Savar Land Surveyor-আমিন

Savar Land Surveyor-আমিন ভূমি পরিমাপসহ জমি জমা সংক্রান্ত যে কোনো কাজে সহযোগিতা করা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।

ফ্ল্যাট কেনার পূর্বে যে বিষয়গুলো জানা অত্যন্ত জরুরি, জেনে নিন বিস্তারিতঃ- ফ্ল্যাট, একটি জনপ্রিয় শব্দ যা সচরাচর আমরা ব্যব...
16/11/2024

ফ্ল্যাট কেনার পূর্বে যে বিষয়গুলো জানা অত্যন্ত জরুরি, জেনে নিন বিস্তারিতঃ-

ফ্ল্যাট, একটি জনপ্রিয় শব্দ যা সচরাচর আমরা ব্যবহার করে থাকি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে জমি কিনে বাড়ি করা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। চাহিদা মত জমি পাওয়া একদিকে যেমন কঠিন অন্যদিকে জমির দাম আকাশ ছোয়া। এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে সহজ সমাধান হিসেবে ফ্ল্যাট ক্রয়ের কথাই সবচেয়ে বেশি বিবেচনা করা হয়।

এই পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে ডেভলপার কোম্পানি গুলো অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি করছে এবং ফ্ল্যাট হিসেবে বিক্রি করছে। ঢাকাতে স্থায়ী মাথা গোজার ঠিকানা হিসেবে মানুষ ফ্ল্যাট কিনার প্রতি বেশি ঝুকে পড়েছে। ফ্ল্যাট গুলো সুলভ মূল্যে পাওয়া যাওয়ায় তা গ্রাহকদের প্রথম পছন্দ।

তবে এই ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হয়। ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে রয়েছে নানা ঝামেলা যা খুব সহজে এড়ানো সম্ভব যদি একটু সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। সাধারণত প্রতারিত হওয়া, সময় মতো ফ্ল্যাটের মালিকানা না পাওয়া, অতিরিক্ত অর্থ চাওয়া ও রাজউক অনুমোদিত না হওয়া ইত্যাদি সমস্যার সম্মুখীন হন গ্রাহকরা ফ্ল্যাট কিনার সময়। তাই এসব ঝামেলা এড়াতে যেসব বিষয় গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে তা তুলে ধরা হলো :

প্রথমত যে প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির ফ্ল্যাটটি কিনতে যাচ্ছেন তার মালিকানা আছে কি না, তা যাচাই করুন। নির্ধারিত ফ্ল্যাটটি যে জমিতে অবস্থিত তার সর্বশেষ রেকর্ডে বিক্রয়কারীর নাম উল্লেখ আছে কি না তা যাচাই করুন।এছাড়া সকল খতিয়ানের ক্রম(সিএস, আরএস) মিলিয়ে দেখুন। আর রিয়েল এস্টেট কোম্পানিটির যথাযথ নিবন্ধন আছে কি না এবং রিহ্যাবের সদস্য কি না জেনে নিতে হবে। জমিটি যদি ডেভেলপার কোম্পানি কোনো মালিকের কাছ থেকে নিয়ে থাকে, তাহলে এ সম্পর্কে চুক্তিপত্র আছে কি না যাচাই করতে হবে।

জমির নামজারি ঠিক আছে কি না এবং ওয়ারিশ সংক্রান্ত কোন বিষয় আছে কিনা, বণ্টনের মোকদ্দমা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।
ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। ভূমি কর না দেওয়ার কারণে সার্টিফিকেট মামলা হয়, এধরনের কোনো মামলা আছে কি না, এ বিষয়ে খোঁজ নিতে হবে।

জমিটির ওপর অন্য যে কোনো মামলা আছে কি না, জেনে নিতে হবে।
বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাবিত ফ্ল্যাটটি নকশার সঙ্গে বাস্তব অবস্থা মিলিয়ে রয়েছে কিনা তা সরেজমিনে দেখতে হবে। প্রয়োজনে আশপাশের ভূমিমালিকদের কাছ থেকে খতিয়ানে দাগ নম্বর জেনে মেলাতে হবে।
অবশ্যই স্পষ্ট করে সব শর্ত উল্লেখ করে আইনগত উপায়ে চুক্তি সম্পাদন করে একটি কপি নিজের কাছে রাখতে হবে।

ফ্ল্যাটটি যে ভবন তা নির্মাণের জন্য রাজউকের অনুমোদন আছে কি না এবং এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখে নিতে হবে।

বিদ্যুৎ-সংযোগ আছে কি না তা যাচাই করে নিতে হবে। গ্যাস-সংযোগ লাইনটি বৈধ ভাবে নেওয়া হয়েছে কি না তা যাচাই করতে হবে। যদিও বর্তমানে নতুন কোনো ফ্ল্যাটে গ্যাস-সংযোগ দেওয়া হচ্ছে না।

প্রস্তাবিত ফ্ল্যাটটি সরকারের খাসজমিতে পড়েছে কি না কিংবা সরকারের কোনো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হতে পারে কি না বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। জমিটি অর্পিত সম্পত্তি কিংবা পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকায় আছে কি না, সেটাও যাচাই করতে হবে। জমিটি অধিগ্রহণ হয়েছে কি না বা প্রক্রিয়াধীন কি না অথবা কোর্ট অব ওয়ার্ডসের জমি কি না, তা খেয়াল রাখতে হবে।

ঋণের জন্য ফ্ল্যাটটি কোনো ব্যাংকের কাছে বন্ধক রয়েছে কি না, তা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

কোনো প্রকার মধ্যস্থতাকারীর ব্যক্তি(দালাল) বা প্রতিষ্ঠান মাধ্যমে ফ্ল্যাটটি না কিনে সরাসরি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে কেনা ভালো।
পরিচ্ছন্ন পরিবেশের নিশ্চয়তা।

ফ্ল্যাটটি যদি কিস্তির মাধ্যমে কেনার কথা থাকে, তাহলে কয়টি কিস্তি এবং কবে হস্তান্তর হবে, এ বিষয়ে সুস্পষ্ট করে দলিলে লেখা থাকতে হবে। যদি কোনো কারণে না কেনা যায়, তাহলে এটি কোন উপায়ে নিষ্পত্তি হবে, তা-ও স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে।

ফ্ল্যাটটি এর আগে অন্য কারও কাছে বিক্রি হয়েছে কি না, খোঁজ নিতে হবে। সব ধরনের চার্জ, রেজিস্ট্রেশন ফি এবং দায়দায়িত্ব স্পষ্ট করে জেনে নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে ঝামেলা না হয়।

ডাউন পেমেন্ট/ অর্থ পরিশোধের আগে করণীয়:
জমির দলিল সঠিক কিনা তা ভালো করে যাচাই করে নিতে হবে।
ডেভেলপার কোম্পানির সরকারি অনুমোদন আছে কি না তা দেখে নিতে হবে।

রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত প্ল্যান এর কপি আছে কিনা তা দেখতে হবে।
ডেভেলপার কোম্পানি রিহ্যাব (রিয়েল এস্টেট এন্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সদস্য কি না তা যাচাই করে নিতে হবে।
ফ্ল্যাট বরাদ্দের নির্ধারিত সময় এবং সব শর্ত ভালো করে বুঝে নিতে হবে।

আইন অনুযায়ী ক্রেতা হিসেবে আপনি যেসব সুবিধা পেতে পারেন:
ফ্ল্যাট কিনার সময় চুক্তিতে ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে এবং এ বিষয়ে গ্রাহক সকল তথ্য জানার অধিকার রাখে।

ফ্ল্যাট তৈরিতে যেসব উপকরণ ব্যবহার করা হবে চুক্তিতে অবশ্যই তার বিবরণ থাকতে হবে। পরিকল্পিত নকশাও নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্রেতাকে দিতে বাধ্য থাকবেন।

চুক্তির ভিত্তিতে পছন্দসই ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেবেন। আবার বিনা অনুমতিতে বরাদ্দ করা ফ্ল্যাট পরিবর্তন করতে পারবেন না।
চুক্তিতে উল্লেখিত শর্তের বাইরে অতিরিক্ত কোনো অর্থ দিতে ক্রেতা বাধ্য থাকবেন না। যদি কোনো উন্নতমানের সরঞ্জাম সংযোজনের দরকার হয়, তাহলে দুই পক্ষের পারস্পরিক সম্মতিক্রমে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া যেতে পারে।

সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের ৩ মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠান তার ক্রেতাকে মালিকানা হস্তান্তর, দলিল তৈরি এবং নিবন্ধনের যাবতীয় কাজ সম্পাদন করে দেবেন। হস্তান্তরের সময় আয়তনে কম-বেশি হলে তার ক্রয়মূল্য অনুযায়ী যে অর্থ গ্রাহক ফেরত পাবে ঐ অর্থ ৩ মাসের মধ্যে সমন্বয় করতে হবে।
- সংগৃহীত

কোন ব্যক্তি মারা গেলে মৃত ব্যক্তির জীবিত ওয়ারিশগণ কে কতটুকু সম্পত্তি পাবে, মুসলিম উত্তরাধিকার নিয়ম অনুযায়ী বিস্তারিত জ...
29/10/2024

কোন ব্যক্তি মারা গেলে মৃত ব্যক্তির জীবিত ওয়ারিশগণ
কে কতটুকু সম্পত্তি পাবে, মুসলিম উত্তরাধিকার নিয়ম অনুযায়ী বিস্তারিত জেনে নিন:

মুসলিম উত্তরাধিকার আইন কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াসের উপর প্রতিষ্ঠিত। এ চার বিধান অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পদ বণ্টন করা ফারায়েজ বলে।

সুন্নি মুসলমানগণের সম্পত্তির উত্তরাধিকার, হানাফি আইন দ্বারা পরিচালিত বিধায় নিম্নে হানাফী আইনের উত্তরাধিকার উল্লেখ করা হলঃ

মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফন, ঋণ পরিশোধ, উইল বা দান থাকলে সে সম্পত্তি পরিশোধের পর যে সম্পত্তি থাকবে, তা উত্তরাধিকারদের মধ্যে বণ্টিত হবে।
প্রাথমিক উত্তরাধিকারী ৬ জন, যারা কখনো সম্পত্তি প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত হয় না। যথা- (ক) পিতা (খ) মাতা (গ) স্বামী (ঘ) স্ত্রী (ঙ) পুত্র (চ) কন্যা। এই ৬ জন নিম্নলিখিত ভাবে সম্পত্তি পাবে-

পিতাঃ মৃত ব্যক্তির সম্পদের উপর তাঁর পিতা ৩ (তিন) প্রকারে সম্পদ পাবেন, যথা-

১। যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র, পুত্রের পুত্র কিংবা আরও নিচে পুত্রের পুত্রের পুত্র যত নিচেই হোক না কেন থাকে, তবে মৃত ব্যক্তির পিতা পাবেন সম্পদের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬)।

২। যদি মৃত ব্যক্তির কোন পুত্র কিংবা নিন্মগামী পুত্র না থাকে কেবল কন্যা থাকে, তবে ছয় ভাগের এক ভাগ ( ১/৬) পাবেন এবং কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর যে সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকবে তাও পাবেন।

৩। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান না থাকে, তবে বাদ বাকী অংশীদারদের দেয়ার পর সকল সম্পত্তি পিতা পাবেন।

মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান না থাকলে যদি পিতাও না থাকে, তবে তাঁর জীবিত ভাই সম্পত্তি পাবে, ভাই না থাকলে ভাইয়ের সন্তান পাবে।

মাতাঃ মৃত ব্যক্তির মাতা ৩ (তিন) ভাবে সম্পদ পাবেন, যথা-

১। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নেরই হউক, থাকলে অথবা যদি পূর্ণ, বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয় ভাই বা বোন থাকে তবে মাতা ছয় ভাগের এক ভাগ ( ১/৬) পাবেন।

২। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নের হউক না থাকে এবং যদি একজনের বেশি ভাই বা বোন না থাকে তবে মাতা তিন ভাগের এক ভাগ ( ১/৩) পাবেন।

৩। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নের হউক না থাকে অথবা কমপক্ষে দুইজন ভাইবোন না থাকে এবং যদি মৃত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অংশ দেয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকবে তার তিন ভাগের এক ভাগ ( ১/৩) মাতা পাবেন।

স্বামীঃ স্বামী ২ (দুই) ভাবে মৃত স্ত্রীর সম্পত্তি পাবে, যথা-

১। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান-সন্ততি থাকে তবে স্বামী পাবে এক চতুর্থাংশ।

২। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান-সন্ততি না থাকে তবে স্বামী পাবে অর্ধেক সম্পত্তি।

স্ত্রীঃ স্ত্রী, মৃত স্বামীর সম্পত্তি ২ (দুই) ভাবে পাবে, যথা-

১। যদি মৃত ব্যক্তির এবং তাঁর স্ত্রীর সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে তবে স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ (১/৮) পাবেন।

২।যদি মৃত ব্যক্তি এবং তাঁর স্ত্রীর সংসারে কোন সন্তান না থাকে তাহলে স্ত্রী মোট সম্পত্তির চার ভাগের এক ভাগ (১/৪) পাবেন।

পুত্রঃ পুত্র সকল ক্ষেত্রেই মৃত ব্যক্তির সম্পদ পেয়ে থাকে। এছাড়া, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি সকলের অংশ ভাগের পর অবশিষ্ট সকল অংশ পুত্র-কন্যারা পাবে। এক্ষেত্রে পুত্র যে পরিমান সম্পত্তি পাবে, কন্যা তার অর্ধেক পরিমাণ পাবে। তবে যদি কন্যা না থাকে, বাকী সম্পত্তি সম্পূর্ণ অংশ পুত্র পাবে।

কন্যাঃ মৃতের কন্যা ৩ (তিন) নিয়মে মৃতের সম্পদ পেয়ে থাকে, যথা-

১। যদি মৃত ব্যক্তির একজন কন্যা থাকে, তবে সে সম্পদের দুইভাগের একভাগ (১/২) পাবে।

২। যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে, তবে সব কন্যা একত্রে তিন ভাগের দুই ভাগ সম্পত্তি পাবে।

৩। যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র-কন্যা উভয়েই থাকে, তবে পুত্র যে পরিমাণ সম্পত্তি পাবে, কন্যা তাঁর অর্ধেক পাবে।

দাদাঃ পিতার পিতা অর্থাৎ পিতামহ বা এর যত উপরে হোক না কেন, নিম্নলিখিত ভাবে মৃতের সম্পত্তি পাবে-

১। মৃতের পিতা জীবিত থাকলে দাদা সম্পত্তি পাবে না।

২। মৃতের পুত্র বা পুত্রের পুত্র থাকলে দাদা মোট সম্পত্তির (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে।

৩। মৃতের পুত্র সন্তান না থাকলে বা পুত্রের সন্তান (এভাবে নিচের দিকে) শুধু কন্যা হলে কন্যা সন্তানের সংগে দাদা মোট সম্পত্তির (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে এবং কন্যা বা পুত্রের কন্যাদের অংশ প্রদানের পর যা বাকী থাকবে, দাদা আসাবা হিসেবে তাও পাবে।

৪। মৃতের কোন সন্তান বা সন্তানের সন্তান (এভাবে নিচের দিকে) না থাকলে, অন্যান্যদের দেওয়ার পর দাদা আসাবা হিসেবে বাকী সমুদয় সম্পত্তি পাবে।

নানী ও দাদীঃ প্রকৃত নানী ও দাদী (যত উপরেই হোক)

১। নানী বা দাদীগণ মৃতের সম্পত্তির (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে।

২। মৃতের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে নানী বা দাদীগণ কোন সম্পত্তি পাবে না।

পুত্রের কন্যাঃ পুত্রের কন্যা বা পুত্রের পুত্রের কন্যার অবস্থা (এভাবে যত নিচেই হোক) নিম্নলিখিত ধরনের হবে-

১। মৃত ব্যক্তির কন্যা থাকলে, পুত্রের কন্যা কোন সম্পত্তি পাবে না।

২। মৃত ব্যক্তির একাধিক কন্যা জীবিত থাকলে, পুত্রের কন্যাগণ কোন সম্পত্তি পাবে না।

৩। মৃত ব্যক্তির একটি মাত্র কন্যা থাকলে মৃত পুত্রের কন্যাগণ (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে।

৪।পুত্রের কন্যা একজন হলে সম্পত্তির দুই ভাগের একভাগ পাবে।

৫। পুত্রের কন্যার সংখ্যা একাধিক হলে সকলে মিলে সম্পত্তির তিন ভাগের দুই ভাগ পাবে।

৬। মৃত ব্যক্তির পুত্রের পুত্র বা তার পুত্র (যত নিচে হোক) থাকলে, পুত্রের কন্যাগণ পুত্রের সাথে আসাবা হিসেবে সম্পত্তি প্রাপ্ত হবে এবং কন্যা, পুত্রের অর্ধেক সম্পত্তি পাবে।

বৈপিত্রেয় ভাইঃ বৈপিত্রেয় ভাই তিন ভাবে মৃতের সম্পত্তি পাবে, যথা-

১। একজন হলে (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে।

২। দুই বা ততোধিক হলে (১/৩) তিন ভাগের এক ভাগ পাবে।

৩। মৃতের সন্তান বা পুত্রের সন্তান (এভাবে যত নিচে হোক), পিতা বা দাদা জীবিত থাকলে বৈপিত্রেয় বা বৈমাত্রেয় ভাই বা বোন কোন সম্পত্তি পাবে না।

মুসলিম ফারায়েজ আইনের আরও কিছু দিক নিম্নে তুলে ধরা হলঃ

নিকটবর্তী ওয়ারিশের কারণে দূরবর্তী ওয়ারিশ সম্পত্তি পাবে না। যেমন-পিতা থাকলে, দাদা সম্পত্তি পাবে না।

মৃত্যুকালে যার দ্বারা সম্পর্কযুক্ত, তিনি বেঁচে থাকলে পরবর্তী সম্পর্কযুক্ত ব্যক্তি সম্পত্তি পাবে না। যেমন- ভাই বেঁচে থাকলে, ভাইয়ের পুত্র সম্পত্তি পাবে না।

মৃত ব্যক্তির পিতাকে ১/৬ অংশ, মাতাকে ১/৬ অংশ, স্ত্রীকে ১/৮ অংশ দেবার পর বাকী সম্পত্তি পুত্র-কন্যা পাবে।

মৃত ব্যক্তির কোন পুত্র না থাকলে স্ত্রীকে ১/৮ অংশ, কন্যাকে ১/২ অংশ, মাতাকে ১/৬ অংশ দেওয়ার পর বাকী অংশ পিতা পাবে। পিতা না থাকলে সেই অংশ ভাই-বোনেরা পাবে।

স্বামী/স্ত্রী বেঁচে থাকলে স্বামী/স্ত্রীর অংশ দেওয়ার পর মাতা অবশিষ্ট সম্পত্তির (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে।

পুত্র বা পিতার বর্তমানে ভাই/বোন ওয়ারিশ হয় না ।

স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা বা ভাই-বোন না থাকলে দূরবর্তী আত্মীয়গণ সম্পত্তি পাবে।

মৃত ব্যক্তি নিঃসন্তান হলে পিতা (২/৩) তিন ভাগের দুই ভাগ, মাতা (১/৩) তিন ভাগের এক ভাগ পাবে।

পিতা, মাতা ও সন্তান না থাকলে বোন (১/২) অর্ধেক পাবে। বোন একাধিক হলে (২/৩) তিন ভাগের দুই ভাগ পাবে, ভাই ও বোন উভয়ই থাকলে ভাই বোনের দ্বিগুন পাবে।

Advertisement

নিঃসন্তান বোনের সম্পত্তি ভাই পাবে।

লিঙ্গ নির্ধারনে সমস্যা রয়েছে, এমন সন্তানকে মেয়ে হিসেবে গণ্য করে সম্পদ বন্টন করতে হবে।

গর্ভস্থ সন্তানকে জীবিত হিসেবে গণ্য করে উত্তরাধিকার নির্ধারিত হবে। গর্ভস্থ সন্তানকে পুত্র গণ্য করে অথবা তার জন্মের পর সম্পদ বন্টন করতে হবে।

মৃত ব্যক্তির দেনা থাকলে, প্রাপ্য সম্পত্তির আনুপাতিক হারে ওয়ারিশদেরকে দেনা পরিশোধ করতে হবে।

মৃতের পিতা, পুত্র বা পৌত্র (পুত্রের পুত্র) থাকলে বোন সম্পত্তি পাবে না।

যার সম্পত্তি বন্টন হচ্ছে, তার মৃত্যুর পূর্বে তার কোন পুত্র বা কন্যা মারা গেলে, মৃত পুত্র বা কন্যার কোন সন্তান বর্তমান থাকলে, সে সন্তান ঐ পরিমাণ সম্পত্তি পাবে, যা তার পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেত।

সহোদর ভাই, বৈমাত্রেয় ভাইয়ের আগে ওয়ারিশ হবে।

কন্যা পিতার সম্পত্তির ন্যায় মায়ের সম্পত্তিতে অংশ পাবে।

মৃত ব্যক্তির পুত্র, কন্যা, পৌত্র (পুত্রের পুত্র) অথবা দাদা বর্তমান থাকলে বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয় ভাই-বোন কোন সম্পত্তি পাবে না।

কোন উত্তরাধিকারী সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবে, যদি সে-

(ক) যার সম্পত্তি তাকে হত্যা করে

(খ) ভিন্ন ধর্ম গ্রহণ করে।

পিতা ও মাতা না থাকলে, নানী (মাতার মাতা) ও দাদী (পিতার মাতা) থাকলে, উভয়ে একত্রে (১/৬) ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে।

আসাবা বা অবশিষ্টাংশ প্রাপকঃ

মুসলিম আইন অনুযায়ী অংশীদারগনের মধ্যে সম্পত্তি বন্টনের পর যে সকল ব্যক্তি ওয়ারিশ হিসেবে অবশিষ্টাংশ সম্পত্তি পান, তাদেরকে আসাবা বা অবশিষ্টাংশ প্রাপক বলে।

মোট ৭ শ্রেণীর ব্যক্তি আসাবা হিসেবে অবশিষ্টাংশ সম্পত্তি পেয়ে থাকেন। নিম্নে এদের তালিকা দেয়া হল-

১। পুত্র, পুত্রের পুত্র… এভাবে নিচের দিকে

২। পিতা

৩। দাদা, দাদার দাদা… এভাবে ঊর্ধে

৪। সহদর ভাই বা তার পুত্র… এভাবে নিচের দিকে

৫। বৈমাত্রেয় ভাই বা তার পুত্র… এভাবে নিচের দিকে

৬। আপন চাচা বা তার পুত্র… এভাবে নিচের দিকে

৭। বৈমাত্রেয় চাচা বা তার পুত্র… এভাবে নিচের দিকে।

উত্তরাধিকারীর সম্পত্তির অংশের আউল বা বৃদ্ধি নীতিঃ

কোন সম্পত্তির নির্দিষ্ট ওয়ারিশদের প্রাপ্য অংশের যোগফল যদি মোট সম্পত্তির অধিক হয়, তবে প্রত্যেকের অংশ হারা-হারি ভাবে হ্রাস করে সম্পুর্ন সম্পত্তি বন্টন করতে হয়। এভাবে সম্পত্তি বন্টনের প্রক্রিয়াকে আউল বা বৃদ্ধি বলে।

উত্তরাধিকারীর সম্পত্তির অংশের রদ বা হ্রাস নীতিঃ

কোন সম্পত্তিতে যদি মৃত ব্যক্তির আসাবা ওয়ারিশ না থাকে এবং নির্দিষ্ট ওয়ারিশদের প্রাপ্য অংশের যোগফল যদি মোট সম্পত্তি হতে কম হয়, তবে প্রত্যেকের অংশ হারা-হারি ভাবে বৃদ্ধি করে সম্পুর্ন সম্পত্তি বন্টন করা হয়। এভাবে সম্পত্তি বন্টনের প্রক্রিয়াকে রদ বা হ্রাস বলে।

১৯৬১ সালের পূর্বে পিতা জীবিত থাকা অবস্থায় পূত্র মৃতবরণ করলে মৃত পূত্রের পূত্র অর্থাৎ জীবিত ব্যক্তির নাতি কোন সম্পত্তি পেত না। কিন্তু ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ এর ৪ নম্বর ধারা অনুসারে এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির জীবিত সন্তান ঐ পরিমাণ সম্পত্তি পারে, তার পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে যে পরিমাণ পেত।
-collected

28/10/2024

ভূমি জরিপ কি? বাংলাদেশে কয় ধরনের ভূমি জরিপ হয়েছিল

ভূমি জরিপ

ভূমি জরিপ হচ্ছে এমন এক কৌশল, পেশা, বিজ্ঞান যা নির্দিষ্টভাবে স্থানসমূহের ভূগোলক বা ত্রিমাত্রিক অবস্থানের পারস্পারিক দূরত্ব এবং কোণ নির্ণয় করতে পারে। ভূমি জরিপের ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। এমনকি প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায় নীল নদের অতি প্লাবনের কারণে জমির সীমানা মুছে যাবার পর দড়ি দিয়ে সীমানা নির্ধারণের নথি পাওয়া গেছে।
সাধারণত মৌজা ভিত্তিক ভূমির নকশা ও ভূমির মালিকানা সম্পর্কিত খতিয়ান বা ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত কার্যক্রমকে ভূমি জরিপ বলা হয়। জরিপের মাধ্যমে নতুন মৌজা নকশা ও রেকর্ড তৈরী করা হয় ও পূর্বে প্রস্তুতকৃত নকশা ও রেকর্ড সংশোধন করেও ভূমির শ্রেণীর পরিবর্তনের সাথে মিল রেখে এবং মালিকানার পরিবর্তনের ধারাবাহিবতার সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ করে হালনাগাদ করা হয়। এ যাবত কাল পর্যন্ত চার বার রেকর্ড কার্যক্রম চালান হয় এ দেশে। রেকর্ড গুলো হল:-
ক) মঘী জরিপ
খ) সি.এস. জরিপ (Cadastral Survey)
গ) এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey)
ঘ) পি.এস. জরিপ (Pakistan Survey)
ঙ) আর.এস. জরিপ (Revisional Survey)
চ) বি.এস. জরিপ (Bangladesh Survey)
ছ) সিটি জরিপ (City Survey)
ক) মঘী জরিপ
১৮৩৬ খ্রীষ্টাব্দ হইতে ১৮৪৫ পর্যন্ত বা ১৮৩২ খ্রীষ্টাব্দ হইতে ১৮৪৮ এর মধ্যে এই জরিপটি হয়। বাংলাদেশে এই জরিপটি শুধুমাত্র চট্টগ্রামে হয়েছিল। তবে সিট হয়নি, শুধুমাত্র খতিয়ান হয়েছে।
খ) সি.এস. জরিপ (Cadastral Survey)
বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন ১৮৮৫ পাশ হওয়ার পর ১৮৮৮ সালে সর্ব প্রথম এই জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। সর্বশেষ দিনাজপুর জেলায় ১৯৪০ সালে এ জরিপ কাজ শেষ হয়। ১৮৮৮ হইতে ১৯৪০ পর্যন্ত ৫০ বছর সময় লাগে এ জরিপ কাজে। এ জরিপে বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইনের দশম অধ্যায়ের বিধান মতে দেশের সব জমির বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত করার এবং প্রত্যেক মালিকের জন্য দাগ নম্বর উল্লেখপুর্বক খতিয়ান প্রস্তুত করার বিধান করা হয়।
ভূমি জরিপ
গ) এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey)
১৯৫০ সালে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর সরকার ১৯৫৬ সালে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রদেশে জমিদারী অধিগ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয় এরং রায়তের সাথে সরকারের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে জমিদারদের প্রদেয় ক্ষতিপুরণ নির্ধারন এবং রায়তেরখাজনা নির্ধারনের জন্য এই জরিপ পরিচালিত হয়েছিল। জরুরী তাগিদে জমিদারগনের কাছ হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপ বা খাতিয়ান প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।তাই এই জরিপে প্রচুর ভুলভ্রান্তি পরিলক্ষিত হয়।
ঘ) পি.এস. জরিপ (Pakistan Survey)
মূলত এস.এ. জরিপকেই পি এস জরিপ বলে।
ঙ)আর এস. জরিপ (Revisional Survey)
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি জরিপ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই জরিপকেই আর.এস. জরিপ বলে। সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই জরিপ করেছেন বলে আর.এস.খতিয়ানে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। পূর্বের ভুল ত্রুপি সংশোধনক্রমে আর.এস.জরিপ এতই শুদ্ধ হয় যে এখনো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আর, এস জরিপের উপর নির্ভর করা হয়। এর খতিয়ান ও ম্যাপের উপর মানুষ এখনো অবিচল আস্থা পোষন করে।
চ) বি.এস.জরিপ (Bangladesh Survey)
বি.এস.জরিপ অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ একটি জরিপ। বর্তমানে বি.এস.খতিয়ান চূড়ান্ত প্রচার না হয়ে থাকলে জায়গা জমি রেজিষ্ট্রি কবলা মূলে বিক্রয় করা যায় না। এই জরিপ কার্য শুরু হয় ১৯৭০ সালে এবং শেষ হয় ১৯৮৫ সালে।
ছ) সিটি জরিপ (City Survey)
সিটি জরিপ এর আর এক নাম ঢাকা মহানগর জরিপ।বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমতি ক্রমে এ জরিপ ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। এ যাবত কালে সর্ব শেষ ও আধুনিক জরিপ এটি। এ জরিপ এর পর্চা কম্পিউটার প্রিন্ট এ প্রকাশিত হয়।
-সংগৃহীত

জমির হিসাব, সাবেক পাই,আনা পদ্ধতি থেকে হাজার পদ্ধতিতে হিসাব করার নিয়মআমরা অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জ...
28/10/2024

জমির হিসাব, সাবেক পাই,আনা পদ্ধতি থেকে হাজার পদ্ধতিতে হিসাব করার নিয়ম
আমরা অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।

এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়।

এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়ম গুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে। সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।

জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক

১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট

১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত

১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ

১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার

জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে

বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট

১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ

১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার

১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত

১ শতক ১০০০ বর্গলিংক

১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)

১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)

১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)

১ একর = ৬০.৬০ কাঠা

১ একর = ৩.০৩ বিঘা

১ হেক্টর = ২.৪৭ একর

১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট

১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ

১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার

১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত

১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।

উদাহরণঃ

একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?

জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।


জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।


ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)

সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।

অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।

পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?

ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু

কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪

পরীসিমা= ১ বাহু X ৪

এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।

তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।

এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,

১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ

১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ

১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?

সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।

জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।

ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।

হিসাবটি হলোঃ

১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।

১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।

১০.০০০ বর্গ লিংক(১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।

৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)

১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।

৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।

৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।

অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)

আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।

যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।

ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।

আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।

ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।

জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ।
- সংগৃহীত

24/01/2024
18/01/2024

সরকারি জমি কিভাবে লিজ নিতে হয় জানতে চান? জেনে নিন সরকারি খাস জমি লিজ নেয়ার নিয়ম, লিজ নেয়ার শর্ত ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কি কি লাগবে বিস্তারিত।

শুধুমাত্র অব্যবহৃত সরকারি খাসজমি লিজ দেয়া যায়। কোনো বিশেষ কারনে যদি আপনি সরকারি জমি লিজ নিতে চান তাহলে আপনাকে আবেদনের মাধ্যমে জমি লিজ নিতে হবে।
আজকের আলোচনায় আমরা সরকারি জমি কিভাবে লিজ নিতে হয় তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।
জমি লিজ নেওয়ার নিয়ম
বাংলাদেশে সরকারি জমি লিজ নেয়া বলতে সরকার বা সরকারি সংস্থার মালিকানাধীন কোনো ভূমি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য চুক্তির ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমতি দেয়াকে বোঝায়। জমি লিজ নেওয়ার জন্য অবশ্যই জমিটি খাস ও বিরোধমুক্ত হতে হবে। বাংলাদেশ সরকার এই ধরনের খাস জমিগুলোর তত্ত্বাবধায়ক। বিভিন্ন উদ্দেশ্যের উপর ভিত্তি করে বন্দোবস্তের জন্য নির্দিষ্ট পরিমান জমি থেকে সরকারি জমি লিজ দেয়ার নিয়ম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
সরকারি জমি বা খাস জমি লিজ নেয়ার জন্য সরকার প্রদত্ত বিভিন্ন আইন, প্রবিধান এবং পদ্ধতি প্রনয়ণ করা হয়েছে। সরকারি জমি লিজ নেওয়ার জন্য সকল ধরনের চুক্তি, স্বাক্ষর, মেয়াদ, ফি ইত্যাদি তথ্য সঠিকভাবে জেনে এরপর আবেদন করার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু করা যেতে পারে।
লিজ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বাংলাদেশ সরকার কতৃক নিয়ন্ত্রিত ভূমি বা খাস জমি সাধারণ জনগণের ব্যবহার করার অনুমতি নেই। তবে কেউ যদি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সরকারি জমি লিজ বা বন্দোবস্ত পেতে চায় তাহলে অবশ্যই তাকে আবেদন করার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রদান করতে হবে।
সরকারি জমি লিজ নেয়ার জন্য যেসকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে তা হলো:
আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র;
জমি লিজ নেয়ার আবেদন ফরম;
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার বা চেয়ারম্যান কতৃক সত্যায়িত করা ২ কপি রঙিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি;
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কতৃক প্রদত্ত নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট;
লিজ নিতে ইচ্ছুক জমির সকল ধরনের রেকর্ড বা বিবরণ।
সরকারি খাস জমি লিজ নেয়ার নিয়ম
যেকোনো উদ্দেশ্যে সরকারি খাস জমি লিজ নেয়ার জন্য সরকারি কিছু নিয়ম মেনে আবেদন করতে হয়। প্রথমেই আবেদনকারীকে জমি লিজ নেয়ার সকল শর্ত পূরণ করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে একটি ‍চুক্তি সম্পাদন করতে হবে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এককালীণ বা বাৎসরিক ভাড়া প্রদানের জন্য জমি লিজ নেয়া হয়।

চলুন সরকারি জমি লিজ নেয়ার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তথ্য ধাপে ধাপে জেনে নেয়া যাক।
ধাপ ১: আবেদনের শর্ত পূরণ করুন
সরকারি জমি লিজ নেয়ার জন্য আগ্রহীকে বা আবেদনকারীকে অবশ্যই সরকার কতৃক নির্ধারিত শর্তগুলো পালনের প্রমান দিতে হবে। এক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, ভূমি ব্যবহারের বিধিনিষেধ মেনে চলা ইত্যাদি যোগ্যতা পূরণ করতে পারার প্রমান দেয়া অত্যাবশ্যক।
ধাপ ২: লিখিত আবেদন
সরকারি জমির সকল কিছু ভূমি মন্ত্রণালয়ের কতৃপক্ষের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। তাই সরকারি জমি লিজ নেয়ার জন্য ভূমি অফিসের সংশ্লিষ্ট সরকারি কতৃপক্ষের কাছে আবেদন বা দরখাস্ত জমা দিতে হবে।
আবেদন করার সময় প্রস্তাবিত জমির ব্যবহার, লিজের সময়কাল এবং এই বিষয় সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
ধাপ ৩: লিজ নেয়ার ফরম পূরন
সরকারি জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য বা লিজ নেওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি আবেদন ফরম পূরন করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি ভূমি অফিস থেকে ফরম সংগ্রহ করে বা অনলাইন থেকে খাস জমি লিজ নেওয়ার ফরম ডাউনলোড করে তা সঠিক তথ্য দ্বারা পূরণ করে তা জমা দিতে হবে।
ধাপ ৪: আবেদন যাচাইকরণ
আপনার সরকারি জমি লিজ নেয়ার আবেদন করা হলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ তা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করবে। আপনার আবেদনটি বিভিন্ন পরিস্থিতি যেমন ভূমি ব্যবহার, পরিবেশগত প্রভাব, আবেদনকারীর আর্থিক সক্ষমতা, ভূমি ব্যবহারের সম্মতি ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে যাচাই বা মূল্যায়ন করা হবে।
ধাপ ৫: জমি লিজের চুক্তিনামা সম্পাদন
জমি লিজ নেয়ার আবেদন অনুমোদিত হলে সরকার ও আবেদনকারীর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিনামায় লিজ নেয়ার শর্তাবলী, ভাড়া প্রদান, জমি ব্যবহারের বিধিনিষেধ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক শর্তাবলী উল্লেখ করা থাকে। আবেদনকারী চুক্তিনামায় উল্লেখিত সকল তথ্য জেনে এবং বুঝে তা মেনে নিয়ে স্বাক্ষর করে লিজ গ্রহণ করতে পারবে।
ধাপ ৬: ভাড়া বা লিজ ফি প্রদান
যেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরকারি জমি লিজ নিবে তাকে লিজ নেয়ার নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারকে ভাড়া বা লিজ ফি প্রদান করতে হবে। ভাড়ার পরিমান বা লিজ ফি জমির অবস্থান, আকার এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্যের উপর ভিত্তি করে নির্ধারন করা হয়ে থাকে।
জমি লিজ নেওয়ার চুক্তিনামা
বাংলাদেশে সরকারি জমির লিজ নেয়ার জন্য চুক্তিনামা হলো আইনগত ভাবে একটি বাধ্যতামূলক দলিল যা সরকারি মালিকানাধীন জমি ব্যবহারের জন্য সরকার ও আবেদনকারীর মধ্যে শর্ত ও আইনগত ভিত্তি। তবে এই চুক্তিনামা জমির প্রকৃতি এবং এর সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়বস্তুর উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই জমি লিজ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই চুক্তিনামা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
জমি লিজ চুক্তিনামায় প্রধান বিষয় গুলো হলো:
এই চুক্তিনামা সরকার ও আবেদনকারীর লেনদেনের সাথে জড়িত এবং এসকল বিষয় চিহ্নিত করে। এদের সকল ধরনের প্রাসঙ্গিক বিবরণ এতে উল্লেখ থাকে।
লিজ দেয়া জমির সীমানা, এলাকা, অবস্থান এবং বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা সহ স্পষ্ট ও বিশদ বিবরণ চুক্তিতে প্রদান করা হয়।
চুক্তিতে লিজ বা বন্দোবস্ত পাওয়ার সময়কাল উল্লেখ থাকে। লিজের শুরুর তারিখ, শেষ তারিখ ও কিছু নবায়নযোগ্য শর্ত সাপেক্ষ এতে অন্তর্ভুক্ত থাকে।
লিজ বা বন্দোবস্ত যে উদ্দেশ্যে যেমন কৃষি, বাণিজ্যিক, আবাসিক, শিল্প বা অন্য কোনো কারনে নেয়া হয়েছে এবং ব্যবহার করা হবে তা চুক্তিতে উল্লেখ থাকে।
অনুমোদিত জমির ব্যবহারের জন্য সরকার কতৃক প্রদত্ত বিধিনিষেধ বা শর্ত এতে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে চুক্তিতে ভাড়ার পরিমান বা লিজ ফি সরকারকে প্রদান করা, অর্থ প্রদানের পদ্ধতি, সময় এবং ভাড়া বৃদ্ধির সকল বিধান দেয়া থাকে।
লিজ বা বন্দোবস্ত পাওয়া জমির রক্ষনাবেক্ষন, মেরামত কর, প্রযোজ্য আইন ইত্যাদি সম্পর্কিত দায়িত্বগুলো নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা থাকে।
লিজ প্রাপ্ত জমির ভাড়া না দেয়া, চুক্তি ভঙ্গ, শর্ত লঙ্ঘন, জমি হস্তান্তর ইত্যাদি সম্পর্কে বিশেষ নির্দেশনা এই চুক্তিনামায় লেখা হয়ে থাকে যা মেনে চলা অত্যাবশ্যক।
সরকারি খাস জমি লিজ নিতে কত টাকা লাগে?
জমি লিজ নেয়ার খরচ জমির অবস্থান, ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
জমি লিজ পেতে কত সময় লাগে?
বিভিন্ন পরিস্থিতি এবং ডকুমেন্টস এর উপর ভিত্তি করে প্রায় ২১ দিনের মধ্যে সরকারি জমি লিজ নেয়া যায়।
সরকারি জমির লিজের মেয়াদ কতদিন?
সরকারি জমি লিজ বা বন্দোবস্ত পাওয়ার পর তার মেয়াদ ৩০ বছর থেকে ৯৯ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে।

হেবা ঘোষণা১) নিবন্ধন আইনের ধারা ৭৮ক এর উপধারা (খ) অনুযায়ী মুসলমানগণের ব্যক্তিগত আইনে (শরিয়াহ) অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির ম...
17/01/2024

হেবা ঘোষণা
১) নিবন্ধন আইনের ধারা ৭৮ক এর উপধারা (খ) অনুযায়ী মুসলমানগণের ব্যক্তিগত আইনে (শরিয়াহ) অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির মৌখিক হেবা বিষয়ক ঘোষণা, স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা ও সন্তান, দাদা-দাদী (নানা-নানী) ও নাতি-নাতনী, সহোদর ভ্রাতা, সহোদর বোন, এবং সহোদর ভাই-বোনগণের মধ্যে সৃষ্ট হয়।
২) The Stamp Act-1899, Rule-5. (Any instrument comprising or relating to several distinct matters shall be chargeable with the aggregate amount of the duties with which separate instruments, each comprising or relating to one of such matters, would be chargeable under this Act.)

খাস জমি কি নামজারি করা যায়? ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি ...
16/01/2024

খাস জমি কি নামজারি করা যায়?
ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে। খাস জমি ক্রয় বিক্রয় বা হস্তান্তর করা যায় না বিধায় তৎসূত্রে নামজারি করা যায় না। কিন্তু সরকার খাস জমি কাউকে স্থায়ী বন্দোবস্ত দিলে তার নামে নামজারি করা যায় এবং এইরূপ স্থায়ী বন্দোবস্তকৃত খাসজমি কেবলমাত্র উত্তরাধিকারসূত্রে নামজারি করা যায়। যেমন- ভূমিহীনদের মাঝে সরকার যে খাসজমি দিয়ে থাকেন তা উত্তরাধিকারসূত্রে নামজারি করা যায়। আবার স্থায়ী বন্দোবস্তকৃত খাসজমি অধিগ্রহণ সূত্রে মালিকানা পরিবর্তন হলে সেক্ষেত্রেও নামজারি করা যায়।

ধামরাই শীঘ্রই শুরু হচ্ছে BDS জরিপ
26/11/2023

ধামরাই শীঘ্রই শুরু হচ্ছে BDS জরিপ

25/09/2023

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর গেজেট প্রকাশিত হয়েছে- ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ইং তারিখে
===========================
যা কিছু নতুন আসলো এই আইনে
=====================
সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার ১(এক) জন বিচারক সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হবে। ১৯৮৫ সালের আইনে শুধু সহকারী জজ এর কথা উল্লেখ ছিলো।
১৯৮৫ সালের আইন অনুযায়ী আরজি ও জবাব সংশোধনের সুযোগ ছিলো না। নতুন আইনের ৯ ধারায় এই সুযোগ রাখা হয়েছে।

এফিডেভিটের মাধ্যমে জবানবন্দী গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

দেনমোহরের ক্ষেত্রে ৫০ হাজার বা তার কম টাকার ডিক্রী হলে আপীল করা যাবে না।
নতুন আইনে সকল প্রকার পারিবারিক মামলার কোর্ট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে- ২০০ টাকা।
- সংগৃহীত

25/09/2023

মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীগণ সমুদয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি দাবির জন্য আদালত থেকে উত্তরাধিকার সনদ (Succession Certificate) নিতে যা লাগবেঃ
১। মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদপত্র (Death Certificate)
২। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কমিশনার প্রদত্ত ওয়ারিশান সনদ
৩। ব্যাংক স্টেটমেন্ট/ শেয়ার সার্টিফিকেট/ রয়্যালিটি প্রমাণপত্র/ ব্যাংক ব্যালেন্স বা জমার স্লিপ ইত্যাদি। বা কোন ঋণপত্র থাকলে (তিনি ঋণ দিয়েছেন/বা কারো কাছ থেকে টাকা পাওয়ার ডকুমেন্ট যা দেনাদার স্বীকার করে) তা জমা দিলেও হবে।
৪। আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট
৫। টাকার জন্য সাকসেশন সার্টিফিকেট চাওয়া হলে নির্ধারিত হারে কোর্ট ফি দিতে হবে।
- সংগৃহীত

24/09/2023

নামজারি বা মিউটেশন হচ্ছে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মালিকানা পরিবর্তন করা। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন বৈধ পন্থায় ভূমি/জমির মালিকানা অর্জন করলে সরকারি রেকর্ড সংশোধন করে তার নামে রেকর্ড আপটুডেট (হালনাগাদ) করাকেই নামজারি বলা হয়। কোন ব্যক্তির নামজারি সম্পন্ন হলে তাকে একটি খতিয়ান দেয়া হয় যেখানে তার অর্জিত জমির একখানি সংক্ষিপ্ত হিসাব বিবরণী উল্লেখ থাকে। উক্ত হিসাব বিবরণী অর্থাৎ খতিয়ানে মালিক বা মালিকগণের নাম, মৌজা নাম ও নম্বর (জেএল নম্বর), জমির দাগ নম্বর, দাগে জমির পরিমাণ, মালিকের জমির প্রাপ্য অংশ ও জমির পরিমাণ ইত্যাদি তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে। মন্তব্য কলামে সংশ্লিষ্ট কিছু তথ্য থাকতে পারে।

Address

Savar, Dhaka
Savar
1340

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Savar Land Surveyor-আমিন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Savar Land Surveyor-আমিন:

Share

Category