20/09/2025
দেশ বাচাঁনোর লড়াইতে নেমেছিলেন সবাই, প্রতিটা মানুষ রাস্তায় এসেছিলো কেন? নিজের ঘর বাচাঁতে! নিশ্চয়ই না, দেশ ও দেশের মানুষকে বাচাঁতে।
হয়তো মানুষ যা চেয়েছিলো এবং এক্সপেক্টেড যে বিষয় গুলা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলো তার কোন তথ্য আমরা জানতে পারিনাই, তার মানে এই নয় এদেশের মানুষ মিথ্যাচারের স্বীকার হয়েছে! চেনা বামনের যেমন পৈতা লাগেনা- নিজ চোখে দেখা জিনিসের সাক্ষী লাগেনা।
আমরা দল মত নির্বিশেষে মন থেকে রাস্তায় নেমেছিলাম, মানুষের মন কখনোই মিথ্যা বলেনা। যা জানতে পারিনাই তা কেবলি আড়াল করা হয়েছে বলেই আমরা জানিনা। এটাই রাজনীতি, এখানে রাজনীতিটাই এমন। কে কিভাবে রাজনৈতি করবে সেটা আমাদের থেকে তারা বেশী জানে।
কিন্তু আফসোস লাগে এতো রক্তপাতের পর দেশ বাঁচানোর যুদ্ধে নেমে মানুষ এখন তার ধর্ম খুঁজে পাচ্ছেনা। ধর্ম নিয়ে কাড়াকাড়ি মারামারি হানাহানি। ফলে আরেকবার ভাবতে হবে, আমাদেরকে ধর্ম যুদ্ধে কারা ঢুকিয়েছে, চিন্তা করে তাদের কে চিহ্নিত করে বাদ দিতে হবে সবাইকে। প্রতিবার যারা ধর্মকে বাজারে তোলে তাদের থেকে দূরে থাকতে হবে- সাবধান হতে হবে আমরা আমাদের নিজেদের স্বার্থে, নিজেদের ঈমানের স্বার্থে। কুরআন সামনে রেখে যারা মিথ্যা কথা বলে তাদের থেকে সাবধান হতে হবে আমাদের। সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা জীবনে বাঁচার স্বাধীনতা চাই নাকি পরাধীনতা! জীবন মানে সেটা স্যাকুলার হোক বা এক ঈশ্বরবাদ ধর্মীয় জীবন, সোজা কথা আমাদের নিজ মতে সুন্দরভাবে চলার স্বাধীনতা ব্যাস।
যদি স্বাধীনতা চাই, বাচঁতেই চাই তবে এমন কাউকে নেতা বানাতে হবে যার পারিবারিক ঐতিহ্য আছে, আছে বংশের পরিচয় এবং নির্দিষ্ট কোন এজেন্ডা আপনার সামনে দাঁড় করাই নাই - করাবেও না। আপনার জীবন তার মাথা ব্যাথা হবে না - রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে আপনার কর্ম এবং সামাজিক সিকিউরিটি ই তার এরমাত্র মাথা ব্যাথা।
এটি মহাসত্য যে, যারা বিএনপি/ এনসিপি কিংবা আওয়ামী লীগের সাথে আছে তারাও এই দেশেরি মানুষ, যারা অন্যদল করেন তারাও এদেশের মানুষ। ফলে একটি দলকে কখনোই একটা দেশ থেকে আলাদা করে ফেলা যায় না। কে কিভাবে কি জন্য খারাপ কাজে জড়িত হচ্ছে সেটা শুধু জড়িতরাই জানেন, বাহিরে থেকে মরিচিকাকে বিশ্বাস করতে হবে। ফলে দলকে ফোকাস করা বন্ধ করেন, ব্যক্তিকে দেখেন অপরাধীকে দেখেন,একদিকে দলের আনুগত্য করবেন এবং আরেকদিকে অন্য দলকে চরিত্র হরন করবেন মানে লাভের গুড় খাওয়াচ্ছেন কুত্তাকে। দিন শেষ লসে আপনিই পড়বেন।
শুনেন, এই দেশে কারো ঠেকা পরেনাই যে আপনার মতো দূর্ভাগাকে উদ্ধার করতে যাবে৷ কে কোলে নিবে তা বড় বিষয় নয়, বড় বিষয় তার ভালোবাসা আন্তরিকতা দিয়ে দেশের ভালো চাওয়া,মানুষের ভালো চাওয়া। ফলে চিন্তা করুন কিভাবে দেশকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করা যায়।
আপনার সিদ্ধান্তই দেশের এবং আপনার ভবিষ্যৎ। আপনার ঈমান বাচাঁতে গিয়ে আপনি ভদ্র হবেন নাকি নগ্ন হবেন সিদ্ধান্তঃ আপনার- ঈমান বাজার থেকে ভোট দিয়ে কিনবেন নাকি ঈমান তৈরি করবেন আল্লাহ কে সামনে রেখে সিদ্ধান্তঃ একান্তই আপনার।
পরিশেষে ভালো থাকুন, চিন্তা করুন এবং ভালো থাকুন।