Assunnah Tech

Assunnah Tech Planners | Architects | Engineers Life style , leading to sunnah.

31/03/2025

সবাইকে ঈদ মুবারাক!
আল্লাহ তা'আলা আমাদের ইবাদতগুলো কবুল করুন, দান-সাদাকাগুলো কবুল করে নিন। গাজাবাসীর দুঃখ-দুর্দশা দূর করে দিন।

تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُمْ
অর্থ: `আল্লাহ তাআলা আমাদের ও আপনার নেক আমল তথা ভাল কাজগুলো কবুল করুন'।

31/03/2025

Silent Message..!

23/03/2025
22/03/2025

ফিলি'স্তিন ইস্যুতে শয়'তান যেভাবে আমাদের ধো'কা দেয়...

22/03/2025

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের যেসব তথ্য আপনাকে আনন্দিত করবে।

20/03/2025

১. ইরাকি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আমেরিকা একটা অভিযান চালায়। মরুভূমির ঝড় (অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম) নামের এই অভিযানে মার্কিন নেতৃত্বে মিশর বিশহাজার, সিরিয়া চৌদ্দহাজার, মরক্কো তের হাজার, কুয়েত নয় হাজার, ওমান ছয় হাজার তিনশত, আমিরাত চার হাজার তিনশত এবং কাতার দুই হাজার ছয়শত সেনা পাঠিয়েছিলো।

২. অপারেশন অডিসি ডন— ন্যাটোর নেতৃত্বে লিবিয়ার বিরুদ্ধে অভিযানে কাতার চারটি যুদ্ধবিমান, আমিরাত ছয়টি এফ-১৬ ও ছয়টি মিরাজ বিমান এবং জর্ডান চারটি যুদ্ধবিমান পাঠায়। এছাড়াও এসব দেশ মাটিতে লড়াইয়ের জন্য বিশেষ বাহিনী মোতায়েন করে এবং উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো ন্যাটোর প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমার জন্য এক মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করে! ফলাফল—লিবিয়া ধ্বংস হলো। জনগণ উদ্বাস্তু হলো। আর সম্পদ লুট হয়ে গেলো।

৩. অপারেশন ডিসাইসিভ স্টর্ম (আল-হাজমের ঝড়)— ইয়েমেনের বিরুদ্ধে আমেরিকা-ব্রিটেনের নির্দেশে সৌদি আরব একশটি যুদ্ধবিমান ও একলক্ষ পঞ্চাশ হাজার সেনা পাঠায়। আমিরাত ত্রিশটি, কুয়েত ও বাহরাইন পনেরোটি, কাতার দশটি, জর্ডান ও মরক্কো ছয়টি, সুদান পাঁচটি যুদ্ধবিমান পাঠায় এবং হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করে। মিশর এই যুদ্ধে সমর্থন জানিয়ে সামরিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়।

৪. সিরিয়ার বিরুদ্ধে আমেরিকার নির্দেশে— জর্ডান ও তুরস্কে দুটি সামরিক অপারেশন রুম গঠন করা হয় যেখানে সৌদি আরব, তুরস্ক, কাতার, আমিরাত, জর্ডান ও বাহরাইনের অর্থায়নে ষাট হাজার সশস্ত্র যোদ্ধা প্রবেশ করানো ও তাদের অস্ত্র সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়।

এই হল সেই ইতিহাস যেখানে আরব রাষ্ট্রগুলো নিজেদের মতো আরব দেশ—ইরাক, লিবিয়া, ইয়েমেন ও সিরিয়া—ধ্বংসের জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আর যখন দখলদার ই [জ] রা য়ে ল গাযযায় গণহত্যা চালাচ্ছে তখন সবাই অসহায় দর্শক হয়ে বসে আছে! এমনকি মানবিক সহায়তার জন্য সীমান্ত খুলতেও অপারগ হয়ে আছে। কারণ আমেরিকা অনুমতি দেয়নি! কী লজ্জা! কী কলঙ্ক!

এই সব যুদ্ধ কে চালায়? কার স্বার্থে এই সেনারা লড়াই করে? কার আদেশে যুদ্ধবিমান ওঠে?

পেট্রোডলারে কেনা গণমাধ্যমগুলো আমাদের মগজধোলাই করতে ব্যস্ত! তারা বলে ইরাকে যুদ্ধ মানে মুক্তি। লিবিয়ায় যুদ্ধ মানে নাগরিক সুরক্ষা। ইয়েমেনে যুদ্ধ মানে বৈধতা। আর সিরিয়ায় যুদ্ধ মানে গণতন্ত্র! কিন্তু যখন কথা আসে ফিলিস্তিনের তখন সবাই নির্বিকারভাবে দাঁড়িয়ে থাকে— লক্ষ শহীদের দিকে তাকিয়েও! যাদের দুই-তৃতীয়াংশই নারী ও শিশু! লাখের বেশি আহত মানুষের জন্যও তাদের কোনো নড়াচড়া নেই!

আর আজ গাযযায় নতুন করে গণহত্যা চলছে. স্বাধীনতাকামীদের উপর চলছে বর্বর আক্রমণ! এসবকিছুর মধ্যে আরবদের ভূমিকা হলো ষড়যন্ত্র ও বিশ্বাসঘাতকতা!

হায় খুযলান!

©Ammarul Hoque

20/03/2025

আমরা ছোটবেলা ইয়াসির আরাফাতকে মনে করতাম ফিলিস্তিনের অবিসংবাদিত নেতা। কিন্তু সে যে কী ছিলো সেটা বুঝতে ভালোই বড় হতে হয়েছে। নতুন প্রজন্মের অনেকে ইসরায়েল ফিলিস্তিনের সংঘাতের প্রকৃতি বুঝতে পারে না। তাদের জন্য কিছু বেইসিক ইনফরমেশন দিচ্ছি এই পোস্টে। এর মাধ্যমে হয়তো তারা সহজে বিষয়টি ক্যাচ করতে পারবে যে কেন মুসলমানরা আল-আকসার একমাত্র বৈধ অভিভাবক ও ফিলিস্তিনের ভূমির প্রকৃত মালিক।

আল-আকসা মসজিদ ও ফিলিস্তিনের মালিকানা নিয়ে পশ্চিমারা নানা বিতর্ক তুললেও, ইতিহাস, ধর্ম, এবং বর্তমান আন্তর্জাতিক আইন সবই মুসলমানদের অধিকারকে সমর্থন করে। সহজভাবে বোঝানোর জন্য, নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ তুলে ধরা হলো।

ধর্মীয় কারণ:
১। পবিত্র স্থান ও প্রথম কিবলা

মক্কা ও মদিনার পর আল-আকসা মসজিদ ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান।

রাসুল (সা.) মেরাজের রাতে এই মসজিদ থেকে আকাশে গমন করেন। কুরআনের (সূরা ইসরা ১৭:১) মাধ্যমে আল্লাহ নিজেই এর পবিত্রতা ঘোষণা করেছেন।

মুসলমানরা প্রথমে এই মসজিদের দিকে ফিরেই নামাজ পড়তেন, অর্থাৎ এটাই ছিলো আমাদের প্রথম কিবলা। পরে কিবলা পরিবর্তন হয়ে কাবা শরীফ হয়। কিবলা পরিবর্তন হলেও এর পবিত্রতা ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণই আছে।

২। ইসলামি আইন অনুযায়ী এটা ওয়াক্‌ফকৃত সম্পত্তি

ইসলামে ওয়াক্‌ফ বলতে বোঝায়, যখন কোনো সম্পত্তি একবার ধর্মীয় কাজে দান করা হয়, তখন তা চিরকাল সেই ধর্মের লোকদের অধীনেই থাকে। একবার ওয়াক্‌ফ হয়ে গেলে, তা কোনোভাবেই অন্য ধর্মের লোকদের হাতে বা নিয়ন্ত্রণে যেতে পারে না।

৬৩৭ সালে মুসলমানরা যখন জেরুজালেম দখল করে, তখন থেকেই আল-আকসা ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি হিসেবে ইসলামি প্রশাসনের অধীনে ছিলো।

২. ঐতিহাসিক কারণ
১। ৬৩৭ সালে মুসলিম বিজয়
খলিফা উমর (রা.) এর শাসনামলে মুসলিমরা জেরুজালেম বিজয় করেন। স্বয়ং খলিফা উমরের কাছে খৃষ্টান ধর্মের নেতারা আল আকসার চাবি হস্তান্তর করেন। তখন তিনি সেখানে বসবাসকারী খ্রিস্টানদের অন্যান্য উপাসনালয় রক্ষা করেন, কিন্তু আল-আকসাকে কেবল মুসলমানদের জন্য সংরক্ষিত করেন।

২। দীর্ঘ ১৩০০ বছর মুসলিম শাসন
মুসলমানরা ৬৩৭ সাল থেকে ১৯১৭ সাল পর্যন্ত (১,৩০০ বছর) টানা ফিলিস্তিন শাসন করে। এই সময়ের মধ্যে কোনো ইহুদি সরকার ছিল না এবং ইহুদিরা ফিলিস্তিনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল না।

৩। ক্রুসেডার যুদ্ধ ও সালাহউদ্দিন আইউবি
১০৯৯ সালে খ্রিস্টান ক্রুসেডাররা জেরুজালেম দখল করেছিল, কিন্তু তারা ৮৮ বছর পর সালাহউদ্দিন আইউবির (রহ.) হাতে পরাজিত হয় (১১৮৭ সালে)। তিনি আবার ফিলিস্তিন মুসলমানদের হাতে ফিরিয়ে দেন।

৩. ইসরায়েলের দখলদারিত্ব সকল বিবেচনায়ই অবৈধ
১। ব্রিটিশ শাসন ও বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭)

ব্রিটিশরা ১৯১৭ সালে ফিলিস্তিন দখল করে এবং ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা করে।

ব্রিটিশ সরকার ইহুদিদের সাহায্য করার জন্য বেলফোর ঘোষণা দেয়, কিন্তু এটি ছিল অবৈধ কারণ ব্রিটেনের কোনো অধিকার ছিল না অন্যদের জমি অন্য কাউকে দেওয়ার।

২। জাতিসংঘের আইন লঙ্ঘন
তবুও পরিবর্তিত বাস্তবতায়, কেবল তর্কের খাতিরেও যদি জাতিসংঘ এবং প্রচলিত আন্তর্জাতিক আইনকে ভ্যালিড হিসেবে ধরে নেওয়া হয়, তারা সে আইনও মানেনি।
১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে দুটি ভাগে বিভক্ত করার প্রস্তাব দেয় (UN Resolution 181) – এক অংশ ইহুদিদের জন্য এবং এক অংশ ফিলিস্তিনিদের জন্য।

কিন্তু ইসরায়েল ১৯৪৮ সালে শক্তি প্রয়োগ করে পুরো ফিলিস্তিন দখল করতে শুরু করে। ১৯৬৭ সালে তারা জোরপূর্বক পূর্ব জেরুজালেম দখল করে, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে অবৈধ।

জাতিসংঘের রেজুলেশন ২৪২ (১৯৬৭) ইসরায়েলের দখলকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং তাদের ফিলিস্তিন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।

৩। বর্তমান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
জাতিসংঘসহ প্রায় ১৩৮টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বতন্ত্র রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এমনকি ইসরায়েলের দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমকেও জাতিসংঘ ফিলিস্তিনের অংশ বলে স্বীকৃতি দিয়েছে।

অতএব মুসলমানরাই ফিলিস্তিনের প্রকৃত ভূমির মালিক। এখানে ইসরায়েল সম্পূর্ণ গায়ের জোরে, পশ্চিমাদের মদদে মুসলমানদের ভুমি অবৈধভাবে দখল করে আছে এবং ভুমির মালিকদের উপর গণহত্যা চালাচ্ছে।
© Ahmed Rafique

17/03/2025

তোমার ভাইদের কষ্টে
তোমার ঘুম কি নষ্ট হয়..!
তারা যখন কষ্ট পায়
তুমি কি তখন ব্যাথা অনুভব করো..?
যদি উত্তর হয় না...
তাহলে তোমার ঈমান নিয়ে প্রশ্ন করা উচিত!

17/03/2025

রুবেল হোসেনের এই গল্পটি আপনাকে অশ্রুসিক্ত করবে।

Address

Savar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Assunnah Tech posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Assunnah Tech:

Share