Hasib Chowdhury

Hasib Chowdhury তেজপাতা🍂

29/10/2024

স্কুল কি? আজকে হয়তো বুঝতে পারছি ।
পরিস্থিতি যখন এই জায়গায় থেকে নিয়ে আসবে স্কুলের জন্য কান্না করে ফেলবে। তখন বুঝতে পারেন স্কুল কি ছিল

07/09/2024

অনেকেই জিজ্ঞেস করছেন উদ্ভাস নাকি উন্মেষ/রেটিনা/ মেডিকো কোথায় ভর্তি হয়েছি, আসলে আমি আল-মদিনা গাড়ির গ্যারেজে কাজ করা শুরু করেছি। ধন্যবাদ

21/05/2024

তখন ভোর রাত চারটা বাজে ভদ্রলোকটির সাথে আমার দেখা হয় তখন মনে হয়েছিল যে লোকটা হয়তো পড়ালেখার কিছুই জানে না তার সাথে যখন কথা বললাম তখন তার ইংরেজিতে কথা বলার ট্যালেন্ট দেখে আমি লোকটিকে জিজ্ঞেস করলাম আপনি কি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন পরবর্তীতে আমার প্রশ্নের লোকটি উত্তর দিল যে এমবিএ কমপ্লিট করছি😂😂😂😂😂

06/04/2024

-প্রেম--
-নাকি--
-ভালোবাসা..
শেষ দেখা 18 March 2023 -একটা মেয়ের শরীরের গন্ধ তোমার ভালো লাগে এইটা হচ্ছে প্রেম। আরেকটা মেয়ে আছে, যাকে তুমি অনুভব করো। তাকে ভালো লাগার জন্য তার উপস্থিতি কিংবা শরীরের গন্ধ লাগে না এটা হচ্ছে ভালোবাসা। কোন একটা মেয়ের সাথে রুমডেট করলে তুমি আনন্দ পাও। আরেকটা মেয়ে আছে যার কথা ভাবলেই তুমি আনন্দ পাও। প্রথমজন হচ্ছে তোমার প্রেমিকা। দ্বিতীয়জন হচ্ছে তোমার ভালোবাসার মানুষ। তোমার বন্ধু মহলে কোন একটা মেয়ে আছে যার সাথে তুমি গা ঘেঁষে বসার জন্য অস্থির থাকো। এই মেয়েটি হচ্ছে তোমার কামনার বস্তু। একই ভাবে তোমার মস্তিস্কের অন্দরমহলে একটা মেয়ে আছে যার সাথে তুমি গা ঘেঁষে বসার জন্য অস্থির না। কিন্তু তার অনুপুস্থিতির জন্য তুমি অস্থির। তার সাথে কথা বলার জন্য তুমি অস্থির। এই মেয়েটা হচ্ছে তোমার ভালোবাসার মানুষ।

-একটা মেয়ের নুড পিক দেখার জন্য সব সময় তুমি অপেক্ষা করো। আরেকটা মেয়ে আছে যার নুড পিক তোমার মাথাতেও আসে না। চাইলেও তুমি আনতে পারো না। প্রথমজন হচ্ছে তোমার প্রেমিকা। পরের জন হচ্ছে তোমার ভালোবাসা। একটা মেয়ের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনে মজা নেয়ার পরেও তুমি মেয়েটার কথা ওইভাবে চিন্তা করো না। সব কিছু ফোনের ওইমজা পর্যন্তই। কিন্তু এমন একজন মানুষের অস্তিত্ব তোমার জীবনে আছে যার সাথে ফোনে কথা না বলেও সব সময়ই তার

27/03/2024
মেঘ থমথম কোনো এক বৃষ্টি ভেঁজা বৃহস্পতিবার ভোর। রাতভর ঝড়ের তান্ডবে ঝরা পাতার শোক গায়ে মেখে ভিজে আছে সারা উঠান। ঘুম ভাঙার ...
15/03/2024

মেঘ থমথম কোনো এক বৃষ্টি ভেঁজা বৃহস্পতিবার ভোর। রাতভর ঝড়ের তান্ডবে ঝরা পাতার শোক গায়ে মেখে ভিজে আছে সারা উঠান। ঘুম ভাঙার পর তুমি বাসি মুখে জানালা খুলে দেখেতে পেলে তোমার বাড়ির পশ্চিম দিকের কামারাঙা গাছের মাথায় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছে। বিছানা ছেড়ে এলোমেলো শাড়ি সামলে তুমি দুলে দুলে হাঁটলে পুকুর ঘাটের দিক। রাতভর স্বামীর সোহাগের দাগ পুকুরের জলের কাছে জমা রেখে বাড়াবাড়ি রকম আনন্দ নিয়ে গুনগুন করে সুখী মানুষের গান গাইতে গাইতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আদর করছো তোমার ভেজা চুলগুলোতে নরম গামছায়। তোমার স্বামী তখনও ঘুমে। তুমি ভাবছো কী রান্না করবে আজ? তিনি অফিস যাবেন কী করে? তোমার চিন্তার অবসান গঠিয়ে তোমার স্বামী ঘুম থেকে উঠেই তোমাকে জানালো, আজ আর অফিস যাবো না। এ-সব বৃষ্টিমাখা ভোর খুব কমই আসে পৃথিবীতে, তুমি বরং উনুনে চা না বসিয়ে আজ খিঁচুড়ি চড়াও। তোমার স্বামী অফিস না যাওয়ার আনন্দে বৃষ্টি আরোও ঝেঁকে নামলো ঝরঝর। রান্না ঘর হতে তোমার টুংটাং বাটিঘটির শব্দ। পাশে বসে কাটা কাটা গল্প করছেন তোমার স্বামী। খিঁচুড়ির ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়েছে সারা রান্না ঘরে। সকাল গড়িয়ে বিকেলের দিকে চলে গেল দিন; যেভাবে আমরা চলে গিয়েছি একদিন আমাদের শখের প্রেমকে জারজ সন্তানের মতো ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে আলাদা পথের রেখা ধরে দু'জন দুই প্রান্তে। তুমি বিছানা বিছিয়ে খিঁচুড়ি বাড়লে থালায় আর তোমার স্বামীকে পাঠালে বাগান থেকে কাগজি লেবু খুঁজে আনতে। বৃষ্টি থামলো একটু। খাবারের প্লেট সামনে রেখে তোমার চোখ পড়লো উঠানের বাঁ দিকের নিম গাছের ঢালে। ওখান সারা রাতের বৃষ্টিতে ভিজে জুবুথুবু হয়ে তোমার দিকে তাকিয়ে বসে আছে একটা কাক। কাকটা এমন ক্ষীণ দৃষ্টি তোমার দিকে ইশারা করে বসে আছে যেন কিছু বলতে চায় সে। বুকটা মোচড় দিবে একটুখানিক তোমার। তোমার স্বামী টসটসে সবুজ একটা কাগজি লেবু হাতে ফিরে এলো, আরও নিয়ে আসলো একটা মৃত্যুর দুঃসংবাদ। ধরো খিঁচুড়ি খেতে খেতে তিনি তেমায় শোনালো, এক মায়াবতীর প্রেমের যন্ত্রনা সইতে না পেরে প্রায় আধা পাগল হয়ে অপমৃত্যু হয়েছে এক যুবকের। তোমার স্বামীর কাছে সেই যুবকের নামটা অপরিচিত হলেও তোমার কাছে নামটা খুবই পরিচিত। তুমি জানো সে যুবক কোন মায়াবতীর প্রেমে ব্যার্থ হয়ে শেষমেশ আলবিদা বলে দিয়েছে এই চমৎকার পৃথিবীকে। তোমার মনে পড়লো পুরানো প্রেমের কথা। একটা মূহুর্তের মধ্যে তোমার চেনা জগতটা এলোমেলো হলো। তোমার বুকের ভেতরটা ভেঙে চূর্ণচূর্ণ হয়ে হলো হাজার টুকরো। তোমাকে বিদ্রুপ করে তখন কা-কা করে উঠলো নিম গাছের ঢালে বসা গতর ভেঁজা কাক। তোমার গলা দিয়ে খাবার নামবে না আর সেই দুপুরে। কয়েক নলা খেয়েই তুমি জল ঢেলে দিবে পাতে। বাহিরের পৃথিবীর ঝড়-বৃষ্টি থেমে গেলেও তোমার মনের ভিতর তুমুল ঝড় তোমার গলা দিয়ে খাবার নামবে না আর সেই দুপুরে। কয়েক নলা খেয়েই তুমি জল ঢেলে দিবে পাতে। বাহিরের পৃথিবীর ঝড়-বৃষ্টি থেমে গেলেও তোমার মনের ভিতর তুমুল ঝড় বইবে তখন। বিষন্ন মন তোমাকে নিয়ে যাবে মাগরেবের দিকে। আমি আর নেই, এরকম একটা সত্যি মেনে নিতে গিয়ে তোমার ভীষণ কষ্ট হবে। তুমি বিশ্বাস করবেও না। মাগরেবের আজানের পর পর'ই তোমার বিশ্বাসে জল ঢেলে মসজিদের মাইকে করুন সুরে একজন এনাউন্স করবে আমি সত্যি সত্যি আর নেই। আমি জানি তোমার ভীষণ কান্না পাবে; তুমি কেঁদো না তখন প্লিজ- আমার মৃত্যুর সংবাদে শুনে তুমি কাঁদলে প্রশ্নপত্রের মতো ফাঁস হয়ে যাবে, তুমি আমায় এখনও ভালোবাসো।

The pictures are taken by me 🖼️📸

08/02/2024

তারা জড়িয়ে ধরতে জানে। তবে জড়িয়ে গেলে হারিয়ে যায়। দিন শেষে বন্ধু বান্ধব শুধু সুসময়ে থাকে বিপদে কেউ পাশে থাকে না।

02/02/2024

কান্না করেই যদি সবটা ঠিক করা যেতো

তাহলে মানুষ কেঁদেই সারাটা জীবন পার করে দিতো। কারণ মানুষের জীবনে এতো দুঃখ যে সে আসলে বুঝতেই পারে না কোনটা ছেড়ে কোনটায় হাত বুলাবে। তাই কাঁদাও হয় না সময়ে অসময়ে। শুধু জীবনের দিকে এক দৃষ্টিতে করুণভাবে তাকিয়ে থাকা হয়।

কেঁদে আসলে মনকে হালকা করা ছাড়া আর কিছুই হয় না। না সময় পরিবর্তন হয় আর না দুঃখগুলো মুছে যায়। শুধু যা হয় তা হলো অসময়ের মাথার অসুখ আর চোখের শাস্তি।

12/01/2024

সুন্দর চেহারার যুগে সুন্দর মন রাখাটা বিলাসিতা মাএ☘️🌸😩

30/12/2023

তুমি চাইলে আমাদেরও একটা প্রেম হতো!
একটা বিকালের গল্প হতো
- বাদামের আড্ডায় ভালোবাসা জমা হতো একটা বৃষ্টির গল্প হতো
- বৃষ্টির জলে স্মৃতি জমা হতো ভালোবাসাবাসি হতো!
তুমি চাইলেই অন্য প্রেমিক প্রেমিকাদের মতো আমাদেরও মাঝেমধ্যে সামান্য ঝগড়া হতো!
একটা নির্ঘুম রাতের গল্প হতো
- জোনাকির আলোয় দুজনে অভিমান জমাতাম।
তুমি চাইলে আমাদের একটা সংসার হতো!
একটা চিলেকোঠার মত ছোট্ট ঘর হতো
- একটা রুম, একটা সোফাসেট একটা টিভি একটা আলমারি ডাইনিং টেবিল ইত্যাদি- আসবাবপত্র দিয়ে ঘরটা মনের মত সাজানো যেত! তুমি চাইলেই আমাদের একটা রাজকন্যা হতো!
তার নাম রাখা নিয়ে খুনসুটি হতো
- তাকে নিয়েই আমাদের ছোট্ট একটা জগৎ হতো
- তিনজনের ছোট্ট একটা সংসার হতেই পারতো!
তুমি চাইলেই একসাথে বয়স্ক হওয়া যেতো চাকরি থেকে দ্রুত অবসর নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে যাওয়া যেতো একটা বরফের গল্প হতো বরফের আভায় স্মৃতি চারণ হতো
তাই তোমাকে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া যেতো
তুমি চাইলে আমাদের শেষ নিশ্বাস পাশাপাশি বসে নেওয়া যেতো।
তুমি চাইলেইই সব হতো!
আমাদের একটা প্রেম হতো সংসার হতো ঘর হতো একটা বয়স্ক কাল হতো।
কিন্তু তুমিই চাইলে না
- তাই আজ সব হয়েও আমাদের কিছু হলো না!
প্রেম হলো না সংসার হলো না ঘর হলো না একসাথে বয়স্ক হওয়া হলো না।
তুমি চাইলে না বলেই আমাদের সব হয়েও
- আমাদের কিছু হলো না।
আমাদের কিছুই হলো না।

"তুমি চাইলেই"

Address

Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hasib Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category