03/01/2026
বেশীর ভাগ মায়েদের কোন দাম্পত্য জীবন থাকে না।থাকে,সবাই মিলে একটা ফ্যামিলি লাইফ।যেটাকেই একটা কমপ্লিট জীবন মনে করে,উচ্ছ্বাসে /আনন্দে জীবনের লম্বা সময় পার করে দেয়! বাবারা তবুও ইয়ার দোস্তদের হাতে হাত মেলায়।চা কফিতে,কথার আসরে এবেলা/ও বেলা রাঙিয়ে নেয়!
দেখা/অদেখা রমনীর সৌন্দর্য্য নিয়ে আলাপ জমায়!!মায়ের সে সময় কই!! চোখ খুলে বাবু যেন একা না হয়,স্কুল/কলেজ/ইউনির্ভাসিটি থেকে ফিরে সে যেন মা সহ সবকিছু রেডি পাই! যত্নের কোন শুন্যতা যেন সে ভুলেও না দেখে! সন্তানের নিজেস্ব অলিগলি তৈরি হবার পরেই,হঠাৎই মনে পড়ে,একদা তো আলো-আঁধারের ছায়ায়,একটা জীবনের আলোকবর্তিকা ছিল!
যা দেখবো বলেই এমন যুদ্ধ/স্বপ্নের ঘর বসতি গড়া! আহা কই যেন তা!!কত পেছনে!! জীবনের অনেক চেনা জায়গা তখন পুরনো লাগে!!! চকিতে বোঝা হয়ে যায়,এরই নাম মাতৃত্বের আত্মদান! প্রতিদান বিহীন এক অপার নির্জনতা!!!
তারপরও,চোখের কুয়াশা বার বার আঁচলে সরিয়ে,মা,ই সেদিনের ছোট্ট সন্তানের ঘরে উঁকি দিয়ে আলো জ্বলতে দেখে চমকে উঠে,দুঃসাহসী হয়ে দুয়ার ঠেলে ঢুকে বলে,"ঘুমাস নি কেন রে এখনো! কি হয়েছে তোর! শরীর খারাপ! নাকি মন"!!
মায়েদের কোন নিজেস্ব জীবন থাকে না,যৌবনের দুর্বার স্বপন,জীবনের শুরুতেই আঁতুর ঘরের ন্যাকরা,কাপড়ে জড়িয়ে নিয়ে,মা স্বেচ্ছায়/স্বজ্ঞানে নির্জনতার মাটি খুঁড়ে পুঁতে রাখে,কপালে এঁকে নেয় ভীষন গভীর একাকীত্বের মলিন টিপ!
মায়েদের জীবন এক ঐশ্বর্য্যপুর্ন ফাঁকির জীবন, পুরো তারুন্যকে ফাঁকি দিয়ে, নিজের সাথে নিজের সন্ধি করে বেঁচে থাকার জীবন।