Shikder Engineers - Training Institute

Shikder Engineers - Training Institute Shikder Engineers is a consultancy firm which provides engineering related software training along with few other basic software.

জাইকা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের উদ্যোগে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত ৫টি তথ্যচিত্র নির্মিত হয়েছে।“পরিচ্ছন্ন ঢাক...
27/12/2020

জাইকা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের উদ্যোগে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত ৫টি তথ্যচিত্র নির্মিত হয়েছে।
“পরিচ্ছন্ন ঢাকার ইতিহাস সম্পর্কিত” প্রথম তথ্যচিত্রটি দেখতে চোখ রাখুন আগামী ২৭শে ডিসেম্বর বিকাল ৫টায় Rtv-র পর্দায়।

Following TV program will be broadcasted on 27th December 2020.

The history of solid waste management, what is called “Clean Dhaka” program will be introduced.

We, JICA, has been supporting solid waste management of Dhaka City and Chattogram City for a long time.

Title: Episode 1(Footprint of the History of clean Dhaka)

Date and Time: 27th December at 5:00 PM

Channel: RTV

Episode 2 and 3 are going to broadcast on 28th December at 5:30 PM and 29th December at 4:30 PM respectively.

11/11/2020
04/07/2020

আমের সিজন শেষ হবার আগেই অর্ডার করুন

12/06/2020

নিজস্ব বাগানের নির্ভেজাল ও ফরমালিনমুক্ত #রাজশাহীর গোপালভোগ, হিমসাগর, খিরসপাত,লক্ষনভোগ, হাড়িভাংগা, আম রুপালি, ল্.....

29/05/2020

আস সালামু আলাই কুম - আমাদের হাতে এখন
গোপাল-ভোগ আম => দামঃ
১০-১৫ কেজি: ৮৫ টাকা (প্রতি কেজি)
২০-৩৫ কেজি: ৮০ টাকা (প্রতি কেজি)
১ মণ বা তদূর্ধ্ব: ৩১০০ টাকা (প্রতি মণ)

বি-বাড়িয়া এর লিচু => দামঃ
৪০০ টাকা প্রতি ১০০পিস আছে (২৫০ লিচু মিনিমাম অর্ডার)
আপনি যদি নিতে চান তাহলে প্লিজ
নাম ঃ
নাম্বার ঃ
ঠিকানা ঃ
পরিমান ঃ
উল্লেখ করে আমাদের মেসেজ করুন
আমরা ৪৮ ঘন্টা এর ভিতর আপনার বাসায় আপনার পছন্দের ফল ডেলিভারি দিয়ে থাকবো ইন-শাহ-আল্লাহ
=> হোম ডেলিভারি চার্জঃ
১০-১৫ কেজি আম : ৭০ টাকা
২০-৩৫ কেজি আম: ১১০ টাকা
১ মণ বা তদূর্ধ্ব আম: ১৫০ টাকা

উল্লেখ্য যে, এই হোম ডেলিভারি চার্জ শুধুমাত্র ঢাকা শহরের জন্য প্রযোজ্য।

জেনে রাখা প্রয়োজনঃ
১। পরিবহন এবং সংরক্ষণের সুবিধার্থে আমরা প্রায় সবসময় পরিপক্ক কিন্তু কাঁচা আম দিয়ে থাকি। কাঁচা আম দেখে মন খারাপ করবেন না। কেননা এই আম সুন্দরভাবে সংরক্ষণ করলে ধীরে ধীরে পেকে যাবে ইনশাআল্লাহ।
২। সংরক্ষণের জন্য আমের বোঁটা ফেলে দিন যাতে কষ বের হয়ে যেতে পারে এবং আমগুলোকে পেপার বা অন্য কিছু দিয়ে মুড়িয়ে রাখুন। দুই-একদিনের মধ্যেই আম খাওয়ার উপযুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ্‌।
৩। আম পরিপক্ক হওয়ার পর অনতিবিলম্ব খেয়ে ফেলার অনুরোধ করা হচ্ছে। যেহেতু গোপালভোগ আম পাঁকার পর রেখে দিলে বোঁটার দিকে পচন ধরে, তাই দেরি না করার পরামর্শ রইলো।
৪। তথাপি পরিবহনজনিত কারণে ফলে কোনো সমস্যা হলে বা ফল দেরীতেও না পাকলে আমাদের জানানোর অনুরোধ রইল।

https://www.facebook.com/ফলের-দোকান-101910374873526/

ফলের দোকান is a Startup Fruit Online Shop in Bangladesh, Where we try to deliver f

20/11/2017

১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!
নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!

২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!
৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!
নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।

৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!
নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!

৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।

৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।

৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।

৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।
নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।

৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!
নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।

১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।
নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।

১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!
নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।

১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।
নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।

১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।

১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।
নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।
১৫. বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।
নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।
__________________________________________
এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।
সৌজন্যেঃ ডাঃ রিফফাত করিম
__________________________________________

বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে
T=Thanks
G=Good,
V=Very Good
E=Excellent
T, G, V কিংবা E লিখে কমেন্টস করবেন।
নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে অামাদের পেইজে লাইক দিন৷
ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানান৷

যে ৩০টি অভ্যাস প্রমান করে আপনার জন্ম উদ্দ্যোক্তা হবার জন্যলিখেছেনঃ মোঃ শফিউল আলম চৌধূরীযে ৩০টি অভ্যাস প্রমান করে আপনার জ...
14/09/2017

যে ৩০টি অভ্যাস প্রমান করে আপনার জন্ম উদ্দ্যোক্তা হবার জন্য
লিখেছেনঃ মোঃ শফিউল আলম চৌধূরী
যে ৩০টি অভ্যাস প্রমান করে আপনার জন্ম উদ্দ্যোক্তা হবার জন্য তা নিয়ে আজকের আলোচনা। আমরা মাঝে মধ্যেই এমন কিছু মানুষ দেখি, যারা কোন ভাবেই চাকরী করতে পছন্দ করেই না, কিছু একটা অন্য রকম করবার ইচ্ছা তার মনের মধ্যে জেঁকে বসে থাকে। কিছু করতে পারুক বা না পারুক, নিজের আত্মবিশ্বাস, নিজের চেষ্টা সব সময়ই থাকে নিজে থেকে কিছু করবার।

অপর দিকে কিছু মানুষ থাকে, যারা কোন ভাবেই কোন ঝুঁকি নিতে চায় না, মাসে একটা নির্ধারিত দিনে বেতন, নিয়ম মেনে খরচ করা, যা আছে তাতেই সন্তুষ্ট থাকাই তাদের কাজ। কিন্তু কেন এমন হয়? কেন দুজন মানুষ দুই রকম হয়? কেন দুজনের আশা দুই রকম? নিচের এই ৫০টা গুনের লিষ্ট যদি আপনার নিজের মধ্যে খুজে পান, তাহলে আপনি বুঝে নিতে পারেন যে উদ্দ্যোক্তা হবার জন্যই আপনার জন্ম হয়েছে, আপনিই পারবেন।

১. স্থীর হয়ে বসতে পারেন নাঃ সব সময় কিছু না কিছু করবার ইচ্ছা, কিছু করে দেখানোর বাসনা মনের মধ্যে থাকে।

২. নতুন নতুন আইডিয়া আসতেই থাকেঃ হোক সে ভালো কিংবা খারাপ, নতুন কিংবা পুরাতন কিছুকে নতুন করে ভাবা, আইডিয়া আপনার মাথার মধ্যে কিলবিল করতে থাকে।

৩. আপনি অন্যের আইডিয়ার ভুল ধরতে পারেনঃ এটা একা একাই তৈরী হয় নিজের মধ্যে, যখন আপনি অনেক কিছু নিয়ে চিন্তা করেন, আপনি জানেন কি করে চিন্তা করতে হয়, তাই জানেন কিসে সমস্যা থাকতে পারে।

৪. আপনি অনুপ্রানিত হন সফল ব্যবসায়ীদের দেখেঃ কোন নায়ক-নায়িকা নয়, কোন সফল খেলোয়াড়ও নয়, আপনি অনুপ্রানিত হন সফল ব্যবসায়ীদের দেখে।

৫. কোন সফল ব্যবসায়ীকে দেখলে খুশি হনঃ হোক কোন সেমিনার, কিংবা চলতি পথে, আপনি সফল কোন উদ্দ্যোক্ত/ব্যবসায়ীকে দেখলে খুশি হন, তার সাথে কথা বলতে মন চায়।

৬. আপনার কি করতে হবে সেটা বলে দেওয়া পছন্দ করেন নাঃ আপনি কাজের নির্দেশ পাবার থেকে দিতে বেশী পছন্দ করেন।

৭. নতুন জিনিষ শিখতে আগ্রহীঃ কিভাবে কি করতে হবে, কিভাবে কি করা যায়, কোথায় গেলে নতুন কিছু শিখতে পারবেন এগুলিতেই বেশী আগ্রহী।
আরও পড়ুনঃ বছরে ১০০টি বই পড়বার ৫টি টিপস

৮. আপনি প্রচুর টাকার স্বপ্ন দেখেনঃ যদিও টাকাই সব কিছু না, কিন্তু আপনি কোনভাবে প্রচুর টাকার স্বপ্ন ছাড়তে পারেন না।

৯. আপনি সহজে হার মানেন নাঃ ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করাটাই আপনার কাছে বেশী আন্দের, কোন কিছুতে হার মানতে আপনি নারাজ।

১০. আপনি আপনার অভ্যাসে নিয়মিতঃ আপনি রুটিন করে কাজ করতে পছন্দ করেন, নিয়ম মাফিক চলতেই বেশী স্বাচ্ছ্যন্দ বোধ করেন।

১১. যত সম্ভব নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হনঃ আপনি নতুন মানুষে সাথে পরিচিত হতে আগ্রহী, লজ্জা পান না।

১২. বিফলতা থেকে ফিরে আসেনঃ কোন ভাবে হয়ত বড় ধরণের বিফলতা চলে আসলো, কিন্তু কিছুই আপনাকে দমাতে পারে না, আপনি নতুন করে আবার শুরু করতে পারেন।

১৩. নিজের জন্য লক্ষ্য নির্ধারন করেনঃ চলার পথে এক একটি লক্ষ্য নিয়েই আপনি এগিয়ে যেতে পছন্দ করেন।

১৪. আপনি সাহায্য করতে পছন্দ করেনঃ যখনই সময় এবং সুযোগ মেলে, আপনি অন্যের ভালো করতে আগ্রহী হন।

১৫. আপনি মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে পথ খুজেনঃ কিভাবে অন্যকে অনুপ্রাণিত করা যায়, তা ভাবেন প্রচুর পরিমানে।
আরও পড়ুনঃ নিজের উপর থেকে অবিশ্বাস দূর করতে ৪টি উপায়

১৬. কাজের সময়সীমা নির্ধারণ করে চলেনঃ আপনার প্রতিটি কাজেই একটি সময়সীমা থাকে, এবং কোন ছাড়ের স্থান সেখানে নেই।

১৭. আপনি গল্প বলতে পছন্দ করেনঃ নিজের অভিজ্ঞতা, নিজের জ্ঞান, নিজের সম্পর্কে মানুষকে বলতে পছন্দ করেন।

১৮. আপনি নিজেকে কাজে জড়ানঃ কোন কাজের সুযোগ থাকলে আপনি সেখানে নিজেকে কিভাবে লাগানো যায় তার চেষ্টায় থাকেন।

১৯. মানুষের মধ্যে সম্ভাবনা দেখেনঃ একটা মানুষ কি অবস্থায় আছে তা বিচার না করে আপনি বিচার করেন তাকে দিয়ে কি করা সম্ভব, এবং আপনি তাকে সেই ভাবে পরিচালিত করতে আগ্রহী।

২০. আপনি বিপদেও ধীরস্থীরঃ প্রচন্ড বিপদেও আপনি খুব স্থীর ভাবে চিন্তা করতে পারেন।

২১. যার সাথে সুযোগ থাকে, তার সাথে থাকতে চেষ্টা করেনঃ কখনওই কোন সুযোগ হাত ছাড়া হতে দিতে চান না।

২২. সময় নষ্ট পছন্দ করেন নাঃ নিজে নিজেই যে কাজে সময় নষ্ট হবে তা করা থেকে বিরত থাকেন।

২৩. আবেগ নয়, যৌক্তিক চিন্তা করেনঃ আপনি আপনার নিজের লজিক পছন্দ করেন, আবেগ নয়।

২৪. মানুষের আবেগ বুঝতে চেষ্টা করেনঃ যৌক্তিক হলেও, মানুষের আবেগের বিষয়ে যথেস্ট সম্মান আপনার আছে।

২৫. অন্যের উপদেশে গ্রহণ করেনঃ অন্য কেউ কোন ভালো কিছু বললে তা আপনি নির্দিধায় মেনে নিয়ে সেই অনুযায়ী নিজেকে পরিবর্তন করেন।
আরও পড়ুনঃ ৫০ জন উদ্দ্যোক্তার এক কথার ৫০টি বাণী

২৬. মাঝে মধ্যেই নতুন প্রোজেক্ট চালু করেনঃ সব সময় মাথায় নতুন নতুন আইডিয়া ঘুরে বলেই মাঝে মধ্যেই তার দু-একটা শুরু করে দেন।

২৭. আপনি নিয়মিত আপগ্রেড হনঃ হোক সে বাড়ি, কিংবা গাড়ি, কিংবা মোবাইল কিংবা টেকনোলজিতে, আপনি নিয়মিত আপগ্রেড হতে পছন্দ করেন।

২৮. আপনি নতুন প্রযুক্তির বিষয়ে পাগলঃ নতুন একটি প্রযুক্তি আসবে, আর আপনি তা জানবেন না এবং চাইবেন না, এমন হয় না।

২৯. নিয়মিত খবর এবং বই পড়েনঃ এটা অভ্যাস হয়ে যাবার কথা।

৩০. কাজের মাঝে সময় ভুলে যানঃ নিজের স্বপ্নের কাজ করবার সময় মাঝে মধ্যেই আপনার সময়ের খেয়াল থাকে না।

সর্বপরি, আপনি সব সময় নিজে নিজে কিছু একটা করতে আগ্রহী, কোন প্রতিকূলতা, কোন প্রতিবন্ধকতা, কোন বাজে কথা কিংবা কোন সমস্যাই আপনার কাছে কিছু না, এগিয়ে যাওয়া, এগিয়ে চলাই আপনার জীবনের পাথেয়।

বিয়ে করবেন কেনবিয়ের কথাটা শুনলেই কেমন যেন লাগে। চিন্তার বিষয়, বয়স হয়েছে তো! সে যাই হোক। বিয়ে করুন উপযুক্ত সময়ে। কারণ বিয়...
14/09/2017

বিয়ে করবেন কেন

বিয়ের কথাটা শুনলেই কেমন যেন লাগে। চিন্তার বিষয়, বয়স হয়েছে তো! সে যাই হোক। বিয়ে করুন উপযুক্ত সময়ে। কারণ বিয়ে করার স্বাস্থ্যগত সুফল অনেক! কি ধরণের সুফল থাকতে পারে বিয়ে করার পর?

দীর্ঘ জীবন লাভ
কেউ যদি মনে করে থাকেন বিয়ে করার কারণে আপনার মৃত্যুর দিন তাড়াতাড়ি ঘনিয়ে আসবে তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। কারণ ২০১৩ এর এক রিসার্চে দেখা গেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জন্ম গ্রহণকারীদের মধ্যে যারা অবিবাহিত তারা বিবাহিত অথবা দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের মধ্যে যারা আছে তাদের তুলনায় তাড়াতাড়ি মারা যায়। এর কারণ হিসেবে দেখা গেছে জীবনসঙ্গী মানুষকে আবেগ অনুভূতি বাড়িয়ে দেয়, সামাজিকভাবে একত্রে রাখে, মানসিকভাবে সমর্থন দেয়, যার সব কিছুই সুস্থ স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন।

মানসিক চাপ কম থাকে
যদিও মাঝে মাঝে ঝগড়া লাগে তারপরও তার উপস্থিতি আপনার মনে এক ভালো লাগার অনুভূতি ছড়িয়ে দিবে। মানুষ যখন কোন মানসিক চাপের মধ্যে থাকে তখন শরীরে স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই স্ট্রেস হরমোন বিবাহিতের চেয়ে অবিবাহিতদের শরীরে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত পরিমাণে মানসিক চাপ শরীরে সমস্যার জন্ম দেয়, বিশেষ করে হজমের সমস্যার সৃষ্টি করে। রিসার্চে জানা গেছে স্ট্রেস হরমোন বিবাহিতদের শরীরে সেরকম ভাবে ক্ষতি করতে পারে না কিন্তু অবিবাহিতদের শরীরে নানা সমস্যার বাসা তৈরি করে।

হার্ট এ্যাটাকের সম্ভাবনা হ্রাস পায়
ভালোবাসা হৃদযন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা বিবাহিত অথবা কোন সম্পর্কের মাঝে আছে তাদের হার্ট-অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা নিঃসঙ্গ মানুষের চেয়ে কম। গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে যে সঙ্গীর নিবিড় সঙ্গ এবং নতুন পরিবারের নতুন সব আত্মীয় স্বজন ও বন্ধু- বান্ধবের সাথে ভালো বন্ধনের কারণে হার্ট-অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পায়। কারণ পরিবারের সাথে থাকলে মানুষ উৎফুল্ল থাকে। মনে কোন মানসিক চাপ থাকলে তা শেয়ার করতে পারে। এতে মনের উপর চাপ কম পড়ে।

হাড় শক্ত হয়
বিয়ে শরীরের হাড় মজবুত করে। অবাক হচ্ছেন? আসলেও তাই। বিয়ে শরীরের হাড় শক্ত করে এবং বিভিন্ন হাড়ের রোগের ঝুঁকি কমায়। বিয়ে হাড়ের খনিজ ঘনত্ব ঠিক রেখে হাড়ের এক ধরণের রোগ “অস্টিওপরোসিস” হওয়ার ঝুঁকি কমায়। একজন ভালো জীবনসঙ্গী পত্নীর মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে হাড়কে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। তাই সুখী দাম্পত্য জীবন মহিলাদের হাড়ের খনিজ ঘনত্ব ঠিক রাখার জন্য জরুরী।

অস্ত্রোপচারের পর দ্রুত সুস্থ হওয়া
কেউ যখন আপনার পাশে সারাক্ষণ থেকে আপনার পরিচর্যা করবে তখন আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। কিন্তু আপনি যখন একা থাকবেন সে ক্ষেত্রে আপনার সুস্থ হতে অনেক সময় লেগে যাবে। কারণ তখন আপনার সব কাজগুলো আপনার নিজেরই করতে হবে। এছাড়াও আপনি যখন কার সান্নিধ্যে থাকবেন তখন বেঁচে থাকার একটা কারণ খুঁজে পাবেন। এক্ষেত্রে জীবন সঙ্গী আপনার বেঁচে থাকার অবলম্বন হয়ে দাঁড়ায়।

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঝুঁকি কমে
জীবনে কতবার আপনি আপনার জীবনসঙ্গীকে আকস্মিক দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করেছে? গবেষণায় দেখা গেছে তালাক প্রাপ্ত মহিলা এবং পুরুষেরা বিবাহিতদের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ বেশি অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। গবেষকদের মতে বিয়ে দুটি মানুষকে পাশাপাশি রাখে এবং এসব অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণামের হাত থেকে রক্ষা করে।

বিষণ্ণতা কমায়
একাকীত্বের কারণে অথবা অন্য সমস্যার কারণেও মানুষ বিষণ্ণতায় ভুগতে পারে। আর মানুষ যখন হতাশায় ভুগে তখন কি পরিমাণ মানসিক বিপর্যয় ঘটছে তার নিজের, তা সে বুঝতে পারে না। কারণ বিষণ্ণতার প্রথম উপসর্গ হচ্ছে আত্ম-উপলব্ধির হ্রাস পাওয়া। তাই বিষণ্ণতাকে সনাক্ত করতে এবং দূর করতে প্রয়োজন একজন সঙ্গীর। যে সব সময় আপনার সাথে থাকবে, যার সাথে আপনি সবকিছু শেয়ার করতে পারবেন।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
২০১৩ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে সকল মানুষ মরণ ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিল তাদের মধ্যে শতকরা ২০ ভাগ এর বেশি মানুষ আরোগ্য লাভ করতে সক্ষম হত যদি তারা বিবাহিত হত। এই সাফল্যের হার কেমোথেরাপির থেকেও বেশি। একটি স্বাভাবিক স্থিতিশীল সম্পর্কই প্রথম ধাপের ক্যান্সার সনাক্ত করতে পারে। আর এই বন্ধনই ক্যান্সারের সাথে লড়ে সুস্থ হওয়ার অনুপ্রেরণা যোগায়। একজন উপর্যুক্ত সঙ্গিনী তার সঙ্গীকে খারাপ এবং জীবনের জন্য ঝুঁকিকর কাজ করা থেকে বিরত রাখতে পারে। যেমনঃ মদ্যপান, মাদক সেবন ইত্যাদি।

স্মৃতিভ্রংশ প্রবণতা কমায়
যদি জীবনে এমন সঙ্গী থাকে যার কাছে গেলে মনে শান্তি আসে তাহলে বার্ধক্য কখনো তাকে স্পর্শ করতে পারে না। গবেষণায় দেখা গেছে যারা তালাকপ্রাপ্ত হয়ে পুনরায় বিয়ে করে নি তাদের স্মৃতি শক্তি নষ্ট হওয়ার প্রবণতা প্রায় তিন গুন বেশি হয় এবং যারা মাঝ বয়সে বিধবা হওয়ার পর আর বিয়ে করেনি তাদের স্মৃতিভ্রংশ প্রবণতা ছয়গুণ বেড়ে যায়। গবেষকরা বলেন বিবাহিত এবং সারাজীবন মানসিকভাবে এবং সামাজিকভাবে পাশাপাশি থাকলে মন প্রফুল্ল থাকে এবং স্মৃতি শক্তি কম হ্রাস পায়।

বিভিন্ন অসুখ থেকে মুক্তি
সুখী দম্পতিদের কখনো টাইপক-২ ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, ফাইব্রোমাইলজিয়া মত অসুখ হতে দেখা যায় না। যেকোনো জিনিস নিয়ে অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীরে উপর খারাপ ভাবে প্রভাব ফেলে। তাই সুস্থ থাকতে হলে সুখী দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করা অতীব জরুরী। সূত্র: উর্বশী, জাগোনিউজ

Address

454(3rd Floor), Farm View Super Market, Farmgate
Dhaka
1215

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shikder Engineers - Training Institute posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share