সুফিবাদ আত্মপরিচয় একমাত্র পথ/বাবা জাহাঙ্গীর

  • Home
  • Bangladesh
  • Sirajganj
  • সুফিবাদ আত্মপরিচয় একমাত্র পথ/বাবা জাহাঙ্গীর

সুফিবাদ আত্মপরিচয় একমাত্র পথ/বাবা জাহাঙ্গীর শক্তির পূজারী কিছু পেতে চাই,
প্রেমের পূজারী স্বেচ্ছায় সব হারাতে চাই।
👉কালান্দার বাবা জাহাঙ্গীর 🙏

04/06/2026
12/04/2026

বক্তব্যটি শুনেছি। উনি মূলত বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, কুরআনের অনুবাদ ও ব্যাখ্যা করেছে, তারা সঠিক ব্যাখ্যা ও অনুবাদের ক্ষেত্রে খামখেয়ালি করেছে। বক্তব্যে তার পীর ডা. জাহাঙ্গীর সুরেশ্বরী ও তার পীরের চাচা সুফি সদর উদ্দিন চিশতীর কুরআনের অনুবাদ ও ব্যাখ্যার কথা বলেছিলেন। গ্রন্থ দুটি হলো "কোরআনুল মাজীদ হুবহু অনুবাদ ও কিছু ব্যাখ্যা (১৫ পারা)" ও "কোরআন দর্শন ১-৩ খণ্ড"।

কথার আগের অংশ দেখলে বিষয়টি স্পষ্ট হয় যে, উনি কুরআন নয়, বরং ভুল অনুবাদ ও অপব্যাখ্যার বিরুদ্ধে বলছিলেন। কিন্তু যে ভিডিওটি কাটিং করে প্রচার করা হয়েছে, সেখানে শুধু ‘কুরআন’ শব্দটি উচ্চারণ করেছিলেন। ফলে কাটিং ভিডিও দেখলে এটাই মনে হবে যে, উনি কুরআন অবমাননা করেছেন। অথচ উনি বাজারে পাওয়া কুরআনের ভুল অনুবাদ ও ব্যাখ্যার বিরুদ্ধে বলেছিলেন। মূলত কুরআন অবমাননা নয়, বরং কুরআনের মাহাত্ম্য বোঝাতে বক্তব্য দিয়েছিলেন। বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, কুরআনের সঠিক অনুবাদ ও ব্যাখ্যা জানতে উনার পীরের লেখা ও পীরের চাচার লেখা অনুবাদ ও ব্যাখ্যা পড়তে হবে।

উনি শুধু শরীয়তের আলেমদের উদ্দেশ্য করে বলেন নাই, বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছিল যে, পীরদেরও উনি একই কথা বলেছেন যে, পীরেরাও কুরআনের সঠিক অনুবাদ ও ব্যাখ্যা জানে না।

কাট-ছাঁট করে একটি অংশ প্রচার করার মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করে মবের মাধ্যমে খুব পরিকল্পিতভাবে হামলা করতে উস্কিয়েছে একটি চক্র। কথা হলো—কাট-ছাঁট ভিডিওর মাধ্যমে প্রায়ই গুজব তৈরি করে ধর্মীয় দাঙ্গা লাগানো হয়। সাধারণ মানুষ তা যাচাই না করে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দুঃখের বিষয় হলো—যাদের উপর এখনও ধর্মের বিধান ওয়াজিব হয়নি, যারা জানেই না ধর্ম অবমাননা কী, সেসব কোমলমতি নাবালক শিশুরাও হামলায় যুক্ত হচ্ছে।

ব্যক্তিগতভাবে আমি উনার কর্মকাণ্ড সমর্থন করতাম না, উনাকে উনারই তরিকার অনেক বন্ধু সতর্ক করেছে বারবার। মহাপুরুষগণ সর্বজনীন হয়ে ওঠেন, জাত-পাতের ঊর্ধ্বে উঠে যান। কিন্তু উনি কৃষ্ণ সাজতে চেয়েছিলেন। বেশ-বুশায় কৃষ্ণ হতে চাওয়া কোনোভাবেই জাত-পাতের ঊর্ধ্বে ওঠা নয়, বরং নিজেকে জাত-পাতের মধ্যে বেঁধে ফেলা। ব্যাপারটা এমন হয়েছিল যে, ইসলামে থেকে কিছু হয় না, মুসলিম হয়ে মুক্তি পাওয়া যায় না। তাছাড়া আরও কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে অনেক তরিকার লোকই তার প্রতি বিরক্ত ছিল।

কিন্তু কোনো অবস্থায় গুজব রটিয়ে মবের মাধ্যমে হামলা, হত্যা মেনে নেওয়া যায় না। অন্যায় করলে রাষ্ট্রের আইনে বিচার হবে। আইন, আদালত আছে। এভাবে অন্যায়ভাবে দলবল বেঁধে কাউকে বিনা বিচারে কারও বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট, হত্যা—কোনো যুক্তিতেই ইসলাম সমর্থন করে না। নিঃসন্দেহে এই ঘটনা সরাসরি রাষ্ট্রকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে, সরকার যে মবের বিরুদ্ধে অসহায় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ, তারই প্রমাণ এই ঘটনা। সরকারের উচিত ছিল সবার আগে এই দিকে ফোকাস করা। গত সরকারের ২ বছরে অনেক মাজার-দরবারে হামলা হয়েছে। কিন্তু ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের সরকার থাকাবস্থায়ও যদি দেশে এমন ঘটনা ঘটে, তবে তা আসলেই হতাশাজনক।

লেখাঃ DM Rahat

17/03/2026

কাজী জাবের আল-জাহাঙ্গীর। Part 22

17/03/2026

কাজী জাবের আল-জাহাঙ্গীর। Part 21

17/03/2026

কাজী জাবের আল-জাহাঙ্গীর।

রোজা কথাটি যদিও বাংলায় চালু, কিন্তু ইহা ফার্সি ভাষা হতে এসেছে। উর্দুতে রোজাই বলা হয়। কিন্তু আরবিতে ইহাকে সিয়াম বলে। য...
21/02/2026

রোজা কথাটি যদিও বাংলায় চালু, কিন্তু ইহা ফার্সি ভাষা হতে এসেছে। উর্দুতে রোজাই বলা হয়। কিন্তু আরবিতে ইহাকে সিয়াম বলে।

যে ব্যক্তি সিয়াম পালন করে তাকে বলে সায়েম।

এখন প্রশ্নটি হলো, সিয়াম বলতে কি বুঝায়? সিয়াম অর্থ হলো, প্রত্যাখ্যান, বর্জন, ত্যাগ বিরত থাকা। সুতরাং যে ব্যক্তি এই প্রত্যাখ্যান বর্জন ত্যাগ এবং বিরত থাকার প্রচেষ্টায় লিপ্ত তাকে সায়েম বলে তথা রোজাদার বলে।

দুই আমি-র ভেজাল হতে পরিত্রাণ পাবার জন্য, মুক্তিলাভ করার আশায় যে আমি-টি নকল আমি-টিকে বর্জন করার প্রচেষ্টায় লিপ্ত তাকেই রোজাদার বলা হয়। আরবিতে তাকে বলা হয় সায়েম। ইহাই রোজার তথা সিয়ামের মূল উদ্দেশ্য।

নফসের ভেতর খান্নাসরুপি শয়তানটিকে তাড়িয়ে দেওয়ার সাধনার নামটি হল সিয়াম।

ছয় রিপুর মাধ্যমে যাহা মনমগজে বাসা বাঁধতে থাকে উহাই একটি একটি করে হিসাব করে বর্জন করে দেওয়ার সাধনার নামটি হলো সিয়াম।

আপন নফসের সঙ্গে যে-খান্নাসটিকে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে উহাই লোভ,মোহ,মাৎসূর্য, কাম, ক্রোধ এবং অহংকার নামক আবর্জনা,যা মানুষকে সঠিক পথ হতে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তাই এই ষড়রিপুর বন্ধনটিকে সম্পূর্ণরূপে উপড়িয়ে ফেলার জন্য সিয়াম একটি উপযুক্ত এবং সুন্দর মাধ্যম।

- কালান্দার বাবা জাহাঙ্গীর

📝নবী ও রসুল সম্পর্কে আলোচনা  পাঠ ৭অর্থাৎ 'এবং প্রত্যেক জাতির জন্য আছে একজন রসুল। যখন তাদের রসুল আসে তাদের মধ্যে বিষয়টি ব...
23/01/2026

📝নবী ও রসুল সম্পর্কে আলোচনা

পাঠ ৭

অর্থাৎ 'এবং প্রত্যেক জাতির জন্য আছে একজন রসুল। যখন তাদের রসুল আসে তাদের মধ্যে বিষয়টি বিচার করা হয় ন্যায়পরায়ণতার সহিত এবং তাদের করা হয় না অবিচার।'

তারপর কোরানের ষোল নম্বর সূরা নহলের ছত্রিশ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, 'ওয়ালাকাদ বা আছনা ফিকুল্লি উম্মাতির রাসূলান আনিবু দুল লা হা ওয়াজতানিবুত্ তাগুতা।'

অর্থাৎ 'এবং সত্যসত্যই আমরা প্রত্যেক জাতির মধ্যে একজন রসুল পাঠাই, যাতে তারা আল্লাহর ইবাদত এবং তাগুতবর্জন করে।

এখানে একটু বলে রাখা ভাল যে, এই 'তাগুত' শব্দটির অর্থ নিয়ে অনেক ঘাপলা হয়েছে। তাই এই 'তাগুত' শব্দটির শাব্দিক অর্থ এবং এর সামান্য ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন।

তারপর কোরানের পঁয়ত্রিশ নম্বর সূরা ফাতিরের চব্বিশ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, 'ইন্না আরসানাকা বিল হাক্কি বাশীরাউ ওয়ানাজিরা ওয়াইমিন উম্মাতিন ইললা খালা ফিহা নাজির।'

অর্থাৎ 'নিশ্চয়ই আমরা তোমাকে সত্যসহ সুসংবাদদাতা এবং সতর্ক কারীরূপে পাঠিয়েছি, এবং (এমন) একটি জাতিও নেই যাদের মধ্যে সতর্ক কারী পাঠানো হয় নি।'

তারপর কোরানের চৌত্রিশ নম্বর সূরা সা'বার চৌত্রিশ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, 'ওয়ামা আরসালনা ফি কারইয়াতিম মিন্নাজিরিন ইল্লা কালা মুর্তাফুহা ইন্না বিমা উরসিলতুম বিহি কাফিরুন।'

অর্থাৎ 'এবং আমরা লোকালয়ের মধ্যে এমন কোন সতর্ককারী পাঠাইনি কিন্তু সম্পদশালীরা বলত, "তোমরা যা কিছু সহ প্রেরিত হয়েছে আমরা তা অবিশ্বাস করি।""

এই আয়াতের একটি শব্দের প্রতি খুব ভাল করে লক্ষ করে দেখুন। সেই শব্দটিতে একটি মারাত্মক ইঙ্গিত পরিষ্কার চোখে দেখুন। শব্দটি হল 'সম্পদশালীরা' অর্থাৎ সম্পদ যারা জমা করে তাদেরকেই লক্ষ করে কত বড় উপদেশটি দেওয়া হয়েছে। সম্পদশালী হবার প্রতি কত বড় ঘৃণা নিক্ষেপ করা হয়েছে। কারণ, এই সমস্ত সম্পদশালীরা মানব সমাজের বুকে সব সময় মানবিক আহ্বানগুলো কেবল প্রত্যাখ্যানই করে না, বরং দৃঢ়তার সাথে বাধা প্রদান করার যত রকম কলাকৌশল অবলম্বন করা যায় তা ব্যবহার করতে মোটেই লজ্জিত হয় না। তা হলে কোরানের দর্শনে সম্পদশালীদের স্থান কোথায়? নরকের জঘন্য কুটিরেই যে এদের অবস্থান হবে সেই কথা কি পরিষ্কার ভাবে বুঝায় না? তাহলে ব্যক্তিমালিকানায় সম্পদ জমা করার জঘন্য

🧠তথ্য: মারেফতের বাণী।
👉পৃষ্ঠা নং: ১৫১
🖋️লেখক: কালান্দার বাবা জাহাঙ্গীর বা ঈমান আল সুরেশ্বরী

🚩ফকিরনী দরবার শরীফ
স্থান: চুনকুটিয়া, চৌধুরীপাড়া, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।

বইটি সংগ্রহ করতে এবং দরবার সম্পর্কিত যে কোন প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগ করুন-

☎️হট লাইন নাম্বার:
০১৩০২-৩৯৪৬৫৬

Address

Sirajganj, Ullapara, Salap
Sirajganj
6763

Telephone

+8801827354209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুফিবাদ আত্মপরিচয় একমাত্র পথ/বাবা জাহাঙ্গীর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সুফিবাদ আত্মপরিচয় একমাত্র পথ/বাবা জাহাঙ্গীর:

Share

Category