Sylhet Stone Suppliers

Sylhet Stone Suppliers We deliver in accordance with the work order.

আপনার স্বপ্নের নির্মানের জন্য,- সিলেট, মেঘালয়,ফুজিয়ানার, সকল সাইজের ভান্গা পাথর,সিলেট বালু ও সিংগেলস সরবরাহ করে থাকি নির্দিষ্ঠ সার্ভিস চার্জের মাধ্যমে_

14/02/2026

মানুষের পেটে লাথি মেরে কোনো উন্নয়ন চাই না!
২০২৬ সালে বাংলাদেশের মানুষ প্রমাণ করেছে তারা কতটা সচেতন। জনগণের রায় এখন পরিষ্কার। আমরা এমন এক সরকার চাই যারা জনবিচ্ছিন্ন হবে না, বরং মানুষের অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের নিরাপত্তা দেবে।

আমাদের দাবি ও প্রত্যাশা:

মানুষ যেন ফকির না হয়: সরকারের কোনো ভুল সিদ্ধান্তে যেন সাধারণ মানুষ নিঃস্ব হয়ে না যায়। উন্নয়ন হতে হবে মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য, কাউকে পথে বসানোর জন্য নয়।

পরিবেশের নামে অবিচার বন্ধ হোক: পরিবেশ রক্ষার অজুহাত দেখিয়ে যারা সাধারণ মানুষের রুটি-রুজি কেড়ে নিয়েছিল, তারা আজ নিজেরাই জর্জরিত। মানুষের দীর্ঘশ্বাস আর অভিশাপ খুব ভারী জিনিস, প্রকৃতিও এদের ক্ষমা করে না।

সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলন: আমাদের দাবি—পাথর উত্তোলনে সব ধরণের রোবোটিক বা যান্ত্রিক পদ্ধতি বন্ধ হোক। এমনকি পাথর লোড করতেও কোনো যন্ত্র ব্যবহার করা চলবে না।

শ্রমিকের অধিকার: আমরা যারা শুরু থেকে পাথরের কাজের সাথে জড়িত ছিলাম, আমাদের জীবনকে স্বাভাবিক করে দেওয়া হোক। মানুষের হাতের কাজ মানুষকে ফিরিয়ে দিন।

কিছু মানুষের সুবিধার জন্য লাখো মানুষের পেটে লাথি মারা বন্ধ হোক। মেহনতি মানুষের দোয়া আর ভালোবাসাই হোক আগামী সরকারের শক্তি।

#সিলেট #পাথর_শ্রমিক #শ্রমিকের_অধিকার #পাথর_কোয়ারি_খুলে_দাও #পেটে_লাথি_মেরো_না #সনাতন_পদ্ধতি_চাই #বাংলাদেশ২০২৬ #মেহনতি_মানুষের_দাবি #সিলেটের_পাথর

24/08/2025

মেঘালয় থেকে বাংলাদেশে এই সাদা পাথর আসার পুরো প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ভূতাত্ত্বিক ধাপে সম্পন্ন হয়:

ভারতের মেঘালয় মালভূমি (Meghalaya Plateau) মূলত গ্রানাইট ও নাইস-এর মতো শক্ত শিলা দ্বারা গঠিত।

লক্ষ লক্ষ বছর ধরে বৃষ্টি, বাতাস এবং তাপমাত্রার পরিবর্তনের ফলে এই শক্ত শিলাগুলো ক্ষয় হতে থাকে। এই প্রক্রিয়াতে শিলা থেকে কোয়ার্টজের মতো কঠিন খনিজগুলো আলাদা হয়ে নুড়িতে পরিণত হয়।

বর্ষাকালে বা পাহাড়ি ঢলের সময়, খরস্রোতা পাহাড়ি নদীগুলো (যেমন পিয়াইন ও ধলাই) শক্তি নিয়ে নেমে আসে। এই প্রবল স্রোত তখন ক্ষয়প্রাপ্ত নুড়ি, বালি ও পাথরগুলোকে ঠেলে বাংলাদেশের দিকে নিয়ে আসে।

নদীগুলো যখন মেঘালয়ের খাড়া ঢাল বেয়ে বাংলাদেশের সমতল ভূমিতে প্রবেশ করে, তখন এদের গতি হঠাৎ করে কমে যায়।

ফলে, নদীগুলো আর ভারী পাথর ও নুড়িগুলোকে বহন করতে পারে না। তখন এই পাথরগুলো নদীর বাঁকে বা চরে জমা হতে থাকে। ভোলাগঞ্জ ও জাফলং ঠিক এমনই দুটি স্থান।

এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে ভূতত্ত্বের ভাষায় প্লাসার ডিপোজিট (Placer Deposit) বলা হয়।

এখন যেহেতু আমরা জানি এই পাথরগুলো একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সীমান্তে এসে জমা হয়, সেহেতু আমাদের পরবর্তী বিষয়গুলো হলো সম্পদের পরিমাণ (Estimated Resources) এবং খনির প্রকৃতি (Nature of Deposit)।

এই পাথরগুলো কোনো সুরঙ্গ বা গভীর গর্ত খুঁড়ে তৈরি করা খনি থেকে তোলা হয় না।

এগুলো সরাসরি নদীর তলদেশ এবং নদীর তীরে জেগে ওঠা চর থেকে সংগ্রহ করা হয়। তাই এর খনির প্রকৃতি হলো উন্মুক্ত বা সারফেস ডিপোজিট (Open/Surface Deposit)।

ভূতাত্ত্বিক ভাষায়, একে প্লাসার ডিপোজিট (Placer Deposit) বা এলুভিয়াল ডিপোজিট (Alluvial Deposit) বলে, যেখানে মূল্যবান খনিজ (এখানে পাথর) নদীর স্রোতের মাধ্যমে এক জায়গায় জমা হয়।

এর সাথেই আমাদের পরের দুটো বিষয় সম্পর্কিত।

সম্পদ পরিমাণ (Estimated Resources) ও খনির প্রকৃতি (Nature of Deposit)

খনির প্রকৃতি: এটি একটি নবায়নযোগ্য (renewable) ভান্ডার। প্রতি বছর বর্ষায় উজান থেকে নতুন পাথর ভেসে এসে জমা হয়, তাই এর পরিমাণ পুরোপুরি নির্দিষ্ট নয়। পুরনো পাথর তুলে ফেলার পরেও নতুন করে পাথর এসে জমা হয়।

সম্পদ পরিমাণ: যেহেতু এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, তাই এর মোট পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন। তবে, বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (GSB) বিভিন্ন সময়ে জরিপ চালিয়েছে। যেমন, শুধু ভোলাগঞ্জেই প্রায় ১০.৬ কোটি ঘনফুট পাথরের মজুদ অনুমান করা হয়েছিল। তবে এই সংখ্যাটি প্রতি বছর বদলায়।

সবচেয়ে বড় মজুদ: সবচেয়ে বড় এবং বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ মজুদটি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জে অবস্থিত।

ক্ষুদ্র মজুদ: জাফলং, বিছানাকান্দি এবং লোভাছড়ার মতো অন্যান্য স্থানেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মজুদ রয়েছে, তবে ভোলাগঞ্জের তুলনায় কম।

====

উনবিংশ শতকে ব্রিটিশ ভূতত্ত্ববিদরা প্রথম এই স্তরকে বর্ণনা ও মানচিত্রে চিহ্নিত করেন সিলেট অঞ্চলের (তৎকালীন আসাম প্রদেশ) কাছাকাছি এলাকায়, তাই নাম হয় Sylhet Limestone।

আসলে এই স্তর শিলং মালভূমি থেকে শুরু করে মেঘালয়, আসাম ও সিলেট সীমান্ত জুড়ে বিস্তৃত।

খনি মেঘালয়ে হলেও বাংলাদেশ কিভাবে সুবিধা পায়?

মেঘালয়ের পাহাড় থেকে এই পাথর নদীপথে (ধলাই, পিয়াইন, গোয়াইন) নেমে এসে সিলেটের পাদদেশে জমা হয় - প্রাকৃতিক সঞ্চয়ন এলাকা (ভোলাগঞ্জ, জাফলং, বিছানাকান্দি ইত্যাদি)।

বাংলাদেশে নদী তীরের এই সঞ্চিত পাথর তুলতে খনি খনন লাগে না, শুধু সংগ্রহ করলেই হয়।

খনি মেঘালয়ে তাহলে তো বেশির ভাগ সম্পদই মেঘালয়েই থেকে যাওয়ার কথা। তাই না?

হ্যাঁ, ভূতাত্ত্বিকভাবে ঠিক তাই - মূল স্তর ও খনির বড় অংশ মেঘালয়ের ভেতরে।

কিন্তু পাথরটা যেহেতু পাহাড়ি নদীর মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশে আসে, তাই মেঘালয়ের ভেতরে থেকে গেলেও এর একটা বড় অংশ প্রাকৃতিকভাবে সীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশে জমা হয়।

আপনি এইভাবে ধরতে পারেন-

মেঘালয়ে মূল উৎসঃ
চুনাপাথরের স্তর পাহাড়ের ভেতরে থাকে, সেখানে সরাসরি খনন করে পাথর তোলা হয় (ভারতীয় কোম্পানি যেমন Lafarge, Komorrah ইত্যাদি)।
= এগুলো ভারতের বাজারে যায় বা আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে রপ্তানি হয়।

বাংলাদেশে প্রাকৃতিক সঞ্চয়নঃ

ভারী বর্ষা + পাহাড়ি নদীর তীব্র স্রোত = পাথর, নুড়ি, বালি পাহাড় থেকে ভেসে এসে সিলেটের ভোলাগঞ্জ, জাফলং, বিছানাকান্দি ইত্যাদিতে জমা হয়। এই অংশ বাংলাদেশে তুলতে আলাদা খনি খনন লাগে না। বাংলাদেশ বিনা খরচে প্রাকৃতিক "ডেলিভারি" পায়।

====

এই সাদা পাথরগুলো অত্যন্ত শক্ত ও টেকসই হওয়ায় বাংলাদেশের নির্মাণ শিল্পের মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ভবন, সেতু, কালভার্ট, এবং সড়ক নির্মাণে যে কংক্রিট তৈরি করা হয়, তার জন্য এই পাথর অপরিহার্য। সিলেট থেকে এই পাথর সারা দেশে সরবরাহ করা হয়।

ভোলাগঞ্জ ও জাফলং অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের জীবিকা এই পাথর উত্তোলনের ওপর নির্ভরশীল। পাথর সংগ্রহ, ভাঙা, এবং পরিবহনের সাথে বিশাল এক কর্মী বাহিনী জড়িত।

কিন্তু,

অপরিকল্পিতভাবে এবং অতিরিক্ত পাথর উত্তোলনের ফলে নদীর তীর ভাঙন, নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং জলজ বাস্তুতন্ত্রের (aquatic ecosystem) মারাত্মক ক্ষতি হয়। বোমা মেশিনে সাহায্যে নদী থেকে পাথর তোলার কারণে পরিবেশের ওপর চাপ বেড়েছে এবং এই দোহাই দিয়ে শুরু হয় এক নতুন খেলা!

পরিবেশবাদীরা মাঠে নেমে পড়েন! ঠুকে দিলেন রিট!

====

২০১৮ সালে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর দায়ের করা রিটের প্রেক্ষিতে সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলোকে সরকারিভাবে Environmentally Critical Area (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং পাথর উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

এর ফলে জাফলং, সাদাপাথরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো থেকে পাথর উত্তোলন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়, যা সরকারি আদেশের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় স্থানীয় কোয়ারির শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখোমুখি হন।

২০১৮ সাল থেকে এই নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘকাল ধরে বহাল থাকে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বজায় থাকে, যদিও দেশের অন্যান্য এলাকায় ধীরে ধীরে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা শুরু হয়।

২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের সকল পাথর কোয়ারিতে উত্তোলন স্থগিতের নির্দেশ দেয়, যা সিলেটের কোয়ারিতেও প্রযোজ্য থাকে। এই নির্দেশের ফলে পাথর উত্তোলন “পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত” বন্ধ থাকে।

শেষ পর্যন্ত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ সালে পূর্বের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়, ফলে সিলেটসহ দেশের সব পাথর ও বালু মহাল থেকে পাথর, বালি ও সাদা মাটি উত্তোলনের উপর আর কোনো বিধিনিষেধ থাকে না।

তবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশবাদী গোষ্ঠীগুলো এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

সামগ্রিকভাবে, ২০১৮ সাল থেকে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত সিলেটের পাথর কোয়ারিতে দীর্ঘকালীন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল, যা স্থানীয় পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল।

====

ধরে নেন, এসবই উপরওয়ালার রহমত হিসেবে আমাদেরকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, সেই রহমত গ্রহণ না করলে কি হতে পারে?

আপনাদের মনে আছে সিলেটের ভয়াবহ বন্যার কথা?

দীর্ঘ ১১ বছর যে অঞ্চলে বন্যা হয়নি হঠাৎ সে অঞ্চলে বন্যা হয় ২০১৮ তে। তারপর ২০১৯ ও ২০২০, পর পর ৩ বছর সিলেটে বন্যা হয়! আর ২০২২ ও ২০২৪ এ যে বন্যা হয়েছে তা ছিলো ১২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভয়াবহ বন্যা!

এই বন্যার অনেক গুলো কারণ থাকতেই পারে। কিন্তু আমার দৃষ্টি পড়ে অন্য একটি ঘটনায়।

২০১৮ সালে বছরের শুরু থেকেই সিলেটে পাথর উত্তোলনের উপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়, আর একই বর্ষা মৌসুমেই বড় বন্যা দেখা দেয়।

নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর মাত্র ৪–৬ মাসের মধ্যেই এই বন্যা হওয়ায় প্রভাব থাকলেও তা দ্রুত বোঝা কঠিন ছিল।

পরের বছর ২০১৯ সালে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকে এবং প্রায় ১২–১৫ মাস পর আবারও বড় বন্যা ঘটে। দীর্ঘ ব্যবধানের কারণে এখানে নদীর পলি জমা, পানির প্রবাহের ধরণ পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় প্রভাব ফেলতে পারে।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সারা দেশে পাথর উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ জারি হয়, আর প্রায় চার মাস পর জুন–জুলাই মাসে বন্যা হয়। এই স্বল্প ব্যবধানে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব আলাদা করে নির্ণয় করা কঠিন হয়ে যায়।

অন্যদিকে, ২০২২ সালের রেকর্ড বন্যার সময় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল প্রায় চার বছর ধরে।

এত দীর্ঘ সময় পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকার পরও ভয়াবহ বন্যা হওয়া প্রমাণ করে যে শুধুমাত্র উত্তোলন বন্ধ রাখা বন্যা প্রতিরোধে যথেষ্ট নয়; বরং অতিবৃষ্টি, উজান থেকে নেমে আসা পানি এবং নদীর ধারণক্ষমতা হ্রাসের মতো প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক কারণ এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

একইভাবে, ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার সময় নিষেধাজ্ঞা চলছিল প্রায় ছয় বছর ধরে, তবুও বন্যার তীব্রতা কমেনি।

সুতরাং দেখা যায়, স্বল্প ব্যবধানের ক্ষেত্রে (যেমন ২০১৮ ও ২০২০) নিষেধাজ্ঞা ও বন্যা প্রায় একই বর্ষায় মিলে গেছে, আর দীর্ঘ ব্যবধানের ক্ষেত্রেও (যেমন ২০২২ ও ২০২৪) পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকলেও বন্যার প্রকোপ কমেনি।

ফলে অনুমান করা যায়, পাথর উত্তোলন বন্ধ রাখা স্থানীয় নদীর কিছু পরিবেশগত ক্ষতি কমাতে পারে, কিন্তু বড় মাপের বন্যা প্রতিরোধে এর ভূমিকা সীমিত, কারণ মূল কারণগুলো প্রাকৃতিক ও বৃহত্তর ভৌগোলিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

যেই সময়টিতে আমাদের দেশে পাথর উত্তোলনের উপর নিষেধাজ্ঞা চলে, সে সময়ে সীমান্তের ওপাশে শত শত পাথর উত্তোলন করার কোয়ারি স্থাপন করে, পাহাড় কেটে বিপুল পরিমাণ পাথর সংগ্রহ করে।

আল্লাহ যা কিছু রহমত হিসেবে আমাদেরকে দিয়েছেন তাও আবার যাতে তুলতে না পারে সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। কতো বড় হারামি চিন্তা করেন একবার।

বেশি কিছু আর বললাম না, দিল্লীর হয়ে খেলাটা আলু ভালোই খেলেছে এইবার!

আমি মূখ্য-সুখ্য মানুষ। এ ব্যাপারে তক্ক করতে পারিব না। মনে যা চায় তাই লিখলাম। বাকি আপনারা যা ভালো মনে করেন, করেন!

'আমি ভাই কোনো ভাগ-টাগ পাই নাই পাত্থরের'। এই আমি আগেই বলে রাখলুম।

সংশোধনঃ ভোলাগঞ্জের চেয়ে বিছানাকান্দিতে পাথরের পরিমাণ অনেক বেশি।

লেখা : রাশেদ হাসান আকাশ

10/08/2025

🪨 সমগ্র বাংলাদেশে পাথর ও বালি সাপ্লাই 🚚

আমরা সিলেট থেকে সরাসরি সব ধরনের পাথর ও বালি আপনার কাছে পৌঁছে দিই —
✅ ভাঙা পাথর (Stone Chips)
✅ নদীর পাথর (River Stone)
✅ বোল্ডার পাথর (Boulder Stone)
✅ গার্ডেনের জন্য শোভাময় পাথর (Decorative Garden Stone)
✅ নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত2.5/2.2 বালি

💼 আমাদের প্রতিশ্রুতি: নদীপথে এবং সড়ক পথে

সারা দেশে যেকোনো স্থানে পরিবহন সুবিধা

📞 অর্ডারের জন্য যোগাযোগ করুন
email: [email protected]

পেমেন্ট সিস্টেম: আলোচনা সাপেক্ষে।

25/01/2025

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত
→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ পানি লাগে ২১ লিটার।
→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে
১০ টি ইট লাগে।
→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)
গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
→ ছলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।
→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট
লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।
→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,
খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।
বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব
আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক
ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)
অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।
→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে
————++-———++—-—
→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)
→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)
কনভার্ট এর জন্য:-
——–++—–——-
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
# রডের হিসাব
———————————————
1″ = 8 suta
1/2″ = 4 suta
1/4″= 2 suta
1/8″ = 1 suta
বি.দ্র:- ১ সুত = ৩.২০ মিলি প্রায়।
# রডের ওজন {(dia x dia) ÷162.2 }÷3.28 = kg
——————————————————–
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।

17/01/2025

ভারতের যে গ্রামে কন্যাসন্তান জন্মালে শতাধিক গাছ লাগানো হয় 🌱☘️🌿

🌟 সিলেট স্টোন সাপ্লাইয়ারস এর  পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা 🌟সম্মানিত ক্রেতা, শুভাকাঙ্ক্ষী সহযোগী এবং সকল ধৈর্যশ...
15/01/2025

🌟 সিলেট স্টোন সাপ্লাইয়ারস এর পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা 🌟

সম্মানিত ক্রেতা, শুভাকাঙ্ক্ষী সহযোগী এবং সকল ধৈর্যশীল বিনিয়োগকারী ভাই-বোনদের জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আমাদের বিশেষ বার্তা:
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর, সিলেট স্টোন সাপ্লাইয়ারস আবারও পাথর সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করেছে। এটি সম্ভব হয়েছে আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতার জন্য।

আমাদের সেবা:
আমরা বাংলাদেশের সকল স্থানে সিলেটের সকল কোয়ারীর পাথর ও বালি সরবরাহ করে থাকি।
✔️ আপনার চাহিদা অনুযায়ী সঠিক সাইজ ও মানের পণ্য।
✔️ নির্ভরযোগ্য সেবা।
✔️ সময়মতো ডেলিভারি।

আমাদের পাশে থাকুন এবং আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখুন।

যোগাযোগ করুন আজই!
📞 [০১৭৫৭২৬১৭৮১]
📍 সিলেট স্টোন সাপ্লাইয়ারস

আপনার ভরসা, আমাদের দায়িত্ব।

হ্যাশট্যাগ সমূহ:

#পাথর_বালি_সরবরাহকারী








#পাথরের_মানের_নির্ভরতা



#সিলেট_পাথর_বাজার



#পাথরের_দায়িত্বে_আমরা




👉 আপনার পছন্দের পাথর এবং বালি পেতে এখনই যোগাযোগ করুন।

14/01/2025
14/01/2025
13/01/2025

ইনশাআল্লাহ সিলেটের সকল পাথর কোয়ারী খুব দ্রুতই চালু হবে অভিশাপ মুক্ত হবে বাংলাদেশের প্রশাসন।

14/06/2024

তোমাদের অসুখ তোমাদের থাকুক,
আমার সুখ হলো
গরমে একগ্লাস #কোক।

Address

Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sylhet Stone Suppliers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sylhet Stone Suppliers:

Share

Category