22/07/2025
ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনোই কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা কোনো সমস্যায় পড়লে বা মারা গেলে সহানুভূতিশীল হতে পারি না। বরং কেন জানি একধরনের অদ্ভুত তৃপ্তি অনুভব করি।
হয়তো সেইজন্য যে, যারা একবারও প্রশাসনিক কোনো কাজে পড়ে দেখেছে, তারা জানে—এই রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার জঞ্জাল কতোটা পঁচে গেছে। সরকারি অফিস মানেই দীর্ঘসূত্রিতা, অনৈতিক লেনদেন, দম্ভ, আর নাগরিককে হেয় করার অদ্ভুত এক ক্ষমতা-প্রদর্শনের মঞ্চ। সেই কর্মকর্তারা—যারা জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চলেন, আয়েশ করেন, পরিবার পরিজন নিয়ে সরকারি সুবিধার পূর্ণ ভোগ করেন—তারা নাগরিকের সেবাদান তো দূরের কথা, একজন সাধারণ মানুষ যেন তাদের কাছে গিয়ে বিচারপ্রার্থী নয়, বরং অপরাধী হয়ে দাঁড়ায়।
আমাদের ঘামে ভেজা উপার্জনের টাকা দিয়েই তারা চলে, অথচ সেই ঘামঝরা মানুষের জন্য তাদের দরজা কখনোই খোলা থাকে না। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা নয়, বরং ভোগই যেন তাদের কর্তব্য।
তাই যখন তাদের কষ্টের খবর শুনি, কিংবা মৃত্যুর সংবাদ পাই, তখন মনে করিয়ে দেয়—এই অবিচার, এই অন্যায়েরও একদিন জবাব আছে। এবং কখনো কখনো, সেই জবাব প্রকৃতি নিজেই দিয়ে দেয়।