TeeMotion

Directions Website

TeeMotion "হাজারো হারার মাঝেও জেতার শেষ চেষ্টার নাম হলো বিশ্বাস। 💪"
(1)

পূজার শপিং মানেই তো নতুন জামা, নতুন জুতো আর আলোর রোশনাই। কিন্তু এবার একটু অন্যরকম ভাবলে কেমন হয়? 🛍️✨আচ্ছা, কাপড়ের দোকানে...
17/09/2026

পূজার শপিং মানেই তো নতুন জামা, নতুন জুতো আর আলোর রোশনাই। কিন্তু এবার একটু অন্যরকম ভাবলে কেমন হয়? 🛍️✨
আচ্ছা, কাপড়ের দোকানের মতো এমন কোনো দোকান যদি থাকত—যেখান থেকে নিজের জন্য একটা সুন্দর 'গুণ' বা 'চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য' কিনে নেওয়া যায়, তবে আপনি নিজের জন্য কোনটা বেছে নিতেন?কেউ হয়তো কিনতেন 'অসীম ধৈর্য', কেউ 'অল্পতেই খুশি থাকার ক্ষমতা', আবার কেউ হয়তো 'সব পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার গুণ'।এবারের পূজায় আপনি নিজের ভেতর কোন নতুন গুণটি যোগ করতে চান? কমেন্টে জানান আমাদের! 👇
: #নতুনগুণ #শুভপূজা

এই যে বিনা কারণে মন খারাপ হয়ে যাওয়া... এটা কি শুধু আমারই হয়, নাকি আপনারাও এই দলের?" 🤷‍♂️           #চলতিহাওয়া  TeeMotion
15/09/2026

এই যে বিনা কারণে মন খারাপ হয়ে যাওয়া... এটা কি শুধু আমারই হয়, নাকি আপনারাও এই দলের?" 🤷‍♂️ #চলতিহাওয়া TeeMotion

জীবন খুবই মজার... শূন্য হাতে এসে সারাজীবন যা পাওয়ার জন্য আমরা লড়াই করি, শেষমেশ সেই সবকিছু এখানেই ফেলে আবার শূন্য হাতেই চ...
14/09/2026

জীবন খুবই মজার... শূন্য হাতে এসে সারাজীবন যা পাওয়ার জন্য আমরা লড়াই করি, শেষমেশ সেই সবকিছু এখানেই ফেলে আবার শূন্য হাতেই চলে যেতে হয়। এটাই জীবনের চরম সত্য। ⏳✨

কেন আমি তোমাকে ভালোবাসিকলমে: জীবনআমি কালভার্টের শ্যাওলা পড়া ইটের ওপর বসে খবরের কাগজের একটা ছেঁড়া পুড়িয়া খুললাম। চৈত্র মা...
14/09/2026

কেন আমি তোমাকে ভালোবাসি
কলমে: জীবন

আমি কালভার্টের শ্যাওলা পড়া ইটের ওপর বসে খবরের কাগজের একটা ছেঁড়া পুড়িয়া খুললাম। চৈত্র মাসের কড়া রোদে পুড়িয়ার ভেতরের সবুজ কাঁচের টুকরোগুলো হিরের মতো জ্বলজ্বল করছিল।হঠাৎ চারপাশের ঝাঁঝালো রোদটা উধাও হয়ে এক চেনা বুনো ফুলের সুবাসে ভরে উঠল চারপাশ। চিলদের কর্কশ ডাক ছাপিয়ে কানে এল এক জোড়া রূপোর পৈঁছের মিষ্টি রিনঝিন শব্দ।"আবার এই তপ্ত রোদে এখানে এসে বসে আছ জীবনদা?"চমকে তাকিয়ে দেখলাম, নন্দিনী। ওর সেই ডাগর চোখ, চুলে গোঁজা নীল অপরাজিতা আর ঠোঁটের কোণে মায়াবী হাসি। আমার বয়স তখন কুড়ি, আর ও আমার চেয়ে এক বছরের ছোট। ঠিক যেমনটা চিরকাল ছিল।ও আমার পাশে বসে খুব নিচু গলায় জিজ্ঞেস করল, "কেন তুমি আমাকে এখনো এতটা ভালোবাসো জীবনদা? ঠিক কী কারণে?"আমি ওর হাতটার দিকে তাকিয়ে আলতো করে হাসলাম। "তোমাকে কেন ভালোবাসি, নন্দিনী? কারণ, যখন ম্যাট্রিক পরীক্ষায় ফেল করার পর পুরো দুনিয়া আমার ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, তখন একমাত্র তুমি আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলে। নিজের ওড়না দিয়ে আমার কপালের ঘাম মুছে দিয়ে বলেছিলে—'আমি জানি তুমি ঠিক পারবে।'মনে আছে সেই বর্ষার রাতের কথা? যখন আমাদের ভাঙা চাল দিয়ে জল পড়ছিল আর বাবা হাঁপানির টানে ছটফট করছিলেন, তখন ঘুটঘুটে অন্ধকারে লণ্ঠন হাতে কে আমার আগে আগে ওষুধের খোঁজে ছুটেছিল? তুমি! সেদিন কাদামাখা পায়ে তোমার ওই লণ্ঠনের আলোটা আমার কাছে ভগবানের আলোর মতো লেগেছিল।"নন্দিনীর চোখ দুটো ততক্ষণে ভিজে উঠেছে। আমি কাগজের পুড়িয়াটা ওর সামনে ধরলাম। অলৌকিকভাবে সেখানে আর কোনো ভাঙা কাঁচের টুকরো ছিল না, ওটা ছিল একগাছা আস্ত রেশমি সবুজ চুড়ি।আমি একটা একটা করে চুড়ি ওর হাতে পরিয়ে দিতে দিতে বললাম, "আজ যদি কেউ জিজ্ঞেস করে ভালোবাসা কী? আমি বলব—সারাদিন খাটাখাটনির পর যার হাতের এই চুড়ির রিনঝিন শব্দ আমার মনের সব জ্বালা জুড়িয়ে দেয়, আর মনে হয় বেঁচে থাকার একটা মস্ত কারণ আছে; সেটাই ভালোবাসা। আর আমার জীবনে সেই কারণটার নাম তুমি।"নন্দিনী আবেগে আমার কাঁধে মাথা রাখল। ও ফিসফিস করে বলল, "আমিও তোমাকে খুব ভালোবাসি জীবন..."ঠিক তখনই একটা তীব্র ধাক্কায় পুরো মায়াটা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল।"ওই দেখ, দেখ! পাগলটা আবার কালভার্টের ওপর বসে একা একা হাত নাড়াচ্ছে! মাথাটা পুরো গেছে লোকটার!"পাড়ার ছেলেদের নিষ্ঠুর হাসির আওয়াজে আমি ধড়মড় করে বাস্তবতার মাটিতে আছাড় খেলাম। আমি আবার সেই একই স্বপ্ন দেখছিলাম!চোখ মেলে দেখলাম, কোনো নন্দিনী নেই। চৈত্র মাসের গনগনে রোদে আমি একা বসে আছি। আমার ছেঁড়া জামা, আর আমার হাতের পুড়িয়াটায় রাখা শুধু রাস্তা থেকে কুড়িয়ে আনা কয়েকটা ভাঙা বোতলের কাঁচ। রাস্তার ওপারে দাঁড়িয়ে লোকগুলো আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে।সবাই আমাকে পাগল বলে। হ্যাঁ, এই পুরো গ্রাম আমাকে আজ উন্মাদ বলে ডাকে। কিন্তু ওরা তো জানে না, আজ থেকে দু বছর আগে এই কালভার্টের পাশেই একটা লরি এসে পিষে দিয়ে চলে গিয়েছিল আমার নন্দিনীকে। সেদিন ও আমার দেওয়া বুনো ফুল আর হাতে কাঁচের চুড়ি পরে আমার জন্যই অপেক্ষা করছিল। রক্তের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল ওর হাতের সবুজ চুড়িগুলো।ওরা ভাবে আমি শূন্যে হাত নাড়াই। কিন্তু আমি তো চোখ বন্ধ করলেই আমার সেই কুড়ি বছরের সোনালী অতীতে ফিরে যাই, যেখানে নন্দিনী আজও আমার জন্য হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। দুনিয়ার চোখে আমি এক হতভাগ্য পাগল হতে পারি, কিন্তু আমার হৃদয়ে নন্দিনী আজও জ্যান্ত। লোকে আমাকে পাগল বললে বলুক, আমি তো জানি—আমি আজও শুধু ওকেই ভালোবাসি।

#গল্প #ছোটগল্প #ভালোবাসা #আবেগ #জীবন #বাংলাগল্প

নোনা জলের বাসন্তী গাঁয়ে আমাদের মতো গরিব ঘরের ছেলেদের কোনো রঙিন স্বপ্ন দেখতে নেই। বাবা যখন বুক সমান নদীর জলে নেমে মীন ধরত...
13/09/2026

নোনা জলের বাসন্তী গাঁয়ে আমাদের মতো গরিব ঘরের ছেলেদের কোনো রঙিন স্বপ্ন দেখতে নেই। বাবা যখন বুক সমান নদীর জলে নেমে মীন ধরতো, আমি তখন ভাঙা ডিঙি নৌকো নিয়ে চরের গরান বনের দিকে কাঠ কুড়োতে যেতাম। নুন আনতে পান্তা ফুরানো এই সংসারে আমার জীবনের একমাত্র শান্তি ছিল— কুসুম। ওর কোনো দামি গয়না ছিল না, পরনে থাকতো সস্তা সুতির শাড়ি। কিন্তু আমি ভালোবেসেছিলাম খেয়া পারাপারের সময় নদীর নোনা বাতাসে ওর ওই অলৌকিক চোখের পলক ফেলাতে।কুসুম যখন প্রতিদিন বিকেলের খেয়ায় আমার নৌকোয় উঠতো, চরের সব ক্লান্তি নিমেষেই দূর হয়ে যেত। ও নৌকোর এক কোণে চুপচাপ বসে জলের দিকে তাকিয়ে থাকতো, আর আমি ভাঙা দাঁড় টানতে টানতে আড়চোখে দেখতাম ওর চোখের পাতার ওপর এসে পড়া বিকেলের শেষ নরম রোদ। যেই ও আলতো করে চোখের পলক ফেলতো, আমার মনে হতো এই নোনা গাঙের বুকেই আমার একটা আস্ত স্বর্গ নেমে এসেছে।আমাদের প্রেমটা শহরের মতন কোনো দামি ক্যাফেতে বসে কফি খাওয়ার ছিল না। আমাদের প্রেম ছিল ভাঙা নৌকোর গলুইতে বসে একটা সস্তার লেবেনচুষ ভাগ করে খাওয়া। কোনোদিন মুখে বড় বড় ভালোবাসার কথা বলা হয়নি, শুধু চোখের ভাষায় আমরা একে অপরকে ভালোবেসেছিলাম। আমি ঠিক করেছিলাম, এবার শীতে যখন নদীর জল কমবে, তখন একটু বেশি করে কাঠ কুড়িয়ে হাটে বেচে কুসুমের জন্য লাল পেড়ে একটা শাড়ি কিনবো। তারপর ওর বাবার হাত ধরে বলবো— "আমি কুসুমকে ভালো রাখি বা না রাখি, ওরে ছাড়া আমি বাঁচবো না।"কিন্তু আমাদের মতো গরিবের কপালে সুখ সয় না...সে বছর আশ্বিনের শেষে আকাশ কালো করে এলো, আর সেই সাথে মাতলা নদীর রাক্ষুসে বান। গ্রামের মাটির বাঁধ ভেঙে হুড়মুড় করে নোনা জল ঢুকতে শুরু করলো। কুসুমদের মাটির ঘরটা ছিল নদীর একদম পাড়ে। মাঝরাতে যখন চারদিকে হাহাকার আর চিৎকার শুনলাম, আমি নিজের জানের তোয়াক্কা না করে ঝড়ের মধ্যে নৌকো নিয়ে ছুটলাম ওদের ঘরের দিকে।দূর থেকে দেখলাম, ওদের খড়ের চালটা জলের তোড়ে ভেসে যাচ্ছে। কুসুম চালের একটা বাঁশ ধরে বাঁচার জন্য ছটফট করছে। আমি মরিয়া হয়ে দাঁড় টেনে নৌকোটা ওর কাছে নিয়ে গেলাম। চিৎকার করে বললাম, "কুসুম, আমার হাতটা শক্ত করে ধর!"কুসুম কাঁপা কাঁপা নোনা হাতে আমার হাতটা ধরলো। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে একটা মস্ত বড় গাছের গুঁড়ি এসে ধাক্কা মারলো আমার পুরোনো নৌকোয়। নৌকোটা তাসের ঘরের মতো ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। আমি জলের তলা থেকে কোনোমতে ভেসে উঠে কুসুমকে টেনে এক টুকরো কাঠের ওপর তুললাম। কুসুম তখন শীতে আর ভয়ে কাঁপছে। ও আমার দিকে তাকালো, ওর চোখের পাতায় তখন নোনা জল আর বৃষ্টির জল মিশে এক হয়ে গেছে। ও শেষবারের মতো আমার দিকে তাকিয়ে আলতো করে একটা চোখের পলক ফেললো... ঠিক যেমনটা ও প্রতিদিন বিকেলে নৌকোয় বসে আমার দিকে তাকিয়ে ফেলতো। তারপর একটা তীব্র জলের স্রোত ওকে আমার হাত থেকে ছিঁড়ে নিয়ে অতল নদীর বুকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল।আমি বাঁচলাম, কিন্তু আমার কুসুম আর ফিরে এলো না।আজ তিন বছর কেটে গেছে। বাসন্তী গ্রামে এখন আবার নতুন করে মাটির বাঁধ তৈরি হয়েছে, নদীও শান্ত। কিন্তু প্রতিটা বিকেলের জোয়ারে আমি যখন একা নদীর চরে আসি, আমার চোখের সামনে শুধু কুসুমের সেই শেষ চাউনিটা ভেসে ওঠে। গ্রামের মানুষ বলে, আমি নাকি পাগল হয়ে গেছি। কারণ আমি নাকি মাঝনদীতে ভাঙা নৌকোর গলুইয়ের দিকে তাকিয়ে একা একাই কথা বলি, একা একাই কাঁদি।ওরা বোঝে না, আমি তো কুসুমের শরীরটাকে ভালোবাসিনি। আমি ভালোবেসেছিলাম তার শেষবার চোখের পলক ফেলাতে... আর সেই পলক ফেলার মুহূর্তে বাসন্তীর এই নোনা গাঙের বুকেই আমার জীবনের সময়টা চিরকালের জন্য থমকে গেছে।— সমাপ্ত
—
কলমে: জীবন
Comment pat 2

10/09/2026

নারীদেরকে আমরা রানী বলে কিন্তু তাদেরকে আমরা কি স্বাধীনতা দি😌🥰🥰
#নারী_অধিকার #বাস্তবতা TeeMotion

10/09/2026

আজ যারা লাইভে এসে তাদের নিজেদের ডেট অফ বার্থ এবং নাম সুন্দর করে লিখে দিয়ে যাবে আমি তাদের সম্পর্কে তিন মাস আগে হয়ে যাওয়া ঘটনা বলে দেবো এবং আগের তিন মাস সম্পর্কে একটা ধারণা দিয়ে দেবো।

"Your Network is your Net Worth" — প্রতিদিন স্ক্রল করতে করতে কথাটা কতবার যে চোখে পড়ে, তার হিসেব নেই। কিন্তু সত্যি বলতে, ...
09/09/2026

"Your Network is your Net Worth" — প্রতিদিন স্ক্রল করতে করতে কথাটা কতবার যে চোখে পড়ে, তার হিসেব নেই। কিন্তু সত্যি বলতে, ২০ বছর বয়সে এসে একা ঘরের চার দেয়ালে বসে মাঝেমাঝে বুকটা কেঁপে ওঠে।

সবাই বলে মানুষের সাথে মেশো, নেটওয়ার্ক বাড়াও, কথা বলার দক্ষতা তৈরি করো। কারণ আজকের দিনে এটাই নাকি সবচেয়ে দামি স্কিল। আমিও এটা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি।

কিন্তু একা একা ঘরে বসে যখন ভাবি কীভাবে শুরু করব, কোথায় যাব, কার সাথে কথা বলব— তখন এক অজানা জড়তা আর দ্বিধা এসে সামনে দাঁড়ায়।আমি বুঝতে পারছি, শুধু ফোনের স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে থাকলে বা ঘরে বন্দি থাকলে ক্যারিয়ার বা জীবন কোনোটিই বদলাবে না।

আমার জেনারেশনের অনেকেই হয়তো এই একই দোলাচলে ভুগছে।আমাদের ভুলগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য, আমাদের একটু পথ দেখানোর জন্য অভিজ্ঞদের পরামর্শ খুব প্রয়োজন। তাই আজ কোনো পোস্টার বা বাণী শেয়ার করতে আসিনি, সরাসরি আপনাদের কাছে হাত পেতেছি একটু দিকনির্দেশনার জন্য। জেনারেশন গ্যাপ ভুলে আজ না হয় আমাদের একটু পথ দেখালেন?

আপনাদের কাছে আমার বিনীত প্রশ্ন:আপনারা যারা জীবনের এই সময়টা পার করে এসেছেন, আপনারা যদি আজ আমার জায়গায় ১৮ থেকে ২০ বছরের একজন তরুণ হতেন, তবে একা ঘরে বসে থাকা বাদ দিয়ে মানুষের সাথে যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক বাড়ানোর জন্য সবার আগে ঠিক কোন কাজটা করতে চাইতেন?

এমন কী একটা কাজ যা করলে মানুষের সাথে মেশার জড়তাটা দ্রুত কেটে যায়?কোন ভুলটা আপনারা করেছিলেন যা আপনারা চান না আমরা করি?নিচে কমেন্টে আপনাদের মূল্যবান অভিজ্ঞতা বা পরামর্শটি শেয়ার করুন।

আপনাদের দেওয়া একেকটি মন্তব্য আমার মতো হাজারো তরুণের জন্য মেন্টরশিপের মতো কাজ করবে। আমরা শিখতে প্রস্তুত, আপনারা কি শেখাতে রাজি আছেন?

👇

08/09/2026

You are not always broken by life; sometimes you are killed by your own thoughts." 🖤

Address

India Westbangla
Basanti
743329

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TeeMotion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share