Magnetism and Technology

Magnetism and Technology Robotics Club is a non official page about Robot or Electrical Workshop etc.

20/01/2016

Microcontroller/Arduino শিখুন এক্সক্লুসিভ প্রজেক্ট তৈরি , idea share, and robotics , quadcopter(drone), Agricultural Productivity
# Newborns and Children's
Against Women
Tourism
# Qualified Teachers in Education
# Road Traffic Accidents
# Marine Resources
# Environment in City
# Energy Efficiency
# Corruption
এই সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করার ইচছা থাকলে Contact:Robotics club,JUST

Making a computer that learns and remembers like a human brain is a daunting challenge. The complex organ has 86 billion...
04/01/2016

Making a computer that learns and remembers like a human brain is a daunting challenge. The complex organ has 86 billion neurons and trillions of connections -- or synapses -- that can grow stronger or weaker over time. But now scientists report in ACS' journal Nano Letters the development of a first-of-its-kind synthetic synapse that mimics the plasticity of the real thing, bringing us one step closer to human-like artificial intelligence.

While the brain still holds many secrets, one thing we do know is that the flexibility, or plasticity, of neuronal synapses is a critical feature. In the synapse, many factors, including how many signaling molecules get released and the timing of release, can change. This mutability allows neurons to encode memories, learn and heal themselves. In recent years, researchers have been building artificial neurons and synapses with some success but without the flexibility needed for learning. Tian-Ling Ren and colleagues set out to address that challenge.

The researchers created an artificial synapse out of aluminum oxide and twisted bilayer graphene. By applying different electric voltages to the system, they found they could control the reaction intensity of the receiving "neuron." The team says their novel dynamic system could aid in the development of biology-inspired electronics capable of learning and self-healing.

Researchers from North Carolina State University have developed a technique for using chains of magnetic nanoparticles t...
03/01/2016

Researchers from North Carolina State University have developed a technique for using chains of magnetic nanoparticles to manipulate elastic polymers in three dimensions, which could be used to remotely control new "soft robots."

The ability to control the motion of soft robots, coupled with their flexibility, gives them potential applications ranging from biomedical technologies to manufacturing processes. Researchers are interested in using magnetic fields to control the movement of these soft robots because it can be done remotely -- the control can be exerted without physically connecting to the polymer -- and because magnetic fields are easily obtained from permanent magnets and electromagnets.

A team of researchers has now found a way of embedding long chains of nanoscale magnetite particles in sheets of elastic polymer to form a magnetic polymer nanocomposite. By applying a magnetic field, the researchers can control the way the nanocomposite bends -- making it a soft robot.

The process begins by dispersing nanoparticles of magnetite -- an iron oxide -- into a solvent. A polymer is then dissolved into the mixture, which is poured into a mold to form the desired shape. A magnetic field is then applied, causing the magnetite nanoparticles to arrange themselves into parallel chains. The solution is dried, locking the chains into place, and the finished nanocomposite can be cut, to further refine its shape.

"Using this technique, we can create large nanocomposites, in many different shapes, which can be manipulated remotely," says Sumeet Mishra, a Ph.D. student at NC State and lead author of a paper on the work. "The nanoparticle chains give us an enhanced response, and by controlling the strength and direction of the magnetic field, you can control the extent and direction of the movements of soft robots."

The mechanism stems from the structure of the chains. The researchers have also constructed a simple model to explain how the chained nanoparticles affect the mechanical response in magnetic fields.

"The key here is that the nanoparticles in the chains and their magnetic dipoles are arranged head-to-tail, with the positive end of one magnetic nanoparticle lined up with the negative end of the next, all the way down the line," says Joe Tracy, an associate professor of materials science and engineering at NC State and corresponding author of the paper. "At issue is something called magnetic anisotropy, which is caused by assembling the nanoparticles into chains. When a magnetic field is applied in any direction, the chain re-orients itself to become as parallel as possible to the magnetic field, limited only by the constraints of gravity and the elasticity of the polymer."

The researchers believe this technique may be especially attractive for some biomedical applications, as compared to soft robotics that rely on electricity or light for control. "Electrical control can raise safety issues for some medical applications," says Mishra. "And both electrical and light signals pose challenges in terms of communicating those signals to devices embedded in the body. Magnetic fields, on the other hand, pass through easily -- and pose fewer safety challenges."

This technique uses inexpensive and widely available materials, and the process is relatively simple and easy to execute, the researchers say.

The paper, "Selective and Directional Actuation of Elastomer Films Using Chained Magnetic Nanoparticles," is published online in the Royal Society of Chemistry journal Nanoscale. The paper is co-authored by Michael Dickey and Orlin Velev of NC State's Department of Chemical and Biomolecular Engineering. The work was supported by the National Science Foundation, under grant DMR-1056653, and by the NSF-funded Research Triangle Materials Research Science and Engineering Center, under grant DMR-1121107.

Mishra won a Gold Graduate Student award from the Materials Research Society in December 2015 for his work on this research eff

ড. তাহেরের জীবন্ত রোবট বিপ্লবআনিসুল হক | ০৩ জানুয়ারি, ২০১৬  ‘২০১৬ সালে প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বড় বিপ্লবটা কী ঘটবে?’‘আপনার...
03/01/2016

ড. তাহেরের জীবন্ত রোবট বিপ্লব
আনিসুল হক | ০৩ জানুয়ারি, ২০১৬
‘২০১৬ সালে প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বড় বিপ্লবটা কী ঘটবে?’
‘আপনার রক্তনালিতে ঘুরে বেড়াবে জীবন্ত রোবট—শিরায়-ধমনিতে, ক্যানসার কোষ খুঁজে বেড়াবে, ক্যানসার কোষকে ধ্বংস করবে।’
নিউইয়র্ক টাইমস-এর ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সংখ্যায় এ প্রশ্ন করেছেন এবং এর এই উত্তর দিয়েছেন নিকোলাস ক্রিস্টোফ। দু-দুবার পুলিৎজার পুরস্কার পাওয়া এই কলাম লেখক আমেরিকার অগ্রগণ্য চিন্তাবিদ হিসেবেও খ্যাতিমান।
তা পড়ে বাংলাদেশের মানুষের নববর্ষ হয়ে উঠেছে গৌরবের। কারণ এই যে জীবন্ত রোবট, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র, এটা নিয়ে গবেষণা করছেন যিনি, তিনি আমাদের ঢাকার সন্তান। অধ্যাপক তাহের এ সাইফ। বর্তমানে আমেরিকার ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা ও গবেষণা করছেন। মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছেন চট্টগ্রামের সেন্ট প্লাসিডস স্কুল থেকে (১৯৭৭), উচ্চমাধ্যমিক ঢাকা কলেজ। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগ থেকে স্নাতক। ড. জামিলুর রেজা চৌধুরীর অধীনে স্নাতকোত্তরের ছাত্র ছিলেন। তাঁকে নিয়ে প্রথম আলোতে নুরুন্নবী চৌধুরী লিখেছিলেন ‘আমিই বাংলাদেশ’ শিরোনামের প্রতিবেদন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র রোবট’ (৫ আগস্ট ২০১৪)।
নিউইয়র্ক টাইমস-এর এই প্রতিবেদনটা চোখেই পড়েনি অধ্যাপক তাহেরের।
ফেসবুকে বুয়েটের প্রাক্তন ছাত্র ড. সুকোমল মোদক স্ট্যাটাস দেন তাঁর শিক্ষকের এই কৃতি নিয়ে। সেখান থেকেই শুরু হয় অধ্যাপক তাহেরকে খোঁজা। শিকাগোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি এখন ঢাকায়। অবশেষে তাঁর দেখা মিলল ধানমন্ডিতে। তাঁদের পৈতৃক বাসার পাশেই তাঁর মামাতো ভাইয়ের বাড়িতে। সাত দিনের জন্য এসেছিলেন দেশে, আজ ৩ জানুয়ারি চলে যাচ্ছেন আবারও আমেরিকায়, শ্যাম্পেনে।
‘আমার নিউইয়র্ক টাইমস-এর এই খবর চোখে পড়েনি। পড়তও না যদি প্রথম আলো থেকে যোগাযোগ না করত। এই সব কোনো ব্যাপারই না। আমি একটা বড় স্বপ্নের পেছনে ছুটছি। সেটা আমরা অর্জন করতে পারব কি পারব না, সেটাই আসল। যদিও জানি, আমি যদি নাও পারি, কেউ না কেউ পারবে।’
কী সেই বড় স্বপ্ন?
ড. সুকোমল মোদকের মতো আমিও তাহের স্যারের এক দিনের ছাত্র। বুয়েটে স্যার বদলি শিক্ষক হিসেবে এক দিনই নিয়েছিলেন আমাদের ক্লাস। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় স্যারের সামনে হাজির হই আমরা—আমি, নুরুন্নবী চৌধুরী ও আলোকচিত্রী সাজিদ হোসেন। স্যার ছাত্রকে পেয়ে খুশি হন। তাঁকে প্রশ্ন করি, ‘এই যে নিউইয়র্ক টাইমস লিখেছে এটা, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল আপনাকে নিয়ে লিখেছে বড় প্রতিবেদন, নানা বিজ্ঞান সাময়িকীতে লেখা হচ্ছে, কেমন লাগে আপনার?’
তিনি উদাস হন। তাঁর চোখ চলে যায় স্বপ্নের জগতে। বলেন, ‘স্বপ্নটাই বড়। আমি রোজ ঘুম থেকে উঠি, আরও আত্মবিশ্বাসী হই, পারব। এই যে সাত দিন কাজের বাইরে আছি, আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গেছে।’
ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. তাহেরের নেতৃত্বে তাঁর ছাত্ররা করছেন এক স্বপ্নময় গবেষণা। তাঁরা জীবন্ত রোবট তৈরি করেছেন। আণুবীক্ষণিক আকারের এই রোবট আপনাআপনি সাঁতার কাটতে পারে মানুষের রক্তনালিতে। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে নেচার পত্রিকায় প্রথম বেরোয় এই সাফল্যের খবরটি। তারপর এটা এসেছে অনেক বড় বড় প্রচারমাধ্যমে। আর টেকনিক্যাল জার্নালে বেরোচ্ছে টেকনিক্যাল প্রবন্ধ।
কেন ড. তাহেরের এই কাজটা বৈপ্লবিক? কেন নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, এটা হতে যাচ্ছে ২০১৬ সালে প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বড় ঘটনা?
তাঁরা প্রথমে হৃৎপিণ্ডের কোষ থেকে বানিয়েছেন সেই বায়ো-বট যা, সাঁতার কাটতে পারে। এখন তাঁরা বানাচ্ছেন স্টেমসেল থেকে নেওয়া নিউরন আর পেশিকোষ সমন্বয়ে জৈব রোবট। নিউরনগুলোকে এই রকম দীক্ষা দেওয়া হবে যে তারা নিজে নিজেই সংকেত পাবে, কোথায় তাদের যেতে হবে, ধরা যাক, ক্যানসার সেলে চলে যাবে এই রোবট, নিউরনের নির্দেশে। সেখানে প্রতিষেধক উৎপাদনকারী কিছু কোষগুলো নিজে নিজেই ক্যানসার সেলকে ধ্বংস করার উপাদান নিঃসরণ করবে। তাহলে আর বাইরে থেকে ক্যানসারের কোনো ওষুধই দিতে হবে না। এই রকম আরও অনেক রোগের বেলায়ও বাইরের কোনো রাসায়নিক ওষুধই দেওয়া দরকার পড়বে না। সেটা ঘটলে ঘটে যাবে সত্যিকারের বিপ্লব। চিকিৎসাবিজ্ঞান যাবে পাল্টে। এই বড় স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

রক্তনালিতে ঘুরে জীবন্ত রোবট ক্যানসার কোষ খুঁজে বের করবে এবং ধ্বংস করবে
এই কাজে ২০১৪-এর পরে তাঁরা অনেক দূর এগিয়ে গেছেন। আশা করছেন, ২০১৬তে তাঁরা নিউরন ও পেশিকোষের এই রোবটকে সংকেত চেনানোর কাজটাও করে ফেলতে পারবেন।
‘আপনি এই সব বলে দিচ্ছেন কেন? অন্য কেউ তো এটা করে ফেলতে পারে?’
তিনি একটু চিন্তিত হন। বলেন, ‘হ্যাঁ, বিজ্ঞানীরা এমনটা করে ফেলতে পারেন। তবে কাজটা সহজ নয়। আর যদি কেউ করেই ফেলে, তাহলেও তো মানুষের উপকার হবে। করুক।’
তাঁর স্ত্রী শাহনীলা চৌধুরীও শিক্ষকতা করেন। ছেলে ফারযাদ সাইফ ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রথম বর্ষে পড়ছেন, মেয়ে ফাইজা সাইফ পড়ে ক্লাস নাইনে। বাবা সাইফুর রহমান ছিলেন সরকারি চাকুরে। বদলির চাকরি বলে বাবার সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলে কেটেছে তাঁর শৈশবের দিনগুলো। বা

Quadcopter[drone]Made by *  Lipton Islam*Sazedur Rahman Saju4th year;EEE;JUST.
18/12/2015

Quadcopter[drone]
Made by
* Lipton Islam
*Sazedur Rahman Saju
4th year;EEE;JUST.

অাপনারা কি এই নায়ক কে চিনেন? যে পৃথিবীকে রক্ষা করেছিল!!  :)
04/11/2015

অাপনারা কি এই নায়ক কে চিনেন?
যে পৃথিবীকে রক্ষা করেছিল!! :)

22/10/2015
Sunnysky V2216 800KV Outrunner Brushless MotorDescription:Item Name: Sunnysky V2216 800KV Outrunner Brushless MotorStato...
21/10/2015

Sunnysky V2216 800KV Outrunner Brushless Motor
Description:
Item Name: Sunnysky V2216 800KV Outrunner Brushless Motor
Stator diameter: 22mm
Stator length: 16mm
Shaft diameter: 3mm (no exposing part)
Motor size: Φ27.8×34mm (diameter x length)
Weight: about 75g
Cell number: 2-4S
Max current: 17A
Max power: 180W
Max Efficiency Current: (5 -15A) >80%
Prop Adaptor Shaft Diameter: 5mm

price- 1600 TK / 1 pic

এই রোবট তৈরী করেছেন অামাদের যবিপ্রবির ৪র্থ বর্ষের ছাএ মোঃ লিপটন ইসলাম। Congratulations for his brilliant and greatest wo...
16/09/2015

এই রোবট তৈরী করেছেন অামাদের যবিপ্রবির ৪র্থ বর্ষের ছাএ মোঃ লিপটন ইসলাম। Congratulations for his brilliant and greatest work.

16/09/2015

আমাদের অেনক এ Microconroller সম্পরকা জািন না।
Microcontroller Arduino Unoএর িকছু তথ্য,,, USB Interface:
Arduino Uno তে প্রোগ্রাম লোড করার জন্য
কম্পিউটারের USB পোর্টের সাথে সংযোগ করার
জন্য এই পোর্টটি ব্যবহার করা হয়।
External Power Supply: বাইরে থেকে Arduino Uno তে
পাওয়ার সাপ্লাই দেয়ার জন্য এই পোর্টটি ব্যবহার
করা হয়। এই পোর্টে ৭-১২ ভোল্ট পর্যন্ত পাওয়ার
সাপ্লাই দেয়া যাবে। উল্লেখ্য যে, আপনি যদি
কম্পিউটারের USB পোর্টের সাথে Arduino Uno
সংযোগ করে রাখেন তাহলে আর বাইরে থেকে
Arduino Uno তে পাওয়ার সাপ্লাই দেয়ার প্রয়োজন
নেই।
Power LED: Arduino Uno কে কম্পিউটারের USB পোর্টের
সাথে সংযুক্ত করলে বা বাইরে থেকে Arduino Uno
তে পাওয়ার সাপ্লাই দেয়া হলে, এই এলইডি টি
জ্বলতে থাকে, যা নির্দেশ করে Arduino Uno টিতে
পাওয়ার সাপ্লাই আছে।
ATmega328:এটা ATMEL এর AVR সিরিজের একটা
মাইক্রোকন্ট্রোলার । Arduino Uno মূলত ATmega328
মাইক্রোকন্ট্রোলারের একটা ডেভলপমেন্ট বোর্ড ।
সকল প্রোগ্রাম এই মাইক্রোকন্ট্রোলারটিতে জমা
থাকে, এর মাধ্যমেই Arduino Uno এর সকল কার্যক্রম
পরিচালিত হয়।
ICSP Header: ATMEL এর AVR সিরিজের মাইক্রোকন্ট্রোল
ার সমূহ প্রোগ্রাম কারার জন্য ICSP পোর্ট ব্যবহার করা
হয়। এই পোর্টটি ব্যবহার করে এক্সটার্নাল
প্রোগ্রামার থেকেও প্রোগ্রাম লোড করা যাবে।
Reset Button: কোনো কারণে Arduino তে কোন
প্রোগ্রাম রান থাকা অবস্থায় রিসেট করার প্রয়োজন
হলে Reset Button ব্যবহার করা হয়।
Power Pins: এই পোর্ট থেকে 5v, 3.3v এবং GND থেকে DC
সাপ্লাই নিয়ে অন্যান্য সার্কিট উপকরণ সমূহে
সাপ্লাই প্রদান করা যায়।
Digital Pins: 0-13 মোট ১৪ টি পিন রয়েছে যেগুলোকে
ডিজিটাল ইনপুট/আউটপুট পিন হিসেবে ব্যবহার করা
যায়। এই পিনগুলো দুইটা লজিক স্টেট লজিক HIGH এবং
লজিক LOW তে অপারেট হয়।
Analog Pins: মোট ৫ টি পিন রয়েছে এনালগ ইনপুট গ্রহণ
করার জন্য। ADC( এনালগ টু ডিজিটাল কনভার্সন)
অপারেশনে এই পিনগুলো ব্যবহার করা হয়।
ট্যাম্পারেচার সেন্সর বা এধরণের সেন্সর এনালগ
ইনপুটে সংযুক্ত করে সেন্সর থেকে বিভিন্ন এনালগ
ভ্যালু গ্রহণ করার জন্য এনালগ ইনপুট সমূহ ব্যবহার করা হয়।
Test Led: ১৩ নং ডিজিটাল ইনপুট/আউটপুট পিনে একটা
এলইডি Arduino Uno তে যুক্ত রয়েছে,যা ঐ পিনের
লজিক স্টেট নির্দেশ করে।
Rx/Tx LED: কম্পিউটারের সাথে UART
কমিউনিকেশনের মাধ্যমে ডাটা ট্রান্সমিট এবং
রিসিভ করার সময় এই এলইডি দুইটি জ্বলানেভা করে।

By lipton islam
4th year;EEE;JUST.

IRC-২০১৪ সাফল্য: যন্ত্র-মানুষের চাওয়া-পাওয়া !January 20, 2014 by Shadman Sakibছবিতে বাঁ থেকে- অনিক, শুভ,তানভীর, আমি আর ই...
30/07/2015

IRC-২০১৪ সাফল্য: যন্ত্র-
মানুষের চাওয়া-
পাওয়া !

January 20, 2014 by Shadman Sakib

ছবিতে বাঁ থেকে- অনিক, শুভ,
তানভীর, আমি আর ইমাম।
ইউনিভার্সিটি নিয়ে আমার
অনেক স্বপ্ন ছিল… অনেক ।
ইলেক্ট্রনিক্স, প্রোগ্রামিং অনেক
ভাল লাগত – ভাবতাম
ইঞ্জিনিয়ারিং যদি পড়িই – এই
দুটোতে বা মেকানিক্যালে পড়ব
(তবে সবথেকে বেশী চাইতাম
ফিজিক্সে পড়ার যদিও এখন বুঝি
ওটার জন্য দরকারী এত ভাল ম্যাথ
আমি জীবনেও পারতাম না ) এই
তিনটা বিষয়কে একসাথে করলে
আসলে মানুষের সৃষ্টির আর কোন
সীমা থাকে না । কিন্তু আমি সেই
চান্স পাই নাই । বুয়েটে সিরিয়াল
ছিল পিছনের দিকে । EEE/CSE/ME
ভাগ্যে জোটে নাই । তবুও “বুয়েট”
সীলটার লোভে পড়ে লাইফের সব
প্ল্যান চেঞ্জ করে এখানেই ভর্তি
হলাম নেভাল আর্কিটেকচারে ।
ক্লাস শুরু হওয়ার পর থেকে একটা বছর
আমি শুধু হতাশ হয়ে পড়ে ছিলাম ।
ছোট থেকে স্বপ্নের
“বিশ্ববিদ্যালয়” এর সাথে
বাস্তবটাকে মিলিয়ে হতাশ হয়ে
বসে থাকতাম … আমি যে লাইফটা
চাইতাম সেটা পেতাম না ।
প্রোজেক্ট , কম্পিটিশনের কোন
খবরই পেতাম না । শুধু কম্পিউটার আর
ইলেক্ট্রিকালেই মনে হয় এসবের
একটু ট্রেন্ড আছে এখন ।
মেকানিক্যালে আগে ছিল, এখন খুব
কম ।
এই সময় মাঝে মাঝে আমি
ভাবতাম- এখানে থেকেই আমি
আমার পছন্দের সব কাজ করে ফেলব ।
EEE , CSE এর ছেলেপেলে আমাকে
হিংসা করবে । কিন্তু নিজের মত
করে আগাতে পারছিলাম না । দুই
দিন স্পিরিট থাকে, ৩ দিন থাকে
না । খুবই আগোছালো ভাবে
হচ্ছিল সবকিছু।
একসময় বুঝতে পারলাম
একাডেমিকালি ওদের সমান আমি
কখনই হতে পারব না । ওরা এদেশের
বেস্ট ভার্সিটিটার টিচারের
কাছে পড়ছে, ল্যাব করছে । একটা
স্ট্র্যাকচারড ওয়েতে ৪ টা বছর
তারা সবকিছু পড়তে থাকবে, সব
জানবে । আমার এই “শখের” ,
ইন্টারনেট ভিত্তিক পড়াশুনা আর
ওদেরটায় আসলে আকাশ- পাতাল
তফাৎ ।
হুহ…
ক্লাসের রেজাল্ট ছিল প্রায়
সবথেকে খারাপ , অন্য দিকেও
পুরো শুণ্য ।
এ সময় আমাকে অনেক কিছু
শিখিয়েছেন মেকানিক্যালের
শোভন ভাইয়া । নটরডেমে থাকতে
একটা সাইন্স ফেয়ারে প্রাইজ
পেয়ে আমি তার সুনজরে
পড়েছিলাম । তাকে আমি আমার
গুরু মানি । থ্যাঙ্কস ভাইয়া ।
এরকম সময়ে তানভির আহমেদের এর
সাথে আমার পরিচয় হয় । বুয়েটের
ইলেক্ট্রনিক্সের ছাত্র । সেও চাইত
অনেক কিছু করতে । স্পেশালি
রোবটিক্সে । অনেক কথা হল, গল্প হল
। কিন্তু কাজের কাজ আসলে কিছুই
হয়নাই ।
কদিন পর বুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল
ডিপার্টেন্টে একটা লাইন
ফলোয়িং রোবটের কন্টেস্ট হয় ।
ওখানে তানভিরের দল অংশ নেয়
এবং থার্ড হয় । তানভিরের
মাধ্যমে ওর ওই টীমের দুই গ্রুপমেট
ইমাম আর ফয়সাল এর সাথে পরিচয় হয়
। জানলাম সামনে একটা কন্টেস্ট
আছে- রুয়েটে । নাম
“মাইক্রোমাউস”।বাইরের দেশে
অনেক আগে থেকে হয় । কিন্তু
বাংলাদেশে ওটাই ছিল প্রথম ।
তানভির, অনিক ইমাম আর হাকিম ওই
কন্টেস্টের জন্য কাজ শুরু করার
চিন্তা ভাবনা করছিল । ওদের
সাথে দল বেঁধে আমিও কাজ শুরু
করি । টিম রেজিস্ট্রেশনের
শেষদিন এক বৃষ্টিভেজা বিকালে
টিমের নাম খুজছিলাম আমি আর
তানভীর । শেষ পর্যন্ত নাম দেই –
“ErfindeR” । জার্মান একটা শব্দ ।
মানে উদ্ভাবক । এরফাইন্ডারের
ব্যানারে আমরা আমাদের ফার্স্ট
কন্টেস্টে যাই রুয়েটে ।
চ্যাম্পিয়ন হই ।
আবার আস্তে আস্তে মনের জোর
ফিরে পাচ্ছিলাম । সে বছরই হয়
প্রথম IRC (ইন্টারন্যাশনাল রোবটিক্স
চ্যালেঞ্জ) এবারের ভেন্যু বুয়েট ।
হাকিম দল ছেড়ে দেয় । নতুন আসে
অনিক । অনেক বড় একটা ইভেন্ট তাই
অনেক আশা নিয়ে কাজ করে যাই ।
কিন্তু দুরদর্শিতার অভাবে আর কাজ
শেষ করতে পারি না । তবুও থার্ড হই
। প্রথম দুটো টিম যায় ভারতে
ইন্টারন্যাশনাল রাউন্ডে ।
অনেক কষ্ট করেছিলাম, টাকা
ঢেলেছিলাম এই কন্টেস্টের জন্য ।
তাই ইন্ডিয়া যেতে না পেরে
আমরা বিশাল ধাক্কা খাই ।
এই সময়ে আবার আমার কিছু
ব্যাক্তিগত সমস্য তৈরী হয় এবং
রেজাল্টও অনেক খারাপ করি ।
আবার সবকিছু ছেড়েছুড়ে দেই । এর
কয়দিন পর হয় GRC: গ্লোবাল
রোবটিক্স চ্যালেঞ্জ ।
বাংলাদেশ রাউন্ডে ফার্স্ট হলে
ইন্ডিয়া । দলের বাকি তিনজনই মূলত
সব কাজ করে ফেলে । কন্টেস্টের
দিন প্রথম রাউন্ডে বিশাল
ব্যাবধানে আমরা ফার্স্ট হই প্রায়
২৬ টা টিমের মধ্যে । কিন্তু
সেকেন্ড রাউন্ডে গিয়ে আমাদের
রোবটের সেন্সরের তার খুলে
গিয়েছিল । ব্যাপারটা বুঝতে
আমাদের সময় লাগে । পরে অনেক
করে বলেও আমরা একটা এক্সট্রা
রিস্টার্ট দিতে পারিনি ।
জাজরা রাজি হয়নি ।
এবার আমার কষ্ট ছিল কম । কিন্তু
তানভীর আর অনিক একদম ভেঙ্গে
যায় । আর ইমাম তো সবসময়ই ধীর
স্থির মানুষ । কোন কিছুই তাকে
হতাশ করতে পারে না …
পরে অবশ্য জাজরা আমাদেরকে
একটা অনারেবল মেনশন দিয়েছিল

এরপর আমি আর ফোকাস করতে
পারি না । বুঝতে পারি ইন্টারেস্ট
সব উবে গেছে । ঠিক করি দল
ছেড়ে দেব । তারপর অন্য কিছু করব-
পেপার লিখব । কন্টেস্ট আর না ।
ওদিকে কিছুদিন পর বাকিরাও অন্য
দিকে ইন্টারেস্টেড হয়ে যায় ।
রোবটিক্স আর না ।
তখনই খবর আসে এই বছরের IRC এর ।
ডিসিশন নেই এটাই হবে
এরফাইন্ডারের শেষ রোবট কন্টেস্ট ।
এটা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে
আবার ঠিক করি রোবট নিয়ে একটা
পেপারও আমরা লিখে ফেলব ।
আমি প্রায় এক দুই মাস ধরে একটা
মডেল দাড় করাই । তারপর তানভির
আর অনিকের সাথে এডিট করতে
থাকি । আমদের প্রথম পেপার
এক্সেপ্টেড হয় । যদি আর কাজ করা
ছেড়ে দিতাম পেপারটা আসলে
পাব্লিশ হত না- আমি জানি ।
আমাদের শেষ তাসটা ছিল IRC
2013-14 । আমরা সবাই খুব চাচ্ছিলাম
শেষটা যেন খুব ভালমত হয়…
চ্যাম্পিয়ন হয়ে শুরু করেছিলাম,
চ্যাম্পিয়ন হয়েই যেন শেষ হয়!
আমাদের টার্গেট ছিল
রিজিওনালে চ্যাম্পিয়ন হওয়া –
কিন্তু তা হয়নি । ২ রাউন্ডে
সিলেকশন হয়েছিল । প্রথম রাউন্ডে
কোন একটা অজানা কারনে আমরা
যাচ্ছেতাই রকমের খারাপ করি ।
তবে সেকেন্ড রাউন্ডে বিশাল
ব্যাবধানে এগিয়ে থাকি – গড়ে
খুব অল্প কিছু ব্যাবধানে আমরা
সেকেন্ড হই । ফার্স্ট হয় আমাদের
বন্ধুদেরই একটা দল – বুয়েট রেক্স ।
অসম্ভব সৃজনশীল এই দলটাকে আমরা
সবসময়ই রেসপেক্ট করতাম । আর তাই
ওদের সাথেই ইন্টারন্যাশনল
রাউন্ডে যাচ্ছি- এতে আমরা
অনেক খুশি হই।
এশিয়ার সবথেকে বড়
টেকনোলজিকাল উৎসব – Techfest.
ভারতের IIT BOMBAY তে প্রতি বছর
অনুষ্ঠিত এই উৎসবের একটা পার্ট হল-
IRC তথা International Robotics Challenge.
এবারে বাংলাদেশের
বাছাইপর্বে দ্বিতীয় হবার
বদৌলতে আমরা আমন্ত্রণ পাই
ভারতে ফাইনাল রাউন্ডে
প্রতিযোগিতা করার । যেখানে
আমাদের প্রতিপক্ষে থাকবে
ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান,
নেপাল, ফ্রান্স, সুইডেন, দক্ষিন
আফ্রিকা, মিশর, রাশিয়া,
ইথিওপিয়া ও থাইল্যান্ড থেকে
আসা দল ।
এটা ছিল আমার জীবনে প্রথম
বাংলাদেশের বাইরে যাওয়া …
ভারতে ১১ দিন ছিলাম – ফিরে
এসেছি অসাধারণ সব স্মৃতি নিয়ে,
অভিজ্ঞতা নিয়ে। বাংলাদেশ
থেকে আমরা ৪ টা দলে মোট ১৬ জন
গিয়েছিলাম কন্টেস্টে । প্রথমে
কোলকাতা , সেখান থেকে ৩১
ঘন্টা ট্রেনে করে মুম্বাই ।
সেখানে আমরা সব দল একসাথে হই ।
একসাথে অপুর্ব কয়েকটা দিন
কাটিয়েছি ওখানে । ফারসিদ
ভাই, টিপু ভাই, মহসিন ভাই, নাভিদ
ভাই – যাদেরকে এতদিন আমি শুধু
রোবটের এরেনায় দেখেছি-
তাদের সাথে এবার দেখলাম
অনেকগুলো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ
সাইট … আমার দল এই
প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হয়েছে ।
প্লেসের ভিত্তিতে দেশের
র্যাঙ্কিং করা হলে
বাংলাদেশের অবস্থান ২য় ।
বাংলাদেশের ৪ টা দলই ছিল প্রথম
১০ এর মধ্যে ।
একটা জিনিস এখানে বলা উচিৎ –
দেশের মধ্যে যখন কোন কন্টেস্ট হয় –
নিজের ক্লাসের বাইরে কেউ
কিন্তু বিজয়ীদেরকে চেনে না-
চেনে তার ভার্সিটিকে । আমরা
জিজ্ঞাসা করি- “এবার ACM এ কে
ফার্স্ট হইছে রে?” উত্তর আসে-
“শাহাজালাল” ।
স্টুডেন্ট এখানে খুব মাইনর । সে
একটা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ।
আন্তর্জাতিক কন্টেস্টেও সেরকম
ব্যাক্তি, প্রতিষ্ঠান বলে কিছু নেই
। মানুষ শুধু জানে শ্রীলঙ্কা ফার্স্ট
হয়েছে, বাংলাদেশ থার্ড । আর
এজন্যই মনে হয় আমরা ৪ টা দল
আলাদা কিছু ছিলাম না।
ফারসিদ ভাইয়াদের রানে আমি
তাদের দলের মেম্বার সেজে
ভিডিও করতে উঠে যাই, আমরা
ম্যাচে জিতলে সবার আগে
স্টেজে উঠে জড়িয়ে ধরে জাহিন,
আর ফাইনাল রানের ১০ মিনিট
আগে অজানা কারনে নষ্ট হওয়া
ব্যাটারি ফেলে দিয়ে ফারসিদ-
টিপু-মহসিন ভাইয়ের রোবট থেকে
ব্যাটারি খুলে সোলডার করে
আমরা ঊঠে যাই রান দিতে ।
তারা না থাকলে ওই রান আমরা
দিতেই পারতাম না । অর্থাৎ
“বুয়েট-ক্রিপ্টোনাইট” না থাকলে
“এরফাইন্ডার” দল কখনোই সেকেন্ড
রানার আপ হতে পারত না …
লিটারেলি।
আমার কাছে মনে হয় জীবনে
মজাটাই সব । যেটা মজা লাগে
না- যেটা ঝামেলা লাগে-
সেটা কেন করব ? সেই হিসেবে –
আনন্দের খোরাক হিসেবে দেখলে
এই ট্যুর এ প্লাস পাবে । এই ১১ দিনে
একটু পরপরই যেভাবে অবাক হয়েছি,
মুগ্ধ হয়েছি,নতুন কিছু দেখেছি,
শিখেছি- সেটা জীবনে আগে
কখনো হয় নাই । প্রকৃতি কতটা সুন্দর
হতে পারে, মানুষের সৃষ্টি (রোবট
কিংবা বিল্ডিং) কতটা
অসাধারণ হতে পারে তা আবার
নতুন করে মস্তিষ্কে স্কেলিং
করতে হয়েছে!
আমাদের অর্জন খুব বেশী না । কিন্তু
যেটুকুই অর্জন করেছি তা তখন
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ওই
পুরো ১৬ জন মিলেই করেছি । আর
এখন তাও না – এখন করেছি আমরা
সবাই মিলে । র্যাঙ্কিংএ আমি
নাই, র্যাঙ্কিংএ বুয়েট নাই ।
র্যাঙ্কিংএ বাংলাদেশ আছে…
আর এর পেছনে আছে আমার
একটুখানি অবদান!
আহ… এর থেকে সুন্দর অনুভূতি আর কি
হতে পারে ???

সাইন্স ফিকশন গুলো যারা পড়েনতারা Robot সম্পর্কে প্রচুর জানার কথা। হ্যাঁযে সকল রোবট দেখতে মানুষের মততাদেরকেই Humanoid Rob...
05/07/2015

সাইন্স ফিকশন গুলো যারা পড়েন
তারা Robot সম্পর্কে প্রচুর জানার কথা। হ্যাঁ
যে সকল রোবট দেখতে মানুষের মত
তাদেরকেই Humanoid Robot বলা হয়ে থাকে।
Humanoid Robot সম্পর্কে বিস্তারিত বলার
আগে রোবট সম্পর্কে একটু বলি। সহজ ভাষায়
বলতে গেলে রোবট একটা যন্ত্র। যাকে কোন
কাজ বা উদ্দেশ্যে প্রোগাম করলে সে কাজ
সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করে। রোবট দুই ধরনের হতে
পারে, একটা হচ্ছে মেকানিক্যাল
আরেকটা হচ্ছে ভার্চুয়াল। এ দুই ধরনের
রোবোটের প্রধান উপাদান হচ্ছে একটা
মেশিন ও একে কাজে লাগানোর নির্দিষ্ট
প্রোগ্রাম। রোবট বলতে আমাদের সবার
মনেই মানুষের মত দেখতে একটা যন্ত্র বেসে
উঠে, বাস্তবে কিন্তু তা না। রোবট বিভিন্ন
রকমের হতে পারে, মনে রাখতে হবে রোবট
একটা যন্ত, প্রয়োজন অনুযায়ী যার যে কোন
রূপ হতে পারে । যা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়
শিল্প কারখানায়, গবেশনায়, বিরক্তি কর আর
ঝুকি পূর্ন কাজে।
রোবট শিল্পে বাংলাদেশের অগ্রগিতি
অনেক এগিয়ে গিয়েছে। রোবট নিয়ে
কয়েকদিন ধরেই ব্লগ ও পত্রিকা গুলোতে
প্রকাশ হওয়া একটি উত্তেজনা কর খবর হচ্ছে
নাসার লুনাবোটিকস মাইনিং
প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অংশ গ্রহন।
আর এ দল যাচ্ছে শিবলী ইমতিয়াজ হাসান
নেতৃত্ত্বে বাংলাদেশের ব্র্যাক
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাদের ব্র্যাকইউ
চন্দ্রবোট নিয়ে

Address

Jessore
7401

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Magnetism and Technology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Magnetism and Technology:

Share