Ratno Engineers

Call Directions Website Contact the business

Ratno Engineers Interior Design,Exterior Design,Renovation, Construction and building maintenance services.

*ভয়ঙ্কর জলসংকটের মুখে আগামী প্রজন্ম: কম্পোস্টিং টয়লেট এবং প্রাকৃতিক কৃষি চর্চাই মুক্তির পথ!*বর্তমানে আমরা আধুনিক সভ্যতার...
19/10/2026

*ভয়ঙ্কর জলসংকটের মুখে আগামী প্রজন্ম: কম্পোস্টিং টয়লেট এবং প্রাকৃতিক কৃষি চর্চাই মুক্তির পথ!*
বর্তমানে আমরা আধুনিক সভ্যতার নামে প্রতিবার টয়লেটের পর যেভাবে ফ্লাশ মেরে ১০-১২ লিটার বিশুদ্ধ পানি অপচয় করছি, তার জন্য আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের সকাল-সন্ধ্যা অভিশাপ দেবে। এখনই সময় আমাদের চিন্তা ও অভ্যাসে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার। আর এই মুক্তির পথ লুকিয়ে আছে দুটি জায়গায়: কম্পোস্টিং টয়লেট এবং প্রাকৃতিক কৃষি।

১. ঘরের ভেতরের সমাধান: কম্পোস্টিং টয়লেট 🚽

একটি সাধারণ ফ্লাশ টয়লেটে প্রতিবার বিপুল পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি নষ্ট হয়। অথচ কম্পোস্টিং টয়লেটে পানির ব্যবহার প্রায় শূন্য!
• এখানে মলত্যাগের পর পানির বদলে করাতের গুঁড়ো বা কোকোপিট ব্যবহার করা হয়, যা দুর্গন্ধ ছড়াতে দেয় না।
• এই বর্জ্য প্রাকৃতিকভাবে পচে চমৎকার 'জৈব সারে' রূপান্তরিত হয়।
• নিরাপদ ব্যবহার: সামাজিক অস্বস্তি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এই সার সরাসরি খাদ্যশস্যে ব্যবহার না করে আমরা বনায়ন, কাঠ উৎপাদনকারী গাছ বা ঘাসের জমিতে (Lawn) অনায়াসে ব্যবহার করতে পারি।

২. মাঠের ভেতরের সমাধান: প্রাকৃতিক কৃষি (সেচের পানি বাঁচবে ৯০%!) 🌾

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মিষ্টি পানি অপচয় ও দূষিত হয় প্রচলিত রাসায়নিক কৃষি পদ্ধতিতে। অথচ প্রচলিত পদ্ধতি বাদ দিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে (বিনা চাষে ও মালচিং পদ্ধতিতে) চাষাবাদ করলে ৯০% পর্যন্ত সেচের পানি বাঁচানো সম্ভব!
আসুন দেখি এর নিখুঁত গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক হিসাব:
👉 বেড ও অল্টারনেট নালা পদ্ধতি (৫০% সাশ্রয়): জমিতে অল্টারনেট নালা তৈরি করে একটিতে পানি ও অন্যটিতে মালচিং দেওয়া হয়। নালার দুই মাথা বন্ধ রাখায় পানি অপচয় হয় না। যেহেতু অর্ধেক নালায় পানি দেওয়াই হচ্ছে না, তাই শুরুতেই ৫০% পানি বেঁচে যায়।
👉 মালচিং ও বাষ্পীভবন রোধ (২৫% সাশ্রয়): খড় বা শুকনো পাতার মালচিংয়ের কারণে বৃষ্টির পানি বা সেচের পানি সূর্যের তাপে বাষ্প হয়ে উড়ে যেতে পারে না। ফলে মাটির আর্দ্রতা মাটিতেই বন্দি থাকে এবং আরও ২৫% পানি বাঁচে।
👉 হিউমাসের জাদুকরী ক্ষমতা (১৫% সাশ্রয়): মাটির প্রতি ১ কেজি হিউমাস (জৈব পদার্থ) রাতে চারপাশ থেকে প্রায় ৬ লিটার পানি বা আর্দ্রতা স্পঞ্জের মতো চুষে নেয়। বর্ষাকালে বাতাসে প্রায় ৯০% আর্দ্রতা থাকে। প্রাকৃতিক কৃষির মাটি বাতাস থেকেই এই পানি শুষে নিয়ে মাটিতে জমা রাখে।

🪵 প্রকৃতি যে নিজে নিজেই সেচ দেয়, তার একটি চাক্ষুষ প্রমাণ:

ধরুন খোলা মাঠে এক বান্ডিল গাছের চিকন শুকনো ডাল রাখা আছে। দুপুরে কড়া রোদে আপনি সেটা চাইলেই মড়মড় করে ভেঙে ফেলতে পারবেন। কিন্তু ভোর রাতে আপনি সেই বান্ডিলের ডাল সহজে ভাঙতে পারবেন না। কারণ ভোর-রাতের ঠান্ডা বাতাসে থাকা আর্দ্রতা ঘনীভূত হয়ে ডালের গায়ে জমা হয় এবং ডালগুলো ভেজা ও নমনীয় হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ওই ডালের বান্ডিলটা সরালে দেখবেন তার নিচের মাটিও চমৎকার ভেজা ও নরম রয়েছে!
ঠিক এই মেকানিজমটাই কাজ করে ফসলের মাঠে মালচিং ও হিউমাসের কারণে। প্রকৃতি নিজেই রাতের বেলা বাতাস থেকে কোটি কোটি লিটার পানি শোষণের ব্যবস্থা করে রেখেছে, যা আধুনিক রাসায়নিক কৃষি ধ্বংস করে দিচ্ছে।
তাছাড়া জমিতে কোটি কোটি কেচো দিন রাত ২৪ ঘন্টা কাজ (ছিদ্র) করে যাচ্ছে, ফলে বৃষ্টির সম্পূর্ণ পানি ভূ-গর্ভে রিচার্জ হচ্ছে।
Closed-Loop System বা স্বয়ংসম্পূর্ণ চক্র:
কম্পোস্টিং টয়লেট ঘরের ভেতরের পানি বাঁচিয়ে তৈরি করছে উর্বর হিউমাস। আর প্রাকৃতিক কৃষি সেই হিউমাস ও মালচিং ব্যবহার করে মাটির স্বাস্থ্য ফেরাচ্ছে এবং সেচের পানি ৯০% বাঁচিয়ে দিচ্ছে।
ভবিষ্যতের ভয়ঙ্কর জলসংকট থেকে বাঁচতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যেতে হলে এই সমন্বিত টেকসই জীবনব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। এখনই সময় জেগে ওঠার!

*ভয়ঙ্কর জলসংকটের মুখে আগামী প্রজন্ম: কম্পোস্টিং টয়লেট এবং প্রাকৃতিক কৃষি চর্চাই মুক্তির পথ!*

18/10/2026

Urgently Looking :

1. Position: Project Engineer (Civil)
Qualification: B. Sc. in Civil Engineering from any engineering public university.
Experience: 2 Years in Egp tendering and government construction project.
Salary: Negotiable.
Job location: Dhaka.

Interested candidate can send your CV to [email protected] within 3 days.

*রেডিয়েশন ও তীব্র গরম থেকে বাঁচতে চান? সমাধান লুকাইতো ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘরে!*বিজ্ঞান ও পরিবেশবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে মাটির...
12/10/2026

*রেডিয়েশন ও তীব্র গরম থেকে বাঁচতে চান? সমাধান লুকাইতো ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘরে!*
বিজ্ঞান ও পরিবেশবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে মাটির ঘরকে "জীবন্ত ঘর" বা ইকো-ফ্রেন্ডলি আর্কিটেকচার বলা হয়। আধুনিক কংক্রিট ও ইটের তৈরি ঘরের তুলনায় মাটির ঘর স্বাস্থ্য, মানসিক শান্তি এবং ক্ষতিকর পরিবেশগত উপাদান থেকে সুরক্ষায় বৈজ্ঞানিকভাবে অনেক বেশি কার্যকর।
নিচে এর প্রধান বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাগুলো আলোচনা করা হলো:

১. ক্ষতিকর রেডিয়েশন (Radiation) থেকে সুরক্ষা :

মাটি প্রাকৃতিকভাবেই একটি চমৎকার অ্যাবজরবেন্ট (Absorbent) বা শোষক।
• তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণ (EMF Shielding): আধুনিক যুগে আমরা চারপাশ থেকে মোবাইল টাওয়ার, ওয়াই-ফাই, রাউটার এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ক্ষতিকর ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন বা বিকিরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, ঘন এবং আর্দ্র মাটির দেয়াল (Ramned Earth বা Cob wall) এই ক্ষতিকর উচ্চ-তরঙ্গের বিকিরণকে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করতে বাধা দেয় বা শোষণ করে নেয়। এটি একটি প্রাকৃতিক শিল্ড বা বর্ম হিসেবে কাজ করে।
• ভূ-তেজস্ক্রিয়তা সামঞ্জস্যকরণ: মাটি আমাদের শরীরের অতিরিক্ত স্ট্যাটিক ইলেকট্রিসিটি বা পজিটিভ চার্জকে প্রাকৃতিকভাবে মাটিতে স্থানান্তরিত (Earthing বা Grounding) করতে সাহায্য করে, যা আমাদের কোষীয় স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

২. শারীরিক সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু (Physical Health Benefits):

কংক্রিটের ঘর যেখানে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে, মাটির ঘর সেখানে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে:
• প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনার (Thermal Mass): মাটির দেয়ালের "থার্মাল মাস" (Thermal Mass) বা তাপ ধারণক্ষমতা অনেক বেশি। এর ফলে দিনের বেলার প্রচণ্ড গরম মাটির দেয়াল শোষণ করে নেয় এবং ঘরের ভেতরটা চমৎকার ঠাণ্ডা রাখে। আবার রাতে সেই সঞ্চিত তাপ ঘরের ভেতরে ছাড়ে, ফলে ঘর গরম থাকে। এই প্রাকৃতিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের কারণে মাটির ঘরের বাসিন্দারা তীব্র গরম বা ঠাণ্ডাজনিত রোগ (যেমন: হিট স্ট্রোক, সর্দি-কাশি, অ্যাজমা) থেকে মুক্ত থাকেন।
• আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ (Humidity Regulation): কংক্রিটের ঘর ঘরের ভেতরের আর্দ্রতা আটকে ফেলে, ফলে শ্বাসকষ্ট বা ড্যাম্পের সমস্যা হয়। কিন্তু মাটির দেয়াল প্রাকৃতিকভাবে "শ্বাস নিতে পারে" (Breathable wall)। ঘরের বাতাস বেশি আর্দ্র হলে মাটি তা শুষে নেয়, আবার শুষ্ক হলে আর্দ্রতা বাতাসে ছাড়ে। ফলে ঘরের ভেতরের বাতাস সবসময় ফুসফুসের জন্য আরামদায়ক থাকে।
• টক্সিন মুক্ত বাতাস: আধুনিক সিমেন্ট, প্লাস্টিক পেইন্ট এবং কেমিক্যাল থেকে ক্রমাগত ক্ষতিকর উদ্বায়ী জৈব যৌগ বা VOCs (Volatile Organic Compounds) বাতাসে ছড়ায়, যা ক্যান্সারের মতো রোগের জন্য দায়ী। মাটির ঘরে কোনো কেমিক্যাল না থাকায় এর বাতাস সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ ও টক্সিনমুক্ত থাকে।

৩. মানসিক শান্তি, ক্লান্তি দূরীকরণ ও ভালো ঘুম (Psychological Peace & Well-being):

মাটির ঘরের সাথে মানুষের মানসিক প্রশান্তির গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও জৈবিক (Biological) সংযোগ রয়েছে:
• শব্দ দূষণ রোধ (Acoustic Insulation): মাটির ঘন দেয়াল বাইরের উচ্চশব্দকে ঘরের ভেতরে আসতে দেয় না। এটি একটি চমৎকার সাউন্ড-প্রুফ বা শব্দ-নিরোধক মাধ্যম। ঘরের ভেতরের শান্ত ও নিস্তব্ধ পরিবেশ মস্তিষ্কের কর্টিসল (Cortisol) বা স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়, যা মানসিক শান্তি বাড়ায়।
• বায়োফিলিয়া ইফেক্ট (Biophilia Effect): চিকিৎসাবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানে প্রমাণিত যে, মানুষ যখন প্রাকৃতিকভাবে তৈরি কোনো উপাদানের (যেমন: মাটি, কাঠ বা পাথর) সংস্পর্শে থাকে, তখন তার প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হয়। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক করে এবং রাতে গভীর ও চমৎকার ঘুমে (Deep Sleep) সাহায্য করে।
*সংক্ষেপে বৈজ্ঞানিক সত্য:
কংক্রিটের ঘর যেখানে একটি কৃত্রিম এবং তাপ-আঁটকে-ধরা বাক্সের মতো কাজ করে, মাটির ঘর সেখানে প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে শরীরের তাপমাত্রা, বায়ু চলাচল এবং মানসিক তরঙ্গকে শান্ত রাখে। তাই সুস্থতা, রেডিয়েশন থেকে মুক্তি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তির জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে মাটির ঘর সত্যিই অন্যতম শ্রেষ্ঠ আবাসন।

# গোবর :
মাটির ঘর তৈরিতে কাদা বা মাটির সাথে গোবর মেশানোর পেছনে অত্যন্ত চমৎকার এবং কার্যকর কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। গ্রামীণ ঐতিহ্যের এই পদ্ধতিটি আসলে একটি প্রাচীন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বা সাশ্রয়ী নির্মাণ প্রযুক্তি।
বিজ্ঞানসম্মত প্রধান কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
• প্রাকৃতিক বাইন্ডার বা আঠালো ভাব (Natural Binder): গোবরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ সেলুলোজ ফাইবার (Cellulose fiber) থাকে, যা গরু বা মহিষের খাবার হজম হওয়ার পর অবশিষ্টাংশ হিসেবে থেকে যায়। এই ফাইবারগুলো মাটির কণার সাথে মিলে একটি শক্তিশালী আঠালো বন্ধন তৈরি করে। ফলে মাটি সহজে ঝরে পড়ে না বা আলগা হয় না।
• ফাটল রোধ করা (Prevents Cracking): মাটি যখন শুকায়, তখন তা সংকুচিত (Shrink) হয় এবং দেয়ালে বা মেঝেতে ফাটল দেখা দেয়। গোবরের ভেতরের আঁশ বা ফাইবারগুলো মাটির এই সংকোচনকে টেনে ধরে রাখে। এটি আধুনিক কনক্রিট নির্মাণে ব্যবহৃত 'ফাইবার রিইনফোর্সমেন্ট' (Fiber reinforcement) প্রযুক্তির মতো কাজ করে দেয়ালকে ফাটল মুক্ত রাখে।
• পানি নিরোধক ক্ষমতা (Water Resistance): কাঁচা মাটিতে সরাসরি পানি লাগলে তা গলে যায়। কিন্তু গোবরের মধ্যে একধরনের প্রাকৃতিক তেল, চর্বি ও মোমজাতীয় উপাদান থাকে। মাটির সাথে গোবর মিশিয়ে লেপন করলে তা দেয়াল বা মেঝের ওপর একটি হালকা জলছাপ বা পানি-নিরোধক স্তর তৈরি করে, যা বৃষ্টির ছাট বা আর্দ্রতা থেকে ঘরকে রক্ষা করে।
• স্থায়িত্ব ও শক্তভাব বৃদ্ধি (Durability): গোবরের অম্লীয় উপাদান এবং আঁশ মাটির প্লাস্টিকতা বা নমনীয়তা বাড়িয়ে দেয়। কাদা শুকানোর পর তা সাধারণ মাটির চেয়ে অনেক বেশি শক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
• কীটপতঙ্গ ও ছত্রাক রোধক (Anti-microbial & Insect Repellent): গোবরে প্রাকৃতিক কিছু অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান থাকে। এটি মাটির ঘরে উইপোকা, পিঁপড়া বা অন্যান্য ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গের আক্রমণ সহজে হতে দেয় না।
• তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ (Thermal Insulation): সেলুলোজ ফাইবারের কারণে গোবর-মিশ্রিত মাটির দেয়াল তাপ কুপরিবাহী হিসেবে কাজ করে। ফলে এই ঘরগুলো গ্রীষ্মকালে ভেতর থেকে বেশ ঠাণ্ডা এবং শীতকালে গরম থাকে।
সহজ কথায়, আধুনিক যুগে সিমেন্টের সাথে যেভাবে বালু ও খোয়া মিশিয়ে কনক্রিটকে শক্তিশালী করা হয়, ঠিক একইভাবে মাটির শক্তিমত্তা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে গোবর একটি প্রাকৃতিক ও পরিবেশবান্ধব পলিমার হিসেবে কাজ করে।

# মাটির ঘরের আদর্শ পেইন্ট মেটারিয়াল :
মাটির ঘরের দেয়ালে গোবর ব্যবহার করে এক ধরণের চমৎকার ও পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক ইমালশন বা ওয়াল পেইন্ট তৈরি করা যায়, যাকে বলা হয় কাউ ডাং ক্ল্যাডিং পেইন্ট (Cow Dung Cladding Paint) বা লিপন পেইন্ট। এটি দেয়ালে প্রলেপ দেওয়ার পর কোনো দুর্গন্ধ থাকে না এবং দেয়ালকে মসৃণ ও জল-নিরোধক (Water-resistant) করে তোলে। সাধারণত বাজার থেকে কেনা পেইন্ট ঘরে লাগানোর পর তীব্র গন্ধে ঘরে ঢোকা যায় না। তাছাড়া এত খারাপ রিএকশন আছে।
*নিচে গোবর দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে দীর্ঘস্থায়ী পেইন্ট বানানোর রেসিপি ও নিয়ম দেওয়া হলো:

প্রয়োজনীয় উপকরণ ও অনুপাত:

একটি আদর্শ ও দীর্ঘস্থায়ী পেইন্ট বানানোর জন্য নিচের উপকরণগুলো এই অনুপাতে মিশাতে হবে:
• তাজা গোবর: ৩ ভাগ (পাথরের কুচি ও ঘাস ছাড়া একদম মসৃণ হতে হবে)
• লাল মাটি বা সাদা মাটি (খড়ি মাটি/কাদামাটি): ১ ভাগ (পেইন্টের ঘনত্বের জন্য)
• চুন (Hydrated Lime): ১/২ (আধা) ভাগ (এটি ছত্রাক ও উই পোকা রোধ করবে এবং পেইন্ট শক্ত করবে)
• নিম পাতা সেদ্ধ ঘন পানি: পরিমাণমতো (পোকামাকড় তাড়ানোর জন্য)
• প্রাকৃতিক আঠা (যেমন: তিসির তেল, গুড় বা ভাতের মাড়): অল্প পরিমাণ (পেইন্টকে দেয়ালের সাথে ধরে রাখার জন্য)
• পছন্দসই কালার পিগমেন্ট (ঐচ্ছিক): আপনি যদি রঙিন করতে চান, তবে বাজারে পাওয়া যাওয়া শুকনা রঙের গুঁড়া (Mineral Pigment), যেমন- গিরিমাটি (হলুদ/লাল) বা নীল ব্যবহার করতে পারেন।

পেইন্ট বানানোর ধাপে ধাপে নিয়ম

ধাপ ১: গোবর ছেঁকে নেওয়া
তাজা গোবরের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে একটি পাতলা সুতি কাপড় বা মশারি দিয়ে ভালো করে ছেঁকে নিন। এর ফলে গোবরের ভেতরে থাকা ঘাস, কাঠের গুঁড়া বা বড় কণাগুলো আলাদা হয়ে যাবে এবং আপনি একদম মসৃণ ও মিহি গোবরের রস বা পেস্ট পাবেন।
ধাপ ২: চুন ও মাটির মিশ্রণ তৈরি
একটি আলাদা পাত্রে চুন এবং মাটি সামান্য পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। চুন ভেজানোর সময় যে তাপ উৎপন্ন হয়, তা ঠাণ্ডা হতে দিন।
ধাপ ৩: সবগুলো উপাদান একসাথে মেশানো
এবার ছেঁকে নেওয়া গোবরের পেস্টের সাথে ভেজানো চুন ও মাটি ঢেলে দিন। এর সাথে নিমের পানি এবং প্রাকৃতিক আঠা (যেমন ২-৩ চামচ তিসির তেল বা গুড় গলানো পানি) যোগ করুন। যদি রঙিন করতে চান, তবে এই পর্যায়ে রঙের গুঁড়া মেশান।
ধাপ ৪: ভালোভাবে ব্লেন্ড বা নাড়ানো
একটি লাঠি বা ইলেকট্রিক মিক্সার দিয়ে পুরো মিশ্রণটিকে খুব ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন, যতক্ষণ না এটি বাজারের সাধারণ প্লাস্টিক পেইন্টের মতো ঘন ও মসৃণ তরলে পরিণত হয়। মিশ্রণটি বেশি ঘন মনে হলে সামান্য নিমের পানি মেশাতে পারেন।

দেয়ালে পেইন্ট করার নিয়ম

১. দেয়াল প্রস্তুতকরণ: পেইন্ট করার আগে মাটির দেয়ালের ধুলোবালি বা আলগা মাটি ঝাড়ু দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। দেয়ালে কোনো ফাটল থাকলে তা আগে মাটি ও চুন দিয়ে ভরাট করে শুকিয়ে নিতে হবে।
২. প্রথম কোট (Primer Coat): চটের কাপড় বা বড় পেইন্ট ব্রাশ দিয়ে দেয়ালে প্রথম প্রলেপটি দিন। প্রথম কোটটি কিছুটা পাতলা হওয়া ভালো, যাতে মাটির দেয়াল তা সহজে শুষে নিতে পারে।
৩. শুকানো: প্রথম কোট দেওয়ার পর অন্তত ২৪ ঘণ্টা ঘরটি সম্পূর্ণ শুকাতে দিন। শুকানোর পর গোবরের সবুজ বা কালচে ভাব কেটে যাবে এবং চুন ও মাটির কারণে একটি চমৎকার হালকা ম্যাট ফিনিশ আসবে।
৪. দ্বিতীয় কোট (Final Coat): প্রথম কোট সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে একইভাবে দ্বিতীয় কোট প্রয়োগ করুন। এটি আপনার দেয়ালে একটি মসৃণ, ওয়াটার-প্রুফ এবং দীর্ঘস্থায়ী স্তর তৈরি করবে।
সতর্কতা ও টিপস:
• পেইন্ট করার সময় ঘরের জানালা-দরজা খোলা রাখুন যেন পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে।
• চুন ব্যবহারের কারণে গোবরের যে কোনো ব্যাকটিরিয়া মারা যায় এবং পেইন্ট শুকানোর পর কোনো ধরনের দুর্গন্ধ একদমই থাকে না।

# ছাদ :
আপনি যদি মাটির ঘরের আসল আরাম চান, আবার শতভাগ নিরাপত্তাও চান, তবে আধুনিক ইকো-কনস্ট্রাকশন বিশেষজ্ঞরা একটি হাইব্রিড মডেল সাজেস্ট করেন:
১. মূল ছাদ হিসেবে টেরাকোটা টাইলস ব্যবহার করুন। এতে আগুন, বৃষ্টি, ইঁদুর ও সাপের ভয় থাকবে না।
২. সিলিং বা ভেতরের ফলস ছাদ হিসেবে বাঁশের চাটাই বা কাঠের আস্তরণ দিতে পারেন। এতে টাইলসের নিচের দিকটা দেখতেও সুন্দর লাগবে এবং ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা বাইরের গরম থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকবে।

# সাপ ও উই পোকার উপদ্রপ :
১. উই পোকা রোধে মাটির ঘর বানানোর সঠিক নিয়ম :

উই পোকা মাটি থেকে আর্দ্রতা নিয়ে ওপরের দিকে ওঠে। এটি বন্ধ করার কার্যকরী প্রাকৃতিক উপায়গুলো হলো:
• চুনের ব্যবহার (Lime Stabilization): মাটি ও গোবরের মিশ্রণের সাথে ৫% থেকে ১০% চুন (Hydrated Lime) মিশিয়ে নিন। উই পোকা এবং কোনো ধরনের পোকা-মাকড় চুনের ক্ষারীয় বা অম্লীয় তীব্রতা সহ্য করতে পারে না। চুন মাটিকে পাথরের মতো শক্ত করে, ফলে উই পোকা সুড়ঙ্গ বানাতে পারে না।
• নিম তেল বা নিমের পানি স্প্রে: ঘর তৈরির সময় মাটির দেওয়ালে এবং মেঝের কাঁচা প্রলেপে নিম পাতা সেদ্ধ করা ঘন পানি বা নিম তেল পানির সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।
• কাঠের অংশে প্রলেপ: মাটির ঘরের জন্য যে বাঁশ বা কাঠ ব্যবহার করবেন, তা কাঁচা অবস্থায় দেওয়া যাবে না। কাঠগুলোকে ব্যবহারের আগে নিম তেল, কাজু বাদামের খোসার তেল (Cashew shell oil) বা কেরোসিন-কর্পূরের মিশ্রণ দিয়ে কোটিং করে নিতে হবে।

২. সাপের উপদ্রব বন্ধ করার উপায় (Snake-Proofing):

সাপ মাটিতে নিজে গর্ত করতে পারে না। ইঁদুর বা উই পোকা যে গর্ত বানায়, সাপ সেই গর্তে আশ্রয় নেয় এবং ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ে।
• দেয়াল ও মেঝে সম্পূর্ণ মসৃণ (Plastering) রাখা: দেয়ালে যেন কোনো ছোট ফাটল বা গর্ত না থাকে। ঘর তৈরির সময় কাদার সাথে চুন ও পাট বা খড়ের কুচি মিশিয়ে ভালো ফাইবার রিইনফোর্সমেন্ট তৈরি করতে হবে, যাতে শুকানোর পর ফাটল না ধরে।
• ভিত বা ফাউন্ডেশন শক্ত করা (Plinth Barrier): ঘরের মেঝে ও মাটির নিচের ভিত অংশটি শুধু মাটি দিয়ে না বানিয়ে, সেখানে ইট-পাথরের কুচি ও চুন-সুরকির একটি শক্ত স্তর (Barrier) দেওয়া উচিত। এতে নিচ থেকে উই পোকা বা ইঁদুর গর্ত খুঁড়ে ওপরে উঠতে পারবে না।
• তারের জালের ব্যবহার (Wire Mesh): ঘরের চারপাশের মাটির নিচে ২-৩ ইঞ্চি গভীর করে এবং
মাটির ওপরে অন্তত ১ ফুট উঁচু করে ১/৪ ইঞ্চির লোহার তারের নেট বা জাল (Hardware Cloth) বসিয়ে প্লাস্টার করে দিতে পারেন। এতে সাপ বা ইঁদুর কোনোভাবেই ঘরের দেয়ালে সুড়ঙ্গ করতে পারবে না।
• কার্বলিক অ্যাসিড ও আশপাশের পরিচ্ছন্নতা: ঘরের চারপাশ সর্বদা জঙ্গল ও ময়ুক্ত রাখতে হবে। সাপের তীব্র ঘ্রাণশক্তি রয়েছে, তাই ঘরের কোণায় কার্বলিক অ্যাসিডের বোতল মুখ খুলে রাখলে সাপ সেই দিক দিয়ে আসে না।
*সংক্ষেপে সেরা ফর্মুলা: মাটি + গোবর + নিম পাতা পচানো পানি + চুন। এই মিশ্রণে ঘর বানালে তা প্রাকৃতিকভাবেই উই পোকা ও সাপের উপদ্রব থেকে মুক্ত থাকবে।

# গোবর ব্যবহারে ধর্মীয় কোনো বাধা নেই :
ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে মাটির ঘর বা দেয়াল লেপন করার কাজে গোবর ব্যবহার করা সম্পূর্ণ জায়েজ এবং এতে কোনো বাধা নেই।
এই বিষয়ে ইসলামী ফিকহের মূলনীতি ও ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
• পবিত্রতা ও ব্যবহারের নিয়ম: ইসলামে মলমূত্র অপবিত্র (নাজিস) হলেও, ঘরবাড়ি নির্মাণ, দেয়াল লেপন বা জ্বালানি হিসেবে গোবর ব্যবহার করা নিষিদ্ধ নয়। শুকিয়ে যাওয়ার পর বা মাটির সাথে মিশে যাওয়ার পর এর হুকুম স্বাভাবিক মাটির মতোই হয়ে যায়।
• রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আমল: বিশুদ্ধ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত যে, আল্লাহর রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র স্ত্রীদের ঘরের দেয়াল বা ছাদ তৈরিতে কাদা ও গোবরের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়েছিল।
• ইসলামী ফিকহের রায়: ফিকাহ শাস্ত্রের গ্রন্থগুলোতে (যেমন: ফাতাওয়া শামী বা হেদায়া) স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, কাদা এবং গোবর একসাথে মিশিয়ে ঘরের দেয়াল লেপন করা জায়েজ। এই মিশ্রণটি যখন শুকিয়ে যায়, তখন তা স্পর্শ করলে হাত অপবিত্র হয় না। তবে ভেজা অবস্থায় তা স্পর্শ করলে হাত ধুয়ে নেওয়া উত্তম।
নামাজের ক্ষেত্রে সতর্কতা:
যেহেতু গোবর মূলত একটি অপবিত্র বস্তু, তাই গোবর দিয়ে লেপানো মেঝে বা দেয়ালে সরাসরি নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে সামান্য সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত:
• মেঝেটি যদি সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায় এবং সেখানে অপবিত্রতার কোনো ভিজা ভাব, রং বা দুর্গন্ধ না থাকে, তবে তার ওপর কাপড় বা জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়া সম্পূর্ণ জায়েজ।
• মাটির মেঝেটি শুকানোর পর যদি কাদা-গোবরের লেপন শক্ত হয়ে যায়, তবে কোনো কোনো ফকিহ্‌র মতে তার ওপর সরাসরি সেজদা করাও জায়েজ, যদি দুর্গন্ধ বা ভেজা ভাব না থাকে। তবে সতর্কতা ও উত্তম পন্থা হলো ওপর একটি পরিষ্কার চাদর বা জায়নামাজ বিছিয়ে নেওয়া।

[বিঃদ্রঃ গোবর অবশ্যই দেশী গাই গরুর হতে হবে। মাঠে চরে ঘাস খায় এমন গরু হলে সবচেয়ে ভালো]

আমার বিশ্বাস, মাঠ পর্যায়ে এমন খুব কম প্রকৌশলী আছেন যারা পুরাতন ভবনের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ (Vertical Extension) করতে গি...
11/07/2026

আমার বিশ্বাস, মাঠ পর্যায়ে এমন খুব কম প্রকৌশলী আছেন যারা পুরাতন ভবনের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ (Vertical Extension) করতে গিয়ে Lap Length নিয়ে সমস্যায় পড়েননি। বিশেষ করে ২০/২৫ বছর আগে নির্মিত ভবনগুলোতে প্রায়ই দেখা যায়—

▪️কোথাও ১–২ ফুট রড রাখা আছে, আবার কোথাও মাত্র ৬ ইঞ্চি!
▪️কোথাও ১০টি রডের মধ্যে ৫টি ঠিক আছে, বাকিগুলোর নাই!
▪️কোথাও রড আছে ঠিকই কিন্তু সঠিক কংক্রিট কভার ও সংরক্ষণের অভাবে মারাত্মক Corrosion হয়েছে।

যার ফলে অনেক সময় এসব ভবনের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়ে। যদিও বর্তমান প্রযুক্তিতে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব, তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কোডের নির্দেশনা মেনে সেই সমাধান বাস্তবায়ন করা।
------------------------------------------------------
কোড কী বলে?

BNBC 2020 (ACI 318-19 ভিত্তিক) অনুযায়ী— একই ক্রস-সেকশনে Column-এর ৫০% এর বেশি Longitudinal Reinforcement-এ Lap Splice দেওয়া যাবে না।

অর্থাৎ, একটি কলামে যদি ৮টি রড থাকে, তাহলে একই উচ্চতায় সর্বোচ্চ ৪টি রডে Lap দেওয়া যাবে। বাকি রডগুলোর Lap ভিন্ন উচ্চতায় (Staggered Splice) দিতে হবে।

এর উদ্দেশ্য—
▪️ একই স্থানে স্টিলের ঘনত্ব কমানো।
▪️ Stress Concentration হ্রাস করা।
▪️ নিরাপদ Load Transfer নিশ্চিত করা।
▪️ Column-এর Ductility বৃদ্ধি করা।
------------------------------------------------------
কোড আরো বলে;

Beam-Column Joint এবং সম্ভাব্য Plastic Hinge Region- অর্থাৎ স্ল্যাবের ঠিক উপরে এবং বিমের ঠিক নিচের এক-তৃতীয়ায়ংশের মধ্যে Lap Splice পরিহার করতে হবে।

বিশেষ করে Seismic Frame-এর ক্ষেত্রে Lap Splice সাধারণত Column-এর মধ্যবর্তী অংশে (Middle Region) দেওয়ার সুপারিশ করেছে, যাতে Joint Region-এর দুর্বলতা তৈরি না হয়।
------------------------------------------------------

কিন্তু বাস্তবিক অর্থে কি আসলেই এটা মেনে কাজ করা হয়?

যখন আমরা শুধু মাত্র একটি ফ্লোর নির্মাণ করে কাজ বন্ধ রাখি, তখন প্রায় সব রড একই লেভেলে কেটে ফেলতে হয়, যা কোডের মূল বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তবে বর্তমান ড্রয়িংয়ে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে যেখানে সরকারি প্রকল্পে ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের জন্য মাত্র ৬০০–৯০০ মিমি রড রাখা হতো, এখন সেটাকে বাড়িয়ে ১২০০মিলি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বর্তমানে ডিজাইনে উল্লেখ করা হয়েছে—
▪️ Class A Lap Splice ≈ 45D [যদি 2/3 এর মধ্যে এক জায়গায় 50% Lap পড়ে]
▪️ Class B Lap Splice ≈ 60D [যদি 2/3 এর মধ্যে এক জায়গায় 100% Lap পড়ে]
▪️ আর ভবিষ্যত সম্প্রসারন এর ক্ষেত্রে এক জায়গায় সব কাটা পড়লে মিনিমাম 1200mm Lap Length রাখতে হবে।
------------------------------------------------------
তবে এখানেও সেই প্রশ্ন থেকেই যায়, আমরা কি অনিচ্ছাকৃতভাবে Staggered Splice-এর শর্ত লঙ্ঘন করছি?

ধরুন, একটি কলামের কার্যকরী উচ্চতা (Effective Length) ৯ ফুট।
যদি ভবিষ্যতের জন্য ১২০০ মিমি (প্রায় ৪ ফুট) Starter Bar রাখা হয়, তাহলেও পরবর্তীতে সব রড একই উচ্চতায় Lap করার সম্ভাবনা তৈরি হয়। অর্থাৎ কলামের এক-তৃতীয়াংশের মধ্যেই Lap পড়ছে!

তাই এই বিষয়টি নিয়ে বাস্তব কন্ডিশন এবং কোডের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় প্রয়োজন।
----------------------------------------------------------
তবে এই ক্ষেত্রে সর্বোত্তম সমাধান — Mechanical Coupler, যা বিশ্বব্যাপী এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

এর প্রধান সুবিধাসমূহ—
▪️ Lap Length প্রয়োজন হয় না।
▪️ একই সেকশনে অধিক রড সংযোগ করা যায়।
▪️ Reinforcement Congestion কমে।
▪️ Concrete Placement সহজ হয়।
▪️ Steel-এর অপচয় কমে।
▪️ Load Transfer আরও নির্ভরযোগ্য হয়।
▪️ Seismic Performance উন্নত হয়।

যদিও বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে ইতোমধ্যেই Coupler ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে সুখবর হলো, বর্তমানে কিছু কিছু সরকারি প্রকল্পেও এর ব্যবহার শুরু হয়েছে। আশা করি ভবিষ্যতে এটি আরও বিস্তৃত হবে।
----------------------------------------------------------
তবে মাঠ পর্যায়ের কাপলারের ব্যবহার সর্বত্র চালু না হওয়া পর্যন্ত বিশেষ পরামর্শ থাকবে—

▪️ কলামের রড কাটার সময় বেইজ থেকেই হিসেব করে পর্যাপ্ত Development/Lap Length রেখে দিন।
▪️ ডিজাইনে যা নির্দেশনা রয়েছে (যেমন 60D বা প্রয়োজনীয় Development Length), তা নিশ্চিত করুন।
▪️ রডকে মরিচা থেকে রক্ষা করতে যথাযথ Concrete Cover ও Temporary Protection দিন।
----------------------------------------------------------
শেষ কথাঃ

একজন প্রকৌশলীর দায়িত্ব শুধু আজকের ভবন নির্মাণ নয়; ভবিষ্যতের নিরাপদ সম্প্রসারণের ভিত্তিও আজ তৈরি করা। তাই আসুন কোড মেনে কাজ করি, আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করি।
----------------------------------------------------------
রেফারেন্স:
2020 (Part 6 – Structural Design)
318-19, Chapter 25 (Development and Splices of Reinforcement)
318-19, Chapter 18 (Special Seismic Systems)
-------------------------------------------------------

যাদের হাতের স্পর্শে কার্পেটিং উঠে যায় তাদের অবগতির জন্য  ইদানিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায়, রাস্তায় কার্পেটিং  করা...
30/06/2026

যাদের হাতের স্পর্শে কার্পেটিং উঠে যায় তাদের অবগতির জন্য

ইদানিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায়, রাস্তায় কার্পেটিং করার পরপরই অনেকে হাত দিয়ে তা টেনে তুলে ফেলছেন এবং কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। সাধারণ মানুষের আবেগকে পুঁজি করে সস্তা ভিউ পাওয়ার জন্য অনেক সময় না বুঝেই এই ধরনের ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে।যা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। কিন্তু এর পেছনের কারিগরি বিষয়টি বুঝতে হবে।

একটি রাস্তা কার্পেটিং করার পর ভেতরের বিটুমিন এবং পাথরের বন্ডিং(ব্লিডিং) বা জোড়া সম্পূর্ণভাবে সেট হতে এবং ভেতরের আর্দ্রতা শুকিয়ে পাথরগুলো একে অপরের সাথে নিখুঁতভাবে লক হতে সাধারণত কিছু দিন সময় লাগে।

কাঁচা অবস্থায় হাত দেওয়া ঠিক কাঁচা মাটির হাঁড়ি ভাঙার মতো।
যখন রাস্তায় গরম কার্পেটিং (প্রায় ১৪০°-১৬০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা) ঢেলে রোলার দেওয়া হয়, তখনো বিটুমিন তরল এবং অত্যন্ত নরম থাকে। রোলার দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যদি সেখানে কেউ খোঁচায়, তবে খুব স্বাভাবিকভাবেই কার্পেটিং উঠে আসবে। এটা ঠিক একটা কাঁচা মাটির হাঁড়ি শুকানোর আগে হাত দিয়ে চেপে ভেঙে ফেলার মতো। শক্ত হওয়ার জন্য রাস্তাটিকে ন্যূনতম সময় দিতে হবে।

কাজের মান আসলেই খারাপ কিনা, তা পরীক্ষা করার বৈজ্ঞানিক নিয়ম হলো কাজ শেষ হওয়ার পর নমুনা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা। গরম বা কাঁচা কার্পেটিং হাত দিয়ে টেনে তুলে কাজের মান বিচার করা যায় না।

উন্নয়নমূলক কাজ টেকসই করতে হলে আমাদের সচেতন হতে হবে। না জেনে হুজুগে মেতে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করা কোনো সচেতন নাগরিকের কাজ হতে পারে না।

কোনো সড়কে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো হলো। কেউ নিজেরা কার্পেটিং হাত দিয়ে উঠাবেন না। সবাইকে ধন্যবাদ।

ভূমিকম্প কি পূর্বাভাস করা যায়, যেমন করে ঘুর্নিঝড় পূর্বাভাস করা যায়?"দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, ভূতত্ত্ববিদরা/ভূমিকম্প বিশেজ...
26/06/2026

ভূমিকম্প কি পূর্বাভাস করা যায়, যেমন করে ঘুর্নিঝড় পূর্বাভাস করা যায়?

"দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, ভূতত্ত্ববিদরা/ভূমিকম্প বিশেজ্ঞরা ভূমিকম্প কেন ঘটে তা বুঝতে পারলেও, কোনো ভূ-ফাটল (ফল্ট) ঠিক কখন বা কোথায় ভেঙে ভূমিকম্পের সৃষ্টি করবে, তা এখনো নির্ভুলভাবে পূর্বাভাস দিতে পারেন না। তাই তাঁরা টেকটোনিক প্রক্রিয়া এবং অতীতের ভূমিকম্পের ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেন, যাতে কোন কোন অঞ্চলে ভূমিকম্পের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, সে সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা পাওয়া যায়।" ........আমেরিকান ভূতত্ত্বিক অধিদপ্তর


Courtesy: Mostofa Kamal Palash

First slab concrete casting of an industry.
25/04/2026

First slab concrete casting of an industry.

📌উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত কমিটি ও এর কার্যাবলী।স...
10/04/2026

📌উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত কমিটি ও এর কার্যাবলী।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের
স্মারক নং-৪৬.০০.০০০০.০১৭.৯৯.০০৪.১৫-৫৪2 তারিখঃ ১৮ আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ / ১০ জুলাই, ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ।

বিস্তারিতঃ
বিষয়: উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা বহির্ভুত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এর অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ।

উপর্যুক্ত বিষয়ে জানানো যাচ্ছে যে, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর দ্বিতীয় তফসিলের ২২ নম্বর ক্রমিকে ইউনিয়নে নতুন বাড়ি, দালান নির্মাণ বা পুন:নির্মাণ এবং বিপজ্জনক দালান নিয়ন্ত্রণে ইউনিয়ন পরিষদ এর দায়িত্ব রয়েছে। এ প্রেক্ষিতে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা বহির্ভুত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত কমিটি গঠন করা হলো:

০২. উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা-বহির্ভূত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ বিষয়ক কমিটি'র গঠন:

১. চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ -সভাপতি
২. উপজেলা নির্বাহী অফিসার- সদস্য
৩. সহকারী কমিশনার (ভূমি) সদস্য
৪. উপজেলা প্রকৌশলী, এলজিইডি - সদস্য
৫. সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান - সদস্য
৬. ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর প্রতিনিধি - সদস্য
৭. ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি - সদস্য
৮. ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস, বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি - সদস্য
৯. বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানারস এর প্রতিনিধি - সদস্য
১০. ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অব বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি - সদস্য
১১. সহকারী প্রকৌশলী/উপসহকারী প্রকৌশলী (সহকারী প্রকৌশলী না থাকলে) -সদস্য সচিব

৩. কমিটির কার্য পরিধি:
(ক) উক্ত কমিটি Building Construction Act. 1952 3 Bangladesh National Building Code-1993 সহ অন্যান্য প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করবে।

(খ) উক্ত কমিটি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা বহির্ভুত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় সুউচ্চ নয় এমন ভবনের [৭ তলা বা ৭৫ ফুট পর্যন্ত] নকশা অনুমোদন করবে।

(গ) প্রতি তিন মাসে কমিটির ন্যূনতম একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।

(ঘ) কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হবে এবং কোরাম গঠনের জন্য ৫-৯ নম্বর ক্রমিকে উল্লিখিত কারিগরি ব্যক্তিদের ন্যূনতম ০২(দুইনের উপস্থিতি প্রয়োজন হবে।

(ঙ) কমিটি উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুবিধার্থে, প্রয়োজনে, অন্য যে কোন প্রতিষ্ঠান বা অভিজ্ঞ কোন পেশাজীবি কর্মকর্তা/বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারবে।

(চ) ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ বিষয়ে নিম্নবর্ণিত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণ করতে হবে:

(১) ইমরত নির্মাণের জন্য ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ১৯৯৬ এর তফসিল-১ এ উল্লিখিত আবেদন পত্রে

আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র দাখিলের পর কমিটি সকল কাগজ এবং নকশা প্রণেতার যথাযথ যোগ্যতা সকল কিছু পরীক্ষা করে লে-আউট প্ল্যানের অনুমোদন প্রদান করবে।

(২) আবেদন পত্রের সাথে কমপক্ষে নিম্নলিখিত দলিলাদি সংযুক্ত না থাকলে আবেদন গ্রহণ করা যাবে না।

(ক) BNBC (Bangladesh National Building Code) অনুযায়ী কীপ্ল্যান (প্রযোজ্যক্ষেত্রে), সাইট প্ল্যান, বিল্ডিং প্ল্যান, সার্ভিস প্ল্যান, স্পেসিফিকেশন এবং নির্মাণ তদারকি কাজে নিয়োজিত প্রকৌশলীর সম্মতিপত্র।

(খ) সাত ফর্দ নকশা।

(গ) জমির মালিকানা প্রমাণের জন্য দলিল, (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পর্চা, হালসনের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের প্রমানপত্র ইত্যাদি।

(ঘ) যোগ্যতা সম্পন্ন প্রকৌশলী কর্তৃক মাটির ভার বহন ক্ষমতার সনদ।

(ঙ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র।

(৩) ভবন নির্মাণের পূর্বে নির্মাতা প্ল্যান প্রণয়ন ও সুপারভিশন প্রকৌশলী নিয়োগ করবেন এবং Architectural & Structural Design অনুযায়ী নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন। নিয়োজিত প্রকৌশলী নির্মাণ কাজ সুপারভিশন করবেন। এ বিষয়ে সকল দায়-দায়িত্ব ভবন নির্মাতা/ নিয়োজিত প্রকৌশলীর উপর বর্তাবে মর্মে অঙ্গীকারনামা কমিটির নিকট দাখিল করতে হবে।

(8) নকশা প্রণয়নকারীর যথাযথ কারিগরী যোগ্যতা থাকতে হবে। প্রতিটি নকশায় প্রণেতার স্বাক্ষর, পেশাদারী সংগঠনের দেয়া পরিচিতি নম্বর এবং মালিকের স্বাক্ষর থাকতে হবে। নকশা প্রণয়নকারীর যোগাযোগের ঠিকানা থাকতে হবে। কমিটি নকশা প্রণয়নকারীসহ অন্যান্য স্বাক্ষরকারীর সঠিকতা যাচাই করার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

(৫) প্ল্যান অনুমোদন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তাবৃন্দ কোন অবস্থাতে প্ল্যান প্রণয়নের সাথে জড়িত থাকতে পারবে না।

(৬) ভবন নির্মাণের অনুমতিপত্র পাওয়ার পর ভবনের লে-আউট প্রদানের সময় ভবনের মালিক সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ারের উপস্থিত থাকা নিশ্চিত করবেন। স্লিন্থ লেভেল পর্যন্ত নির্মাণের পর সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার এবং ভবনের মালিকের যৌথ স্বাক্ষরে নির্ধারিত ফরমে একটি প্রতিবেদন কমিটি বরাবর প্রেরণ করবে।

(৭) কমিটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর সরেজমিন পরিদর্শনে অনুমোদিত প্ল্যানের সাথে কোন প্রকার বিচ্যুতি ধরা পড়লে মালিক ও সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ারকে তা সংশোধন করতে সুনির্দিষ্ট করে লিখিতভাবে জানাবে। ভবন মালিক সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে অবৈধ অংশ অপসারণ কিংবা অনুমতিপত্র বাতিল করার আদেশ প্রদান করবে।

(৮) প্রতিটি ফ্লোরের ছাদ ঢালাই করার পর মালিক ও সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ারের যৌথ স্বাক্ষরে একটি করে কার্য সম্পাদন প্রতিবেদন কমিটির সভাপতি বরাবর দাখিল করতে হবে।

(৯) নির্মাণ চলাকালীন পার্শ্ববর্তী ভবন, অবকাঠামো এবং জনগণের কোন প্রকার ক্ষতিসাধন করা যাবে না।

(১০) BNBC (Bangladesh National Building Code) এর কোড অনুযায়ী ইমারত সেবা (Building Service) যথা পানি সরবরাহ পয়ঃনিস্কাশন, ড্রেনেজ, গ্যাস সরবরাহ, বৈদ্যুতিক স্থাপনা, শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য সকল ইমারত সেবা বাস্তবায়ন করতে হবে।

(১১) সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ইউনিয়ন পরিষদ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ করতে পারবে। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ প্যানেল প্রণয়ন (Panel of Experts) করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে প্ল্যান অনুমোদন, ভবন নির্মাণ, পুনঃনির্মাণ, অপসারণ ইত্যাদির ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

(১২) ভবনের মালিক/ডেভেলপার Architectural, Structural, Electrical, Plumbing & Fire fitting নক্সা বিশেষজ্ঞ স্বপতি, প্রকৌশলী অথবা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সম্পাদনের মাধ্যমে কমিটির নিকট দাখিল করবেন। কমিটি এতদসংশিষ্ট বিশেষজ্ঞ স্বপতি, প্রকৌশলী অথবা পরামর্শক

পৃষ্ঠা-২

প্রতিষ্ঠানের স্বাক্ষর ও প্রত্যয়ন যাচাই করবে।

(১৩) ইমারত আংশিক বা সম্পূর্ণ নির্মাণ সম্পন্ন হবার পর বসবাস বা ব্যবহার সনদপত্র গ্রহণ করতে হবে। এজন্য নির্ধারিত ফরমে অবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে নিম্নলিখিত দলিল এবং নকশাদি সংরক্ষণের জন্য দাখিল করতে হবে। যথাঃ

(ক) সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক প্রদত্ত সমাপ্ত প্রতিবেদন;

(খ) কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত স্থাপত্য নকশার ভিত্তিতে নির্মিত ইমারতের নকশা;

(গ) ইমারত সেবা সংক্রান্ত সকল নকশা; এবং

(ঘ) ইমারতের নির্মাণ সংক্রান্ত Test Report যেমন: Cylinder Test Report এবং MS রড Test Report সহ প্রতিবেদন।

উলেখিত নকশার অপর্যাপ্ততা ও উপযুক্ততার যাবতীয় দায়ভার সংশিষ্ট পেশাজীবিদের (স্থাপতি ও প্রকৌশলী) উপর বর্তাবে।

(১৪) নবনির্মিত ভবনটি পরিদর্শন করে কমিটি ভবন ব্যবহারের অনুমতিপত্র প্রদান করবে;

(১৫) যে উদ্দেশ্যে ভবন নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে সে উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে ভবন ব্যবহার করা যাবে না।

Completed within 2 years.
16/02/2026

Completed within 2 years.

Address

Meherpur

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Telephone

+8801712016623

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ratno Engineers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ratno Engineers:

Shortcuts

Share