়েছিলো নিজ ঘরে। তিনদিন পর পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে।
দুঃখভরা কণ্ঠে বলছিলেন তিনি, ছেলেমেয়েদের দেশে ফিরে আসতে অনুরোধ করেছেন অনেকবার। কারোরই নাকি এসব ফ্ল্যাট ফ্লুটের দরকার নেই। বিক্রি করে বরং টাকা পাঠালেই খুশী। কি কস্ট করেই না তিলে তিলে গড়ে তুলেছিলেন এই সংসারটা। কিন্তু কি হলো শেষ পর্যন্ত! জীবনের শেষ প্রান্তে এসে ঘরে এখন শুধু তিনি একা আর চার যুগ আগে বিয়ে করা বউ। এতো কলরব, জন্মদিন, বিবাহ বার্ষিকী,ঘরোয়া পার্টি, ঘর গোছানো, নানান ব্যস্ততার সব বন্ধ হয়ে গেছে । ভীষণ একা লাগে। সব চেয়ে বেশী কস্ট হয় রাতের বেলা, যখন ঘুম আসতে চায় না। যখন নিকষ অন্ধকার রাত নিঃশব্দে আস্ত গিলে ফেলতে চায় জী্বনটাকে। বার বার মনে হয় জীবনে এত কস্ট করে এতো কিছু করার কি দরকার ছিলো।
ডেভিডের কথা মনে পড়ে। সেদিনের সেই বেলাভুমিতে সে কি এই কথাই বলেছিলো আমাকে?



View in group

বিপ্লব কোনদিকে যাচ্ছে? সেদিন আমাদের খোকারা একটা দল গঠন করেছে।এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অভাবনীয় একটা বিপ্লব ঘটিয়ে জগদ্দল পাথ...
06/03/2025

বিপ্লব কোনদিকে যাচ্ছে?

সেদিন আমাদের খোকারা একটা দল গঠন করেছে।এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অভাবনীয় একটা বিপ্লব ঘটিয়ে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে থাকা ফ্যাসিবাদী সরকারকে হটিয়ে ওরা অনেকদিন অপেক্ষা করেছিল । দাদা আর বাবাদের বয়সী গুরুজনদের দিয়েছিল একটি লুণ্ঠিত এবং বিধ্বস্ত দেশের হাল ধরতে। গত ৭ মাসে দৃশ্যমান তেমন কিছু করতে পারেনি দাদারা।তাই এই পথে আসা। এটা ওরা সেই ৫ অগাস্টেই করার কথা ছিল । সেদিন শুধু দল গঠন নয়, ৭২ ‘এর অচল সংবিধান ছুড়ে দিয়ে, পুরাতন ধারার রাজ্য পরিচালনার সিস্টেমকে ভেঙে চুরমার করে, দুর্বৃত্ত হয়ে বেড়ে উঠা খুনি আর দুর্নীতিবাজ সকল রাঘব বোয়ালদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেশের হাল তাদেরই ধরার কথা ছিল।পৃথিবীর সব দেশে বিপ্লবের পর তাই হয়েছে। অতি ভালো, আর নেহায়াৎ গুরুজন ভক্ত হলে যা হয়। খামোখা ৭টা মাস খুবই নগন্য অর্জনে ক্ষেপন হলো।
এদেশে ছাত্ররা বরাবরই একটি রাজনৈতিক দলের লেজুড় হয়ে জন্ম নেয়। কিন্তু এই বিপ্লবী তরুণরা এবার আর লেজুড় নয় বরং আস্ত একটা সিংহ হয়ে জন্ম নিয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে এ ধরণের ঘটনা বিরল। তবে তরুণদের এ দল কি শুধুই একটি রাজনৈতিক দল? যাদের উদ্দেশ্য হয়ে থাকে ক্ষমতার মসনদে আরোহন করা, দল চালাবার জন্য চাঁদাবাজি করা, ক্ষমতা প্রাপ্তির পর নিজের আখের গোছানো....। তাহলে বাবারা তোমাদের কি দরকার ছিলো এদেশে?
তোমাদের এই দলটি কি চীনের 'রেড আর্মি,' ইরানের 'রেভুলিউশনারী গার্ড', কিউবার 'এভিস্প্যাস নেগ্রাস' অথবা সোভিয়েত ইউনিয়নের 'রাশিয়ান গার্ড ' হয়ে বেড়ে উঠতে পারে না? যাদের কাজ হচ্ছে বিপ্লবকে ধারণ করা আর লক্ষ্যে পৌঁছা পর্যন্ত বিপ্লবী স্পিরিটকে ধরে রাখা। যাদের কাজ হবে বিপ্লব যাতে বেহাত না হয় সেটা নিশ্চিত করা। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো যখন শুধু নির্বাচন নিয়ে আন্দোলন করবে, তখন এ দলের দাবী হবে জুলাই -অগাস্টের গণহত্যার বিচার, আহতদের চিকিৎসা আর নিহতের পরিবারের দায়ীত্ব নেয়া । তোমরা অবশ্যই নিছক রাজনৈতিক দল না হয়ে এ দেশের সেই কাঙ্ক্ষিত 'গুনী বৃত্ত ' (Virtuous Circle) হয়ে জেগে থাকবে। তোমাদের উদ্দেশ্য হবে সরকারের সমালোচনা করে গদি থেকে উৎখাত করে নিজেরা মসনদে আসিন হওয়া নয় বরং সরকারের সমালোচনা করে সেই সরকারকে দিয়েই অভিস্ট কাজ আদায় করে নেয়া। একটি নির্লোভ, দেশপ্রেমিক, কর্তব্যনিষ্ঠ আলোকিত সূর্য সন্তানের দল হবে তোমরা, যারা আজীবন সৎ কাজের আদেশ দেবে আর অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যাবে।

23/09/2024

ছাত্র রাজনীতি
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবগুলো পট পরিবর্তনে ছাত্রদের ভুমিকা অনস্বীকার্য। ১৯৫২.’৬৯, ‘৭১, ‘৯০, ২০২৪ সহ সবগুলো আন্দোলনে ছাত্ররাই অগ্রণী ভুমিকা রেখেছে। তবে ছাত্রদের এই সম্পৃক্ততার সাথে ছাত্র রাজনীতির কোন সম্পর্ক আছে বলে মনে করিনা। এর জ্বলন্ত উদাহরন হচ্ছে ১৯৭১ আর ২০২৪এর বিপ্লব। আমরা দেখেছি এসময় দেশের প্রয়োজনের সামনে দল, মত, ধর্ম, বর্ন এক হয়ে গিয়েছিল। ভবিষ্যতেও তাই হবে। দেশের ছেলেরা দেশের প্রয়োজনে জীবন বাজী রেখে এগিয়ে আসবে। তাই বলে এজন্য এখনি ছাত্রদেরকে রাজনীতি করতে দিয়ে তাদের মুল্যবান ভবিষ্যৎ নস্ট করার মত বোকামী করা ঠিক হবে না। পৃথিবীর বেশীর দেশেই ছাত্ররা শিক্ষা জীবনে রাজনিতিতে সম্পৃক্ত হয়না। ইউএসএ, ইউকে, জাপান, চীন, জার্মানী, সিঙ্গাপুর, কানাডা, ফ্রান্স সহ পৃথিবীর বেশীর ভাগ উন্নত দেশেই ছাত্ররা পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত থাকে। তবে ওসব দেশেও দেশের প্রয়োজনে ছাত্ররা ঠিকই এগিয়ে আসে। আসুন দেখি বর্তমানে ছাত্র রাজনীতির নামে আমাদের দেশে আসলে কি হয়ঃ
১) ছাত্র রাজনীতিতে জড়িতদের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন কাজ হচ্ছে, মুল দলের পাবলিক মিটিঙে লোক জড়ো করা। যেভাবে সম্ভব, ভাড়া করে হোক, ভয় দেখিয়ে বা লোভ দেখিয়ে হোক। সার্বিকভাবে মুল দলের পেশী শক্তি হিসাবে কাজ করা।
২। কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে অনেক গুলো সিট জোড় জবরদস্তি করে দখল করে রাখা, যাতে করে নিজ দলের ছাত্ররা আরামে থাকতে পারে, প্রয়োজনে দলের বহিরাগত অছাত্র কর্মীরাও থাকতে পারে।
৩) ছাত্র সংগঠনের যারা নেতৃত্ব দেবে তাদের পড়াশোনা করে পাশ করার দরকার নাই। তারা আদু ভাই হয়ে বছরের পর বছর ছাত্র রাজনীতি করেতই থাকবে।
৪) পূজা পার্বন, ঈদ, নববর্ষ অথবা বিভিন্ন জাতীয় বা স্থানীয় অনুষ্ঠানের জন্য চাঁদাবাজি করে অর্থ জোগান দেয়া।
৫) ডাইনিং হলে বা ক্যান্টিনে সীট রিজার্ভ করে রাখা, দল বেধে খেতে আসা, জোড় করে বাকিতে খাওয়া, খেয়ে বিল না দেয়া, দীর্ঘ সময় ধরে বিল পরিশোধ না করা।
আমরা অভিভাবকরা নিশ্চয় এসব করার জন্য আমাদের বাচ্চাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠাই না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় আমাদের বাচ্চারা হচ্ছে বন বাদরে বেড়ে উঠা জংলী ফল মুলের মত, যে ইচ্ছা সে তাদেরকে ব্যবহার করতে পারে। অথবা বন্যায় ভেসে আসা মাছের মত, যে দল তাকে ধরতে পারবে সে যা ইচ্ছে তাই করতে পারবে। আমরা অভিভাবকরা তাই আমাদের বাচ্চাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে আতংকে থাকি। তাই সরকারের উচিত অভিভাবকদেরকে দুশ্চিন্তামুক্ত ভাবে তাদের বাচ্চাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠাবার নিশ্চয়তা দান করা। হয় আইন করে রাজনীতি বন্ধ করতে হবে অথবা ছাত্র রাজনীতির একটা আইন বা গাইড লাইন তৈরী করতে হবে। ‘পলিটিকাল পার্টিস এক্ট ১৯৬২’ এর মত করে ‘স্টুডেন্ট পলিটিক্স এক্ট ‘ তৈরী করতে হবে। যেখানে নিম্নের বিষয় গুলো সন্নিবেশিত করা যেতে পারেঃ
১) রাজনীতি করতে আগ্রহী ছাত্রদের অবশ্যই কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো এবং নিয়মিত ছাত্র হতে হবে। নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি ইতিহাস,সমাজবিজ্ঞান, রাজনীতি নিয়ে পড়াশোনা আর রাজনীতি শেখার জন্য অতিরিক্ত পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে।
২) রাজকনীতিকে আয় রোজগারের পেশা নয় বরং পবিত্র দায়ীত্ব হিসাবে নিতে হবে। নিজের একটা আলাদা পেশা বা ক্যারিয়ার তৈরী করতে হবে আয় রোজগারের জন্য।
৩) আবাসিক হলের সীট দখল করার চর্চা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত বর্তমান ছাত্র ছাড়া বহিরাগত কোন ছাত্র বা অছাত্রকে হলে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া যাবে না।
৪) চাঁদাবাজি করে সংগঠন চালানো যাবে না। সংগঠন চলবে রাজনিতি করতে ইচ্ছুক ছাত্রদের মাসিক চাঁদা আর সংগঠনের প্রতি অনুরাগী জনগনের অর্থে। কোন ভাবেই কারো উপর জোড় খাটানো যাবে না।
৫) ছাত্র নেতা নির্বাচনের সময় অবশ্যই ব্যক্তি চরিত্র,, অতীত ইতিহাস বিবেচনায় নিতে হবে। পড়াশোনায় খারাপ করা ছাত্রদেরকে অবশ্যই নেতৃত্বের উঁচু ধাপে স্থান দেয়া যাবে না ।

15/08/2024

পুলিশ বাহিনীর পুনর্গঠন
পুলিশ বাহিনীর জন্ম হয়েছিলো পুলিশ এক্ট-১৮৬১ ‘এর মাধ্যমে প্রায় ১৫০ বছর আগে ব্রিটিশ আমলে। তখন পুলিশের দুইটা ভাগ ছিলো। থানা পুলিশ আর রিজার্ভ পুলিশ। থানা পুলিশ এলাকা ভিত্তিক আইন শৃংখলা বিচার সালিশ দেখতো আর রিজার্ভ পুলিশই বিভিন্ন স্থাপনা পাহাড়া আর মব বা রায়ট কন্ট্রোলের কাজে নিয়োজিত থাকতো। ইংরেজ আমলে রিজার্ভ পুলিশ জেলা বা মহকুমার এমন স্থানে রাখা হতো যাতে করে ইংরেজ সাহেবদের সহজে নিরাপত্তা দেয়া যায়। তখন সাদা সাহেবরাই এসপি বা ডিসির দায়ীত্বে থাকতো। পুলিশের কনেস্টেবল থেকে ওসি পর্যন্ত বাঙ্গালীদের মধ্য থেকে নেয়া হতো যাদের পড়াশোনার মান নিতান্ত সাধারন ছিলো। তাই সাদা সাহেবদের সাথে পুলিশ সদস্যদের ভাষাগত সমস্যা নিরসনের জন্য মধ্যবর্তি একটা গ্রুপ সৃস্টি করা হয়েছিলো, যারা কম শিক্ষিত পুলিশের সাথে সাদা বাবু এসপি বা ডিসিদের যোগাযোগ করিয়ে দিতো।এই মধ্যবর্তি গ্রুপটা হচ্ছে এএসআই আর এসআইদের গ্রুপ। যারা না পুলিশদের মত ফিল্ডে কাজ করে, না ১ম গ্রুপের মত অফিসে বসে বসিং করতে পারে।
ব্রিটিশদের করা ১৮৬১ সালের সেই পুলিশ এক্ট এখনো বহাল আছে বাংলাদেশে। আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশের সব বাহিনীতে টু পয়েন্ট বা ওয়ান পয়েন্ট এন্ট্রীতে রিক্রুটমেন্ট করার নিয়ম থাকলেও, পুলিশ বাহিনীতে এখনো থ্রী পয়েন্ট এন্ট্রী চলমান। অর্থাৎ পুলিশে প্রথম এন্ট্রী হয় কনেস্টেবল হিসাবে, দ্বিতীয় এন্ট্রি হয় এএসআই হিসাবে, আর তৃতীয় এন্ট্রী হয় এএসপি হিসাবে। এর মধ্যে দ্বিতীয় এন্ট্রী গ্রুপ্টা খুবই ঝুঁকিপুর্ন, কারন এরা এএসআই হিসাবে ঢুকে আর ৩০ বছর চাকুরী করে এসআই হিসাবে অবসর গ্রহন করে। এদের চাকুরীতে কোন চমক নাই, ভবিষ্যৎও নাই। সারা চাকুরী জীবনে একটা মাত্র পদোন্নতি। যেই বিষয়টা প্রথম এবং তৃতীয় গ্রুপে নাই। প্রথম গ্রুপে কনেস্টেবলরা ৫ ধাপ পেড়িয়ে ওসি হয় তৃতীয় গ্রুপে এএসপি থেকে ৫ ধাপ পেড়িয়ে আইজি হয়। সঙ্গত কারনেই দ্বিতীয় গ্রুপের সদস্যরা সব চাইতে হতাশাগ্রস্থ এবং দুর্নীতিপরায়ন হয়ে থাকে। তাই সর্ব প্রথমে এই মধ্যবর্তি গ্রুপ্টাকে বাদ দিতে হবে। এই বাহিনীকে হয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর মত টু এন্ট্রী অথবা বিজিবির মত ওয়ান এন্ট্রী রিক্রুটমেন্ট সিস্টেমে আনতে হবে, কোন ভাবেই থ্রী এন্ট্রীতে রাখা যাবে না। এ ব্যাপারে প্রয়োজনে আমরা যেকোন আধুনিক দেশের উন্নত সিস্টেম থেকে শিক্ষা নিতে পারি।
আরেকটি কথা, আমরা অনেকেই জানিনা, থানা পুলিশ প্রসাশন বাস্তবে কিভাবে চলে। জেনে বিস্মীত হবেন যে, পুলিশদেরকে তাদের অফিস চালাবার জন্য কোন স্টেশনারী, ফার্নিচার ইত্যাদি দেয়া হয় না, তাদের কে বলা হয় এসব স্থানীয় সোর্স থেকে ম্যানাজ করে ফেলতে। শুধু তাই না, গুপ্ত খবরের জন্য সোর্স নিয়োগ বা পালার জন্য, তদন্ত করা বা আসামী ধরার জন্য এখানে সেখানে যাওয়ার জন্য কোন খরচ থানা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বহন করা হয়না। শুস্ক রেশন সরকার হতে দেয়া হলেও, ফ্রেস রেশন (মাছ, মাংস, সব্জী ইত্যাদি) দেয়া হয়না। ফলে এটাও মেস কমান্ডারকে স্থানীয় ভাবে ম্যানাজ করতে হয়। এতে কি প্রতিয়মান হয় না যে পুলিশ বাহিনীকে দুর্নীতিগ্রস্থ হওয়ার জন্য প্রসাশনই পথ খুলে রেখেছে? বাংলাদেশের আর কোন বাহিনী এভাবে চলে না। এসব বন্ধ করতে হবে। অন্য বাহিনীতে এসব কাজ যেভাবে হয় এই বাহিনীতেও সেভাবে হতে হবে।
বিগত সময়ে, পুলিশ বাহিনীতে মুল এক্ট অপরিবর্তিত রেখে, অধ্যাদেশ জারীর মাধ্যমে বেশ কিছু নতুন পুলিশ ফোর্স সৃস্টি করা হয়েছে। যেমন বন পুলিশ, পর্যটন পুলিশ, শিল্প পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ইত্যাদি। ১৮৬১ সনের মুল এক্টটি যুগ উপযোগী করতে হবে। বিশেষ করে ১) পুলিশ কোন ধরনের অস্ত্র বহন করতে পারবে, (পুলিশকে অবশ্যই লেথাল উইপন দেয়া যাবে না) ২) পুলিশের গুলি করার সীমারেখা ৩) এরেস্ট করার সীমারেখা ৪) রিমান্ডের আচরন বিধি ৫) বন্দি রাখার সীমারেখা ইত্যাদি বিষয়ে কঠোর নীতিমালা সংযোজন করতে হবে ।
পুলিশের বর্তমান ইমেজ সংকটের প্রেক্ষাপটে প্রয়োজনে এই বাহিনীর নাম, ড্রেস, লোগো ইত্যাদি পরিবর্তন করে নতুন বাহিনী হিসাবে ভাবে গড়তে হবে।
(কর্নেল জাকারিয়া কামাল (অবঃ) স্যারের ইউটিইউব চ্যানেল থেকে সংকলিত )

15/07/2024

অন্য রকম অভিজ্ঞতা ।
কাল বাদে আগামী পরশু নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়েছে সিয়েরা লিওনে। আমি সেদিন ক্যাজুয়াল ড্রেসেই বের হয়েছিলাম পোলিং বুথগুলোতে যাওয়ার রাস্তার অবস্থা দেখতে। শুক্রবার হওয়াতে নিজে পায়জামা পাঞ্জাবী পড়া ছাড়াও আরো ২ সেট পায়জামা পাঞ্জাবী সাথে নিয়ে ছিলাম কাঊকে দিয়ে দেয়ার আশায়। মিশন শেষ হয়ে আসছে, দেশ থেকে আনা কাপড় চোপড়গুলো দান করে যাওয়ার ইচ্ছে। রাস্তায় জুম্মার নামাজের সময় হলে একটা মসজিদে থামলাম জামাতে নামাজ পরার জন্য।
ছোট একখানা মসজিদ, ভাঙ্গা চোড়া টিন দিয়ে ঘেরা, ভিতরে বাইরে মিলিয়ে ৫০ জন মুসল্লীও হবে না। ইমামকে বাইরে থেকে দেখা না গেলেও, তার সুমধুর খোতবা পাঠ আর কোরান তেলওয়াত আমকে মোহিত করলো। মুসল্লীরা বেরিয়ে যেতে থাকলে আমি ইমামের জন্য দরজার এক পাশে দাড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম। আমার ইচ্ছা হলো বহন করে আনা একটা পায়জামা পাঞ্জাবী হুজুরকে দেয়া যায় কিনা।
একে একে প্রায় সবাই বেড়িয়ে গেলেও, ইমাম হতে পারে এরকম কাউকে দেখলাম না। অগ্যতা একজনকে অনুরোধ করলে সে ইমামকে ডেকে আনতে গেলো। এক্টু পর যাকে আনা হলো, তাকে দেখে আমি খুব বিস্মিত হলাম। থ্রী কোয়ার্টার জিন্সের রং চটা প্যান্ট আর একটি জীর্ন টিশার্ট পড়া এক যুবক , মনে হলো এইমাত্র ডিস্কো ড্যান্স করে নেমে এসেছে। টুপি, পাগড়ী, জোব্বা আর সুগন্ধি আতরের কোন বালাই নেই।
আমার কাছে মনে হলো, আমি কি বলতে ভুল করেছি? আমার প্রশ্নবোধক চোখ মুখ দেখে, মুরব্বী গোছের ব্যক্তিটি বলেই ফেললো ‘ ইব্রাহিম কামারা এখানে প্রায় ৩ বছর ধরে আছে, সে আমাদের মসজিদের ইমাম আর সকালে আমাদের বাচ্চাদের আরবি আর ধর্ম শিক্ষা দেয়। আমরা তাকে বেতন দিতে পারিনা। শুধু ২ বেলা খাবার দেই পালাক্রমে প্রতি বাড়ি হতে।‘
ইব্রাহিম কামারার বাড়ি কইদু প্রদেশে, লুন্সার থেকে কয়েক ‘শ মাইল দূরে। গৃহযুদ্ধ থামার শুরুর দিক থেকে সে এই গ্রামেই থাকে এই মসজিদের ইমাম হিসাবে।
আমি পায়জামা পাঞ্জাবীর প্যাকেট তার হাতে দিতে চাইলাম কিন্তু ইব্রাহিম কামারার অনাগ্রহ দেখে খুব বিস্মিত হলাম আর দুঃখ পেলাম। একজন ইমাম হিসাবে খাসা ইমাম সুলভ পোশাকের প্রতি তার কোন আগ্রহই নেই। কামারা যেটা বলল তা হচ্ছে, তোমরা এশিয়ানরা তো আবার মনে করো সহি মুস্লিম হতে হলে টুপি, জোব্বা আর পাগরী পরতে হবে। তোমাদের এই ড্রেস এদেশে ২ সপ্তাহও টিকবে না, ( অর্থাৎ থাকলে জিন্স, গ্যাভারডিন, কর্ড জাতীয় কিছু দাও) আর পারলে কিছু চপ চপ (খাবার) দাও । ওর কথা শুনে সেদিন আমারও মনে হয়েছিলো আসলেই কি ইমাম বা ভালো মুসলিম হওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের ড্রেসের কোন দরকার আছে ?

02/07/2024

হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে কি করবেন?

এটি ৭০ বছর বয়সী একজন ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অভিজ্ঞতা।
একদিন সকালে হঠাৎ তার ঘুম ভেঙে যায়। তার প্রস্রাব করার ভীষণ চাপ ছিল, কিন্তু সে প্রস্রাব করতে পারছিলনা । তিনি বারবার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হচ্ছিলেন। তখন তিনি বুঝতে পারলেন তিনি বড় একটি বিপদে পড়তে যাচ্ছেন। তার তলপেট ভারী হয়ে যাচ্ছিলো। বসতে বা দাঁড়াতে পারছিলেন না।
এরপর তিনি একজন পরিচিত ইউরোলজিস্টকে ফোনে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন। ইউরোলজিস্ট উত্তর দিলেন, তিনি বর্তমানে শহরের বাইরে আছেন, আসতে দুই ঘন্টার মত সময় লাগবে। এতক্ষন কি তার পক্ষে প্রস্রাবের চাপ সহ্য করে থাকা সম্ভব কিনা?
তিনি উত্তর দিলেন: "আমি চেষ্টা করব।"
একই সময়ে তিনি তার শৈশবের বন্ধু একজন নারী ডাক্তারকে ফোন করেন। অনেক কষ্টে সে তার নারী বন্ধু ডাক্তারকে তার পরিস্থিতি বুঝিয়ে বললেন।
বন্ধু উত্তর দিল, “ওহ, তোমার ব্লাডার ভরে গেছে। আর তুমি চেষ্টা করলেও প্রস্রাব করতে পারবে না... চিন্তা করো না। আমি তোমাকে যা বলেছি তাই করো। তুমি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে।“
এবং তিনি নির্দেশ দিলেন, সোজা হয়ে দাঁড়াও এবং জোরে জোরে বারবার উপর দিকে লাফ দাও। লাফ দেওয়ার সময়, দুই হাত উপরে রাখতে হবে, যেন তুমি একটি গাছ থেকে আম পাড়ছো। এটি ১০ থেকে ১৫ বার কর।
বৃদ্ধ ডাক্তার ভাবলেন, এতো বড় সমস্যার এতো সহজ সমাধান! তাছাড়া এ অবস্থায় কি লাফানো সম্ভব? তার কাছে পরামর্শটি হাস্যকর আর সন্দেহজনক মনে হচ্ছিলো। কিন্তু নিচে এতো প্রেসার ছিলো যে, সে লাফাতে শুরু করলো।
বিস্ময়কর ভাবে ৩ থেকে ৪ বার লাফ দেওয়ার পরে তিনি প্রস্রাব করার তাগিদ অনুভব করেন এবং ভয়ানক প্রেসার থেকে উপশম হলেন।
এত সহজে সমস্যাটি সমাধান করার জন্য তিনি খুশি হয়ে তার ডাক্তার বন্ধুকে ধন্যবাদ জানান। অন্যথায়, তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হত, মূত্রাশয় পরীক্ষা, ইনজেকশন, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি, সেইসাথে ক্যাথেটারাইজেশন ... তার এবং তার কাছের এবং প্রিয়জনদের জন্য মানসিক চাপ সহ, লক্ষাধিক টাকার বিল তো ছিলই।
দয়া করে গল্পটি সিনিয়র সিটিজেনদের সাথে শেয়ার করুন। এই ধরনের যন্ত্রণাদায়ক কস্টের হাত থেকে বাঁচার জন্য এই সহজ পরামর্শটি অনেকেরই ভীষণ উপকারে আসতে পারে। এই বার্তাটি আপনার পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং আশেপাশের সিনিয়র সদস্যদের কাছেও ফরোয়ার্ড করুন।

02/06/2024

কস্ট কিনবে কস্ট?

কবিতার লাইনটা এমন ছিলো, তবে কার লিখা জানিনাঃ
‘আমার অনেক অনেকদিনের ইচ্ছা, আমি কিছু কস্ট কিনবো
ইট বালির শহরের আনাচে কানাচে নাকি অনেক কস্ট পাওয়া যায়
খুব ভোর বেলা অথবা গভীর রাতের আঁধারে
এই শহরে অলিতে গলিতে নাকি কস্টরা কিলবিল করে।
আজ যে করেই হোক, আমাকে কিছু কস্ট কিনতেই হবে…।‘

বৃদ্ধা ভিক্ষুক মহিলার উত্তরটা শুনে আবার আমার কবিতার এই লাইনগুলো মনে পড়ে গেলো। আমি দশ টাকার একটা নোট তার হাতে দিতে দিতে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘মা তোমার গলায় তো থাইরক্স বেড়ে গ্যাগ হয়ে গেছে। এটা বেড়ে গেলে তোমার অনেক কস্ট হবে। আমি তোমার এটার অপারেশনের ব্যবস্থা করে দিলে তুমি যাবে?’
বৃদ্ধা বলল, ‘না বাবা, অপরশন করলে আমারে কেউ আর ভিক্ষা দিব না। তখন আমি কি খাইয়া বাচমু।‘
কেন তোমার ছেলে মেয়ে, ভাই বোন, জামাই কেউ নেই? আমি পালটা প্রশ্ন করলাম।
উত্তরে যা বলল শুনে কস্টে মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে গেলো। মনে হলো গলার এই কস্ট টা ছাড়া এই পৃথিবীতে আসলেই তার আর কেউ নেই।
নিজেকে খুব ছোট মনে হলো তার সামনে। কতটা অগাথ কস্ট মাথায় নিয়ে আছে এই মহিলা। একটা অপারেশনের খরচ তো তার কাছে কিছুই না। তার সারা জীবনের কস্টকে সে কেন একটা ক্ষুদ্র অপারেশনের কাছে বিক্রয় করে দিবে? এভাবেই কি বড় কস্টের হাত থেকে বাচার জন্য মানুষকে ছোট ছোট কস্ট কিনতে হয়?

12/03/2023

*সবাইকে স্বাস্থ্য দিবসের শুভেচ্ছা*
🄷🄰🄿🄿🅈 🄸🄽🅃🄴🅁🄽🄰🅃🄸🄾🄽🄰🄻
🄷🄴🄰🄻🅃🄷 🄳🄰🅈
মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
1. BP: 120/80
2. পালস: 70 - 100
3. তাপমাত্রা: 36.8 - 37
4. শ্বাস: 12-16
5. হিমোগ্লোবিন: পুরুষ -13.50-18
মহিলা - 11.50 - 16
6. কোলেস্টেরল: 130 - 200
7. পটাসিয়াম: 3.50 - 5
8. সোডিয়াম: 135 - 145
9. ট্রাইগ্লিসারাইড: 220
10. শরীরে রক্তের পরিমাণ: PCV 30-40%
11. চিনির মাত্রা: শিশুদের জন্য (70-130) প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য: 70 - 115
12. আয়রন: 8-15 মিলিগ্রাম
13. শ্বেত রক্ত ​​কণিকা WBC: 4000 - 11000
14. প্লেটলেট: 1,50,000 - 4,00,000
15. লাল রক্ত ​​কণিকা RBC: 4.50 - 6 মিলিয়ন।
16. ক্যালসিয়াম: 8.6 -10.3 mg/dL
17. ভিটামিন D3: 20 - 50 ng/ml.
18. ভিটামিন বি 12: 200 - 900 পিজি/মিলি।
*বয়স্কদের জন্য বিশেষ পরামর্শ 40/50/60 বছর:*
*1- প্রথম পরামর্শ: * তৃষ্ণার্ত বা অভাবগ্রস্ত না হলেও সব সময় জল পান করুন, সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সমস্যা এবং তার বেশিরভাগই শরীরে জলের অভাব। প্রতিদিন কমপক্ষে 2 লিটার।
*২- দ্বিতীয় নির্দেশ:* শরীর থেকে যতটা সম্ভব কাজ করুন, শরীরের নড়াচড়া থাকতে হবে, যেমন হাঁটা, সাঁতার বা যেকোনো ধরনের খেলাধুলা।
*৩-তৃতীয় টিপ:* কম খান...অতিরিক্ত খাওয়ার লোভ ত্যাগ করুন...কারণ এটা কখনোই ভালো করে না। নিজেকে বঞ্চিত করবেন না, তবে পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার বেশি ব্যবহার করুন।
*৪- চতুর্থ নির্দেশ:* একেবারে প্রয়োজনীয় না হলে গাড়ি ব্যবহার করবেন না। আপনি যদি মুদি নিতে, কারও সাথে দেখা করতে বা কোনও কাজ করতে কোথাও যাচ্ছেন, আপনার পায়ে হাঁটার চেষ্টা করুন। লিফট, এসকেলেটর ব্যবহার না করে সিঁড়ি বেয়ে উঠুন।
*5- পঞ্চম নির্দেশ* রাগ ত্যাগ করুন, দুশ্চিন্তা করা বন্ধ করুন, কিছু উপেক্ষা করার চেষ্টা করুন। নিজেকে ঝামেলাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নিয়োজিত করবেন না, তারা সমস্ত স্বাস্থ্য নষ্ট করে এবং আত্মার গৌরব কেড়ে নেয়। ইতিবাচক মানুষের সাথে কথা বলুন এবং তাদের কথা শুনুন।
*6- ষষ্ঠ নির্দেশ* প্রথমত, টাকার সাথে সংযুক্তি ত্যাগ করুন
আপনার চারপাশের মানুষের সাথে সংযোগ করুন, হাসুন এবং কথা বলুন! টাকা তৈরি হয় বেঁচে থাকার জন্য, জীবন টাকার জন্য নয়।
*7-সপ্তম নোট* নিজের জন্য দুঃখিত হবেন না, বা আপনি যা অর্জন করতে পারেননি, বা এমন কিছু যা আপনি অবলম্বন করতে পারেননি।
এটি উপেক্ষা করুন এবং এটি ভুলে যান।
*8- অষ্টম নোটিশ* অর্থ, পদ, প্রতিপত্তি, ক্ষমতা, সৌন্দর্য, জাত এবং প্রভাব;
এই সব জিনিস ইগো বাড়ায়। নম্রতা মানুষকে ভালোবাসার কাছাকাছি নিয়ে আসে।
*9- নবম টিপ* যদি আপনার চুল সাদা হয় তবে এর মানে জীবনের শেষ নয়। এটি একটি ভাল জীবনের শুরু। আশাবাদী হোন, স্মৃতি নিয়ে বাঁচুন, ভ্রমণ করুন, উপভোগ করুন। স্মৃতি তৈরি করুন!
*10- দশম নির্দেশ* আপনার ছোটদের সাথে প্রেম, সহানুভূতি এবং স্নেহের সাথে দেখা করুন! ব্যঙ্গাত্মক কিছু বলবেন না! আপনার মুখে একটি হাসি রাখুন!
অতীতে আপনি যতই বড় পদে অধিষ্ঠিত হন না কেন, বর্তমান সময়ে ভুলে যান এবং সব কিছুর সাথে মিশে যান!

*শুভ স্বাস্থ্য দিবস* my dear friends please noted thismo information

Almost Ready Flat at an affordable price at Savar DOHSGood quality almost ready residential flats in a most secure locat...
11/02/2023

Almost Ready Flat at an affordable price at Savar DOHS
Good quality almost ready residential flats in a most secure location at Savar are ready for sale at an affordable price. Savar is going to be the super communication hub connected through elevated Expressway and Metro Rail. It would take only 10 mins to reach Dhaka from there. It definitely rises the price too high after few years like Mirpur DOHS where flat prices rose to double after inauguration of Metro Rail. It’s a golden opportunity to invest in buying flat at Savar DOHS.
Other Details of Flats:
Good Quality and Design:
Flats are suitable for medium to small size family. Having o3 Bed, 03 Wash room, 03 Balcony, 01 Dinning, 01 Drawing room and 01 Kitchen. Total size is 1450 Sq Feet and facing south. Its besides 02 x 30 feet road from south and west. It’s a 09 stored building with 16 flats having 10 parking space at ground floor. Already connected with REB electricity supply line with a standby generator. There are 06 flats on the 3rd, 5th and 7th floors on sale.

Affordable Price:
As Expressway and Metro Rails are under construction, that gave us an advantage to construct this building with a very low price. A year or 2, prices will certainly be double or more.
Secured Location:
The residential area is located at the tri-junction of Dhaka-Tangail and Dhaka-Aricha Highway, Opposite to National Monument of Shaheed Smriti Soudho and west of Savar Cantonment. The area is highly secured and well protected from all sides.
Price: Average price is around Tk 5500-6000/Sq feet.

Visit Schedule: Any Day (10 AM to 5 PM) Friday and Saturday are the most preferred days

Developer’s Name: Taha Trade Link

Mobile No: 01739661212, 01713946440.

Whatsapp: 01715196621

Email Address: [email protected]

For More Details: https://www.facebook.com/tahatradelink or www.tahatradelink.com

Tag:
, , , , , , Ready Flat, Flat in Savar, in Savar,

Some More Pictures of the inside:

01/02/2023

Consolidating supplementary flyovers and other additional traffic infrastructures might seem like an effective way to curb Dhaka’s traffic congestion. But ‘induced demand’ in economics pertaining to the economic theory of supply and demand, tells otherwise

Lucrative Secure Flat at an affordable price at Savar DOHSSuperior and lucrative quality residential flats are under con...
01/02/2023

Lucrative Secure Flat at an affordable price at Savar DOHS

Superior and lucrative quality residential flats are under construction, and about 85% work has already been finished. These are in the most secure location at Savar DOHS and are ready to sell at an affordable price. Savar is going to be the super communication hub by connecting through elevated expressways and metro rail. It would take only 15 mins to reach Dhaka from there. The prices will rise too high after a few years like Mirpur DOHS. It’s a golden opportunity to invest in buying a flat at Savar DOHS.
Other Details of Flat:
Lucrative Design:
Flats are suitable for medium to small size family. Having o3 Bed, 03 Washroom, 03 Balcony, 01 Dinning, 01 Drawing room and 01 Kitchen. The total size is 1450 Sq Feet and faces south. It's bounded by two 30 feet roads from south and west. It’s a 09 storied building with 16 flats having 10 parking spaces on the ground floor. Well connected with REB electricity line along with a standby generator. Having robust connection of water and gas. 06 flats on the 3,5 and 7th floors are on sale.
Affordable Price:
As Expressway and Metro Rails have not yet been constructed, that gave us the advantage to construct this building at a very low price. In a year or 2, prices will certainly be doubled or more.
Secured Location:
The residential area is located at the tri-junction of Dhaka-Tangail and Dhaka-Aricha Highway, Opposite Savar Smriti Soudho and west of Savar Cantonment. The area is highly secured and well-protected from all sides.
Price: Subject to negotiation but the average price is around Tk 5500-6000/Sq feet.
Visit Schedule: Any Day (10 AM to 5 PM) Friday and Saturday are the most preferred days
Providers: Taha Trade Link
Mobile No: 01739661212, 01713946440.
Whatsapp: 01715196621
Email Address: [email protected]
For More Details: https://www.facebook.com/tahatradelink or www.tahatradelink.com
Tag:
,
, , , , ,

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Two Peaks Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Two Peaks Limited:

Share

Category