PLAN HOUSE

Directions

PLAN HOUSE Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from PLAN HOUSE, Architectural Designer, Dinajpur.

নিম্নোক্ত কারণগুলির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত দিনাজপুর পৌরসভায় কোনো পাবলিক প্রতিনিধি ইলেকশন হওয়ার প্রয়োজন নাই। প্রশাসকই পৌ...
13/08/2026

নিম্নোক্ত কারণগুলির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত দিনাজপুর পৌরসভায় কোনো পাবলিক প্রতিনিধি ইলেকশন হওয়ার প্রয়োজন নাই। প্রশাসকই পৌরসভা পরিচালনা করুক।
পৌরসভার মূল উন্নয়ন হয় আর্থিক উন্নয়নের উপর। আর্থিক উন্নয়ন নির্ভর করে পৌরসভার সম্পত্তি ও ভালো কাজের উপর। এই সম্পত্তি ও ভালো কাজের জন্য প্রযুক্তির প্রয়োজন। আর এই প্রযুক্তি আমার কাছে ছাড়া আর কারো কাছে নাই। প্রযুক্তি দিয়ে কখনো খারাপ কাজ করা সম্ভব না। কিন্তু পৌরসভার চেয়ারে অজ্ঞ মেয়র ও কিছু দূর্নীতিগ্রস্থ স্টাফ বসে থাকলে তাহলে প্রযুক্তি কোন চেয়ারে বসে পৌরসভার উন্নয়ন করবে? এই ব্যাপারে প্রযুক্তির জন্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ থাকলেও পৌরসভায় সেটা এভয়েড করা হয়।
পৌরসম্পত্তি রক্ষার জন্য চাকরির শুরু থেকেই আমি সকল CS ম্যাপ, ল্যান্ড রেজিস্ট্রার সবকিছু কম্পিউটারাইজড করে ফেলি এবং জমির অবস্থান, পরিমাপ সঠিকভাবে করার জন্য সফটওয়ার তৈরি করি। পরবর্তীতে BS ম্যাপও কম্পিউটারাইজড করে ফেলি। এইসব কাজ আমি মহসীন ও লাবু চেয়ারম্যানের আমলে প্রায় ৭ বছর ধরে সুসম্পন্ন করি। ২০০৪ সালে ছুটু চেয়ারম্যান ৩০ মে ক্ষমতায় আসার পর পৌরসভায় আমার কম্পিউটারে রক্ষিত উপরোক্ত সকল প্রোগ্রাম ক্রাশ করে ফেলে এবং আমার অফিস রুমে তালা দিয়ে আমাকে ৪ মাস ১০ দিন অফিস করতে দেয়নি। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় বিষয়টি অবগত হওয়ার পর আমাকে ডোমার পৌরসভায় এসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বদলি করে দেয়। তৎকালীন ছুটু চেয়ারম্যান দিনাজপুর পৌরসভা থেকে আমার সার্ভিস বুক, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটি কিছুই দিনাজপুর পৌরসভা থেকে ডোমার পৌরসভায় প্রেরণ করে নাই। এই অবস্থায় আমাকে পীরগঞ্জ, পার্বতীপুর, হাকিমপুর পৌরসভায় চাকরি করে সর্বশেষে ২০১৬ সালে দিনাজপুর পৌরসভায় চাকরি করি এবং পরবর্তীতে দিনাজপুর পৌরসভা থেকে রিটায়ার্ড করি। উপরোক্ত ডকুমেন্টস না পাঠানোর কারণে আমার অন্যান্য পৌরসভার চাকরিকালীন প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্রাচুইটির টাকাগুলি দিনাজপুর পৌরসভায় দেয়নি। ফলে আমার প্রায় ১৮ লাখ টাকা ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। পৌরসভার ভালো করতে যায় আমার এই ক্ষতির দায়ভার কে নিবে?
এই দীর্ঘ সময় আমার অনুপস্থিতিতে দিনাজপুর পৌরসভার ম্যাক্সিমাম সম্পতি ছুটু চেয়ারম্যান ও জাহাঙ্গীর মেয়রের আমলে কতিপয় স্টাফ যেমন - সহকারী প্রকৌশলী হুদা, মতি, উপসহকারী প্রকৌশলী সজল, ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট মোস্তাফিজুর রহমান সহ অনেক স্টাফ পৌরসভার সম্পত্তিগুলিতে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে পাবলিককে প্লান পাস করে দেওয়া, পৌরসভার সম্পত্তি মানুষকে লিখে দেওয়া, বিভিন্ন ভাবে জমিগুলি লুটপাট করে আর্থিকভাবে বিশাল লাভবান হয়েছে। যেমন SAE সজল কুমার মন্ডল দিনাজপুর পৌরসভার সম্পত্তি বালা পুকুরের জমিতে প্রশান্ত নামের এক ব্যক্তিতে প্লান পাস করে দিয়েছে যাহাতে বর্তমানে প্রশান্ত বহুতল বাড়ি করে আছে।
ছুটু চেয়ারম্যান মাতাসাগরের জমিটি যার মূল্য বর্তমানে ৩০০ কোটি টাকার উপর, ভুয়া মালিকানা তৈরি করে আত্মসাৎ করতে গিয়েছিলো, পরবর্তীতে জমিটি পৌরসভার অনুকূলে রাখা হইয়াছে। মহসীন চেয়ারম্যানের আমলে 9 district project এর ১০ কোটি টাকার মধ্যে ২ কোটি টাকার পাইপলাইন বেঁচে গেয়েছিলো। ডিজাইন সংশোধনের আমি এটা করেছিলাম এবং শহরের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় এলাকার রাস্তায় পাইপগুলি স্থাপন করেছিলাম। তাতে পৌরসভার পানি ডিপার্টমেন্ট থেকে আয়ের উৎস বেড়ে গিয়েছিলো। আমার অনুপস্থিতিতে ছুটু চেয়ারম্যান ও মতি ঢাকা থেকে আসা পানির লাইনের প্রজেক্টের কাজ না করে আমার উক্ত ২ কোটি টাকার পানির লাইন তাদের প্রজেক্টের কাজ দেখায় সবটাকা লুটপাট করেছে।
কার্য সহকারী মোস্তাফিজুর রহমান জাহাঙ্গীর মেয়রের আমলে দিনাজপুর পৌরসভার বাহাদুর বাজার আবুল পাটোয়ারীর দোকানের পশ্চিমে পাহাড়পুর মৌজার CS ২২৮ দাগে ২৩.৭৫ শতক জমির মধ্যে ৬ শতক জমি জাহাঙ্গীর মেয়রের সাক্ষরে ২০১৫ সালে মির্জা পাটোয়ারীর মালিকানায় লিখে দেয় এবং উপরোক্ত সজল ও মতি ইঞ্জিনিয়ার সেই জমির উপর প্লানও পাস করে দেয় এবং এই প্লানের উপর জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার ফকরুলের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রায় ২০ কোটি টাকা লোন নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প তৈরী করিয়াছে। মোস্তাফিজুর রহমান নিজেও ভাগের টাকা দিয়ে ৫ তলা বাড়ির ৩ তলা তৈরি করিয়াছে। উপরোক্ত খতিয়ানের জমিটি এখন পৌরসভায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তারমানে এই জমির টাকার ভাগের সাথে সবাই জড়িত।
নিচে প্রত্যয়ন পত্র ও প্রকল্পের ছবি দেওয়া হলো:
এইভাবে অনেক লুটপাটের ডকুমেন্ট ছবিসহ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে কিন্তু ফেসবুকে এতগুলি দেওয়া সম্ভব না বলে এইটুকু দিয়ে আপনাদেরকে বিষয়গুলি নিশ্চিত করলাম। পৌরসভায় যতগুলি চেয়ারম্যান এসেছে সকলেই ব্যক্তি স্বার্থের জন্য এসেছে, পৌরসভা বা পৌরবাসীর কোনো উপকারের জন্য আসেনি। যতটুকু উপকার হয়েছে তা প্রসাশকগণের মাধ্যমে। পৌরসভার কোনো স্টাফ প্রসাশককে কোনো সাহায্যও করেনি। মাস্টাররোল সার্ভেয়ার রিয়াজুল তার ব্যক্তিগত ইনকামের সাপেক্ষে পৌরসভার হয়ে পাব্লিক কাজ করে অন্যথায় পাব্লিককে ঘুরিয়ে দেয়। তাতে পৌরসভার সার্ভের মাধ্যমে ইনকাম একেবারে তলায় চলে গিয়েছে।
পৌরবাসীর ন্যায্য হক, সেবা ও পৌরসভাকে রক্ষার জন্য আমি সরকারের, লোকাল প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করতেছি। অনুগ্রহ করে পোস্টটি বেশি বেশি করে শেয়ার করে দেশ ও জাতির প্রতিটি মানুষকে জানিয়ে দিন। বিশদ জানার জন্য আমার মোবাইল / WhatsApp নম্বর - 01719204757 এ যোগাযোগ করুন।

দিনাজপুর পৌরসভার অবৈধ স্টাফদের দৌরাত্ম এবং পৌরসভার রিটায়ার্ডমেন্ট স্টাফদের বৈধ পাওনা ও পৌরবাসীকে সর্তককরণ:দিনাজপুর পৌরসভ...
12/08/2026

দিনাজপুর পৌরসভার অবৈধ স্টাফদের দৌরাত্ম এবং পৌরসভার রিটায়ার্ডমেন্ট স্টাফদের বৈধ পাওনা ও পৌরবাসীকে সর্তককরণ:
দিনাজপুর পৌরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামের সময় চাকরিতে যোগ দানের বয়স ছিলো সর্বোচ্চ ২৭ বছর। কিন্তু তৎসময় দুইজন ইঞ্জিনিয়ারকে যথাক্রমে নুরুল হুদা (বয়স প্রায় ৩২ বছর) নকশাকার পদে ও পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে আরেকজনকে স্টিমেটর পদে বয়স জাল করে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় তাদেরকে পর্যায়ক্রমে প্রমশণ দিয়ে উপরের পদে নিয়ে আসে। উপরোক্ত দুই ইঞ্জিনিয়ারই নিম্নোক্ত দুর্নীতিগুলি একসাথে করিয়াছে যাহার কিছু বর্ণনা নিম্নে দেওয়া হইলো। চুরির দায়ে নুরুল হুদা লাবু চেয়ারম্যান ও অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ার, স্টাফদের নিয়ে জেল হাযত খাটার পর বর্তমানে প্রতি মাসে তারিখে তারিখে কোটে হাজিরা দেয়। এই দুর্নীতিগুলি লাবু চেয়ারম্যানের আমল থেকে এবং পরবর্তীতে যে সকল চেয়ারম্যান / মেয়র আসিয়াছে তাদের আমলে আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে কারণ মিনিস্ট্রি একটি ফ্যাশন হাউস।
সহকারী প্রকৌশলী (অবঃ) মতিউর রহমান বয়স জাল করে ১৯৮৮ সালে দিনাজপুর পৌরসভার চাকরিতে যোগ দান করেন। ওই সময় তার বয়স ছিলো ৩০ বছর ১০ মাস ২৯ দিন। তাহার নিয়োগের ব্যাপারে দুইজন প্রভাবশালী কাউন্সিলর, যার মধ্যে একজন পরবর্তীতে চেয়ারম্যান / মেয়র হয়েছিলেন তাহারা তাহাকে এই অবৈধ নিয়োগে সহযোগিতা করেছিলেন। এই ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ে তার বিরুদ্ধে কেস শুরু হয়। যার মন্ত্রণালয়ের স্বারক নং- ৪৬.০৬৩.০২৭.০২.০০.০০২.২০১১-১২২৬ তারিখ: ৩০/০৭/২০১২
চিঠিটি নিম্নে দেওয়া হইলো:
পরবর্তীতে এই অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ারদ্বয় ধরা পরলে চাকরি চলে যাবে এইজন্য চাকরির শুরুতেই ব্যাপক দূর্নীতি করে টাকার স্বর্গরাজ্য তৈরী করেছে। যার মধ্যে পৌরসভার জমি অন্য মানুষের নামে করে দেওয়া ও উক্ত জমিতে প্লান পাস করে লোন নিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া, বেশি টাকার রেট সিডিউল তৈরি করে ঠিকাদারের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকার ভাগ নিয়ে টেন্ডার করা, পৌরসভার টেন্ডারের কাজ না করে বিল প্রদান করে টাকা নেওয়া, পানির লাইনের কাজ না করে কোটি কোটি টাকার লুটপাট করা, এমন কোনো দূর্নীতি নাই যা তারা করে নাই। বর্তমানে বিগত চেয়ারম্যান/ মেয়রের আমলে টেন্ডার হওয়া কাজ না করে বিল উত্তোলন করতেছে যা দেখার কেউ নাই। যার ফলে পৌরসভার আর্থিক সংকট দেখা দিলে বর্তমানে রিটায়ার্ডমেন্ট হওয়া স্টাফদেরকে মাসিক বরাদ্দকৃত ৮০ হাজার টাকার পরিবর্তে ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। পৌরসভার স্টাফদের পেনশনের কোনো সিস্টেম নাই। রিটায়ার্ডমেন্টের টাকাগুলি বেতনের সময় সঠিকভাবে কাটে কিন্তু রিটায়ার্ডমেন্টের সময় একবারে টাকাগুলো দেওয়ার কথা থাকলেও প্রতিমাসে অল্প অল্প করে দেয়। একজন স্টাফের রিটায়ার্ডমেন্টের পর পাওনা টাকার পরিমাণ ৮০ লাখ হলেও তাকে বর্তমানে ৮০ হাজার টাকার স্থলে মাত্র ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। ব্যাংকে আসল ৮০ লাখ টাকাটা গচ্ছিত রাখলে তার ইন্টারেস্ট ব্যাংক প্রায় ৮০ হাজার টাকা দিবে। কিন্তু দিনাজপুর পৌরসভা থেকে ৮০ হাজার টাকার পরিবর্তে মাত্র ২৫ হাজার টাকা দিচ্ছে এবং মূল টাকা আর পরে পাওয়া যায় না। কিছু কিছু স্টাফ যারা মেয়রের প্রিয় ভাজন তার রিটায়ার্ডমেন্টের টাকা যদি সর্বোচ্চ ৬০ লাখও হয় তার একাউন্টে ৮০ লাখ টাকা ঢুকায় দিয়াছে। পরবর্তীতে এই বিষয়টি ধরাধরি হইলে সমন্বয় করার নামে বিষয়টি অদৃশ্য হয়ে যায়।
উপরোক্ত বিষয় সমস্যা সৃষ্টি হইলে তৎকালীন আওয়ামীলীগের MP জনাব ইকবালুর রহিমের ছত্রছায়ায় উপরোক্ত ইঞ্জিনিয়ারদ্বয় নিরাপদে চাকরি করে। চেয়ারম্যান / মেয়রগুলিও উপরোক্ত অবৈধ সুবিধার ভাগ পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কোনো একশন নেয়নি এবং পৌরসভার কাজগুলো বৈধ / ভালো স্টাফদের বাদ / বদলি করে উপরোক্ত দুর্নীতিবাজ ইঞ্জিনিয়ার, স্টাফদের দ্বারা সম্পন্ন করিয়াছেন। সব দলের লোকজন এই সুবিধাগুলি নেয় বলে এই মতিউর রহমান ও হুদা আওয়ামিলীগের আমলে আওয়ামীলীগ ও BNP এর আমলে BNP এর কাছ থেকে সুবিধা নেয়। বর্তমানে সে রিটায়ার্ডমেন্টের পরেও কৌশলে প্লান পাসের কমিটিতে ঢুকিয়া লুটপাট চালাচ্ছে।
আমার কাছে উপরোক্ত সকল ডকুমেন্ট রক্ষিত আছে। পৌরবাসী ও রিটায়ার্ডমেন্ট স্টাফদের ন্যায্য অধিকার ও ইনসাফ পাওয়ার জন্য উপরোক্ত বিষয় আমি সরকারের, লোকাল প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করতেছি।
অনুগ্রহ করে পোস্টটি বেশি বেশি করে শেয়ার করে দেশ ও জাতির প্রতিটি মানুষকে জানিয়ে দিন। বিশদ জানার জন্য আমার মোবাইল / WhatsApp নম্বর - 01719204757 এ যোগাযোগ করুন।

12/08/2026

গত তিনদিন আমি আমার ফেসবুক আইডিতে যে তিনটি পোস্ট দিয়েছি সেগুলি পড়ার পর পোস্ট গুলি বেশি বেশি করে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করতেছি এবং উক্ত বিষয়ে যাহারা একমত আছেন তাহারা আমার সাথে 01719-204757 নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সকলেই একজোট হয়ে বিষয়টি চূড়ান্ত ও সুষ্ঠুভাবে সমাধান করবো এবং দিনাজপুর পৌরসভার তথা পৌরবাসীর সার্বিক সুবিধা ও উন্নতি করবো। অন্যথায় নোয়াখালী, জয়পুরহাট, লোকাল স্টাফসহ অন্যান্য জায়গার স্টাফ যারা চাকরি করতে দিনাজপুর পৌরসভায় আসে তারাই পৌরসভার সম্পত্তি অবৈধভাবে মানুষের হাতে তুলে দিয়ে পৌরসভার সম্পদ, টাকা লুটপাট করে চলে যাচ্ছে এবং আমরা দিনাজপুরের প্রকৃত বাসিন্দা / ভোটাররা আমাদের পৌরসভার সম্পদ, সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। পুনরায় বলছি, বিষয়টি বেশি বেশি করে শেয়ার করিয়েন।

যোগাযোগ/ WhatsApp : 01719-204757
Bodiuzzaman Faruque (পৌরসভার Engr. Jewell)
প্লান হাউজ, বালুবাড়ী, শহীদ মিনারের ৩০০ ফিট দক্ষিণে রাস্তার পূর্বে

12/08/2026

গত দুইদিন আমি আমার ফেসবুক আইডিতে যে দুইটি পোস্ট করেছি তার বিস্তারিত ব্যখ্যা আমার কাছে মজুদ আছে। কিন্তু ফেসবুকে বিস্তারিত ব্যখ্যা দিয়ে পোস্ট করা সম্ভব হয়না। কারণ অনেক বড় পোস্ট হলে মানুষ পড়তে এবং বুঝতে কষ্ট পাবে। যেগুলি ডকুমেন্টস কম্পিউটারে আছে তা ফেসবুকে দিয়ে দেখানো সম্ভব না। যারা আমার কাছে বিস্তারিত জানতে বা বুঝতে চেয়েছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই এবং আমার মোবাইল নম্বর 01719204757 - এ কল দিয়ে/ WhatsApp এ বিস্তারিত জানতে পারেন। তার চেয়েও ভালো হয় জমির ডকুমেন্টস এবং কিভাবে মানুষ জমিগুলো নিজের নামে করে নিচ্ছে তা দেখা ও বোঝার জন্য আপনাদেরকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। এই বিষয়গুলি পৌরসভার প্রতিটি বাড়িতে এবং সকলকে বুঝানোর জন্য আপনাদের প্রয়োজনীয় হেল্প দরকার। তাতে পৌরসভার সকল স্টাফদের বেতন, অবসরপ্রাপ্ত স্টাফদের সম্পূর্ণ পাওনা টাকা এককালীন দেওয়া এবং সব উন্নয়ন কাজ করা সম্ভব। এমনকি বিনা ট্যাক্সে পৌরবাসীকে সেবা দেওয়া ও সাহায্য করা সম্ভব।
Bodiuzzaman Faruque (পৌরসভার Engr. Jewell)
প্লান হাউজ, বালুবাড়ী, শহীদ মিনারের ৩০০ ফিট দক্ষিণে রাস্তার পূর্বে

12/08/2026

পৌরসভার সম্পত্তি রক্ষা করা ও পৌরবাসীকে নিম্ন বিষয়ে অবগতকরণ প্রসঙ্গে:
দিনাজপুর পৌরসভার নিজস্ব প্রায় ২৫০ একর জমি আছে। যার ইনকাম দিয়ে পৌরসভার সকল স্টাফদের বেতন, অবসরপ্রাপ্ত স্টাফদের সম্পূর্ণ পাওনা টাকা এককালীন দেওয়া এবং সব উন্নয়ন কাজ করা সম্ভব। এমনকি বিনা ট্যাক্সে পৌরবাসীকে সেবা দেওয়া ও সাহায্য করা সম্ভব।

কিন্তু কতিপয় দূর্নীতিবাজ স্টাফদের সহায়তায় অনেক জমি পাবলিক নিজের নামে করে নিচ্ছে। BS ম্যাপের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফরা অজ্ঞাত কারণে পৌরসভার জমিগুলি পৌরসভার নামে রেকর্ড করে নাই। জমি উদ্ধারের জন্য আইনগত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই এবং ওইসব জমির উপর গোপনে প্লান পাস করে দিচ্ছে। পৌরসভার বাকি জমিগুলি বেহাত করার জন্য পৌরসভার স্টাফরা (বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত) মহাপরিকল্পনা করতেছে। পৌর-সম্পত্তি গুলি রক্ষার জন্য জমির তফসিলসহ প্লান পাসের রেজুলেশনটি অনলাইনে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করতেছি। তাতে সবাই দেখার পর যদি পৌরসভার জমিতে প্লান পাস হয়ে থাকে তাহলে পাবলিক অবজেকশন করলে তা সংশোধন করা যাবে। পাবলিক প্রতিনিধিগণ ভোটের জন্য ও অন্য কোনো উদ্দেশ্যে উপরোক্ত কাজগুলি করেন না। এ বিষয়ে লোকাল প্রসাশন ও সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে 01719204757 নম্বরে যোগাযোগ করুন।

Bodiuzzaman Faruque (পৌরসভার Engr. Jewell)
প্লান হাউজ, বালুবাড়ী, শহীদ মিনারের ৩০০ ফিট দক্ষিণে রাস্তার পূর্বে

12/08/2026

জমির ক্রেতাগণ, সতর্ক হউন!! প্রয়োজনে আমার হেল্প নিতে পারেন।
একটি BS দাগের মধ্যে একাধিক CS দাগ থাকতে পারে। ধরেন ৩ টি CS দাগের মধ্যে ২ টি বিক্রেতার ও ১ টি সরকারের। সেক্ষেত্রে বিক্রেতার CS ও BS দাগ উল্লেখ পূর্বক সরজমিনে মাপযোগ করিয়া ছবিসহ জমি রেজিস্ট্রি লইবেন। সরকারি CS দাগের মধ্যে আপনার জমির অবস্থান / যাতায়াত হইলে ভবিষ্যতে আপনি অথবা আপনার বংশধরকে সরকারি জমি ছেড়ে দিতে হইবে। উপরোক্ত বিষয়ে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হইলে আমার সাহায্য নিতে পারেন। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে 01719204757 নম্বরে যোগাযোগ করুন।
Bodiuzzaman Faruque (পৌরসভার Engr. Jewell)
প্লান হাউজ, বালুবাড়ী, শহীদ মিনারের ৩০০ ফিট দক্ষিণে রাস্তার পূর্বে
উপরোক্ত ব্যাপারে রেগুলার পোস্ট করা হইবে। দয়া করিয়া সবাইকে শেয়ার করিয়া দেন।

Address

Dinajpur
5200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PLAN HOUSE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share