Md.Shakil Mia

Directions Website

Md.Shakil Mia Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md.Shakil Mia, Surveyor, Dhaka.

📐 Survey Engineer | 5+ Years Field Experience
🎓 Diploma in Survey Engineering
🏛️ Bangladesh Survey Institute (Government)
🛰️ Land Survey • AutoCAD • GIS • Mapping
🏗️ Construction Survey
🎥 Sharing Practical Survey Knowledge in Bangla

22/10/2026

19/10/2026

🚨 অল্প সময়ে টাকা দ্বিগুণ করার প্রতিশ্রুতি? আগে থামুন!

কেউ যদি বলে—অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগ করুন, আর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কয়েক গুণ টাকা পেয়ে যান—তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বাস করবেন না।

🔎 আগে ৪টি প্রশ্ন করুন:

▪️ লাভের টাকা আসবে কোথা থেকে?
▪️ বাস্তব ব্যবসা বা যাচাইযোগ্য আয়ের উৎস কী?
▪️ লিখিত চুক্তি ও ঝুঁকির বিবরণ আছে কি?
▪️ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন আছে কি?

মনে রাখবেন, বেশি লাভের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাধারণত বেশি ঝুঁকি থাকে। নিশ্চিত ও অস্বাভাবিক রিটার্নের দাবি একটি বড় সতর্কসংকেত।

অ্যাপে টাকা দেখানো কিংবা প্রথম দিকে টাকা তুলতে পারা ভবিষ্যতে টাকা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়।

💰 নিজের কষ্টার্জিত টাকা পাঠানোর আগে যাচাই করুন। পরিচিত মানুষ বলেছে বলেই কোনো স্কিম নিরাপদ হয়ে যায় না।

📢 পোস্টটি শেয়ার করুন, অন্যকেও সচেতন করুন।

#বিনিয়োগ_সতর্কতা #অনলাইন_প্রতারণা #আর্থিক_সচেতনতা #বাংলাদেশ

ফিরে পাওয়ার লড়াইএকজন কৃষক বাবার স্বপ্ন, আর তার মেয়ের হারিয়ে যাওয়া শৈশবগ্রামের ছোট্ট মাটির ঘরটায় সেদিন রাতে ঘুম আসছিল না ...
19/10/2026

ফিরে পাওয়ার লড়াই

একজন কৃষক বাবার স্বপ্ন, আর তার মেয়ের হারিয়ে যাওয়া শৈশব

গ্রামের ছোট্ট মাটির ঘরটায় সেদিন রাতে ঘুম আসছিল না গোলাম মোস্তফার। বাইরে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, দূরের বাঁশঝাড়ে বাতাসের শব্দ। ঘরের এক কোণে স্ত্রী ঘুমিয়ে আছে, আর পাশে শুয়ে আছে এগারো বছরের ছোট্ট মেয়ে মেঘা।

মোস্তফা পেশায় একজন কৃষক। অন্যের জমিতে দিনভর হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে যা আয় করেন, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। কোনো দিন হাঁড়িতে ভাত থাকে, কোনো দিন থাকে না। অভাব যেন তাঁর সংসারের নিত্যদিনের সঙ্গী।

তবু মেয়েকে নিয়ে তাঁর স্বপ্ন ছিল অনেক।

তিনি চাইতেন, মেঘা অন্তত তাঁর মতো অভাবের সঙ্গে লড়াই করে জীবন কাটাবে না। দুবেলা পেট ভরে খাবে, ভালো জামাকাপড় পরবে, একদিন নিজের পায়ে দাঁড়াবে।

কিন্তু স্বপ্ন দেখলেই তো আর স্বপ্ন পূরণ হয় না। অভাব যখন ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকে, তখন অনেক সময় একজন বাবাকে বুকের ভেতর পাথর চাপা দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যা তাঁর নিজের হৃদয়কেও রক্তাক্ত করে।

একদিন পরিচিত একজনের মাধ্যমে খবর পেলেন, ঢাকার উত্তরায় একটি অভিজাত বাসায় ছোট শিশুকে দেখাশোনা করার জন্য একজন মেয়ের প্রয়োজন। সেখানে থাকলে খাওয়া-পরার কষ্ট হবে না, কিছু টাকাও পাওয়া যাবে।

মোস্তফা প্রথমে রাজি হতে চাননি। তাঁর এগারো বছরের মেয়েটা এত দূরে শহরে একা থাকবে কীভাবে? কিন্তু অভাবের হিসাব তাঁকে বারবার হারিয়ে দিচ্ছিল।

শেষ পর্যন্ত মেয়েকে শহরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।

বিদায়ের দিন মেঘা বাবার হাত শক্ত করে ধরে বলেছিল, “আব্বা, তুমি আমাকে রেখে চলে যাবে না তো?”

মোস্তফা মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিলেন, “কাঁদিস না মা। তুই ভালো থাকবি। কিছুদিন কষ্ট কর, তারপর তোকে আবার নিয়ে আসব। তোর জন্য নতুন জামা কিনব, স্কুলে ভর্তি করব।”

মেয়ের চোখের পানি লুকিয়ে তিনি সেদিন বাসে তুলে দিয়েছিলেন তাকে।

তিনি জানতেন না, নিজের হাতে মেয়েকে তুলে দিচ্ছেন এক অন্ধকার জীবনের দিকে।

শহরের আলিশান বাড়ি, আর এক শিশুর নরকবাস

উত্তরার নয় নম্বর সেক্টরের বিশাল ফ্ল্যাটটি বাইরে থেকে দেখতে ছিল স্বপ্নের মতো। চকচকে মেঝে, দামি আসবাব, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘর—সবকিছুতেই আভিজাত্যের ছাপ।

কিন্তু সেই বাড়ির ভেতরেই ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকল মেঘার শৈশব।

তার কাজ ছিল বাড়ির ছোট শিশুটিকে দেখাশোনা করা, ঘর গোছাতে সাহায্য করা এবং গৃহকর্ত্রীর নানা নির্দেশ পালন করা। সামান্য ভুল হলেই গৃহকর্ত্রী বীথি আক্তারের রাগ গিয়ে পড়ত তার ওপর।

কখনো চড়-থাপ্পড়, কখনো বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মারধর, কখনো গরম খুন্তির ছ্যাঁকা—এগারো বছরের শিশুটির কোমল শরীর হয়ে উঠেছিল নিষ্ঠুরতার শিকার।

আর সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল সেই অন্ধকার বাথরুম।

কোনো কারণে গৃহকর্ত্রী রেগে গেলে অনেক সময় মেঘাকে বাথরুমে আটকে রাখা হতো। দরজা বন্ধ করে দেওয়া হতো, নিভিয়ে দেওয়া হতো আলো। ভেতরে থাকত না কোনো খাবার, থাকত না কারও সান্ত্বনা। চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার।

মেঘা দরজায় হাত রেখে কাঁদত।

“আম্মা, দরজাটা খোলো। আমার ভয় লাগছে। আমি আর ভুল করব না।”

কিন্তু ওপাশ থেকে কোনো উত্তর আসত না।

সে ছোট ছোট হাত দিয়ে দরজায় আঘাত করত। কখনো দরজার নিচের ফাঁক দিয়ে আসা সামান্য আলো দেখত, কখনো কান পেতে বোঝার চেষ্টা করত কেউ আসছে কি না।

সময় যত গড়াত, তার ভয় তত বাড়ত।

ক্ষুধায় পেট মোচড় দিত। গলা শুকিয়ে আসত। অন্ধকারে বসে সে দুই হাঁটু বুকে জড়িয়ে রাখত। কখনো মনে হতো, এই দরজা বুঝি আর কোনো দিন খুলবে না।

তখনই তার মনে পড়ত গ্রামের বাড়ির কথা।

মাটির উঠোন, পাশের পুকুর, বাবার ঘামে ভেজা শার্ট, সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার সময় বাবার হাতে নিয়ে আসা সামান্য মুড়ি কিংবা গুড়।

সেই সামান্য জিনিসগুলোই তখন তার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি সম্পদ মনে হতো।

মেঘা অন্ধকারে বসে ফিসফিস করে বলত, “আব্বা, তুমি আমাকে নিতে আসো না কেন? আমি তোমার কাছে যাব। আমি আর শহরে থাকব না।”

কিন্তু তার বাবা জানতেন না, তাঁর মেয়ে প্রতিদিন অন্ধকারের ভেতর বসে তাঁর জন্য কাঁদছে।

বাবার কাছে লুকানো সত্য

গ্রামে তখনও মোস্তফা মেয়ের ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতেন। মাঠে লাঙল চালাতে চালাতে ভাবতেন, এবার ধান বিক্রি করে কিছু টাকা জমাবেন। মেয়েকে দেখতে গেলে তার জন্য ভালো কিছু নিয়ে যাবেন।

মাঝেমধ্যে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে শহরে যেতেন। কিন্তু বাবা আসার খবর পেলেই মেঘাকে পরিয়ে দেওয়া হতো ঢিলেঢালা জামাকাপড়। শরীরের ক্ষতগুলো আড়াল করা হতো। তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হতো, বাবার কাছে যেন কোনো অভিযোগ না করে।

বাবাকে দেখলে মেঘার বুকের ভেতর জমে থাকা কান্না বেরিয়ে আসতে চাইত। সে বাবার বুকে মুখ লুকিয়ে বলতে চাইত, “আব্বা, আমাকে নিয়ে যাও। এখানে আমার খুব কষ্ট হয়।”

কিন্তু ভয় তাকে চুপ করিয়ে দিত।

সে ভাবত, সত্যি কথা বললে আবার মার খেতে হবে। আবার সেই অন্ধকার বাথরুমে আটকে রাখা হবে।

মোস্তফা মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করতেন, “মা, তুই ভালো আছিস তো?”

মেঘা চোখ নামিয়ে বলত, “হ্যাঁ, আব্বা।”

একটি ছোট্ট মিথ্যা শুনে কৃষক বাবাটি নিশ্চিন্ত হয়ে বাড়ি ফিরে যেতেন। তিনি বুঝতেই পারেননি, তাঁর মেয়ের সেই ‘হ্যাঁ’-এর আড়ালে কত শত কান্না লুকিয়ে ছিল।

৩১ জানুয়ারি: যে দিন বাবার পৃথিবী ভেঙে গেল

দিনের পর দিন নির্যাতন আর অনাহারে মেঘার শরীর ভেঙে পড়তে লাগল। একসময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বাড়ি থেকে বাবাকে ফোন করা হলো—মেয়েটি অসুস্থ, তাকে নিয়ে যেতে হবে।

খবর পেয়েই মোস্তফা ছুটে এলেন।

কিন্তু মেয়েকে দেখে তাঁর পায়ের নিচের মাটি যেন সরে গেল।

এই কি তাঁর সেই ছোট্ট মেঘা? যে একদিন বাবার হাত ধরে গ্রামের মেলায় যেতে চাইত? যে রাতে ভয় পেলে বাবার পাশে এসে ঘুমাত?

মেয়ের শরীরজুড়ে আঘাতের চিহ্ন। মুখে ক্লান্তি। চোখে এমন এক আতঙ্ক, যা কোনো শিশুর চোখে থাকার কথা নয়।

মোস্তফা মেয়েকে বুকে টেনে নিলেন।

“মা, তোর কী হয়েছে? কে তোকে এমন করেছে?”

এবার মেঘা আর নিজেকে সামলাতে পারল না। বাবার বুকের মধ্যে মুখ লুকিয়ে কাঁদতে লাগল।

কান্নার ফাঁকে ফাঁকে বেরিয়ে এল তার জমে থাকা কষ্টের কথা—মারধর, গরম খুন্তির ছ্যাঁকা, খাবার না পাওয়া, অন্ধকার বাথরুমে আটকে থাকার ভয়।

মোস্তফা নির্বাক হয়ে শুনছিলেন।

যে মেয়েকে তিনি একটু ভালো রাখার আশায় শহরে পাঠিয়েছিলেন, সেই মেয়েই সেখানে প্রতিদিন একটু একটু করে ভেঙে পড়েছে।

তিনি মেয়েকে জড়িয়ে ধরে শুধু বললেন, “মা, আমাকে মাফ করে দিস। আমি জানতাম না। আমি তোকে ভালো রাখতে চেয়েছিলাম।”

সেদিন একজন দরিদ্র কৃষকের বুকের ভেতর যে কান্না জমেছিল, তা কোনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

নিজের দারিদ্র্যের কাছে হেরে গিয়ে মেয়েকে শহরে পাঠিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কখনো ভাবেননি, সেই শহরেই তাঁর মেয়েকে এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

বিচার শুধু আদালতের নয়, সমাজেরও

মেঘাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর বিষয়টি সামনে আসে। পুলিশি তদন্ত শুরু হয় এবং চারজনকে গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশিত হয়। বীথি আক্তার ও সুফিয়ার বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এবং তাঁদের দায় স্বীকারের বিষয়টি আলোচনায় আসে। অন্যদিকে সাবেক এমডি সাফিকুর রহমান দাবি করেন, তিনি কিছুই জানতেন না। কার কী দায়, তা নির্ধারণ করবে তদন্ত ও আদালত।

কিন্তু একটি প্রশ্ন থেকেই যায়—এগারো বছরের একটি শিশু কীভাবে দিনের পর দিন এমন নির্যাতনের শিকার হলো? বাড়ির চার দেয়ালের ভেতর তার কান্না কি কেউ শুনতে পায়নি?

মেঘা এখন গাজীপুরের একটি ছোট্ট মাদ্রাসায় নতুন করে জীবন শুরু করার চেষ্টা করছে। তার সামনে বই আছে, পাশে অন্য শিশুরা আছে। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া শৈশব কি এত সহজে ফিরে আসে?

অন্ধকার ঘর দেখলে তার পুরোনো ভয় ফিরে আসে কি না, বন্ধ দরজার শব্দে বুক কেঁপে ওঠে কি না—সেই কষ্ট হয়তো সে কাউকে বলতে পারে না।

তার বাবা এখনো কৃষিকাজ করেন। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে জমিতে কাজ করেন। কিন্তু তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় চাওয়া এখন আর নতুন ঘর বানানো কিংবা জমি কেনা নয়।

তিনি চান, তাঁর মেয়ে আবার হাসতে শিখুক।

রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাক। পেট ভরে খাক। স্কুলে যাক। অন্য শিশুদের মতো স্বপ্ন দেখুক।

আর যারা তাঁর মেয়ের শৈশব কেড়ে নিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যেন ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

গ্রামের সেই দরিদ্র কৃষক আজ বুঝেছেন, অভাবের কষ্ট যত বড়ই হোক, একটি শিশুর নিরাপত্তা ও শৈশবের কোনো বিকল্প নেই।

মেঘার গল্প তাই শুধু একজন বাবার অসহায়ত্বের গল্প নয়। এটি আমাদের সমাজের কাছে একটি প্রশ্ন—দারিদ্র্যের কারণে কোনো শিশুকে কি তার শৈশব হারাতে হবে?

কোনো বাবা যেন আর অভাবের তাড়নায় মেয়েকে দূরে পাঠিয়ে এমন অনুশোচনায় না পোড়েন। কোনো শিশু যেন আর বন্ধ বাথরুমের অন্ধকারে বসে বাবাকে ডেকে কাঁদতে না হয়।

কারণ একটি শিশুর জন্ম শুধু অন্যের বাড়িতে কাজ করার জন্য নয়। তারও অধিকার আছে পড়াশোনা করার, খেলাধুলা করার, ভালোবাসা পাওয়ার এবং নিরাপদে বড় হয়ে ওঠার।

মেঘার শরীরের ক্ষত হয়তো একদিন শুকিয়ে যাবে। তার মনের ভয় কাটাতেও সময়, যত্ন ও ভালোবাসা প্রয়োজন।

কিন্তু তার শৈশবের হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো আর ফিরবে না।

আর সেই সত্যটাই একজন কৃষক বাবার বুকের ভেতর সারাজীবন নীরব কান্না হয়ে বেঁচে থাকবে।

একটি শিশুকে কাজের মানুষ হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবে দেখুন। কারণ দারিদ্র্য তার পরিচয় হতে পারে, কিন্তু নির্যাতন কখনোই তার নিয়তি হতে পারে না।

💔 প্রভাবশালীদের কাজ দ্রুত হয়, আর একজন বৃদ্ধের পরিচয় ফিরতে লাগে ৯ বছর!একবার ভাবুন তো, একজন মানুষ জীবিত থেকেও সরকারি নথিতে...
16/10/2026

💔 প্রভাবশালীদের কাজ দ্রুত হয়, আর একজন বৃদ্ধের পরিচয় ফিরতে লাগে ৯ বছর!

একবার ভাবুন তো, একজন মানুষ জীবিত থেকেও সরকারি নথিতে মৃত! নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে তাঁকে বছরের পর বছর সরকারি দপ্তরের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে। এ কেমন ব্যবস্থা?

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ৭০ বছর বয়সী আবুল কাসেমের দুর্ভোগ যেন আমাদের প্রশাসনিক ব্যবস্থার সামনে এক কঠিন প্রশ্ন তুলে ধরেছে।

২০১৭ সালে বয়স্ক ভাতার টাকা তুলতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, সরকারি নথিতে তাঁকে মৃত দেখানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পরিচয়সংক্রান্ত তথ্যের অনিয়মের কারণে তিনি এই পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও নিজের পরিচয় ফিরে পাওয়ার লড়াই তাঁর শেষ হয়নি।

অন্যদিকে, আমরা প্রায়ই দেখি—ভিআইপি, প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা প্রশাসনিক মহলের কারও জরুরি প্রয়োজনে বিভিন্ন দপ্তর দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে। দ্রুত ফাইল এগোয়, প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সমস্যার সমাধানও হয় তুলনামূলক কম সময়ে।

তাহলে একজন সাধারণ নাগরিকের বেলায় সেই প্রশাসনিক তৎপরতা কোথায় হারিয়ে যায়?

এখানে কোনো ভিআইপির দ্রুত সেবা পাওয়ার বিরোধিতা করা হচ্ছে না। বরং প্রশ্ন হলো, যে দক্ষতা ও দ্রুততায় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সেবা দেওয়া সম্ভব, সেই দক্ষতা কেন আবুল কাসেমের মতো অসহায় মানুষের সমস্যার সমাধানেও দেখা যাবে না?

একজন প্রবীণ মানুষের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র শুধু একটি কার্ড নয়—এটি তাঁর নাগরিক পরিচয়, সরকারি সুবিধা পাওয়ার অধিকার এবং সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার অন্যতম ভিত্তি।

আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীতভাবে দাবি জানাই—

🔹 আবুল কাসেমের পরিচয়সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত তদন্ত করে সমাধান করতে হবে।

🔹 তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রাপ্য সরকারি সুবিধা ফিরে পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

🔹 সরকারি নথিতে ভুল বা জালিয়াতির শিকার নাগরিকদের জন্য সহজ ও সময়সীমাবদ্ধ প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে।

🔹 সাধারণ নাগরিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তি—সবার জন্য সমান গুরুত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

রাষ্ট্রের কাছে নাগরিকের মর্যাদা তাঁর ক্ষমতা, পরিচিতি কিংবা প্রভাব দিয়ে নির্ধারিত হতে পারে না।

প্রশাসনের প্রকৃত সাফল্য শুধু প্রভাবশালীদের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার মধ্যে নয়; বরং সবচেয়ে অসহায় মানুষটির সমস্যার সমাধানেও সেই আন্তরিকতা দেখানোর মধ্যে।

আমরা কাউকে ছোট করতে চাই না, কাউকে অসম্মানও করতে চাই না। আমরা শুধু চাই—আবুল কাসেম যেন আর নিজের জীবিত থাকার প্রমাণ দিতে দিতে জীবনের মূল্যবান সময় হারিয়ে না ফেলেন।

৯ বছরের অপেক্ষার অবসান হোক। আবুল কাসেম তাঁর পরিচয় ফিরে পান। নাগরিক অধিকার সবার জন্য সমান হোক।

এই মানবিক দাবিটি ছড়িয়ে দিন, যেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে বিষয়টি আসে।

#নাগরিকঅধিকার #প্রশাসনিকজবাবদিহি #সমানঅধিকার #সচেতনতা

09/10/2026

🚨 সতর্কবার্তা: আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করে অস্বাভাবিক মুনাফার প্রলোভন থেকে সাবধান!

🇧🇩 নিজে সচেতন হোন, পরিবারকে সচেতন করুন এবং বিনিয়োগের আগে সঠিক তথ্য যাচাই করুন।

সম্প্রতি Del Monte নাম ব্যবহার করে পরিচালিত একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের এক বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এক বছর ধরে কার্যক্রম চালানো, জমকালো অনুষ্ঠান আয়োজন করা কিংবা কিছু মানুষের সফলতার গল্প দেখানোই কি কোনো প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ প্রমাণ করে?

🔴 চলুন, তাদের প্রচারিত বিনিয়োগ প্যাকেজের হিসাবগুলো দেখি।

📌 A1 প্যাকেজ
💰 বিনিয়োগ: ৮,৪৬৪ টাকা
📈 প্রতিদিন আয়ের প্রতিশ্রুতি: ৪৬৯.২০ টাকা
⏳ ৪৪ দিনে মোট রিটার্ন: ২০,৬৪৪ টাকা।

📌 A9 প্যাকেজ
💰 বিনিয়োগ: ১,৭০,২০০ টাকা
📈 প্রতিদিন আয়ের প্রতিশ্রুতি: ১১,২৮৫ টাকা
⏳ ৪৯ দিনে মোট রিটার্ন: ৫,৫২,৯৬৫ টাকা।

❓ প্রশ্ন হলো, এত অল্প সময়ে এত বিপুল মুনাফার টাকা আসবে কোথা থেকে?

A1 প্যাকেজে মূল বিনিয়োগের তুলনায় প্রায় ১৪৪% এবং A9 প্যাকেজে প্রায় ২২৫% বেশি অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে—যদি প্রচারিত হিসাব ও প্রতিশ্রুতিগুলো সঠিক হয়।

কোনো ব্যবসায় লাভ হতে পারে, কিন্তু এত অল্প সময়ে এত বেশি রিটার্নের প্রতিশ্রুতি গুরুতর সতর্কসংকেত। এর পেছনে প্রকৃত ব্যবসা কী, আয় কীভাবে তৈরি হচ্ছে, আর্থিক হিসাব নিরীক্ষিত কি না এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর জানা জরুরি।

⚠️ বাংলাদেশে অতীতেও এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে!

▪️ ডেসটিনি: MLM ও বিনিয়োগসংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়ে বড় ধরনের মামলা ও আর্থিক বিতর্ক হয়েছে।

▪️ MTFE: ২০২৩ সালে প্ল্যাটফর্মটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বহু বিনিয়োগকারীর অর্থ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।

▪️ যুবক: গ্রাহকদের অর্থ ফেরত না পাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক ও ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগ রয়েছে।

এসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। শুরুতে টাকা তোলার সুযোগ, অ্যাপে লাভের হিসাব কিংবা বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন—কোনোটিই ভবিষ্যতে টাকা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়।

🚩 VIP লেভেল, বিনিয়োগ প্যাকেজ ও রেফারেল কমিশন সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।

যদি নতুন সদস্য সংগ্রহ করা বা অন্যদের বিনিয়োগ করানোর ওপর আয়ের বড় অংশ নির্ভর করে, তাহলে অর্থের প্রকৃত উৎস ভালোভাবে যাচাই করুন। নতুন সদস্যদের অর্থ দিয়ে আগের সদস্যদের রিটার্ন দেওয়া হচ্ছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

---

🇧🇩 বাংলাদেশে কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন কোন কর্তৃপক্ষ দেয়, তা জেনে রাখুন।

আমরা অনেক সময় কোম্পানি নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স বা সরকারি অনুমোদনের কথা শুনেই বিশ্বাস করে ফেলি। কিন্তু সব অনুমোদনের উদ্দেশ্য এক নয়।

✅ ১. কোম্পানি নিবন্ধন — RJSC

যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (RJSC) কোম্পানি ও নির্দিষ্ট ধরনের প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনসংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে। তবে কোম্পানি নিবন্ধিত হলেই জনগণের কাছ থেকে বিনিয়োগ নিয়ে নির্দিষ্ট মুনাফা দেওয়ার অনুমতি পাওয়া যায় না।

✅ ২. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান — বাংলাদেশ ব্যাংক

ব্যাংক ও নির্দিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির আওতায় পড়ে। কোনো প্রতিষ্ঠান আমানত বা বিনিয়োগ গ্রহণের দাবি করলে তার কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না যাচাই করুন।

✅ ৩. শেয়ারবাজার ও পুঁজিবাজার — BSEC

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) পুঁজিবাজারের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠান ও মধ্যস্থতাকারীদের নিয়ন্ত্রণ করে। শেয়ার বা বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনার নামে অর্থ চাইলে প্রযোজ্য নিবন্ধন যাচাই করুন।

✅ ৪. বীমা খাত — IDRA

বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA) বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বীমা পলিসি বা বিনিয়োগের নামে কোনো প্রস্তাব পেলে প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন যাচাই করুন।

✅ ৫. ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান — MRA

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA) আইন অনুযায়ী যেসব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের সনদ প্রয়োজন, সেগুলোর সনদ ও কার্যক্রম তদারক করে।

✅ ৬. MLM বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং

বাংলাদেশের মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং কার্যক্রম (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী প্রযোজ্য লাইসেন্সের বিধান রয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠান MLM ব্যবসার দাবি করলে তার বৈধ লাইসেন্স ও কার্যক্রমের ধরন যাচাই করুন।

🔍 শুধু অনুমোদনের কথা শুনে বিশ্বাস করবেন না—প্রমাণ যাচাই করুন।

▪️ প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধিত নাম ও ঠিকানা মিলিয়ে দেখুন।
▪️ লাইসেন্স নম্বর ও অনুমোদনের মেয়াদ যাচাই করুন।
▪️ কোন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিয়েছে এবং ঠিক কোন কার্যক্রমের অনুমোদন দিয়েছে, তা জানুন।
▪️ ব্যবসার প্রকৃত আয়ের উৎস ও নিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব সম্পর্কে প্রশ্ন করুন।
▪️ অস্বাভাবিক মুনাফার নিশ্চয়তা, দ্রুত বিনিয়োগের চাপ এবং সদস্য সংগ্রহের প্রলোভন থেকে সতর্ক থাকুন।

⚠️ একটি ট্রেড লাইসেন্স, কোম্পানি নিবন্ধন বা কর শনাক্তকরণ নম্বর থাকলেই বিনিয়োগ সংগ্রহের সব ধরনের অনুমোদন পাওয়া যায় না।

Del Monte একটি পরিচিত আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের নাম। কিন্তু কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সেই নাম ব্যবহার করলেই মূল কোম্পানির অনুমোদন রয়েছে—এমন ধরে নেওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মটির সঙ্গে মূল কোম্পানির সম্পর্ক এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্সের প্রমাণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা জরুরি।

এই পোস্টের উদ্দেশ্য কাউকে যাচাই ছাড়া অপরাধী ঘোষণা করা নয়; বরং সাধারণ মানুষকে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করা।

🙏 আপনার কষ্টার্জিত টাকা আপনার পরিবারের ভবিষ্যৎ। আবেগে নয়, প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিন।

নিজে সচেতন হোন, পরিবার ও বন্ধুদের সচেতন করুন এবং সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যাচাই করুন।

📢 আজকের সচেতনতাই আগামী দিনের আর্থিক ক্ষতি থেকে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে রক্ষা করতে পারে।

#সতর্কবার্তা #বাংলাদেশ #অনলাইন_নিরাপত্তা #বিনিয়োগ #আর্থিক_সাক্ষরতা #ডেসটিনি

“হু ইজ হাদি?”— এই প্রশ্নের মধ্যেই লুকিয়ে আছে জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে খাটো করার ঔদ্ধত্য!শরীফ ওসমান হাদি কে, তা জানার জন্য কা...
09/10/2026

“হু ইজ হাদি?”— এই প্রশ্নের মধ্যেই লুকিয়ে আছে জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে খাটো করার ঔদ্ধত্য!

শরীফ ওসমান হাদি কে, তা জানার জন্য কারও রাজনৈতিক সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই। তাঁর পরিচয় কোনো মন্ত্রিত্বের পদে, ক্ষমতার বলয়ে কিংবা মিছিলের সংখ্যা গণনায় সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর পরিচয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে উচ্চারিত প্রতিবাদে, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে এবং জুলাইয়ের উত্তাল সময়ে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকার মধ্যেই নিহিত।

বিপ্লবের অবদান কি এখন মিছিলের সংখ্যা গুনে নির্ধারণ করা হবে? কে কতটি মিটিং করেছেন, কে কতবার রাজপথে নেমেছেন— সেই হিসাব দিয়ে কি মানুষের সাহস, রাজনৈতিক ভূমিকা ও আত্মত্যাগের মূল্য নির্ধারণ করা যায়? বিপ্লব কোনো হাজিরা খাতা নয়, আর ইতিহাস কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পছন্দ-অপছন্দ অনুযায়ী লেখা হয় না।

সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক হলো, যে গণঅভ্যুত্থানের শক্তি ছিল সম্মিলিত প্রতিরোধ, আজ সেই অভ্যুত্থানের অংশগ্রহণকারীদের অবদান নিয়েই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। মতভেদ থাকতেই পারে, সমালোচনাও হতে পারে; কিন্তু সমালোচনার নামে কাউকে তুচ্ছ করা রাজনৈতিক প্রজ্ঞা নয়— বরং নিজের যুক্তির দুর্বলতাকেই প্রকাশ করে।

নূরুল হক নূরের বক্তব্যের প্রতি স্পষ্ট প্রশ্ন— হাদির অবদান নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তথ্য দিন, যুক্তি দিন, তাঁর ভূমিকা বিশ্লেষণ করুন। কিন্তু “হু ইজ হাদি?” বলে অবজ্ঞা প্রকাশ করে কী প্রমাণ করতে চান? কোনো ব্যক্তির অবদান আপনার রাজনৈতিক বিবেচনায় ছোট হলেই ইতিহাসে তাঁর ভূমিকা মুছে যায় না।

মনে রাখবেন, জুলাইয়ের ইতিহাস কোনো ব্যক্তি, দল কিংবা ক্ষমতাসীনদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এই ইতিহাস জনগণের, রাজপথের, প্রতিবাদী কণ্ঠের এবং অসংখ্য মানুষের ত্যাগের ইতিহাস। এই ইতিহাসের অবদানকে খাটো করে কেউ বড় হতে পারে না।

ক্ষমতা সাময়িক, রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনশীল; কিন্তু ইতিহাসের কাছে প্রত্যেককে নিজের বক্তব্য ও ভূমিকার জবাব দিতে হয়।

হাদিকে নিয়ে প্রশ্ন করুন— কিন্তু অবজ্ঞা নয়, যুক্তি দিয়ে। সমালোচনা করুন— কিন্তু ইতিহাস বিকৃত করে নয়। আর জুলাইয়ের আত্মত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে সেই আত্মত্যাগের অংশীদারদেরই তুচ্ছ করার রাজনীতি বন্ধ করুন।

হাদি কে— তার উত্তর কোনো ঔদ্ধত্যপূর্ণ প্রশ্নে মুছে যাবে না। ইতিহাসের বিচার হবে ইতিহাসের তথ্য দিয়ে, ক্ষমতার দম্ভ দিয়ে নয়।

#শরীফ_ওসমান_হাদি #জুলাই_গণঅভ্যুত্থান #ইতিহাসের_জবাবদিহি #প্রতিবাদ_অব্যাহত

19/09/2026
"হে মানবজাতি, তোমরা আল্লাহর মুখাপেক্ষী, আর আল্লাহ—তিনি অভাবমুক্ত, প্রশংসিত।" (সূরা ফাতির, আয়াত: ১৫)​পৃথিবীর প্রতিটি ধূলি...
18/09/2026

"হে মানবজাতি, তোমরা আল্লাহর মুখাপেক্ষী, আর আল্লাহ—তিনি অভাবমুক্ত, প্রশংসিত।" (সূরা ফাতির, আয়াত: ১৫)
​পৃথিবীর প্রতিটি ধূলিকণায়, প্রতিটি নিঃশ্বাসে আমরা প্রতিনিয়ত আল্লাহর ওপর নির্ভরশীল। আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের বেঁচে থাকা—সবকিছুই এক আল্লাহর করুণার ওপর টিকে আছে। পক্ষান্তরে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সমস্ত সৃষ্টি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত, অমুখাপেক্ষী এবং পবিত্র।
​আসুন, আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সেই মহান আল্লাহর কাছেই আত্মসমর্পণ করি, যিনি আমাদের সকল প্রয়োজন পূরণ করেন এবং সমস্ত প্রশংসার একমাত্র হকদার।
​

27/08/2026

🚨 সতর্কবার্তা: ফ্রেশার ডেল মন্টিন (Fresher Del Monte) বা এ জাতীয় অনলাইন প্রতারক চক্র থেকে সাবধান! 🚨
ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়ায় ও মেসেঞ্জার গ্রুপে "Fresher Del Monte" কিংবা এই ধরনের চটকদার নামে কিছু অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (MLM) এবং ভুয়া বিনিয়োগের রমরমা ব্যবসা চলছে। অনেকেই এটিকে আসল আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড 'Fresh Del Monte' ভেবে বড় ধরনের ভুল করছেন।
⚠️ জেনে রাখুন, আসল ডেল মন্টিন কোম্পানির সাথে এদের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই। এগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া, প্রতারণামূলক এবং অতীতে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ডেসটিনি বা এমটিএফই (MTFE)-এর মতো ক্ষতিকর পনজি স্কিম।
সাধারণত এই প্রতারকরা যেভাবে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে:
* বড় ব্র্যান্ডের নাম ভাঙানো: আন্তর্জাতিক ও বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের নাম নকল করে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করে।
* এআই ও এলএলএম (LLM) এর মিথ্যা বুলি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ট্রেডিং বট দিয়ে ঘরে বসেই রাতারাতি লাখ টাকা আয়ের অবাস্তব ও লোভনীয় স্বপ্ন দেখায়।
* ডেসটিনির মতো চেইন সিস্টেম: নিজের পুঁজির চেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয় নতুন সদস্য বা 'ডাউনলাইন' বানানোর ওপর। যত বেশি লোক ধরাবেন, অ্যাপে তত বেশি ভুয়া অংকের টাকা বা ব্যালেন্স দেখাবে।
* সর্বস্বান্ত করে উধাও হওয়া: কিছুদিন সামান্য কিছু টাকা তোলার সুযোগ দিয়ে মানুষের বিশ্বাস জিতে নেয়। এরপর যখন বড় অংকের টাকা মানুষ জমা করে, তখন রাতারাতি অ্যাপ বন্ধ করে লাপাত্তা হয়ে যায়।
মনে রাখবেন, কোনো কাজ না করে বা শুধু কিছু ডিজিটাল বাটন চেপে ঘরে বসেই প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আয়ের কোনো বৈধ সুযোগ পৃথিবীতে নেই। এগুলো সম্পূর্ণ অবৈধ ও জুয়ার আরেকটি রূপ।
আপনার কষ্টার্জিত টাকা ও সঞ্চয় এই ধরনের ভুয়া অ্যাপ বা প্রতারকদের হাতে তুলে দিয়ে সর্বস্বান্ত হবেন না। নিজে সচেতন হোন এবং আপনার পরিবার ও বন্ধুদের এই বিপদ থেকে রক্ষা করতে পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন।
#সচেতনতা #অনলাইন_প্রতারণা

মহামায়া লেক
26/07/2026

মহামায়া লেক

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md.Shakil Mia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share