Nazmul Electric and Electronics

Nazmul  Electric and Electronics পেইজ টিতে সবাই লাইক দিবেন প্লিজ বিভিন্ন প্রাকার ইলেকট্রনিক ইলেক্টিকাল এর বিষয়ে জানতে পারবেন

রাস্তা ছাড়েন প্লিজ।           কই যাইবেন মিস?ঔষুধ আনতে ভাই।           আজ তোরেই চাই।দোষটা কি আমার?          তুই রসের খামার...
18/10/2022

রাস্তা ছাড়েন প্লিজ। কই যাইবেন মিস?
ঔষুধ আনতে ভাই। আজ তোরেই চাই।
দোষটা কি আমার? তুই রসের খামার।

কইরেন না সর্বনাশ! এইটা আমার অভ্যাস!
অসুস্থ মা'টা বাসায়। আমার কি আসে যায়?
মানুষ ডাকবো কিন্তু৷ এখানে নাই জীব-জন্তু।

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দম! চুপ! কথা বলবি কম।
ছেড়ে দে জানোয়ার। মিটাই আশা একবার।
নাইরে তোর মা-বোন। চুপ! করবো কিন্তু খুন।
নরপিশাচ একটা তুই, আয় সর্বাঙ্গে তোর ছুঁই।
বাঁচাও,বাঁচাও,বাঁচাও। চেঁচাও জোরে চেঁচাও।

অতঃপর জানোয়ারটা পৈশাচিক আনন্দ মেতে ওঠে।অভুক্ত কুকুরের ন্যায় খাবলে খেতে থাকে মেয়েটার আপাদমস্তক।একটা সময় পর কুকুরটা ক্লান্ত হয়ে পরে।তারপর মেয়েটা গোঙ্গাতে গোঙ্গাতে বলতে লাগলো,

একটু পানি যদি পাই, হারামজাদি পানি নাই।
বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শ্বাস। কিছুক্ষন পর হবি লাশ!
জীবনটা দেন ভীক্ষা। পরে দিবি আমায় শিক্ষা।
ভুলে যাব ঘটনা সব। জানি পরে হবে কলরব!

কেউ জানবে না কিছু। শুধু পুলিশ নিবে পিছু।
চুপ থাকব আজীবন। ঘটাতে পারিস অঘটন!
শুধু ভিক্ষা চাচ্ছি প্রাণ! এখন নিবো তোর জান।

এভাবেই শত শত মা-বোনের প্রাণ রোজ হচ্ছে শেষ ;
ধর্ষক বেঁচে যায়,ধর্ষণ করে যায় এর নাম বাংলাদেশ।
ধর্ষণ

Copy post

কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল ও পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন গত সোমবার (১৭ অক্টোবর ২০২২) অনুষ্ঠি...
18/10/2022

কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল ও পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

গত সোমবার (১৭ অক্টোবর ২০২২) অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ নির্বাচন-২০২২'র ফলাফলকে অবৈধ,বেআইনি ও পক্ষপাতমূলক অভিযোগ করে উক্ত ফলাফল বাতিল ও পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন কুষ্টিয়া সদর (০৪ নং ওয়ার্ড) আসনের সাধারণ সদস্য পদপ্রার্থী মামুন অর রশিদ।তিনি ঢোল প্রতীক নিয়ে এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর ২০২২) সন্ধ্যা ৬:৩০ টায় কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের আব্দুর রাজ্জাক মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

তিনি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন,আমি মোঃ মামুন-অর-রশিদ, পিতা- মোঃ আলী হোসেন, সাং- দরবেশপুর, থানা ও জেলা- কুষ্টিয়া। কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ নির্বাচন- ২০২২ এ সদর উপজেলার ৪ নং ওয়ার্ডের সাধারন সদস্য প্রার্থী। আমি নিজে এবং জনাব জহুরুল ইসলাম সহ আরো ৬ জন সহ মোট ৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। অদ্য ১৭/১০/২০১২ ইং তারিখে সকাল ৯.০০ টা হইতে দুপুর ২.০০ ঘটিকায় আমার মানোনীত দুই জন এজেন্ট যথাক্রমে মোঃ রেজাউল করিম ও মোঃ মাহমুদুল হাসান দ্বয়ের উপস্থিতিতে দুইটি নির্বাচনী বুথে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। আমার ওয়ার্ডে আমার বিপুল জনপ্রিয়তা থাকায় শতকরা ৭০ ভাগের বেশি ভোটার আমার অনুকূলে নিশ্চিতভাবে ভোট দেয়। কিন্তু ভোট গ্রহণ শেষে জনাব জহুরুল ইসলাম ও তাহার লোকজন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ইভিএম মেশিনে প্রোগ্রামিংয়ে এবং নির্বাচন গ্রহণ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশে আমার নির্বাচনী প্রতীক (ঢোল) এর স্থলে জনাব জহুরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রতীক (তালা) এর রুপান্তর বা পরিবর্তন দেখানোর চেষ্টাকালে আমার বর্ণিত এজেন্টগণ বাধা দেয়। আমার এজেন্টগণ এবং আমি প্রিজাংডিং অফিসার সুখেন কুমার পাল ও কুষ্টিয়ার সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার শহিদুর রহমান এর নিকট মৌখিকভাবে আপত্তি উত্থাপন করলে তারা তা কর্ণপাত করেন নাই। একপর্যায়ে জহুরুল ও তার দলীয় লোকজন আপনার অধস্তন কর্মকর্তা ও দায়িত্বরত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় আমার এজেন্টগণকে জোর পূর্বক বুথ হতে বের করে দেন। নিয়ম অনুযায়ী ইভিএম মেশিনে প্রিন্টটেড রেজাল্ট শীট না দিয়ে। প্রিজাইডিং অফিসার ও সদর উপজেলার নির্বাচন অফিসার পাশের রুমে নিয়ে ছিড়ে ফেলেন। তড়িঘড়ি করে তারা হাতে লেখা রেজাল্ট শীট পকেট থেকে বের করে বিনা ঘোষনায় উক্ত রেজাল্ট শীট দিয়ে তারা প্রশাসনের সহযোগীতা নিয়ে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করেন। প্রকৃতপক্ষে তারা সঠিকভাবে গণনা ও সঠিক ফলাফল দেন নাই। ইভিএম মেশিনে প্রিজাইডিং অফিসার ও তার অধস্তন কর্মকর্তারা জনাব জহুরুল ইসলাম এর দ্বারা প্রভাবিত হইয়া অন্যায় ও অবৈধভাবে উক্ত ভোটের ফলাফল ম্যানুপুলেট করতঃ জহুরুল ইসলামকে বিজায় দেখানোর প্রয়াস নিয়েছেন। যাহা অবৈধ, বেআইনী এবং পক্ষপাত মূলক। ইভিএম বিশেষজ্ঞ দ্বারা আমার ৪ নং ওয়ার্ডের প্রোগ্রামিং এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি পর্যবেক্ষণ তৎসহ ফুটেজ যাচাই বাছাই করিয়া জনাব জহুরুল ইসলামকে বিজয় দেখানো ফলাফল বাতিল পূর্বক পুনরায় ভোট গ্রহণ একান্ত আবশ্যক। উক্ত বিষয় নিয়ে আমি তাৎক্ষনিকভাবে জেলা রিটার্নিং অফিসার, জেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও উপজেলা প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।
উল্লেখ্য, তিনি কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ নির্বাচন-২০২২'র প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বরাবর আবেদিত দরখাস্তের অনুলিপি প্রধান নির্বাচন কমিশনার,কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ নির্বাচন-২০২২,জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, কুষ্টিয়া ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কুষ্টিয়া সদর বরাবর প্রেরণ করেছেন।

কুমারখালীতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার কুমারখালীর আলাউদ্দিন নগর এ হেলথকেয়ার ফার্মাসিটিক্যালস ল...
18/10/2022

কুমারখালীতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর আলাউদ্দিন নগর এ হেলথকেয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড ও খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে বিনামূল্যে ২ দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গল ও বুধবার ২ দিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত আলাউদ্দিন নগর তহিরন নেছা হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।

সকালে হেলথকেয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড এর চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আহমেদ এবং তহিরন নেছা হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর সিইও মোকাররম হোসেন চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।

চোখের ছানি অপারেশনের রোগীদের বাছাই করে খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনা খরচে যাওয়া-আসা, থাকা খাওয়া, ওষুধ, লেন্স ও কালো চশমা দেওয়া হবে। এবং দুদিন ব্যাপী চোখের বিভিন্ন ধরনের রোগীদের খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের দুইজন চিকিৎসক চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন বলে জানান আয়োজকরা।

নিরপেক্ষ  নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে আ.লীগ :কুষ্টিয়ায় হানিফ কুষ্টিয়া১৮ অক্টোবর ২০২২,কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ...
18/10/2022

নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে আ.লীগ :কুষ্টিয়ায় হানিফ

কুষ্টিয়া
১৮ অক্টোবর ২০২২,
কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহবুব উল আলম হানিফ
কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহবুব উল আলম হানিফ।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি দেশে জাল-জালিয়াতির নির্বাচন করেছে। এই দেশে আওয়ামী লীগই একেবারে শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। বিএনপি বা অন্য কোনো দলের সেই ইতিহাস নেই। নির্বাচনের মাধ্যমেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সকাল নয়টায় কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মাহবুব উল আলম হানিফ। সেখানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে হানিফ এসব কথা বলেন।

মাহবুব উল আলম হানিফ আরও বলেন, ‘দেশকে যদি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হয়, সে ক্ষেত্রে শেখ হাসিনাকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা উচিত। ওনার (শেখ হাসিনা) তত দিন শারীরিক সক্ষমতা হবে কি না, সেটা জানি না। তবে দেশের জনগণ যত দিন চাইবে, তত দিন আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকবে। এতে অন্যের মাথাব্যথা হওয়া বা কষ্ট হওয়ার কোনো কারণ নেই। কষ্ট হলেও কোনো লাভ নেই।

‘বিএনপির জনস্রোত দেখে আওয়ামী লীগ ভয়ে কাঁপছে’—বিএনপি নেতাদের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগ ১৯৪৯ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এ দেশের মানুষের স্বাধিকার, মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলনের জন্য। তখন থেকেই আওয়ামী লীগ রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করে, সভা-সমাবেশ করে এ পর্যায়ে এসেছে। আওয়ামী লীগ সভা-সমাবেশ দেখে বিচলিত হবে, এ কথা যাঁরা বলেন, তাঁদের চিন্তাচেতনা হাস্যকর।

আওয়ামী লীগ নিজেই দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অনেক শক্তিশালী দল। ৭১ বছরের আওয়ামী লীগের শিকড় বাংলার মাটির অনেক গভীরে। আওয়ামী লীগের মতো একটা বটগাছকে ছোটখাটো দু-একটা ধাক্কা দিয়ে কিছু করা যায় না।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জ, জেলা পরিষদের প্রশাসক রবিউল ইসলাম, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতাসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

খেজুরতলা পাটিকাবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠন গাজি রকিব আহমেদ বনি://কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটকাবাড়ি ইউনিয়নের ...
18/10/2022

খেজুরতলা পাটিকাবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠন

গাজি রকিব আহমেদ বনি://কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটকাবাড়ি ইউনিয়নের খেজুরতলা পাটিকাবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের নতুন কমিটির জনাব শারফুদ্দিন আহম্মেদ(মানিক) কে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক কে সদস্য সচিব করে মোট ১২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করা হয়।সকলেই মনে করেন উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও অগ্রসর করতে অগ্রনী ভুমিকা রাখবেন এই নবনির্বাচিত কমিটি এটাই সাধারণ জনগনের একান্তই প্রত্যাশা।

উক্ত কমিটির সম্মানিত সকল সদস্যবৃন্দকে দৈনিক কুষ্টিয়ার খবর পএিকা ও গাজি রকিব আহমেদ বনির পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন।

আসসালামুয়ালাইকুম,,,এই ছেলেটির নাম ইকরাম।বাসা কুষ্টিয়া কুমারখালীর চৌরঙ্গী রসুলপুর গ্রামে।এই ছেলেটা অনেক উঁচু গাছ থেকে প...
18/10/2022

আসসালামুয়ালাইকুম,,,
এই ছেলেটির নাম ইকরাম।
বাসা কুষ্টিয়া কুমারখালীর চৌরঙ্গী রসুলপুর গ্রামে।এই ছেলেটা অনেক উঁচু গাছ থেকে পড়ে মাথায় বড় আঘাত পাইছে ,,এর চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন ,, দরিদ্য পরিবার এর সন্তান আসুন আমরা সবাই এই ভাইয়ের পাশে দাঁড়াই
কতো টাকা কতো যায়গায় খরচ করে ফেলি।তার থেকে কিছু টাকা এই ভাইটাকে দিয়ে সাহায্য করি । যারা সাহায্য করতে চান নিচের নাম্বারে ফোন করুন।আর এই ছেলেটির জন্য দোয়া করবেন সবাই।
01754352260
আহত ছেলের বাবার বিকাশ নাম্বার 01761223829

টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন,__জননী তোমার কি বিয়ে হয়েছে?"মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল"__হ্যাঁ স্যা...
17/10/2022

টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন,

__জননী তোমার কি বিয়ে হয়েছে?

"মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল"

__হ্যাঁ স্যার। আমার একটা দুই বছরের ছেলে

আছে।


টিচার চট করে দাঁড়ালেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন, "আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো। এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললেন,


__মা আজকে তুমিই টিচার। এই নাও চক, ডাষ্টার।

যাও তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো। মেয়েটা বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লেখলো। টিচার বললেন,


এরা কারা? তাদের পরিচয় ডান পাশে লেখো। মেয়েটা এদের পরিচয় লেখলো।


সংসারের সবার নামের পাশে দুই একজন বন্ধু, প্রতিবেশীর নামও আছে। টিচার এবার বললেন,


–লিষ্ট থেকে পাঁচ জনকে মুছে দাও। মেয়েটা তার প্রতিবেশী, আর ক্লাশমেটদের নাম মুছে দিলো।

টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আরো তিন জনের নাম মুছো। মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাশের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে। খুব মনযোগ

দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ

করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে।


সে ধীরে ধীরে তার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নাম মুছলো।

এবং বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো। এখন মেয়েটা রিতিমত

কাঁদছে।


যে মজা দিয়ে ক্লাশটা শুরু হয়েছিলো, সেই মজা আর

নেই। ক্লাশের অন্যদের মাঝেও টানটান উত্তেজন।

লিষ্টে আর বাকী আছে দুইজন। মেয়েটার হাজবেন্ড আর

সন্তান। টিচার এবার বললেন, আরো একজনের নাম মুছো।

কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। কারো নাম মুছতে সে

আর পারছেনা। টিচার বললেন


–মা গো, এইটা একটা খেলা।

সাইকোলজিক্যাল খেলা। জাষ্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে

বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!!!


মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো।

টিচার এবার মেয়েটার কাছে গেলেন, পকেট থেকে একটা

গিফ্ট বের করে বললেন– তোমার মনের উপর দিয়ে যে

ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত। আর এই গিফ্ট বক্সে

দশটা গিফ্ট আছে। তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য।


এবার বলো, কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে। মেয়েটা

বলল- প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম।


কারন তবু আমার কাছে বেষ্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই

রইলো। পরে যখন আরো তিন জনের নাম মুছতে

বললেন, তখন বেষ্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে

দিলাম। ভাবলাম, বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না। আর বেষ্ট

ফ্রেন্ড না থাকলে কি হয়েছে?


আমার কাছে আমার পুত্র আর তার বাবাই বেষ্ট ফ্রেন্ড। কিন্তু

সবার শেষে যখন এই দুইজন থেকে একজনকে মুছতে

বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।


পরে ভেবে দেখলাম, ছেলেতো বড় হয়ে একদিন

আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু

ছেলের বাবাতো কোন দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না।

(collected)

তারেক রহমানকে দেখিনি, দেখার ইচ্ছাও নেই: বিদায়ী তথ্য সচিববাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো তথ্য সচিব মকবুল হোসেন বলেছেন, আমি তারে...
17/10/2022

তারেক রহমানকে দেখিনি, দেখার ইচ্ছাও নেই: বিদায়ী তথ্য সচিব

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো তথ্য সচিব মকবুল হোসেন বলেছেন, আমি তারেক রহমানকে কোনোদিন দেখেছি বলে মনে হয় না। তারেক রহমানকে দেখার ইচ্ছাও আমার নেই।

আজ সোমবার (১৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তর থেকে বিদায় নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে, দুপুর দেড়টায় মন্ত্রণালয়ে আসেন বিদায়ী সচিব। এসময় সাংবাদিকরা তার বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করেন।

লন্ডনে কারো সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে বিদায়ী সচিব বলেন, আমরা লন্ডনে গিয়েছি গত মার্চে। আমরা একটা টিম নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের আশিকুন্নবী ছিলেন। তাকে জিজ্ঞাসা করেন, তাহলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হয় কী, হাতি যখন পাঁকে পড়ে, চামচিকাও লাথি মারে–এমন একটা কথা আছে না। সেটা তো মার্চ মাসে হয়েছে। এখন সেই প্রশ্নটা আসে কী করে। আমি তারেক রহমানকে কোনোদিন দেখেছি বলে মনে হয় না। তারেক রহমানকে দেখার ইচ্ছাও আমার নেই।

যেসব অভিযোগ এসেছে, সেগুলো বস্তুনিষ্ঠ হলে তা প্রকাশ করার অনুরোধও জানান মকবুল হোসেন।

তিনি বলেন, যদি প্রমাণ হয় বিএনপির সঙ্গে আমার যোগাযোগ ছিল, আমি যেখানেই থাকি আমাকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন। যে সারা জীবন একটাকে বিলং করল, যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে, সে বিএনপির লোকের সঙ্গে কানেকশন রাখবে–এটা হয় না। এটা হতে পারে?

মকবুল হোসেন বলেন, কারণটা আমি জানি না–কেন আমাকে অবসরে পাঠানো হলো। কিন্তু সরকারের এ রাইট আছে। এ বিষয়ে কথা বলার কোনো সুযোগ নেই। এ বিষয়ে অতৃপ্তি দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি মানুষ নিজেই সবচেয়ে বড় বিচারক। সুতরাং আমি সেই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে সবসময় প্রস্তুত।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাজে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমার জানা মতে নেই। আমি যতদিন এখানে কাজ করেছি, সততার সঙ্গে করেছি, নিষ্ঠার সঙ্গে করেছি, সরকারকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরো বলেন, আমার জানা নেই, আমার জ্ঞানের মধ্যে নেই, আমার কোনো অপরাধ ছিল কি না বা কোন অপরাধে অবসরে দেয়া হয়েছে, সেটি আমার জানা নেই। যেহেতু এটি সরকার পারেন, আইনের মধ্যেই পারেন, সে জন্য এটি কার্যকর। আমি সরকারের প্রতি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি খুবই শ্রদ্ধাশীল।

অন্যান্য দলের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে মকবুল হোসেন বলেন, এটি আপনারা সাংবাদিক হিসেবে অনুসন্ধান করতে পারেন। সরকারবিরোধী কোনো অ্যাক্টিভিটিজে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল কি না। যদি থেকে থাকে, সেটি আপনারা প্রচার করতে পারেন, আমার পক্ষ থেকে কোনো অসুবিধা নেই।

তিনি বলেন, নিশ্চয়ই ছিল না। আমার আপন বড় ভাই আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন। আমার ভাই আমার ফ্যামিলির। যদি ওখানকার এমপিকে জিজ্ঞেস করেন, আমার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড কী। তাহলে সবচেয়ে ভালো। আমি হল ছাত্রলীগের সহসভাপতিও ছিলাম।’

মন্ত্রীর সঙ্গে দূরত্বের বিষয়ে মকবুল হোসেন বলেন, মানুষ অনেক কথাই বলে। অনেক কিছুই শোনা যায়। শোনা কথা বিশ্বাস না করাই ভালো। আমার পক্ষ থেকে মন্ত্রীর সঙ্গে কেন দূরত্ব থাকবে? আমরা তো সবাই মিলেই কাজ করি। দূরত্বের কথা কেন আসছে আমি জানি না। আমি ওনাকে সম্মান করি।

তিনি বলেন, আমরা এখানে চেষ্টা করেছি, আমাদের অফিস টাইমের পরও সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য, এ মন্ত্রণালয়ের মান-সম্মান-ইজ্জত বাড়ানোর জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগী ছিলাম। আমি এমন কোনোদিন নেই যে দুই ঘণ্টা বেশি কাজ করিনি।

বিদায়ী সচিব বলেন, আমি একটা কথা শুধু বলতে পারি, আমি কখনো আমার জীবনে নীতি-নৈতিকতার সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করিনি।

উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিলেন না জানিয়ে তিনি বলেন, কখনোই (প্রস্তুত ছিলেন না) না, নেভার। কারো বিরুদ্ধে কোনো অনুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

মকবুল হোসেন বলেন, ওটা হলে হয়তো-বা ভালো লাগত, যে এ কারণে এ সিদ্ধান্তটা এসেছে। নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে। হয়তো রাষ্ট্রের কাছে যেটা আছে সেটা আমি জানি না।

এ সময় আবেগতাড়িত হয়ে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, পথেঘাটে দেখা হবে। সচিবালয়ে দেখা হতে পারে। ভুল-অন্যায় হলে ভুলে যাবেন, ক্ষমা করবেন।

এর আগে, গতকাল রবিবার (১৬ অক্টোবর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেনকে অবসর দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেনকে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর ধারা ৪৫ অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি হতে অবসর প্রদান করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আইনের ৪৫ ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ (পঁচিশ) বৎসর পূর্ণ হওয়ার পর যেকোনো সময় সরকার, জনস্বার্থে, প্রয়োজনীয় মনে করলে কোনো কারণ না দর্শীয়ে তাহকে চাকরি থেকে অবসর দিতে পারবে। তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ, সেই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিতে হবে।

স্বাভাবিকভাবে আগামী বছরের (২০২৩ সাল) ২৫ অক্টোবর চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার কথা ছিল মকবুল হোসেনের। কিন্তু শেষ হওয়ার আগেই তাকে অবসরে পাঠানো হলো।

এ ব্যাপারে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, মকবুল হোসেনকে অবসর দেওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি জানেন না। তবে অবসর দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করার বিষয়টি তিনি জানেন।

২০২১ সালের ৩১ মে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন মকবুল হোসেন। এর আগে, তিনি যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, মকবুল বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১০ম ব্যাচের কর্মকর্তা। তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠ প্রশাসনে সহকারী কমিশনার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক এবং জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো এ সরকারি কর্মকর্তা।

কুমারখালীতে চাচার কোপে ভাতিজা আহত! কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধে চাচার হামলায় ভাতিজা আহত হয়েছে। রোববার রাত...
17/10/2022

কুমারখালীতে চাচার কোপে ভাতিজা আহত!

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধে চাচার হামলায় ভাতিজা আহত হয়েছে। রোববার রাতে পৌরসভার সেরকান্দি গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহত হয়েছেন পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের সেরকান্দি গ্রামের তোরাব শাহ এর ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (৩০)।

ভুক্তভোগী উজ্জ্বল হোসেন জানান, দীর্ঘদিন যাবত তার চাচা মকগুল শাহ, মসলেম শাহ ও চাচাত ভাই বিল্লাল হোসেন এবং দুলাল শাহ জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তাদের সাথে শত্রুতা সৃষ্টি করে আসছে। রোববার রাত ১০ টার দিকে হটাৎই তার দুই চাচা ও দুই চাচাত ভাই দেশিয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এসময় তিনি প্রতিবাদ করলে আগন্তুকরা সম্মিলিত ভাবে তার উপর হামলা করে। হামলায় তিনি মারাত্মক ভাবে আহত হন। তাকে রক্ষা করতে মা মিনা খাতুন ও স্ত্রী রুবাইয়া খাতুন এগিয়ে আসলে তাদেরকেও বেধড়ক মারপিট করা হয় বলে জানান তিনি। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এই ঘটনায় তিনি কুমারখালী থানায় অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ওসি মহসিন হোসাইন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

17/10/2022

Address

Kushtia
7010

Telephone

+8801889949670

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nazmul Electric and Electronics posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nazmul Electric and Electronics:

Share

Category