PF Corporation

PF Corporation বানিজ্য মন্ত্রণালয় অনুমোদিত (টিও লাইসেন্স নং- ১৬/২০২৩) উদ্যোক্তা তৈরি প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তাদের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য বদ্ধপরিকর

17/07/2024
 #সফলতা....😇😇প্রতিটি মানুষ অনেক পরিশ্রম করে  ত্যাগ স্বীকার করে জীবনে সফল হয়। এই সফলতা অনেকে আবার ধরে রাখতে পারে না। । জী...
21/10/2022

#সফলতা....😇😇
প্রতিটি মানুষ অনেক পরিশ্রম করে ত্যাগ স্বীকার করে জীবনে সফল হয়। এই সফলতা অনেকে আবার ধরে রাখতে পারে না। । জীবনের প্রতিটি ধাপে অনেক কষ্ট করে মানুষকে সফলতার চূড়ায় পৌছাতে হয়। নিজের করা কিছু বোকামি বা ভুলের কারণে সেই সফলতা যেন ব্যর্থতায় পরিণত না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
ব্যর্থতা অনেক সময় জীবনকে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ, হতাশাগ্রস্থ করে তোলে। ফলে মানুষটি মানসিক শক্তি হারিয়ে ফেলে। জীবনে জয়ী হওয়ার জন্য মানসিক শক্তি বিশেষ প্রয়োজন। ব্যর্থ মানুষের জীবনের হাতিয়ার হলো মানসিক শক্তি| মনের শক্তি থাকলে মানুষ বার বার ব্যর্থ হওয়ার পরও হাল ছাড়ে না। এক সময় দেখতে পারে সাফল্যের মুখ। তাই সফলতা ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে। ব্যর্থ হলেও হতাশ হয়ে পড়া যাবে না। চেষ্টা চালাতে চালাতে একসময় অবশ্যই জীবনে জয় আসবে।❤️❤️❤️

#এনআরসুপার

চীন অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য প্রায় ১২ বছর তাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিলো। চীন সরকারের বক...
07/04/2022

চীন অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য প্রায় ১২ বছর তাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিলো। চীন সরকারের বক্তব্য ছিল-
এত ছেলেমেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে কি করবে???
কোথায় চাকরি পাবে???
কেই বা চাকরী দিবে???

এত হাজার হাজার বেকারকে চাকরী দেয়ার মত প্রতিষ্ঠান চীনে নেই। এই সময়টায় চীন ছাত্রছাত্রীদের আধুনিক প্রশিক্ষন দিয়েছিল নানা ধরণের ট্রেড কোর্সে। স্বল্প মেয়াদী ট্রেড কোর্স শিখে চীনের ছেলেমেয়েরা স্বাবলম্বী হয়ে গেলো। প্রতিটি বাড়ি গড়ে উঠল একটা করে ছোট ছোট কারখানায়। পরিবারের সবাই সেখানে কাজ করে। বড় ফ্যাক্টরী করার আলাদা খরচ নেই। ফলে পণ্যের উৎপাদন খরচ কমে গেলো। বর্তমানে যে কোন পণ্য স্বস্তায় উৎপাদন করার সক্ষমতায় তাদের ধারে কাছে কেউ নেই।

পৃথিবীর প্রতিটি অঞ্চলে চাইনিজ পণ্যের প্রসার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে তারা বিশ্ব বাণিজ্যের এক অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তি। উপযুক্ত মুল্য দিলে তারা এমন জিনিস বানিয়ে দেবে যার গ্যারান্টি আপনি চাইলে ১০০ বছরও দিতে পারবেন।
বাংলাদেশে সিমফোনি, ওয়ালটনসহ বহু প্রতিষ্ঠান এই চায়নার বদৌলতেই কিছু করে খাচ্ছে।

অপর দিকে বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে বেকার বানানোর কারখানা। এর আধুনিক নাম বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতি বছরই দুই একটা নতুন বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী হচ্ছে আর বের হচ্ছে কয়েক হাজার বেকার। দল বেঁধে পড়ানো হচ্ছে বিবিএ, এমবিএ অথবা চিরচরিত সেই ডাক্তারি অথবা ইঞ্জিনিয়ানিং। এত বেকারের ভীড়ে চাকরী বাংলাদেশে একটি সোনার হরিণ। কোম্পানীরাও এটা বুঝে। ফলে এই দেশের শিক্ষিত ছেলেরা প্রত্যাশা অনুযায়ী-
বেতন পায় না,
চাকরী পায় না
আর পেলেও সহ্য করতে হয় মালিক অথবা বসের নানাবিদ অদ্ভুত পরীক্ষা ও অপেশাদার আচরণ ।

অবশ্য, দীর্ঘদিন বিভিন্ন জাতির শোষণের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে আমাদের জাতির জীবনে প্রবেশ করেছে ভৃত্যগিরির মানসিকতা। আমরা মনে করি স্যুট, টাই পড়ে কোন কাজ করতে পারলেই বুঝি সেখানেই জাতির সফলতা। এটা আসলে একটি অপ্রকাশ্য দৈন্যতা, যা কেউ স্বীকার করছেন না। এই দেশের অর্থনীতির জন্য সামনে খুব ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করছে।

তাই, বাংলাদেশের উচিত চীনের মত একটা পদক্ষেপ নেয়া। চাকরী করে দেশের উন্নতি হয় না, আমাদের উদ্যোক্তা প্রয়োজন। তাই শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন প্রয়োজন, গুরুত্ব দেয়া উচিত কর্মমুখী শিক্ষায়। Ref-ppb

৫০টি ফটোশপ শর্টকাট, যার মাধ্যমেআপনার কাজের গতি বাড়বে বহুগুন।১। Show and hide the layers panelWINDOWS বা MAC আপনি যেটাই ব...
22/10/2019

৫০টি ফটোশপ শর্টকাট, যার মাধ্যমেআপনার কাজের গতি বাড়বে বহুগুন।
১। Show and hide the layers panel
WINDOWS বা MAC আপনি যেটাই ব্যাবহার করেন না কেন, কিবোর্ডের F7 চেপে ফটোশপের লেয়ার পেনেলকে খুব সহজেই Show বা hide করা যায়। একই গ্রুপে থাকায় এর মাধ্যমে আপনি চ্যানেল এবং পাথ প্যানেলকেও Show/hide করতে পারবেন।
২। Scroll through the Layers
কাজের সময়ে শত শত লেয়ার নিয়ে কাজ করতে হয় এবং প্রয়োজনে দরকারি লেয়ারটি খুঁজে পেতে মাউস দিয়ে স্ক্রোল করে উপর নিচ করে খুঁজে নিতে হয়। এক্ষেত্রে আপনি WINDOWS এর Alt + [ ] অথবা MAC এর Option + [ ] দিয়ে লেয়ার পেনেলের উপর নিচে যেতে পারবেন। বাম [ টি নিচে নামার জন্য এবং ডান ] টি উপরের লেয়ার গুলুতে উঠার জন্য ব্যবহার করা হয়।
৩। Create New layer
নতুন লেয়ার নেয়ার জন্য WINDOWS এর Shift+Ctrl+N অথবা MAC হলে Shift+Cmd+N চাপুন।
৪। Create new layer behind selected layer
কোন একটি নির্দিষ্ট লেয়ারের নিচে নতুন কোন লেয়ার নেয়ার দরকার হলে WINDOWS থেকে Ctrl+New Layer Icon অথবা MAC হলে Cmd+New Layer icon এ ক্লিক করুন।
৫। Fill a layer
কোন খালি লেয়ারকে Foreground বা Background Color দিয়ে Fill করার জন্য WINDOWS থেকে Alt+Delete (Foreground) বা Ctrl+Delete (Background) এবং MAC থেকে Alt+Backspace (Foreground) বা Cmd+Backspace (Background) শর্টকাট টি ব্যাবহার করতে পারেন। অ্যারও অনেক ভাবে এটা দিতে পারবেন।
৬। Flatten layers
একাধিক লেয়ারকে একটি লেয়ারে নিয়ে আসাকে Flatten layer বলা হয়। মানে হল আপনি ১০টি লেয়ারের কাজ গুলুকে একটি নতুন লেয়ারে নিয়ে আসতে চাচ্ছেন। তখন সবার উপরে একটি নতুন লেয়ার নিতে হবে এবং এই শর্টকাটটি ব্যবহার করবেন
WINDOWS: Ctrl+Alt+Shift+E
MAC: Cmd+Alt+Shift+E
৭। Merge visible layers
সবগুলো লেয়ারকে Merge করে একটি লেয়ার তৈরি করার শর্টকাট হল WINDOWS: Ctrl+Shift+E এবং MAC: Cmd+Shift+E তবে সাবধান! এক্ষেত্রে Merge করার পর Merge লেয়ার থেকে আপনি কিন্তু পুনরায় আগের আলাদা আলাদা লেয়ারে ফেরত যেতে পারবেন না।
৮। New layer copy
কোন লেয়ারকে copy করতে WINDOWS: Ctrl+J এবং MAC: Cmd+Shift+J ব্যাবহার করুন।
৯। Bring layer to top of stack
কোন একটি নির্দিষ্ট লেয়ারকে ফটোশপের অন্যসব লেয়ারের একদম উপরে নিয়ে আসার জন্য
WINDOWS: Ctrl+Shift+] এবং MAC: Cmd+Shift+]
১০। Send layer to bottom of stack
কোন একটি নির্দিষ্ট লেয়ারকে ফটোশপের অন্যসব লেয়ারের একদম নিচে নিয়ে আসার জন্য
WINDOWS: Ctrl+Shift+[ এবং MAC: Cmd+Shift+[
১১। Bring layer forward
কোন লেয়ারের কোন ছবিকে সামনে নিয়ে আসার জন্য WINDOWS: Ctrl+] অথবা MAC: Cmd+]
১২। Send layer back
কোন লেয়ারের কোন ছবিকে পিছনে নিয়ে যাওয়ার জন্য WINDOWS: Ctrl+[ অথবা MAC: Cmd+[
১৩। Copy multiple layers
একসাথে অনেকগুলো লেয়ার Copy করার জন্য লেয়ার গুলো Select করে WINDOWS থেকে Shift+Ctrl+C বা MAC থেকে Shift+Cmd+C ব্যাবহার করুন।
১৪। Reselect
কোন ইমেজ থেকে কিছু কেটে বাদ দেয়ার সময়ে ভুলে অন্য কোথাও ক্লিক করে সিলেকশন চলে গেলে WINDOWS থেকে Ctrl+Shift+D বা MAC থেকে Cmd+Shift+D দিয়ে পুনরায় সিলেকশন ফিরিয়ে আনা যায়।
১৫। Invert selection
ফটোশপে কোন ইমেজ বা অন্য কিছুর কোন অংশ সিলেক্ট করার পর তার চারপাশের যা সিলেকশন হয়নি সেগুলকে সিলেক্ট করার জন্য WINDOWS: Ctrl+Shift+I বা MAC: Cmd+Shift+I চাপুন। অর্থাৎ এটা সিলেকশনের বিপরীত দিকটাকে সিলেক্ট করবে।
১৬। Select all layers
ফটোশপের সবগুলো লেয়ারকে একসাথে Select করার জন্য WINDOWS থেকে Ctrl+Alt+A অথবা MAC থেকে Cmd+Opt+A চাপুন।
১৭। Select bottom layer
লেয়ার পেনেলের একদম নিচের লেয়ারকে Select করার জন্য WINDOWS হলে Alt+, এবং MAC হলে Opt+, চাপুন।
১৮। Select top layer
লেয়ার পেনেলের একদম উপরের লেয়ারকে Select করার জন্য WINDOWS হলে Alt+. এবং MAC হলে Opt+. চাপুন।
১৯। Deselect from the selection area
কোন সিলেকশন জায়গা থেকে কিছু সিলেকশন বাদ দিতে হলে WINDOWS: Alt+drag বা MAC: Opt+drag অর্থাৎ Alt/Opt চেপে ধরে মাউস Drag করে সিলেকশন বাদ দিতে হবে।
২০। Deselect the entire image
সম্পূর্ণ ইমেজ বা সিলেকশন বাদ দিতে হলে WINDOWS থেকে Ctrl+D বা MAC থেকে Cmd+D চাপুন।
২১। Find the sizing handles
যখন কোন Image বা Object কে কপি করে এনে পেস্ট করা হয় অথবা নতুন Ad করা হয় তখন সেটা যদি আকারে বেশি বড় হয়ে যায় সেটাকে সঠিক সাইযে নিয়ে আসার জন্য WINDOWS থেকে প্রথমে Ctrl+T এবং পরে Ctrl+0 চাপুন। এতে করে সাইজ ছোট বড় করার হ্যান্ডলটি দেখা যাবে। MAC এর জন্য Cmd+T এবং Cmd+0
২২। Move a selection
Select করা কোন কিছু কে সহজে মুভ করার জন্য WINDOWS থেকে Spacebar+Marquee tool অথবা MAC হলে Spacebar+Marquee tool ব্যাবহার করুন। প্রথমে Marquee tool নিয়ে Spacebar কে চেপে ধরে রাখতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত Marquee tool টি আপনার সিলেকশন করার জায়গায় না আসছে।
২৩। Select individual channels
ফটোশপের অন্য টুলস গুলোর থেকে Channels ব্যাবহার করে অনেক সহজে ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে অনেক জটিল Object বাদ দেয়া যায়। আর শর্টকাটে এই কাজটি আরও বেশি সহজ। WINDOWS: Ctrl+3 (red), 4 (green), 5 (blue) অথবা MAC: Cmd+3 (red), 4 (green), 5 (blue)
২৪। Select a colour from an image
ফটোশপ ব্রাশ ব্যাবহার করার সময়ে যদি কোন ইমেজ থেকে কোন রং সিলেক্ট করার প্রয়োজন হয় তখন WINDOWS থেকে Alt+Brush tool বা MAC থেকে Opt+Brush tool দিয়ে খুব সহজে সেটা করা যায়।
২৫। Increase/decrease brush size
ব্রাশ সাইজ ছোট বড় করতে WINDOWS থেকে ]/[ বা MAC থেকে ]/[ চাপুন।
২৬। Fill
কোন সিলেকশনকে Foreground Color দিয়ে Fill করার জন্য WINDOWS: Shift+F5 অথবা MAC: Shift+F5 চাপুন।
২৭। Increase/decrease brush hardness
ব্রাশের Hardness বা ঘনত্ব কম বেশি করার জন্য WINDOWS থেকে }/{ বা MAC থেকে }/{ চাপুন।
২৮। Previous/next brush
সিলেক্ট করা ব্রাশের আগের বা পরের ব্রাশ গুলোতে মুভ করার জন্য WINDOWS: ,/. বা MAC: ,/.
২৯। First/last brush
একদম প্রথম বা শেষের ব্রাশটি সিলেক্ট করতে হলে WINDOWS/ MAC থেকে চাপুন।
৩০। Toggle airbrush option
ফটোশপের Airbrush Tool ব্যাবহার করে spraying painting করার সময়ে WINDOWS থেকে Shift+Alt+P অথবা MAC থেকে Shift+Opt+P চেপে খুব সহজে করা যায়।
৩১। Save for web & devices
CMYK Mood এ ডিজাইন করার পর Image save করলে কালার নিয়ে সমস্যা হয়। সেক্ষেত্রে WINDOWS: Ctrl+Shift+Alt+S এবং MAC: Cmd+Shift+Opt+S শর্টকাটের মাধ্যমে সেভ করলে আর সমস্যা হয়না।
৩২। Levels
যারা ফটোশপে ছবি Editing নিয়ে কাজ করেন তাদের Level Box অনেক বেশি ব্যাবহার করা হয়। সেক্ষেত্রে এই শর্টকাট কাজটিকে আরও সহজ করে দিবে। WINDOWS: Ctrl+L বা MAC: Cmd+L চেপে Level সিলেক্ট করুন।
৩৩। Free Transform
ফটোশপে ছবি বা কোন কিছুকে সাইজ ছোট বড় করার জন্য Free Transform tool ব্যাবহার করা হয় যেটা WINDOWS থেকে Ctrl+T বা MAC থেকে Cmd+T চেপে একটিভ করা যায়।
৩৪। Curves
কোন ছবি ইডিট করার সময়ে ছবিতে ব্যাবহার করা Curves ইডিট করতে WINDOWS এর Ctrl+M বা MAC এর Cmd+M চাপুন।
৩৫। Color Balance
ছবির Color Balance ঠিক করার জন্য অপশনটি আনতে WINDOWS থেকে Ctrl+B অথবা MAC এ Cmd+B চাপুন।
৩৬। Hue/Saturation
ছবির Color Balance ঠিক করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ টুলস হল Hue/Saturation। শর্টকাট WINDOWS: Ctrl+U বা MAC: Cmd+U
৩৭। Desaturate
রঙ্গিন ছবিকে কালার মুড ঠিক রেখে Grayscale এ রুপান্তর করাই হল Desaturate। শর্টকাট WINDOWS: Ctrl+Shift+U বা MAC: Cmd+Shift+U
৩৮। Quick image fixes
Auto Tone
WINDOWS: Shift+Ctrl+L
MAC: Shift+Cmd+L
Auto Contrast
WINDOWS: Alt+Shift+Ctrl+L
MAC: Opt+Shift+Cmd+L
Auto Color
WINDOWS: Shift+Ctrl+B
MAC: Shift+Cmd+B
৩৯। Lens correction
ক্যামেরায় ছবি তুললে অনেক সময় ল্যান্স ফোকাস ঠিক মতো হয়না বা ছবির সম্পূর্ণটা ল্যান্সের কিছু এডিট করার দরকার হয়। সেক্ষেত্রে Lens correction ব্যাবহার করা হয় যার শর্টকাট WINDOWS: Shift+Ctrl+R অথবা MAC: Shift+Cmd+R
৪০। Camera Raw Filter
ফটোশপে যেকোনো ছবিকে এডিট করে বাস্তবিক রুপ প্রদানে Camera Raw Filter এর গুরুত্ব অনেক। ফটোশপের পুরনো ভার্সন গুলোতে এটা না থাকলেও ফটোশপ সি সি তে এটা ফিলটার হিসেবে দেয়া আছে। শর্টকাট WINDOWS: Shift+Ctrl+A অথবা MAC: Shift+Cmd+A
৪১। Content Aware Scale
যেকোনো ছবিকে নিজের পছন্দ মতো এঙ্গেলে সেট করতে Content Aware Scale এর বিকল্প নেই। শর্টকাট WINDOWS: Ctrl+Shift+Alt+C বা MAC: Cmd+Shift+Opt+C
৪২। Content-Aware Move
ফটোশপ সি সি এর latest content-aware tool দিয়ে ছবির কোন Object কে ইচ্ছে মতো চারপাশে মুভ করা যায় যার শর্টকাট MAC AND WINDOWS: Shift+J
৪৩। Create clipping mask
Create clipping mask করার শর্টকাট WINDOWS: Ctrl+Alt+G অথবা MAC: Cmd+Opt+G
৪৪। Blending modes
WINDOWS: Shift++ or -
MAC: Shift++ or –
৪৫। Black and white dialogue box
রঙ্গিন ছবিকে সাদা কালোতে রুপান্তর করতে এই শর্টকাট ব্যাবহার করে কাজের গতি বৃদ্ধিতে কোন বিকল্প নেই। WINDOWS: Shift+Ctrl+Alt+B বা MAC: Shift+Cmd+Opt+B
৪৬। Change image size
ছবির সাইজ পরিবর্তনের অপশন খুঁজে পেতে WINDOWS থেকে Ctrl+Alt+i অথবা MAC থেকে Cmd+Opt+i
৪৭। Close and go to Bridge
যেকোনো ডকুমেন্ট বন্ধ করে এডোবি ব্রিজ থেকে পরবর্তী নতুন কোন প্রোজেক্ট শুরু করতে WINDOWS থেকে Ctrl+Shift+W এবং MAC থেকে Cmd+Shift+W
৪৮। Align text left/centre/right
WINDOWS: Ctrl+Shift+L/C/R এবং MAC: Cmd+Shift+L/C/R
৪৯। Show/Hide selection on selected type
Selection বা Selected type হাইড বা লুকানর জন্য WINDOWS থেকে Ctrl+H বা MAC হলে Cmd+H
৫০। Adaptive Wide Angle
এর মাধ্যমে যেকোনো ছবির আঁকা বাকা কোন লাইন থাকলে সেটাকে খুব সহজে সোজা বানিয়ে দেয়া যায়। পেনারমা বা Wide-angle lenses দিয়ে তোলা ছবিতে এর ব্যাবহার বেশি হয়। শর্টকাট WINDOWS: Opt+Shift+Ctrl+A এবং MAC: Opt+Shift+Cmd+A
ভালো লাগলে শেয়ার করবেন এঁর কোন ভুল থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ

26/08/2018

কোন কাজের জন্যে কি সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন ?

1.বাংলায় লেখার জন্যে - AVRO AND BIJOY

2. লেখালিখির জন্যে - MICROSOFT OFFICE MS WORD

3. প্রেজেন্টেশনের জন্যে - MICROSOFT OFFICE MS POWERPOINT

4. টুকটাক হিসেব এবং ডাটা সংরক্ষণের জন্যে - MICROSOFT OFFICE MS EXCEL

5.ডিজাইন করার জন্যে ADOBE PHOTOSHOP AND ADOBE illustrator

6. জাভা প্রোগ্রামিং এর জন্যে - NETBEANS AND eclipse COMPILER

7. অ্যানিমেশনের জন্যে AUTODESK 3DSMAX , Cinema 4D

8. পিডিএফ ফাইল তৈরি করতে - dopdf

9. ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোডের জন্যে - YTD DOWNLOADER

10. ভিডিও এডিটিং এর জন্যে - ADOBE PREMIRE PRO , VEGAS Pro ,Final Cut Pro , Edius

11. স্ক্রিন রেকর্ডিং এন্ড এডিট- Camtasia

12. পিডিএফ ফাইল ওপেন করার জন্যে - Adobe Acrobat Reader

13. অডিও এডিটর - AUDACITY

14 . ব্রাউজার কুকি ক্লিন করতে - ccleaner

15. গেম তৈরির জন্যে - unity 3d

16 . অ্যা প তৈরির জন্যে - Android Studio

17. ভিডিও প্লেয়ার - vlc , km player

18 . হার্ডডিস্ক পার্টিশন সফটওয়্যার - Partition Wizard

19. মোবাইল টেক্সট এডিট করার জন্য - Text Editor

20. মোবাইলে এইচটিএমএল শেখার জন্য - SoloLearn Apps

21. ভিডিও আলাপ এবং মেসেজ এর জন্যে - skype ,emo

22. পিডিএফ থেকে ওয়ার্ড তে পরিবর্তন করার সফটওয়্যার pdftoword

23. ওপেন সোর্স রাউটার এন্ড নেটওয়ার্ক সফটওয়্যার - emulator

ধীরে ধীরে আমি আরও এড করবো

কোডিং শেখার জন্য সেরা ৫০ টি ওয়েব সাইট !আমরা কোডিং শেখার জন্য অনেক কিছু ঘাটাঘাটি করি। কিন্তু কোনো কিছুই প্রাকটিস ছাড়া সম্...
12/07/2018

কোডিং শেখার জন্য সেরা ৫০ টি ওয়েব সাইট !
আমরা কোডিং শেখার জন্য অনেক কিছু ঘাটাঘাটি করি। কিন্তু কোনো কিছুই প্রাকটিস ছাড়া সম্ভব নয়। কেমন হয় যদি প্রাকটিসও হয় এবং সাথে সাথে শেখা… এরকমই ৫০ টা ওয়েব সাইট আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরব… এই ওয়েব সাইট গুলো থেকে আপনি HTML, CSS, Javascript, SQL, XHTML, Bootstrap, C, C++, Python, Ruby, Android Development, Java এবং আরো অনেক কিছুই শিখতে পারবেন.
1.Codecademy
শেখার জন্য আমার দেখা সেরা ওয়েব সাইট হল কোড একাডেমি… এটা হল সেই স্থান যেখান থেকে একজন বিগিনারের জন্য পারফেক্ট প্লেস। শুরু থেকেই একজন মানুষ হতাশ হয়ে পরে কোথা থেকে শুরু করবে, কিভাবে করবে আরো অনেক কিছু এখান থেকে সহজে শুরু করতে পারবেন। এখান থেকে আপনি ওয়েব বেজ সব কিছুরই বেসিক খুব ভালভাবে আয়ত্ত করতে পারবেন।
http://www.codecademy.com/
2.Udacity
ইউডিএসিটি আরেকটা প্লেস যেখান থেকে সহযে শিখতে পারবেন। এখানে অধিকাংশ সময় ভিডিও টিউটোরিয়াল পাওয়া যায় সেগুলোর উপরে ২-৩ মিনিটের কুইজ থাকে আরো অনেক কিছুই। এখান থেকে আপনি Computer Science, Web Application Engineering, Software Testing, Web Development, HTML5, Python, Java, Computer Science, Algorithm এগুলোর ভাল টিউটোরিয়াল পাবেন।
https://www.udacity.com/
3.Google Android Development
এটা হচ্ছে এন্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট শেখার জন্য বেস্ট। যারা এই এন্ড্রয়েড তৈরী করেছে তাদের কাছ থেকেই শেখেন। এখানে বেসিক থেকে এডভান্স পর্যন্ত সব কিছুই পাবেন। আর কিভাবে আপনার এপস প্লে স্টোরের জন্য রেডি করবেন সেটাও পাবেন।
https://developer.android.com/training/index.html
4.Google’s Python Class
গুগলের পাইথন ক্লাস বলা হয় এটাকে। এটা সম্পূর্ণ ফ্রী।
https://developers.google.com/edu/python/
5.Coursera
এখানে সম্পূর্ণ ফ্রী অনেক কোর্স পাবেন। এখানে কম্পিউটার সায়েন্সের অনেক ভাল ভাল টিউটোরিয়াল পাবেন। এখান থেকে Computer architecture, Programming languages, C++ for C programming, Algorithms, Artificial Intelligence, Cryptography…etc এই গুলো খুব ভাল ভাবে শিখতে পারবেন।
https://www.coursera.org/
Websites What You Will Learn
6.Code.org - Basics of JavaScript programming , Python, Hopscotch etc
7.W3Schools.com --HTML,CSS,Javascript, jQuery, Bootstrap
8.Thenewboston HTML5, CSS, Javascript, Java, Python, PHP, App Development, Android Development, C Programming.
http://thenewboston.org/
9.MIT OpenCourseWare Electrical engineering and computer science in MIT’s OpenCourseWare collection
http://ocw.mit.edu/ …/electrical-engineering-and-comp
uter-s…/
10.Khan Academy Everything what you here
https://www.khanacademy.org/
11.Webmonkey HTML5, Ajax, CSS, APIs, Javascript etc.
http://www.webmonkey.com/tutorials/
12.CodeAvengers HTML, CSS, Javascript, Python etc.
https://www.codeavengers.com/
13. Codeschool HTML/CSS, JavaScript, Ruby, iOS
http://www.codeschool.com/
14. TeamTreeHouse HTML/CSS, JavaScript, Ruby, iOS, Android, Python…
http://teamtreehouse.com/
15. Html5Rocks HTML5/CSS
http://www.html5rocks.com/en/
16. Sqlzoo SQL
http://sqlzoo.net/
17. EDX Computer Science, Java
https://www.edx.org/
18. TheCodePlayer HTML5, CSS3, Javascript, Jquery
http://thecodeplayer.com/
19. LearnPythonTheHardWay Python
http://learnpythonthehardway.org/
20. SkillCrush HTML/CSS, Javascript, Python …more
http://skillcrush.com/
21. TutsPlus WordPress Plugin Development, Webdesigning, Other Coding tutorials
http://tutsplus.com/
22. CodeCombat Play to learn code
http://codecombat.com/
23. DontFearTheInternet HTML/CSS
http://www.dontfeartheinternet.com/
24. LearnLayout Advanced CSS
http://learnlayout.com/
25. Atozcss CSS Screencasts
http://www.atozcss.com/
26. Dash HTML5, CSS3, Javascript
https://dash.generalassemb.ly/
27. Web Accessibility Tools and techniques for web developers
https://webaccessibility.withgoogle.com/course
28. TheHelloWorldProgram Web Development, Linux, Python
http://www.thehelloworldprogram.com/web-development/
29. PythonTutor Python
http://pythontutor.com/
30. CodeLearn Web Development
http://www.codelearn.org/
31. Rubymonk Ruby
https://rubymonk.com/
32. Stanford University Software Algorithms
http://online.stanford.edu/courses
33. NodeTuts Node JS video tutorials
http://nodetuts.com/
34. NodeSchool Web software skills
http://nodeschool.io/
35. Egghead Video training for AngularJS, React, D3, and many other essential modern web technologies
https://egghead.io/
36. Learn-Angular AngularJS
http://learn-angular.org/
37. IOS Development IOS
https://itunes.apple.com/ …/developing-apps-for…/
id395605774…
38. LearnJavaOnline Java
http://www.learnjavaonline.org/
39. CodingBat Java, Python
http://codingbat.com/
40. Techotopia IOS, Android
http://www.techotopia.com/
41. EssentialSQL SQL
http://www.essentialsql.com/
42. SqlBolt SQL
http://sqlbolt.com/
43. Coderdojo HTML5, CSS3, Javascript
http://coderdojo.com/
44. HackDesign Design course
http://hackdesign.org/
45. Mozilla Developer Network Mozilla Development
https://developer.mozilla.org/en-US/
46. Programming Video Tutorials C++
http://www.programmingvideotutorials.com/c …/cpp-introduction
47. National Programme on Technology Enhanced Learning Principles of Programming Languages
http://www.youtube.com/course
48. Landofcode Java, CSS, HTML, PHP and VBScript
http://landofcode.com/
49. SitePoint Reference HTML5, CSS3, Javascript
http://reference.sitepoint.com/html
50. Wikiversity PHP, C++, Python, Java… etc
http://en.wikiversity.org/wiki/School:Computer_Science

Learn the technical skills you need for the job you want. As leaders in online education and learning to code, we’ve taught over 45 million people using a tested curriculum and an interactive learning environment. Start with HTML, CSS, JavaScript, SQL, Python, Data Science, and more.

10/12/2017

অনলাইন মার্কেটে শুধু বিড করে যাচ্ছেন কিন্তু কাজ পাচ্ছেন না? তাহলে এদিকে আসেন, দেখি সমস্যা কোথায়! বদলে ফেলুন নিজেকে।

আমরা অনেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে ফ্রীল্যান্সিং এর জন্য কাজ শিখেছি। অনেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কোর্স করে কাজ শিখেছি আবার অনেকে বিভিন্ন বাংলা টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমেও কাজ শিখেছি। কিন্তু যারা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে ফ্রীল্যান্সিং বা অনলাইনে কাজ করার জন্য কাজ শিখে থাকেন তাদের মধ্যে অনেককেই বলতে শুনা যায় যে, আমি তো খালি বিডই করে যাচ্ছি কিন্তু কাজ তো পাচ্ছি না। আবার একই জায়গা থেকে কাজ শিখে কেউ কেউ ১-২ সপ্তাহের মধ্যেই কাজ পেয়ে যান। আবার নতুনদের মধ্যে অনেকেই কাজ না পেয়ে হতাশ হয়ে বলে থাকেন, এখন আর নতুনরা নাকি কাজ পায় না।



কিন্তু বাস্তবতাটা কি?

নতুনদের মধ্যে কাজ না পাওয়ার হতাশা যতখানি রয়েছে তার থেকে কয়েক গুন বেশি হতাশা দেখা যায় ক্লাইন্টদের মধ্যে। আপনি কাজ না পেয়ে যতটা না বেশি হতাশ তার থেকে অনেক গুণ বেশি হতাশ এই মার্কেটপ্লেস গুলোর ক্লাইন্ট, কারন তারা দক্ষ কর্মী খুজে পায় না। কথাটা হয়ত আজব মনে হবে কিন্তু এটাই বাস্তবতা এবং এর সাক্ষী আমি নিজে। এই কিছুদিন আগেই একটা একটু ব্যতিক্রমধর্মী এক কাজের জন্য ওয়ার্কার খুজতে গিয়ে আমি ৩ বার ফ্রীল্যান্সার.কম এ জব পোস্ট করি, কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় ১ জন উপযুক্ত লোক ও খুজে পাই নি কাজের জন্য। তাহলে এখন আপনি কিভাবে বলবেন যে, মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ পাওয়া যায় না?



তাহলে কি করব?

প্রথেমেই নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি কতটুকু শিখেছেন? কত দিন ধরে চেস্টা করেছেন? একটু ভাবুন তো, বাস্তব জীবনে ২০-২৫ হাজার টাকার একটা চাকরী করার জন্য আমরা ২০-৩০ বছর বইয়ের বোঝা বহন করে দিন রাত পরিশ্রম করেও শেষমেশ ক্যারিয়ার অনিশ্চয়তায় ভূগি, আর তাহলে ইন্টারনেট থেকে মাসে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা আর করার জন্য আপনি কি ৬ মাস কস্ট করতে প্রস্তুত নন? এখন আবার অনেকেই হাসবেন, যে, মাত্র ৬ মাসে ৫০ হাজার টাকা মাসে আয় করব? এইটা কি ছেলে খেলা নাকি, কিন্তু এটাই সত্য। আপনি যদি ৬ মাস ভাল করে পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে অবশ্যই ৬ মাস পরে আপনি মাসে ৫০ হাজার+ আয় করতে পারবেন। তাহলে এবার ভাবুন, আপনি কি নিজেকে ওই রকম দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পেরেছেন?




মানসিকতার পরিবর্তন আবশ্যক
আপনাদের কিছু মানসিকতা এবং আমাদের কিছু অভিজ্ঞতাঃ

আইটি বাড়ি এর বদৌলতে,আমাদের থেকে যারা ডিভিডি কিনে কাজ শিখে থাকেন তাদের সম্পর্কে আমাদের বেশ কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেগুলোর কয়েকটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।



আমাদের মধ্যে সবচাইতে বেশি যে প্রবণতাটি দেখা যায় সেটি হচ্ছে, অল্প শিখে বেশি আয় করার চিন্তা। আমাদের যারা শিক্ষার্থী রয়েছেন, তাদের মধ্যে অধিকাংশই আমাদের থেকে টিউটোরিয়াল ডিভিডি কেনার পরে ৫-১০ দিনের মধ্যে আমাদের সম্পূর্ণ ডিভিডি টি দেখে শেষ করে ফেলে এবং ডিভিডি দেখা শেষ হলেই তারা মনে করে থাকে যে, কাজ শিখে ফেলেছি, এবার শুধু বিড করব আর কাজ করব এবং মাস শেষে হাজার হাজার ডলার গুনব। কিন্তু অবশেষে ফল হয় শূন্য। না জানার কারনে ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটে কাজই পায় না। আর তখন, সকল দোষ হয় আমাদের,তখন তারা বলে থাকে, আমাদের ডিভিডি দেখে কিছুই শিখতে পারে নাই, অনলাইনে কাজ করা যায় না, এখানে কাজ পাওয়া যায় না, এটা ভূয়া এই ধরনের আরও অনেক কিছু। তবে আমাদের যারা ফ্রীল্যান্সিং শিখিয়ে থাকি তাদের জন্য এটা সান্তনার যে, এটা শুধু আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্যই নয়, দেশের সকল ফ্রীল্যান্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কপালেই এই ধরনের অপবাদ জোটে।



নতুনদের মধ্যে থাকা আরও একটু ভয়াবহ সমস্যা হচ্ছে,কোন সমস্যা হলে সেটার উত্তর নিজে নিজে না খোজার চেস্টা করা। আমাদের একটি সহজ অভ্যাস রয়েছে, যেখানে আমরা দুর্বল পাই, সেখানেই আঘাত করতে পছন্দ করি। কোন একজন ভাল শিক্ষক পেয়েছি কিনা, কোন ছোট খাট সমস্যা হলেও তার কাছেই জিজ্ঞেস করি। কারন, তিনি তো হেল্প করেন। কিন্তু এমনটা করার কারনেই আমরা কিছু শিখতে পারি না। নিজের সমস্যার সমাধান যদি নিজে বের করার মানসিকতা তৈরি না হয় তাহলে কোন দিনই উপরে উঠা সম্ভব নয়। আর কারও শরণাপন্ন কেবল তখনি হবেন যখন আপনি আপনার সমস্যার সমাধান অনেক চেস্টার পরেও পাবেন না। গুগলকে ব্যবহার করতে শিখুন সমস্যা সমাধানের জন্য, দেখবেন জীবন বদলে যাবে।



এইগুলা গেল অনেক বেসিক লেভেল, এইবার চলুন দেখি যারা বিড করে যাচ্ছেন কিন্তু কাজ পাচ্ছেন না কেন?

ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেসে ঢোকার আগে প্রথম শর্ত হচ্ছে, আপনাকে দক্ষ হতে হবে। আপনি যে সেক্টরেই কাজ করুন না কেন, সেই সেক্টরে মিনিমাম ৫ টি সফল প্রোজেক্ট সম্পন্ন করেই তবে ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটে কাজ করার চিন্তা করবেন। এখন আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন, নতুন অবস্থায় ৫ টি প্রজেক্ট করার জন্য কাজ পাব কোথায়? এটার ও ব্যবস্থা আছে, আপনি লোকাল কারও কাজ করুন, অথবা নিজে নিজেই কয়েকটি প্রোজেক্ট বানিয়ে সেটাতে কাজ করুন। যেমন ধরুন- আপনি ওয়েব ডিজাইন শিখবেন, তাহলে আগে ৫টি ওয়েব সাইট তৈরি করুন, কারন এই ৫ টি প্রোজেক্ট আপনাকে মার্কেটপ্লেসে কাজ পেতে সাহায্য করবে। এই ক্ষেত্রে যদি লোকাল মার্কেটে কাজ করতে চান, তাহলে আমাদের সাজেশন হচ্ছে, আশেপাশে কোন কোম্পানীতে ফ্রীতে কাজ করে দিন, ইন্টার্নি করতে পারেন। এছাড়াও ফেসবুকে প্রায়ই লোকাল ওয়ার্কার চেয়ে বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট করা হয়, সেখান থেকে কাজ করতে পারেন। প্রথম কাজগুলোর জন্য পেমেন্ট আশা করবেন না, প্রথমে কাজ শেখার দিকে নজর দিন।



এবার আসা যাক বিড কিভাবে করবেন সেটার উপর?

মার্কেট প্লেসে কাজ পাওয়ার প্রধান শর্ত হচ্ছে একটু সাজানো গোছানো ছোট্ট এবং চমৎকার কভার লেটার। কারন, আপনি যখন কোন কাজে বিড করবেন তখন ক্লাইন্ট সর্বপ্রথম আপনার বিডের কভার লেটার টাই দেখবেন। আর তাই কভার লেটার হওয়া উচিত মান সম্মত। এখন, এখানেও আমাদের সমস্যা আছে। আমাকে এই পর্যন্ত অনেকেই ইমেইল এবং ফেসবুকে মেসেজ পাঠিয়েছেন, কভার লেটার এর নমুনার জন্য। কিন্তু ভাই, আমি আপনাকে বলছি, এই ধরনের মুখস্থ কভার লেটার লিখে কাজ পাবেন না। সেই দিন অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। কভার লেটার অবশ্যই নিজের হাতে লিখবেন এবং কভার লেটারে শুধু তাই লিখবেন যেটা ক্লাইন্ট জানতে চেয়েছেন। কারন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ক্লাইন্ট তার কাজের সাথে কোন প্রশ্ন যুক্ত করে দেয়, যেমন-

What part of this project most appeal to you?
What question do you have about the project?
What three things do you plan to implement to make the company’s marketing strategy effective?


এই ধরনের প্রশ্ন দেখে অনেকেই ঘাবড়ে যান, ভেবেই পান না কি লিখবেন এর উত্তরে? কিন্তু আপনি কি জানেন, কাজ পাওয়ার জন্য এই প্রশ্ন গুলোই সবচাইতে বড় সহায়ক, এগুলোই হচ্ছে লক্ষভেদের উপায়? এই গুলোর উত্তর যদি সঠিকভাবে দিতে পারেন তাহলে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা ৯৫% বেড়ে যায়। কারন এই প্রশ্ন গুলোর মাধ্যমে আপনি ক্লাইন্টকে ওই প্রজেক্ট সম্পর্কে আপনার পরিকল্পনার কথা জানাতে পারেন। আর হ্যা, অবশ্যই অবশ্যই কভার লেটার এবং প্রশ্ন গুলোর উত্তর এমনভাবে দেয়ার চেস্টা করবেন যাতে করে ক্লাইন্ট সেটাতে ইন্টারেস্ট ফিল করে, ক্লাইন্টের মনে যেন এমন ভাবনা আসে যে হ্যা, আপনি কিছু জানেন। আপনাকে দিয়ে কাজটা হবে। যদি ক্লাইন্টের মনে এমন ভাবনা জাগাতে পারেন তাহলেই আপনি সার্থক। সব সময় মাথায় রাখবেন, এমন কাজে বিড করবেন না যেটা আপনি পারেন না, শুধুমাত্র সেই কাজ গুলোতেই বিড করবেন যেটা আপনি পারবেন এবং আপনি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী। আর ক্লাইন্টের সাথে সব সময় ওপেন ভাবে কথা বলুন, এত স্যার স্যার করার কিছুই নেই, এখানে আপনার আর ক্লাইন্টের সম্পর্ক হচ্ছে টাকার সম্পর্ক, সেখানে এত স্যার বলে ডাকার কিছু নেই, আপনি কাজ পারেন ব্যাস করে দিবেন। তাই ক্ল্যাইন্টের সাথে ফ্রেন্ডলী এবং ভাল সম্পর্ক স্থাপনের চেস্টা করুন। শুরুতেই ক্লাইন্টকে বোঝানোর চেস্টা করুন আপনিই তার কাজের জন্য পারফেক্ট এবং আপনি ক্লাইন্টের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই করে দিতে পারবেন।



আরও একটি সমস্যাঃ

আমাদের আরও একটি সমস্যা হচ্ছে, ধৈর্য্য না থাকা। আমরা মনে করি ২-৩ টা বিড করেই কাজ পেয়ে যাব। কিন্তু আপনি কি নিজেকে একবার জিজ্ঞেস করে দেখেছেন, ক্লাইন্ট যে আপনাকে কাজটি দিবে তার জন্য আপনি নিজে কতটা পারফেক্ট? আমাকে কিছুদিন আগেই এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছি, ভাইয়া আমি ১ মাস ধরে বিড করে যাচ্ছি কিন্তু কাজ পাচ্ছি না। তখন আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম আপনি কি কাজ শিখেছেন? উনি বলল, আমি আপনার এসইও ডিভিডি দেখে কাজ শিখেছি। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি প্র্যাক্টিস করেছেন? তিনি বললেন হ্যা করেছি। আমি বললাম কোন ওয়েবসাইটে প্র্যাক্টিস করেছেন? তিনি বলল, আপনার ভিডিও তো দেখেছি, সেখানের সব ই তো সোজা, আমি সব বুঝেছি, আর ক্লাইন্ট কে দেখানোর জন্য আপনি তো কিছু ওয়ার্কপ্রুফ তৈরি করে দেখিয়েছেন ই, ক্লাইন্ট চাইলে সেটা দিয়ে দিব।



এবার বুঝুন, টিউটোরিয়াল দেখে সব বুঝেছেন আর তাই তিনি প্র্যাক্টিস ও করেন নাই, এমনকি ক্লাইন্ট আগের কাজের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে আমাদের এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল এ যে কাজের নমুনা আছে সেটা দিয়ে দিবেন, এমন অবস্থায় উনি নিজেকে ভাবছেন উনি এসইও শিখে গেছেন এবং কাজ করে মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করবেন? আপনার কি মনে হয়, ক্লাইন্টরা এতই কি বোকা?



এখানে বড় সমস্যা হচ্ছে, ভাল কোন টিউটোরিয়াল দেখলে, বা ভাল কোন বই পড়লে আমরা এত বেশী উৎসাহিত হয়ে পরি যে, আমরা মনে করি সব করে ফেলব। ওভার-কনফিডেন্স চলে আসে আমাদের মধ্যে। তবে, প্রোফেশনাল লেভেল এই ধরনের দিব-স্বপ্ন পুরোপুরি ভেল্যুলেস। তাই, প্র্যাক্টিস করুন, ফ্রী প্রোজেক্ট করুন। কনফিডেন্স অনুন নিজের ভেতরে, ওভার কনফিডেন্স নয়।



আমাদের আরও কিছু সমস্যাঃ

আমাদের আরও সমস্যা হচ্ছে, শোনা কথায় বিশ্বাস করা কিন্তু নিজে যাচাই না করা। আমরা যার মুখ থেকে যেটা শুনি সেটাই বিশ্বাস করি, কেউ হয়ত বলল যে অনলাইনে অমুক কাজ বিড করলেই পাওয়া যায়, তমুক কাজের ভাত নেই, তমুক কাজ বন্ধ হয়ে গেছে, এই ধরনের আজে বাজে কথায় আমরা সহজেই বিশ্বাস করি কিন্তু বাস্তবতা যাচাই করি না। এর প্রধান কারন হচ্ছে, আমরা কস্ট করতে পছন্দ করি না, লোকের মুখ থেকে শোনা বিভিন্ন কথার মধ্যে যেটা সবচাইতে সহজ এবং সহজে টাকা কামানো যাবে আমরা সেটাই করতে পছন্দ করি। কিন্তু মনে রাখবেন , সহজ বলতে কোন কথা নেই, আবার কঠিন বলতেও কোন কথা নেই, একটাই কথা- সেটা হচ্ছে পরিশ্রম। পরিশ্রম ছাড়া আপনার বা আমার চেহারাখানি যতই সুন্দর হোক না কেন, কেউ এক টাকাও দিয়ে যাবে না।



আশা করি আজকের কথা গুলো কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন। সব কথা বড় কথা, দুই একবার চেস্টা করে ব্যর্থ হয়ে গেলেন মানে এই নয় যে আপনি পারবেন না। যদি পরিশ্রম করার মানসিকতা না থাকে তাহলে কোন দিনই সফল হতে পারবেন না। পরিশ্রম করলে সবই সম্ভব। আমি ওইটা পারি না, সেইটা বুঝি না, এই সমস্যা, সেই সমস্যা এই গুলা সব ফালতু বিষয়, এই গুলা যতদিন বাদ দিতে না পারবেন ততদিন কিচ্ছু হবে না। কেউই সব কিছু পেরে দুনিয়াতে আসে না, বিল গেটস তার মায়ের পেটে বসে সফটওয়্যার বানানো শেখে নাই, তাকে পরিশ্রম করেই শিখতে হয়েছে, এবং তিনি পেরেছেন বলেই আজ বিশ্বের সেরা ধনী। অনেকেই তো বলে থাকে সৎ পথে ধনী হওয়া যায় না, কিন্তু তাহলে বিল গেটস তো সঠিক পথেই পৃথিবীর সেরা ধনী হলেন কিভাবে? তিনি আর কারো টাকা চুরি করেন নাই, এটা সম্ভব হয়েছে তার পরিশ্রম এর জন্য। আর তাই আপনিও যদি কিছু করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকেও পরিশ্রম করতে হবে। এর বিকল্প কিছুই নেই। যদি কমপক্ষে ৬ মাস নিজেকে পরিশ্রম করানোর মত সাহস এবং সংযম করতে পারেন তাহলেই সফল হতে পারবেন অথবা, দুনিয়া এগিয়ে যাবে কিন্তু আপনি পেছনেই পড়ে থাকবেন আর শুধু ভাববেন অমুক ভাই ফ্রীল্যান্সিং করে মাসে ৫ লাখ টাকা আয় করে কিন্তু আমি পারিনা। এই ভাবনার শেষ কোনদিনই হবে না। টাকার জন্য না শিখে জ্ঞানের জন্য শিখুন, শেখার সময় টাকার কথা ভুলে যান, ৬ মাস পর দেখবেন টাকা আপনার পেছনে দৌড়াবে। শুধু এটা বিশ্বাস করুন- “আমি পারব এবং অবশ্যই পারব” , আমরাও চাই যেন আমরা পারি, পারতেই হবে, লাল সবুজের দেশ বেকারমুক্ত, কম্পিউটার স্বাক্ষর হবেই হবে ইনশাআল্লাহ। চলুন তাহলে আজ থেকেই শুরু করা যাক ? . . .

30/09/2017

আলিবাবা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। তার পণ্য পরিচালন ব্যবস্থাপক মেহেদী রেজা। আলিবাবার গোয়াংঝুর হেড অফিসেই অফিস করেন মেহেদী। মাহবুবর রহমান সুমন অনেক ব্যস্ত মানুষটির সঙ্গে শেষ পর্যন্ত যোগাযোগ করে উঠতে পেরেছিলেন

নামটা এলো যেভাবে:
আলিবাবা! প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা ২০০৬ সালে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, একদিন সান ফ্রানসিসকোর একটি কফি শপে বসেছিলাম। ভাবছিলাম পাশের মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করি, ‘আলিবাবা শব্দটি শুনেছ কি না। ’ একসময় জিজ্ঞেস করেই ফেললাম। মেয়েটি উত্তর করল, ‘চি চিং ফাক (ওপন সিসেম)। ’ আমি ভাবলাম পেয়েই গেছি। তবু আরেকটু পরখ করে নেওয়া যাক। কফি শপ থেকে বেরিয়ে আরো ২০ জনের কাছে জানতে চাইলাম, বলো তো আলিবাবা কী? সবাই বলল, চি চিং ফাক। ওই ২০ জনের মধ্যে জার্মান ছিল, ভারতীয় ছিল, দক্ষিণ আমেরিকান ছিল। সবাই যেহেতু আরব্য রজনীর এই চরিত্রটিকে চেনে, তাই আমি নামটা নিয়ে নিলাম আমার প্রতিষ্ঠানের জন্য। আলিবাবা খুব দরিদ্র ছিলেন, কিন্তু চল্লিশ চোরের ধনরত্ন পেয়ে ধনী হয়ে ওঠেন। চি চিং ফাক একটা ম্যাজিক্যাল ওয়ার্ড। এখন দেখুন আলিবাবা সারা দুনিয়ায় সেরা একটি প্রতিষ্ঠান।

একজন মেহেদী
মেহেদীর জন্ম রাজশাহীতে। কিন্তু বড় হয়েছেন ঢাকায়। ছোটবেলায় পড়াশোনায় খুব মনোযোগী ছিলেন না। স্কুল পালানোর রোগও ছিল। তবে আউট বই পড়তে ভালোবাসতেন আর খুব ফুটবল খেলতেন। অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় দলে খেলার সুযোগও পেয়েছিলেন। তাঁর শখ ছিল পাইলট হওয়ার। ১৯৯৫ সালে মেহেদী এসএসসি পাস করেন। ১৯৯৮ সালে বিবিএ পড়ার জন্য গিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ায়। ব্রিসবেনের গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিপ্লোমা করে দেশে ফেরেন ২০০২ সালে। ব্রিসবেনেই তাঁর কম্পিউটার শেখা। আগ্রহ শেষতক দাঁড়ান গিয়ে ওই কম্পিউটারেই।

পথচলা শুরু
২০০৩ সাল। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রশিকায় কাজ নেন ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে। গ্রাফিক ডিজাইন আর টু-ডি অ্যানিমেশনের কাজও করতেন। নিজে নিজেই বই পড়ে শিখতে থাকলেন এইচটিএমএল, সিএসএস, পিএইচপির কাজ। সব মিলিয়ে প্রশিকায় ছিলেন পাঁচ বছর। এরপর গ্রামীণ ব্যাংকের ভনএয়ার নামের একটি প্রকল্পে যোগ দেন। প্রতিষ্ঠানটি টেলিকমিউনিকেশন সফটওয়্যার ডেভেলপ করত বেশি। মেহেদী সেখানে ক্রিয়েটিভ ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। ২০০৮ সালেই জাপানে কাজ করার সুযোগ পান। কাজটি ছিল চুক্তিভিত্তিক। সেখানে তিন মাস এপ্রিওরি (ধঢ়ত্রড়ত্র.পড়.লঢ়) নামের একটি ওয়েব সাইটের জন্য কাজ করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভনএয়ার ইনকরপোরেটেডে ক্রিয়েটিভ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন। সেখানে তিনি সফটওয়্যার ইউআই ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন এবং অ্যানিমেশনের কাজ করতেন। ২০০৯ সালটিকে গুরুত্বপূর্ণ ধরেন মেহেদী। বিখ্যাত ডিজিটাল এজেন্সি উন্ডেরমানে কাজ করার সুযোগ পেয়ে যান। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের ইন্টারঅ্যাকটিভ ম্যানেজার ছিলেন। উন্ডেরমানের বাংলাদেশের কাজকর্ম পরিচালনা করতেন তিনি। নকিয়ার ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অনেক কাজই করেছেন তখন মেহেদী। ডিজিটাল প্রডাকশনেও সহায়তা দিয়েছেন। তখন তিনি ডিজিটাল মিডিয়া বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরে বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। চার বছর উন্ডেরমানে কাজ করে ২০১৩ সালে ইমপ্রেস গ্রুপের সঙ্গে আইডিজিটাল নামের একটি এজেন্সি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ছিলেন এর হেড অব ডিজিটাল এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। বছরখানেকের মধ্যেই হুন্দাই, নকিয়া, রানারের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। তারপর তো এলো ২০১৬। জুলাই মাসে ডাক পান আলিবাবার। নিয়োগ পান প্রডাক্ট অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে। পাঁচ মাস ধরে ইন্টারভিউ চলেছে

প্রযুক্তির জীবন কেমন?
১৪ বছর হয়ে গেল চাকরিজীবনের বয়স। আমি গ্যাজেটপ্রিয় মানুষ বরাবরই। সেই ১৯৯৮ সালে ম্যাসেঞ্জার দিয়ে অচেনা মানুষের সঙ্গে চ্যাট করতাম। নতুন নতুন প্রযুক্তি আমাকে মুগ্ধ করে। নিজ উদ্যোগেই আমি অ্যানিমেশন শিখি। একসময় আমার নেশা লেগে যায়। তাই শুধু পেশা নয়, প্রযুক্তি আমার প্যাশন।

আলিবাবায় যোগ দেওয়ার গল্প বলুন।
গল্পটি মজার। আমি নিজে কিন্তু আলিবাবায় চাকরির আবেদন করিনি। তারা এমন একজনকে খুঁজছিল যে বাংলাদেশের বাজার ভালো জানে। এখানকার সমাজ-সংস্কৃতি বোঝে। সেই সঙ্গে প্রযুক্তিতেও দক্ষ। আমাকে তাঁর লিংকড ইনে খুঁজে পায়। তারপর জানতে চায়, আমি আলিবাবায় কাজ করতে আগ্রহী কি না। আমি রাজি হলে শুরু হয় সাক্ষাৎকার গ্রহণের পালা। সর্বমোট আটবার ইন্টারভিউ দিয়েছি। দুইবার সরাসরি, আর ছয়বার টেলিফোনে। আলিবাবার এক কর্মকর্তা আমার বাসায় ডিনার করার ছলেও আমার ইন্টারভিউ নিয়েছে। এটা খুবই মজার ব্যাপার ছিল। প্রায় পাঁচ মাস ধরে ইন্টারভিউ পর্ব চলেছিল। পাস করার পর ভিসা ও চীনে ওয়ার্ক পারমিট জোগাড় করতে চলে যায় আরো তিন মাস। শেষে ২০১৬ সালের জুলাই মাসে আমি আলিবাবায় যোগ দিই।

আলিবাবায় আপনি কী ধরনের কাজ করেন?
প্রথমে আমি ইউসি ব্রাউজার ও ইউসি ক্রিকেট নিয়ে কাজ করতাম। বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের মার্কেটের জন্য। তখন ইউসিকে পরিচিত করানোর ব্যাপারটিই ছিল বেশি। ভাবতাম আরো নতুন কী কী যোগ করলে ইউজাররা ইউসিকে গ্রহণ করবে। প্রথম তিন মাস আমি খুব ভালো পারফরম্যান্স দেখাই। সেরা কর্মীর অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছিলাম। তারপর কাজের পরিধি বেড়ে গেল। প্রডাক্টের পাশাপাশি বিজনেসের কাজও শুরু করলাম। এরপর নাইন অ্যাপসের (অ্যানড্রয়েড অ্যাপস ও গেইমস ডাউন লোডার) মিডিয়া বায়িং ও অ্যাডভার্টাইজমেন্ট নিয়ে কাজ করি। আমার ডেজিগনেশন প্রডাক্ট অপারেশন ম্যানেজার হলেও আমি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ভালো বলে কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ক্যাম্পেইনেও কাজে লাগায়।

ইউসি ব্রাউজার নিয়ে কিছু বলুন।
২০১৬ সালে ইউসি ব্রাউজারটি বাংলা ভাষায় চালু করে আলিবাবা। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে আলিবাবার এটিই একমাত্র চলমান সেবা। আমার কাজ ব্রাউজারটিকে ইউজারদের কাছে পছন্দনীয় করে তোলা। যেমন বাংলাদেশের মানুষ খবর জানতে ভালোবাসে। তাই ইউসির একটি নিউজ প্ল্যাটফর্মও আছে। ইউজারদের খরচ কমানোর চেষ্টাও করছি। চাইছি ইউসিকে সর্বনিম্ন ডাটাপ্যাকের ব্রাউজার বানাতে। ব্রাউজিংয়ে ইউজারদের আমরা চমৎকার অভিজ্ঞতা দিতে চাই।

আপনি আলিবাবায় একমাত্র বাংলাদেশি কর্মী। কেমন লাগছে আলিবাবা?
এখানে কাজ করা অনেক চ্যালেঞ্জিং। তাদের ভাষা ভিন্ন, সংস্কৃতি ভিন্ন, কাজের ধরন ভিন্ন। আমাদের থেকে প্রায় সব কিছুই আলাদা। মানিয়ে নেওয়াটা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। আর ওরা কঠোর পরিশ্রমী। কঠোর পরিশ্রম ছাড়া এখানে টিকে থাকা কঠিন। এমন অনেক দিন গেছে সারা রাত সারা দিন কাজ করেছি। এখানে একটা সুবিধা হলো, সবাই বন্ধুসুলভ।
আলিবাবা ছাড়াও বিদেশি আরো কম্পানিতে আপনি কাজ করেছেন। ওরা কেন এগিয়ে?
আমার মনে হয়েছে বিদেশি কম্পানিগুলো বেশি নজর দেয় কর্মীদের গড়ে তোলার ব্যাপারে। যেমন উন্ডেরম্যান আমাকে প্রায়ই প্রশিক্ষণে পাঠাত। বলতে গেলে প্রতি মাসেই। ওরা গবেষণার জন্যও অনেক সময় ব্যয় করে। আমাদের দেশি কম্পানিগুলোতে এগুলো বেশি দেখা যায় না।
(মেহেদী রেজার এই সাক্ষাৎকার ই-মেইলে গ্রহণ করা হয়েছে)

Address

Head Office: 67, Dilkusha, Motijhil, Regional Office: 1704, (5th Floor) Rayerbag, Kadamtali
Dhaka
1362

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801637834413

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PF Corporation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to PF Corporation:

Share